ইউজার লগইন

রম্য গল্পঃ চামচাম বুদবুদ (হাসান রায়হান ভাইকে)

বিদেশ থেকে বিনোয়োগকারী এসেছে বাংলাদেশে। ইনভেষ্ট করার আগে দেশের অবস্থা সরেজমিন সার্ভে করতে চান। গভীর রাতে বিমান বন্দর থেকে সরাসরি ৫তারা হোটেলে পৌঁছে যান। তখন লোড শেডিং থাকায় বাইরে অন্ধকার ছাড়া কিছুই চোখে পড়েনি। বিনোয়োগকারীর নাম মিষ্টার মাইক।

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই মিষ্টার মাইক বানিজ্য মন্ত্রলালয়ে ফোন করে উনার ইচ্ছার কথা বানিজ্য মন্ত্রীর কাছে জানান। মন্ত্রী সাহেব মিষ্টার মাইককে বলেন আপনি একটু অপেক্ষা করুন, কিছুক্ষনের মধ্যেই গাইড পাঠিয়ে দিচ্ছি। এবার মন্ত্রী সাহেব ভাবলেন বিদেশী পার্টিকে বাগাতে হলে একজন উৎকৃষ্ট চামু দরকার (চামু= তৈলবাজ, চামচা)। যেই ভাবা সেই কাজ, মন্ত্রী সাহেব তাৎখনিক ডাকসাইটের এক চামুকে খবর দিয়ে মিষ্টার মাইকের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। এখানে উল্লেখ্য যে, চামুটা কিছুদিন আগেও লুঙ্গী ছেন্টু গেঞ্জী পড়তো, চামচামিতে পসার হওয়ার পর এখন টাইটুই লাগিয়ে ঘুরে। এরই মাঝে মোটামুটি ইংরেজীও রপ্ত করে ফেলেছে। (এখানে সমস্ত কথোপকথন বাংলায় চলবে) চামুর সবচেয়ে বড়গুন হচ্ছে সবপ্রশ্নের উত্তর তার কাছে আছে।

চামু হোটেলে পৌঁছেই মিষ্টার মাইককে একটা লম্বা সম্ভাসন দিয়ে কুশল জিজ্ঞাস করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়ল। যেমনঃ ছার রাইতে ঘুম কেমন হইছে? ছার খাওয়া দাওয়ায় কোন সমস্যা কিনা? কেউ কোন সমস্যা করলে আমারে বলবেন, খাড়ার উপ্রে সব তারখাম্বার লাহান টাক সিদা করে দিব ইত্যাদি ইত্যাদি। মিষ্টার মাইক মোটামুটি বিরক্তি হয়েই বললেন সব ঠিক আছে চল আমরা শহর দেখব।

হোটেল থেকে টেক্সি ভাড়া করে বেড়িয়ে পড়ল দুজন। কিছু দূর যেতেই মিষ্টার মাইকের চোখে পড়ল হাজার হাজার রিক্সা। এমন অদ্ভুত যান দেখে তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ মাই গড, এইগুলো কি?
চামুঃ ছার, এইগুলো হইতেছে আমাদের জাতীয় সম্পদ রিক্সা।
মিষ্টার মাইকঃ একজন মানুষ পশুর মত কয়েকজনকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে, এটাতো খুবই অমানবিক!
চামুঃ কি বলেন ছার, এতো জনসম্পদের উতকৃষ্ট ব্যাবহার। আমরা মানব সম্পদ উন্নয়নে কাজ করছি। তাছাড়া মনে করেন রিক্সা চালাইতে জ্বালানী লাগেনা বিধায় তেলের উপ্রে চাপ কমল পেলাছ পরিবেশ দূষনও হইলোনা। রিক্সা অত্যন্ত পরিবেশ বান্ধব ছার । আমাদের সরকার রিক্সা উন্নয়নের উপ্রে কাজ করে যাচ্ছে।
সিএনজি দেখে মিষ্টার মাইক আঁতকে উঠলেন। আরে এর চালক খাচাঁর ভেতর বন্দী কেন?
চামুঃ ছার চালককে স্বাধীনতা দিতেই এই ব্যাবস্থা করা হইছে। ড্রাইভিং এর সময় চালককে যাতে কেউ ডিস্টার্ব করতে না পারে সেই জন্যই খাঁচা। আমরা ছার স্বাধীনতার ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন।
বিষ্ময় কাটতে না কাটতেই তাদের টেক্সি সিগনালে এসে থামলো, মিষ্টার মাইক দেখলেন সবুজ বাতি জ্বলছে কিন্তু গাড়ী সব খাঁড়া। একজন ট্রাফিক পুলিস হাত ইসারায় এ দিকের সব গাড়ী থামিয়ে দিয়ে অন্য পাসের রাস্তা ক্লিয়ার করছে। মিষ্টার মাইক চুপ থাকতে না পেরে জিজ্ঞাস করলেনঃ গ্রীন সিগনাল জ্বলছে অথচ লোকটা গাড়ী থামিয়ে রেখেছে কেন?
চামুঃ হেঃহেঃহেঃ ছার এইটা হইলো জনগনকে হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া।
মিষ্টার মাইকঃ হাতে কলমে শিক্ষা মানে?
চামুঃ মাইনে হইতেছে গিয়া জনগন সমস্ত ক্ষমতার উৎস হলেও আসল ক্ষমতা নিয়ন্ত্রকদের হাতে অর্থাৎ নেতাদের হাতে। তারা যা করবে ও বলবে সেইটাই আইন, জনগন সেই আইন মানতে বাধ্য। আর নেতারা জনগনের মঙ্গলের জন্য জান-জীবন দিয়া ফেলাইতেছে সবসময়। ট্রাফিক পুলিশটাকেই দেখেন, ক্যামন ঠাডা রইদের মইধ্যে জনগনকে সার্ভিস দিয়া যাচ্ছে। (চামুর মুখে তৃপ্তির মুচকি হাসি) মিষ্টার মাইক ভাবছেন এ আমি কই আইলাম মাবুদ?
কিছুক্ষন পর তারা খেয়াল করল রাস্তা পুরাপুরী বন্ধ। সব গাড়ী থেমে আছে আর সবাই একযোগে গগনবিদারি হর্ণ বাজাচ্ছে। মিষ্টার মাইক জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখলেন একটা ট্রাক আর একটা মিনিবাস আড়াআড়ি ভাবে রাস্তার মাঝখানে থেমে আছে আর রিক্সা ও সিএঞ্জি মিলে সামনে পিছে পুরারাস্তা ব্লগ দিছে। ট্রাক ও মিনিবাসের ড্রাইভারকে দেখা যাচ্ছে না। উনি বিরক্ত হয়ে চেচিয়ে উঠলেন একি অবস্থা? এরা রাস্তার মাঝখানে পার্ক করেছে নাকি? চামু তাৎখনিক খোঁজ নিতে বেরিয়ে কিছুক্ষনের মধ্যেই ফিরে এসে বললঃ মাইনকা জাম লাগছে ছার। দুইতিন ঘন্টার আগে মনে হয় ছুটবেনা। তারচেয়ে চলেন আমরা হেটা ধরি। মিষ্টার মাইক বিরক্তি নিয়ে বললেন, বাস আর ট্রাকের চালক মাঝ রাস্তায় গাড়ী রেখে কোথায় গেছে?
চামুঃ তারা দুই জনই চা খাইতে গেছে ছার।
মিষ্টার মাইকঃ মানে? জাম লাগিয়ে দিয়ে চা খেতে গেছে? দেশে কি আইন কানুন নাই?
চামুঃ এইটা কি বলেন!! সবার ব্যাক্তি স্বাধিনতাইতো গনতন্ত্র ছার। তাদের মনে চাইছে তারা চা খাইতে গেছে। তাদের পায়েস খাইতে মনে চাইলে তারা পায়েস খাবে। আমি আপনে বাধা দেয়ার কে? আমাদের দেশ গনতন্ত্রের চারণভূমি ছার। এখানে সবার নিজস্ব স্বাধীনতা আছে।
মিষ্টার মাইক গজগজ করতে করতে গাড়ী থেকে নেমে চামুর পেছনে হাটা ধরলেন। কিছু দূর এগুতেই দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরলেন। পাশেই খোলা ডাস্টবিন উপচে পড়ছে ময়লায়। কয়েকটা কুকুর বেড়াল ও কাক মনের সুখে সেগুলো ঘাটছে, ময়লা গলে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মিষ্টার মাইক চেচিয়ে উঠলেনঃ ওহ খোদা! এই আমি কি দেখছি। তোমাদের ডাষ্টবিনের এই দুরবস্থা কেন?
চামুঃ ছার দুরবস্থার কি দেখলেন? এইটা হলো সমবন্টন। কেউ খাবেতো কেউ খাবেনা তা হবেন তা হবেনা। কুত্তাবিলাই কাউয়া বোবা জাত বইল্যা কি আল্লার সৃষ্টি না? তাদের একটা অধিকার আছেনা? ছেন্তিমেন্টে আঘাত করবেন্না ছার, আমরা সম্পদের সমবন্টনে বিশ্বাসী।
মিষ্টার মাইক আনমনে ডাষ্টবিনের দিকে তাকাতে তাকাতে অল্পের জন্য একটা ঢাকনা খোলা ম্যানহোল মিস করলেন। লক্ষ করতেই প্রায় চিতকার করে উঠলেনঃ হোয়াট দ্যা বীপ। এমন ফুটপাতের মাঝখানে খোলা ম্যানহোলের মানে কি?
চামুঃ এইটা ছার বলতে পারেন জনগনকে সচেতনতা শিক্ষা দেয়ার আরেকটা উপায়। রাস্তায় চলতে হলে ডানে বামে তাকিয়ে চলবা। তেরিবেরী কইরা গায়ে হাওয়া লাগাইয়া চলবা তো এক্কেরে ভিত্রে। হেহেহেহে
মিষ্টার মাইক পুরোপুরি হতাস হলেন এবার। হাতাসা কাটতে না কাটতেই সামনে পড়ল একটা বসতি। ঝুপড়ি ঘরগুলোর চারদিকে হাড়জিরজিরে কতগুলো মানুষ। লেংটা কিছু ছেলে পেলে সারা শরীরে ময়লা নিয়ে অকারণ ছুটোছুটি করছে। এমন দৃশ্য দেখে মিষ্টার মাইক চমকে গেলেন। বিড়বিড় করে বললেন, শহরের মাঝখানে একি অবস্থা? নামুষগুলো এখানে পশুর মতো কিভাবে জীবন জাপন করছে।
চামুঃ না মানে ছার! এইগুলান হইলো আন্তর্যাতিক চক্রান্ত। কুচক্রি মহল দারিদ্রের দুষ্টচক্র আমাদের দিকে লেলিয়ে দিয়েছে? আমাদের আপামর জনতাকে তারা দারিদ্রের বেড়াজালে আটকে ফেলতে চাইছে। ইত্যাদী ইত্যাদী বলতে বলতে চামু হাত পা ছুড়ে কাঁপা গলায় মোটামোটি স্টেজের একটা ভাষন ঝেড়ে দিলো।
মিষ্টার মাইকঃ কিন্তু কারা চক্রাত করছে?
চামুঃ এই ব্যাপারে আমাদের কোন ধারনা নাই ছার। তবে আন্তর্যাতিক চক্রান্ত যে চলতেছে এই ব্যাপারে শিউর।
মিষ্টার মাইকঃ নাহ আমি আর দম নিতে পারছিনা এখানে, আমাকে শহরের বাইরে গ্রামের দিকে নিয়ে চলো।
চামুঃ গ্রাম পাইবেন কৈ ছার? উন্নয়নের জোয়াড়ে সব গ্রাম ভাইস্যা গেছেগা, এখন শহর আর শহর। তারচেয়ে চলেন আশুলিয়ার দিকে যাই। খোলা পরিবেশ খোলা হাওয়া।

একটা টেক্সি ক্যাবে তারা আসুলিয়ার একটা নির্জন যায়গায় থামলো। খোলা পরিবেশ মিষ্টার মাইকের খুব ভালো লাগছে চার দিক ঘুরেফিরে দেখছেন। কিন্তু কিছুদুর যেতেই দেখলেন রাস্তার দুপাশের গাছ সমানে কাটা হচ্ছে। তিনি চামুকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ একি এরা সব গাছ কেটে ফেলছে কেন?
চামুঃ ছার, আমাদের নেতা এখানে বৃক্ষ রোপণ অভিজান উদ্ভোধন করবেন, টিভির নিউজে তা দেখানো হবে। তাই গাছ কাটা চলছে।
মিষ্টার মাইকঃ হলি কাউ!!! গাছ লাগাবেতো খালী যায়গায় লাগাও, এগুলো কাটছ কেন? তোমাদের দেশতো প্রতিবছরই বন্যার কবলে পড়ে। এভাবে গাছ কাটলেতো তোমাদেরই ক্ষতি।
চামুঃ বন্যার ব্যাপারে সরকার খুব সচেতন ছার। এ ব্যাপারে আমরা সবসময়েই কার্য্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করে থাকি।
মিষ্টার মাইকঃ বন্যা রোধে কি ব্যাবস্থা নাও তোমরা?
চামুঃ মনে করেন কোন এলাকায় বন্যা হইলো। তখন আমাদের কোন নেতা সেখানে সরেজমিন ভিজিটে যান। উনি জায়গায় দাঁড়িয়েই ব্যাবস্থা গ্রহন করেন।
মিষ্টার মাইকঃ সেই ব্যাবস্থাটা কি?
চামুঃ যদি সেই এলাকায় নদীর পানির বিপদ সীমা ৬০ ইঞ্চি হয় তবে নেতা নিজ হাতে বিপদ সীমার কাটাকে আরো বিশ ইঞ্চি উপ্রে তুলে ৮০ ইঞ্চি করে দেন। এতে আশা করা যায় পরবর্তী দশ বছরে বন্যার পানি বিপদ সীমার কাটাকে ছুঁতে পারবেনা। এটা অত্যন্ত কার্য্যকর ব্যাবস্থা ছার।

মিষ্টার মাইক আর কিছুই ভাবতে পারছেনা। মনে মনে তিনি বলছেন, এদেশের জনগনকে আমার স্যালুট। এতো কিছু তারা কিভবে সহ্য করে ভাবতেই অবাক লাগে।
পাব্লিক চাইলে চলবে............
নোটঃ দৌড়ের উপ্রে লেখা এই রম্য প্রয়াস হাসান রায়হান ভাইয়ের নামে কোরবানী করা হইলো। তরিঘড়ি করে লেখা তাই বানান ত্রুটি রয়েছে, ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরুধ।

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাঈদ's picture


হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাওয়ার ইমো হইপে।

তোফা তোফা ।

চলুক।

সোহেল কাজী's picture


ব্যাপকজ ধনিয়াজ ভ্রাত

জ্যোতি's picture


সোহেল কাজী's picture


কিতা হইলো? জয়িবু গড়াগড়ি খায় ক্যানু

হাসান রায়হান's picture


সাধু সাধু! রম্য ভালা পাইছি। কুরবানীর জন্য ধইন্যা।

সোহেল কাজী's picture


ভালা পাইছেন বলে ভালা লাগ্লো, আপ্নেরে অয়েল্কু

অরিত্র's picture


ভাল লাগলো
চলা উচিত অবশ্যই

সোহেল কাজী's picture


অনেক ধন্যবাদ

ফারজানা লুসি's picture


onek moja laglo...dhonnobad..je likhechen.........take:)

