নিসর্গের বুক চিরে ছুটে চলেছি
বর্ষার কি এক গূঢ় মন্ত্র আছে―ঘোর লাগা প্রকৃতির পরতে পরতে শিহরণ বুনে রাখে! পথের দু’পাশে বন, সেগুনের শাখাগুলি আচ্ছন্ন সবুজ ময়ূরীর মতো ফুলে ফুলে পেখম মেলেছে মহুয়া মিলনে। দু’ধারের অফুরন্ত সবুজের বুক চিরে আমি ছুটে চলেছি আর নিসর্গ যেন আমার চোখের উপর অবলীলায় শান্তির প্রলেপ বুলিয়ে দিচ্ছে অপার স্নিগ্ধতায়। একের পর এক নেকাব সরিয়ে সে আমাকে দেখাচ্ছে তার বুনো যৌবন আর আমি কাঙাল জ্ঞানদাসের মতো কেঁদে উঠছি তার প্রতি অঙ্গের পরশ নেবার জন্য। জলে ডুবে টইটুম্বুর ফসলের মাঠ। ধবল বকের ঝাঁক কিছুক্ষণ কপট ধ্যানী সেজে জলমগ্নতার তলপেটে ডুবো-ঠোঁট চুমু খেয়ে আকাশের নীলে উড়ে গেল। এক ঝাঁক বুনোগন্ধী বাতাস বৃষ্টি ভেজা ডাহুকের মতো জলের অজস্র বিন্দু গায়ে মেখে নিয়ে ছুট লাগালো তাঁদের পিছু পিছু। আমাকে স্তব্ধবাক করে দিয়ে বাহারি প্রজাপতির মতো নেচে উঠে আনন্দিত উড়াল দিল নিবের ডগায় একে একে জমে উঠা যত্নলালিত শব্দগুলো; আমার আর কবিতা লেখা হলো না।





হলো তো কবিতা। শুধু একটু এডিট করা লাগতো
একজন মায়াবতীর হাতে সম্পাদনার নির্মম ছুরি কাঁচি দেখলেই জীবনানন্দের "নগ্ন নির্জন হাত" কবিতাটির কথা মনে পড়ে যায়। শুভপ্রীতি!
সুন্দর।
ধন্যবাদ, লীনা!
সুন্দর
ধন্যবাদ টুটুল। নিসর্গ সত্যিই তুলনাহীনা।
সুন্দর লেখা।
ঐ কঞ্চির উপর মাছরাঙার ছদ্মবেশ প'রে ব'সে আছে সুন্দর
ঝলমলে সর্বনাশ আমার
আপনের না লেখা কবিতারে ভালো পাইলাম...
হাতে তুলে দিতে গিয়ে স্বর্গের অমৃত মধু
যদি দিই নরকের তিতকুটে স্বাদ, নেবে?
মানুষ এত কঠিন কঠিন শব্দ ব্যবহার করে কেম্নে সেটাইতো বুঝিনা। যাউকগা লেখা ভাল হইসে।
চলুন সব কঠিন শব্দদের দল বেঁধে নিয়ে যাই জ্যোৎস্নার ঝরণায়, অনেক মমতার কোমলতা মেখে হোক তাঁদের স্নিগ্ধস্নান হৃদয়ের গহন সবুজ বনে!
সুন্দর।
প্রায় রোজ আমি বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে অফিস বাড়ি করি আর ভাবি এমন একটা বিশ্রী জিনিস নিয়ে মানুষ রোমান্টিক হয় কিভাবে?
আর তো কবিতা লেখার দরকার নেই।
মন্তব্য করুন