ইউজার লগইন

বরিষ ধারা মাঝে

কাকের শোরগোল শুনে ঘুম ভাঙ্গলে সাত সকালেই যে কারো মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা, কিন্তু কুয়াশার মোটেও খারাপ লাগছে না। জানালার ওপাশে ইলেক্ট্রিক তারের উপর বসা কাকগুলো কিছু একটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া করছে। অনেক্ষণ কান পেতে থেকেও কোন মানে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হচ্ছে কুয়াশা।

বাইরে কেবল ভোরের আলো ফুটেছে। সুর্য্যটা এখনো তাঁতিয়ে উঠতে শিখেনি। সিলিং ফ্যানের বাতাসে সারা শরীরে ক্যামন একটা আলস্য ভর করছে, বিছানা ছেড়ে উঠতে একদম মন চাইছে না। কোলবালিশ জড়িয়ে ধরে এপাশ ওপাশ করতে করতে মনে মনে একটা খেলা খেলছে কুঁয়াশা। খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে গেলে কিংবা রাতে ঘুম না এলে মনে মনে বিখ্যাত কাউকে ডেকে আনে সে। তারপর বিছানায় মটকা মেরে পড়ে থেকে বিখ্যাত ব্যাক্তিটির সাথে দীর্ঘ কথোপকথন চলে। আজ চার্লস ডারউইন সাহেব এসেছেন। জানালার পাশের চেয়ারটায় চিন্তিত ভঙ্গীতে বসে আছেন তিনি। দেখেই বুঝা যাচ্ছে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে চিন্তিত, আনমনে জানালার বাইরে তাকিয়ে আছেন। তবে উনি মাঝে মাঝেই বিশ্রী ভাবে শরীর ঝাঁকাচ্ছেন। কারণটা ঠিক বুঝা যাচ্ছে না।
কুয়াশা বললঃ
- কি নিয়ে চিন্তা করছেন ডারউইন ভাইয়া?
- কিছুটা বিরক্তির সাথে কুয়াশার দিয়ে তাকালো, আরো বিরক্তি নিয়ে বললো আমার সাথে মস্করা করবা না। আমি কি তোমার ভাইয়া লাগি নাকি?
- তাহলে কি বলব? ডারউইন চাচ্চু বলি?
ডারউইন সাহেব জবাব না দিয়ে কিছুক্ষণ বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে একটা হতাশার শ্বাস ফেললেন। অতঃপর তিনি আবার জানালার বাইরে মন দিলেন।
- কি নিয়ে ভাবছেন বললেন নাতো।
- কিছুটা বিষণ্ণ কণ্ঠে ডারউইন জবাব দিলো। ভাবতে আর পারছি কই? চিন্তাটা একটু গভীরে গেলেই মরার কাউয়াগুলান কাকা করে চিন্তার সুতো কেটে দিচ্ছে।
তখনি ডারউইনকে কটাক্ষ করে কতোগুলো কাক একসাথে ডেকে উঠলো। আর ডারউইন ক্ষেপে গিয়ে হাওয়ায় হাত ছুড়ে চেচাচ্ছেন এই বজ্জাত কাউয়ার দল যাহ, দূরে গিয়ে বস।
- এতো বিচলিত হবার কি আছে ডারউইন চাচ্চু? শান্ত হয়ে বসুন না।
- এই মাইয়া খবরদার, আমাকে চাচ্চু বলবানা।
- কুয়াশা ফিক করে হেসে হেসে ফেলল, আচ্ছা চাচ্চু বলব না। একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে পারি?
- হুম! বলো কি প্রশ্ন।
- আচ্ছা আপনি রবী বাবুর মত এতো বড় বড় দাড়ি রেখেছেন কেন? দাড়িতে আপনার চুলকানি হয় না? আপনিও দেখি রবী বাবুর মত আলখাল্লা পড়েন।
- নাহ! প্রথম প্রথম চুলকানি সমস্যা হতো, পরে অভ্যাস হয়ে গেছে। আর এই রবী বাবুটা কে? ডারউইনের চেহারায় বিরক্তি ভাব প্রকট।
- কুয়াশা মুচকি হেসে জবাব দিলো নাহ কেউ না, ছোট খাটো কবি। মাঝে মাঝে আমাকে প্রেমময় ভাষায় চিঠি লিখেন। আমি খুব একটা পাত্তা টাত্তা দেই না।
- হুম। (কিঞ্চিত সন্দেহ ভরা চোখে খুব একটা আশ্বস্ত হতে পারলো বলে মনে হলো নাহ)
- কুয়াশা মিষ্টি কণ্ঠে বলল, আচ্ছা ডারইন সাহেব, আমি কোলবালিশ ছাড়া ঘুমুতে পারিনা কেনো, এটারকি কোন রহস্য আছে? মানে এটাও কি বিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত?
- হুম! সম্পর্কতো অবশ্যই আছে। মানুষের সব স্বভাব আচরণ তার জিনে লিখা থাকে। মানুষ যখন বানর ছিলো তখন গাছে ঘুমোতো। আর ঘুমের সময় যেন গাছ থেকে পড়ে না যায় সে জন্য গাছের ডাল জড়িয়ে ধরে ঘুমোতো। সেটাই বিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের জিনে এখনো রয়ে গেছে। কথাটা বলেই ডারউইন আবার বিশ্রী ভাবে শরীর ঝাঁকি দিনে। আর সাথে সাথে কতোগুলো কাক একযোগে ডেকে উঠলো।
- আপনি এমন বিশ্রী ভাবে শরীর দুলাচ্ছেন কেন?
- না মানে, আমি সব সময় আমার জানালার পাশে ইজি চেয়ারে বসে দোল খেতামতো, তাই মনের ভুলে তোমার চেয়ারটাকেও ইজি চেয়ার ভেবে পেছনে হেলান দিতে গিয়ে বার বার আটকে যাচ্ছি। এটাও বিবর্তনবাদের সাথে জড়িত। শোন তবে এর পেছনে মজার কাহিনীটা বলি। ডারউইন সাহেব মোটামুটি বিড়াট কাহিনী ফাঁদার ভাবে চলে এলেন। কিন্তু কুয়াশা বাঁধা দিয়ে বললঃ ডারউইন চাচ্চু আপনের পেনপেনানি আর ভালো লাগছে না। আমি এখন উঠবো কাজেই আপনি দৌড়ের উপ্রে থাকেন। ডারউন আহত দৃষ্টিতে তাকালো কুয়াশার দিকে, কিন্তু কুয়াশা কোন দয়া না দেখিয়ে মুখের উপর বলে দিলোঃ ফেলফেল করে তাকিয়ে আছেন কেন? ফুটেন মিয়া।
ব্যথিত হৃদয়ে চার্লস ডারউইন চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন।

