ইউজার লগইন

নিলিমা খান'এর ব্লগ

বড় দেরিতে বুঝতে পারা কাগজের নৌকো

ঘরের চালে কত ফুটো ছিল আমাদের, বর্ষাকে আমরা অনুভব করেছি জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে। সাহিত্যের বর্ষা নয়, আমাদের ঐশ্বর্যময় করেছে জীবনযাপনের বর্ষা। বিকেল থেকেই টিপটিপ বৃষ্টি, তারপর কত রাত যে মুষলধারে নামা বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভেঙে গেছে আমাদের!

এমনতো কথা ছিল না

‘‘সবুরে মেওয়া ফলে‘‘ এ উক্তির সঠিক ও যথার্থ বাসত্মবতাকে আকড়িয়ে ধরে শিক্ষায় দীক্ষা লাভে সহনশীল ও ধৈর্য্যের ইস্পাত কঠিন পরীক্ষায় কাদের নামক এক যুবকের জীবন আজ দুর্বিসহ, বিপন্ন যন্ত্রণায় কাতর। সত্যিই কি ‘‘সুবচন নির্বাসনে‘‘ এ আত্ম-জিজ্ঞাসা কাদের ও কাদেরের জীবন কাহিনী ?

অবিশ্বাস্য হলে ও প্রকৃত সত্য যা এখানে , তা হুবহু উদ্ধৃত হচেছ। হয়ত প্রশ্ন জাগরিত হওয়া স্বাভাবিক , একটা প্রবাদ ও আছে,‘‘এক হাতে তালি বাজে না‘‘। কিন্তু এক্ষেত্রে চিরন্তনী যা প্রকাশে তাতে এক পেশে হলে ও যা সত্য তা চিরদিন , চিরকাল সত্য। প্রশ্ন থাকবে , কাদের কি ধুয়া তুলশী পাতা?হ্যাঁ, সত্য যা অকপটে স্বীকারোক্তিতে অবশ্যই মর্যাদা, সম্মান বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ প্রেক্ষাপটে কাদেরের জীবনালেখ্য সমালোচিত হোক যুগ থেকে যুগান্তরে, অনাদিকাল, অনন্ত সময় ব্যাপি। কেন এমন হল -এ আত্ম-জিজ্ঞাসা সমাজ, জাতি, গোত্র তথা স্রষ্টার বরাবরে?

একটি মরা গরুর তাজা কাহিনি -রম্য রচনা

একটা সময় ছিল, যখন গৃহস্থ বা কৃষকের গরু মারা গেলে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হতো। এখন আর সেটা হয় না। তারা অনেক সচেতন হয়েছে। মরা গরু মাটি চাপা দেয়।
সেই সময় ভাসিয়ে দেওয়া মরা গরু ফুলে উঠত। আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াত। গরু ভাসতে ভাসতে চলে যেত ভাটির দিকে। নদী ব্যবহার করা মানুষের অসুবিধা হলেও সুবিধা হতো ঋষিদের।
আমাদের পাশের গ্রামে ছিল ঋষিপল্লি। এখনো আছে। তারা ঢাকঢোল বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। তবে এখন অনেকের পেশা বদল হয়েছে।

নিম্নবিত্ত সেই ঋষিদের মধ্যে দেখেছি মরা গরু নিয়ে চরম উৎসাহ। কৃষকের গরু মরলেও লাভ হতো ঋষিদের। মরা গরু থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নিয়ে সেটা অন্যত্র বিক্রি করত।
মরা গরুর চামড়ার মালিক হওয়ার একটা প্রক্রিয়া ছিল। সেটা বলি।
হয়তো দেখা গেল ইছামতী নদী দিয়ে কোনো মরা গরু ভেসে যাচ্ছে। সেই খবর যেই তাদের কানে পৌঁছাত, অমনি বাড়ির পুরুষ ঋষিরা ছুটত নদীর দিকে। এমন ছুটে যাওয়া দেখেছি অনেকবার। আমাদের বাড়ির সামনের মেঠো পথ দিয়ে তাদের প্রাণপণ ছুটে যাওয়া।

স্বাস্হ্য বিষয়ক টিপস

কুকুর বা অন্য জন্তুর কামড়ের পর করণীয়

১। প্রচুর পানি ও ক্ষার যুক্ত সাবান দিয়ে ক্ষতস্থানটি ধুয়ে ফেলুন।
২। অ্যান্টিসেপকি বা পভিডন/হাইড্রোজেন পার আয়োডিন লাগিয়ে দিন।
৩। ক্ষতস্থানটি ঢাকবেন না।
৪। ক্ষতস্থানে হলুদ গুড়া, বাম, পিতলের থালা, চুন, ভেষজ, ঝাল ইত্যাদি কিছুই লাগাবেন না এবং করা পড়া খাওয়াবেন না। কারণ তাতে কোন ও লাভ হয় না বরং ক্ষতস্থানের আর ক্ষতি হয়।
৫। ক্ষতস্থানে যাকা লাগাবেন না বা পোড়াবেন না।
৬। মাদুলি অথবা জাদুটোনায় ভরসা করবেন না।
৭। যতদ্রুত সম্ভব রোগীকে ডাক্তার, ক্লিনিক বা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।
উচ্চ রক্তচাপ কি?

রক্তনালীর মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় রক্তনালীর গায়ে রক্ত যে প্রয়োগ করে সেটাকেই রক্তচাপ বলে। রক্তচাপ মাপার সময় আমরা দুধরণের রক্তচাপ পেয়ে থাকি- সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ। কারো রক্তচাপ বয়স এবং পুরুষ/মহিলা ভেদে সার্বাজনীনভাবে স্বীকৃত স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি পাওয়া গেলে তখন উক্ত রোগী উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত বলে ধরে নেয়া হয়।

পুড়ে যাওয়া রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা

পুড়ে যাওয়া রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা: