ইউজার লগইন

অপূর্ব চাঁদনী'এর ব্লগ

দেয়াল ঘেরা পাথর

আমার কান্নার অবশিষ্ট গুলো জল হয়ে আস্তে আস্তে তোমার কংক্রিটের মনের দেয়ালে আঘাত করে। সেই আঘাতে ক্রমেই নরম হয়ে যায় দেয়ালের পলেস্তারাগুলো, ক্রমেই ছুটে যেতে চায় দেয়াল থেকে, ক্রমেই দূরত্ব বাড়তে থাকে মনের সাথে। এই ছুটে যাওয়া, দূরত্ব বাড়তে থাকার নাম-ই হয়তো বিচ্ছেদ...

বিচ্ছেদ সইতে পারেনা কেউ কোনোদিন। তা আমি বুঝি...তাই তো মনের দেয়াল জুড়ে জমে থাকা পলেস্তারাগুলো আজকাল বড্ড শব্দ করে কাঁদে। সেই কান্না আমার চোখ বেয়ে মিশে যায় তোমার বুকের সমতলে।
কখনও কখনও সেই কান্না বয়ে বেড়ায় সময়। কিন্তু সময় সময়ের নিয়ম ভাঙ্গেনা। সময়ের পরিবর্তনে বিমূঢ় হয় স্থবিরতা, আর চঞ্চলতার শেষ ঠাঁই হয় প্রয়াণে, নয়তো মহাকালের অ্যালবামে।
আমি বিশ্বাস করি, তুমি তোমার মনটারে কংক্রিট দিয়ে বানাওনি। বানিয়েছে এই সময়, সমাজ, বাস্তবতা... এই মনটা এক সময় অবুঝ ছিলো, খুউব অবুঝ। সেই অবুঝতাই কাল হয়েছে কালের বিবর্তনে, সমাজ আর বাস্তবতার রুক্ষতায়। একজন মানুষ নামের প্রাণীর কারণে।
তাই তো বুঝ না তুমি আমাকে... আমার গুমট কান্নাকে...আমার ভালবাসা কে।

তুমিত্বের মাঝে আমিত্ব

বড় বেশী পাগলামী করি আমি....
অনেক ব্যাস্ততার মাঝেও তোমার কথা ভাবতে ভুলি না...
তোমাকে মেসেজ দিতে ভুলি না...
তোমার ছবি দেখতে ভুলি না...
তোমার খোজ নিতে ভুলি না...
আর তুমি একটু ব্যাস্ত হলেই এসব কিছুই করো না...
কারণ এখন তোমার অনেক ব্যাস্ততা...
তবে কি আমাক নিয়ে ভাবার সময়টুকুও নেই আজ তোমার..thumb_lonely-lost-sad-teddy-bear-woods-Favim.com-44395.jpg

সারা দিনের কথা গুলো জমিয়ে রাখি রাতে তোমাকে বলব বলে আর আমি রাতে যা বলি পরের দিন সকালে তোমার তা মনে থাকে না। সারা দিনের অবসাধ, ভালো লাগা, খারাপ লাগা সব তোমায় বলি আর তুমি সে গুলা ভুলে যাও। আমার কত কষ্ট লাগে বল তো।
এভাবে বার বার আমাকে কষ্ট না দিয়ে এক বারে তোমার জীবন থেকে ছুরে ফেলে দাও। সহ্যের সিমা তা আবার কবে ভেঙ্গে যায় আমার, তাহলে তোমাকে একা করে দিয়ে এক বারে চলে যাব।
পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক
হল সেটা -
যখন তুমি অপরজনের হাত ধর
এবং সে তোমার সাথে চলা শুরু
করে ,,
কিন্তু সে প্রশ্ন করেনা

"ভয় পেয়ো না, আমি আর পিছু ফিরে আসব না"

যদি কখনও শোনো এই আমি আর নেই এই সুনীল ধরায়,
জানি কাঁদবে হয়ে অসহায়,
কিন্তু ভয় পেয়ো না আমি আর পিছু ফিরে আসব না ।

কাক ভোরে অথবা কোনো এক সকালে,
যদি মনে পরে যায় অতীতের কোনো কথা,
এক ফোঁটা হলেও ঝরিও তোমার দুটি চোখের পানি,
না না ভয় পেয়ো না আমি আর পিছু ফিরে আসব না ।

যদি কখনও হাঁটতে হাঁটতে একলা মনে হয় নিজেকে,
চোখ বন্ধ করে ডেকো একটিবার এই আমাকে,
ছাঁয়ার মতো থাকব তোমার প্রতিটি পদক্ষেপে,
ভয় পেয়ো না চিরো কালের মতো তোমার কাছে পিছু ফিরে আমি আসব না।

যদি কখনো মেঘলা আকাশে দেখতে পাও ঐ চাঁদটাকে,
বইছে মাতাল হাওয়া এমন কোনো রাতে,
চাঁদের মাঝে যদি দেখো আমার সেই চেহারা,
একটু মনে করো বলেছিলাম তোমায় এমন কোনো একটি রাতের কথা,
যে রাতে আমার স্মরণে পরবে চোখের পানি হাজার জনের মাঝে থেকেও একলা হবে তুমি যাকে বলে ভীরের মাঝেও একা,
একটু কেঁদো মন খুলে,
না না ভয় পেয়ো না আসব নাকো আমি ।

জানি থাকবে না মনে এই আমাকে,
তোমার প্রথম ভালোবাসা নই আমি।
জানি অনেক ভুল করেছি ক্ষমা করো তুমি।
সত্যি বলছি আর কোনোদিনও ফিরব নাকো আমি।

"পারলে আমায় মনে রেখো আর ভালো থেকো তুমি ।"

অলিখিত আমার তুমি

তুমি আমার জীবনের অলিখিত অধ্যায় কিন্তু তোমাকে নিয়ে আমি বেশি লিখি। অলিখিত অধ্যায় বলেই যন্ত্রণার কারণ হয়ে ওঠে মাঝে মাঝে। অবশ্য এটাও ঠিক যে জ্বালা-যন্ত্রণা-দুঃখের মাঝেও একটা সুক্ষ আনন্দ বোধ থাকে। আর তাছাড়া দুঃখ কে যেচে আপন করে নেয়া মানুষের স্বভাবচারিতার বড় দিক।

মনের কোনে অতি গোপনে অভিমানী একটা মন লুকিয়ে থাকে। সেই মনটা খেয়াল চায়, সঙ্গী চায়, গুরুত্ব পেতে চায়।সেই মনটা চায় তাকে একান্ত করে কেউ ভালবাসুক।

সেই মনটা চায় তার কাছের মানুষগুলো সবার আগে তার দিকটা দেখুক,তারপর অন্যকিছু।

বিবেক কিন্তু বাঁধ সাধে কারন একটু স্বার্থপরতা তো হয়েই যায় আর যখনই মনের কথা বাদ দিয়ে বিবেকের সাথে মত মিলাই তখন ই হয় সবচাইতে বড় স্বার্থপরতা।তবে সেটা নিজের সাথে।কিন্তু এ স্বার্থ-পরতায় নিজের ছাড়া আর কারো কোন ক্ষতিই হয় না।

আমি সবার কথা ভাবি কিন্তু কারো একটু সময় হয় না আমার কথা গুলা শুনার, আমি সবার সব কথা শুনি কিন্তু কারো একটু সময় হয় না আমার হাসির মাঝে লুকানো কান্নাগুলকে বুঝার। বড্ড একা লাগে এই বিশাল ধরণীর বুকে।

আমি ভাবি সব মানুষ্‌ই কিন্তূ একা।