কুয়াশা ঝট করেই উঠে বসল। রান্না ঘরে খুট খুট শব্দ হচ্ছে। মা নিশ্চই এতক্ষণে নাস্তা তৈরীতে লেগে গেছে। কুয়াশা গায়ের জামা কাপড় ঠিক করে রান্না ঘরে উঁকি দিলো। মা রুটি সেঁকছেন। কুয়াশার দিকে একবার তাকিয়ে তিনি আবার রুটির তাওয়ায় মন দিলেন। আগুনের আঁচে মায়ের নাকের ডগায় বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে সেখানে আগুনের আলো পড়ে মাঝেমাঝেই হিরক দানার মত চিকচিক করে উঠছে। কুয়াশা ঘুম জড়ানো আবেশী কণ্ঠে বলল, মা আমাকে চটজলদি এক কাপ চা করে দিতে পারবে?
মা বিরক্ত ভঙ্গীতে একবার তাকিয়ে আবার কাজে মন দিলেন। মায়ের ভাবলেশ হীন চেহারা দেখে ঠিক বুঝা যাচ্ছে না চা পাবার সম্ভাবনা কতটুকো। কয়েক পলক তাকিয়ে থেকে কুয়াশা নিজের ঘরের দিকে ফিরে গেল।
(এখানে হয়তো হুমায়ুন সাহেব থাকলে লিখতেন, সদ্য ঘুম ভাঙ্গা মেয়ের দিকে তাকিয়ে মায়ের মনটা খচ করে উঠলো, যতই দিন যাচ্ছে মেয়েটা ততোই সুন্দর হচ্ছে। আহারে……… কাজেই আমারো কার্পণ্য করার ইচ্ছে নেই)

আজ সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়বে কুয়াশা, দশটার দিকে তন্ময়কে তার ফ্লাটে গিয়ে ধরবে। সেখান থেকে তন্ময়ের সাথে বেরুবে, সারাদিন ঘুরবে। কোথায় যাওয়া যায় সে ব্যপারে শাওয়ার নিতে নিতে বড়ং চিন্তা করা যায়। কুয়াশা এই মুহুর্তে বাথরুমের বিশাল আয়নাটার সামনে দাঁড়িয়ে। নিজের অনাবৃত শরীর মুগ্ধ হয়ে দেখছে। এক সময় আয়নার ওপারের অপ্সরার চোখে চোখ পড়ায় কিছুটা স্বলজ্জ দৃষ্টিতে চোখ নামিয়ে নিয়ে সরে এলো আয়নার সামনে থেকে।

শাওয়ার শেষে ভেঁজা চুলে টাওয়েল জড়িয়ে বেরিয়ে এসে দেখতে পেল খাটের উপর মা বসে আছে, ময়ের পাশেই পড়ার টেবিলে নাস্তার সাথে ধোঁয়া উঠা চায়ের পেয়ালা দেখে খুশী হলো কুয়াশা। মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিলো। এককাপ চায়ের জন্য মনটা ক্যামন ব্যাকুল হয়ে ছিলো। মাকে মাঝেমাঝেই কেমন দুর্বোধ্য লাগে আবার কখনো মনে হয় মা যেন ঠিক সময়েই চাহিদাটা বুঝতে পারেন। মা অপলক দৃষ্টিতে মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছেন, সদ্যস্নাত পেলবতায় কুয়াশাকে জলপরীর মত দেখাচ্ছে, স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ছে সারা ঘরময়। কুয়াশা এগিয়ে এসে মায়ের শরীর ঘেসে বসলো। মা একটা নাতিদীর্ঘ শ্বাস গোপন করলেন, হয়তো মনে মনে ভাবছেন, মেয়ে মানুষ এতো রূপবতী হতে নেই। খনা বিবি বেঁচে থাকলে নতুন বচন লিখতেনঃ
অতিধনে পুরুষ নষ্ট
স্বভাব খারাপ হয়,
অতিরূপে রমনী নষ্ট
সুজন কেহ নয়।

যৎসামান্য প্রসাধনের সাথে হাল্কা আকাশি রঙের একটা শাড়ী পড়ে বাসা থেকে বেড়িয়েছে সে। বাইরে রোদ ততক্ষণে চড়ে গেছে। তবে আকাশের কোনে কিছু বিক্ষিপ্ত মেঘ দেখা যাচ্ছে। কুয়াশার তেমন তাড়াহুড়ো নেই, তাই সিএনজি না নিয়ে একটা রিক্সায় করে রওনা হলো। এমনিতেও রিক্সায়ই বেশ স্বাচ্ছ্যন্দ বোধ করে সে। দুপাশের জনজীবন দেখতে দেখতে তন্ময়ের কথা ভাবছে মনে মনে। তন্ময়কে ঠিক বুঝতে পারে না সে। কখনো মনে হয় খুব আপন খুব কাছের আবার কখনো মনে হয় খুব কাছে থেকেও দুরের কেউ। অধিকাংশ সময়ই তন্ময় মন মড়া হয়ে থাকে। নিজের ভুবনে কোন অজানা কোন ভাবনায় ডুবে থাকে। কখনো কখনো এতো বিষণ্ণ থাকে যে দিনের পর দিন কারো সাথে কথা পর্যন্ত বলে না, একা একা ফ্লাটে পড়ে থাকে। তখন কুয়াশাও তন্ময়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না কোন ভাবেই।

কুয়াশা একটা ব্যাপার লক্ষ করেছে সে যতক্ষণ তন্ময়ের আশেপাশে থাকে ততক্ষণ ক্যামন একটা ঝিমঝিম আবেশ তাকে ঘিরে ধরে। তার পৃথিবীটা ছোট হতে হতে একদম পায়ের কাছে চলে আসে। এ অজানা অনুভূতির সাথে কুয়াশার পরিচয় নেই। এর জন্ম হয়তো অন্য কোথাও। Laughing out loud

[ধুর শালার, বহুত চেষ্ঠা করেও এক পর্বে শেষ করতে পারলান না আগামী কল্য পরের কিস্তিতে সমাপ্য Wink )

পোস্টটি ১৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

শাওন৩৫০৪'s picture


...ইমাও, ব্যাপক লেখা তো....(তয় ঐ, হুমায়ুন আবেশ টা অনেক বেশি, আইজ আরেকটা পোষ্ট মানুষ জন এই কথা কৈছে, কাঁকনের পোষ্ট...)

 

কিন্তু  লেখাটার সরল কিন্তু ডিটেইলস বর্ননা চমৎকার হৈছে...পড়তে কোথাও আটকাইতে হয়নাই, আরাম পাওয়া গেছে.....

 

 আগের থেইকা‌্যদি টের পাইতেন, এক পর্বে শেষ করতে পার্বেন্না, তাইলে মনে হয়, অন্য রকম ভাবে বা অন্য যায়গায় শেষ কর্তেন, না?

 

পরের  পর্বের অপেক্ষায়...

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহাঃ হুমায়ুন ইচ্ছাকৃত ইম্পোর্ট হইছে। Wink
লেখালেখি বিষয় ব্যাপারে নিজস্ব স্টাইল একদম ঝং ধইরা গেছে। তাই হু।আ স্টাইলের দ্বার টঙ্কন করলাম Sad

শাওন৩৫০৪'s picture


....কথা হৈলো। লেখাটা কিন্তু হুয়া দোষে দোষী হয়না , হুয়া গুনে .গুনান্মিত হৈছে..

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহাঃ বহুত শুকরীয়া এক চুমুক Laughing out loud

জ্যোতি's picture


লেখা জটিল সুন্দর হইছে।হুমায়ুন আহমেদ টাইপ। পইরা আরাম পাইলাম।এক কালে হুমায়ুন আহমেদ যা লিখত তাই পড়তাম!!!পইরা মায়াবতী হইতে চাইতাম।এখন সিদ্ধান্ত নিলাম আবার পড়ব।থ্যাংকু আপনারে।

সোহেল কাজী's picture


থেঙ্ক্যু থেঙ্কু।
হুমায়ুন আহমেদেরে ইচ্ছা কইরাই হায়ার করা হইছে Wink
নয়া সিদ্ধান্ত মুবারক হোক

রুমিয়া's picture


ahare porbota emon ek jaygay end hoilo....!!! jai hok porer porber jonno opekkhaitesi.. Smile