১০

সোহেল কাজী's picture


ধন্যবাদ পকেটে রাখলাম :) অনেক ধন্যবাদ aponakeO

১১

আপন_আধার's picture


 অবশ্যই চলুক

১২

সোহেল কাজী's picture


অনেক ধন্যবাদ

১৩

নুশেরা's picture


এ ধরণের প্লটে রম্যগুরু সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের একটা সিরিয়াস উপন্যাস আছে- "এক্স"। না পড়ে থাকলে ট্রাই করতে পারেন।

দৌড়ের উপর না লিখলে রম্য আরও উপভোগ্য হবার সুযোগ ছিলো বলে মনে হয়। যা হয়েছে তার জন্যও     সম্পূরক প্রশ্ন: চামচাম বুদবুদ কেন অচিন্দারেই উৎসর্গ করা হইলো, চামু চরিত্রটা কি উনার কার্যক্রম হইতে কোনরকম অনুপ্রেরণা পাইছে?

১৪

তানবীরা's picture


আমিও তাই ভাবছিলাম নুশেরা

১৫

সোহেল কাজী's picture


:) না পড়া হয়নি। পাঠক হিসেবে আমি বরাবরই সাধারন রুচির। তাই হুমায়ুনে অন্ধ। ঃ)
কুশ্নোত্তরঃ হাহাহা নাহ তেমন কিছুনা, উনি আমার প্রিয় একজন ব্লগার। সেদিন খুব আক্ষেপ করেছিলেন কেউ উনাকে কিছু উতসর্গ করেনা, তাই ;)

১৬

হাসান রায়হান's picture


প্রেডিকশন ১০০% ঠিক নেত্রী।

১৭

জমিদার's picture


হা হা প গে
খুবই ভাল রম্য হইছে ,
তবে ্েকটা কথা বলতে চাই
চামচাম সম্পর্কে আপনার ধারণা অতি উন্নত ;)

১৮

সোহেল কাজী's picture


আরে জমিদার সাহেব যে। এখানে দেখে ভালোলাগছে।
খুব একটা খারাপ বলেন নাই ;)

১৯

নাহীদ Hossain's picture


এই রকম চামু রেগুলার পয়দা হইতে থাকলে দেশের উন্নতি না হইয়া যায় কই ......

২০

সোহেল কাজী's picture


আবার জিগস

২১

কাঁকন's picture


জটিল জটিল

আমি পাব্লিক হিসেবে চলার পক্ষে ভোট দিলামাচ

২২

সোহেল কাজী's picture


আম্মো ভুটু দিলাম

২৩

তানবীরা's picture


হাসতে হাসতে গড়াগড়ি।

আমাদেরকে কেউ কিছু কেনো উৎসর্গ করে না? আমরা কি লুক খ্রাপ?

২৪

সোহেল কাজী's picture


হিহিহি আপনাদেরও একদিন দিন
আসবে
অনেক ধন্যবাদ

২৫

সুবর্ণা's picture


হি হি ..হা হা..হু হু... আপনার রম্য তো ব্যাপক..

২৬

সোহেল কাজী's picture


ব্যাপক ধনিয়া পত্র দেয়া হইলো আপু

২৭

টুটুল's picture


লাইক্কর্লাম :)

২৮

সোহেল কাজী's picture


ধনিয়া দিলাম

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সোহেল কাজী's picture

নিজের সম্পর্কে

আমার অন্তরের অলিতে গলিতে জট লেগে আছে থোকায় থোকায় অন্ধকার। দৈনন্দিন হাজারো চাহিদায় পুড়ছে শরীরের প্রতিটি কোষ। অপারগতার আক্রোশে টগবগ করে ফুটে রক্তের প্রতিটি কণিকা। হৃদয়ে বাস করা জন্তু-টা প্রতিনিয়ত-ই নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানে ব্যাস্ত।

প্রতিদিনের যুদ্ধটা তাই নিজের সাথেই। সেকারণে-ই হয়তো প্রেমে পড়ে যাই দ্বিতীয় সত্ত্বার, নিজের এবং অন্যের।