সোহেল কাজী's picture


পরের পর্ব অর্ধেক টাইপ করা আছে।
আরেকটু এডাইয়া আগামি কালই পুশটাইতারি Tongue

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


কুয়াশার কথা বলাতে মনে পড়লো, কুয়াশা নামে কিন্তু এক লেখক আছেন, ভদ্রলোক কোনো এক ডেন্টাল অথবা মেডিক্যালের প্রফেসর। একবার মেডিক্যাল/ডেন্টাল কলেজের বিল্ডিং বানাবার লোনের জন্য আব্বার অফিসে এসেছিল, ঘটনাক্রমে আমি ঐখানেই ছিলাম। সুতরাং না চাইতেই অটোগ্রাফ সহ পেয়ে গেলাম একটা বই, যেটা অর্ধেক পড়েই পরের কাহিনী বুঝে ফেলছিলাম! তখন আমি আবার তিন গোয়েন্দার ফ্যান কিনা! 
 

গল্প প্রসংগে বলি, Angry
আগে যদি জান্তাম সিরিয়াল, তাইলে পড়া ধরতাম না!

আরেকটা কথা, হু.আ. র স্টাইল আছে, এই অভিযোগের পেছনে মাঝেমাঝে লেখকের দায় আছে, মাঝে মাঝে(যদিও খুব অল্পক্ষেত্রে) পাঠকেরও। অনেক পাঠকই প্রচুর হু.আ. পড়ে, তাই মিল হু.আ বাদে আর কারো সাথেই পায় না। তারে যদি শিবরাম পড়ান, তাও বলবে কিছুটা হু.আ হু.আ লাগে(আমি পার্সোনালি ট্রাই করে দেখছি Laughing out loud )। তবে বেশিরভাগ সময় অবশ্য লেখকের দায়... অনিচ্ছাকৃত/ ইচ্ছাকৃত অনুকরণ আসে, কারণ লেখকের বেলায়ও পাঠাভ্যাস।

হু.আকে ইচ্ছাকৃত অনুকরণের একটা মজার স্টাইল আছে, হু.আ. তিন-চারখানা টানা পড়ে নিজে কিছু একটা লেখতে শুরু করা। হু.আ.র মতোই হবে Wink ক্যান যে কেউ এখনো উনার ব্যবসাটা মারতে পারলো না!

১০

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহাঃ আমিও এককালে তিঙ্গোয়েন্দা ফেন ছিলাম Laughing out loud
অনেকগুলা ভলুম পরছি Wink

আসলে হু।আ ইউনিক লেখক, হু।আর ভাত মারতে হলে হলে আরেকজন হু।আ লাগবে Tongue

তবে এই গল্পে অনেক চেষ্টা করছি তাকে ধরার জন্য রিভাইজ পড়তে গিয়া মনইলো ধারে কাছেও যাইতে পারিনাই Sad

পড়ার লাগি(সিরিজ) ও লম্বা কমেন্টোর লাগি ধনিয়াজ

১১

টুটুল's picture


গুড
কালকে বাকিটা পাইতে কোন আলসেমি দেখতে চাইনা Smile

১২

ভাস্কর's picture


হ...

১৩

সোহেল কাজী's picture


হোক্কে Stare

১৪

নুশেরা's picture


হিমুনীর বাকী কাহিনী তাড়াতাড়ি চাই। ব্র্যাকেটের মধ্যে হুমায়ূনরীতি দেয়াটা জটিল হইছে।

১৫

সোহেল কাজী's picture


টাইম লাইনের মধ্যেই দিতে পারব বলে আশা রাখি Laughing out loud
(ব্রেকেটে স্বীকারোক্তি ছিলো Tongue )

১৬

মেহরাব শাহরিয়ার's picture


হুমায়ুনি বা বাবরী যে রীতিতেই হোক না কেন , ভাল যে লাগল পড়তে 

কাল এসে বাকি অংশটুকো খুঁজে যাবো

১৭

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহাঃ ধন্যবাদ
আশারাখি পেয়ে যাবেন Laughing out loud

১৮

কাঁকন's picture


লিখা উমদা হইছে Smile; আশাকরি ডেটলাইন ফেল করবেন না

১৯

সোহেল কাজী's picture


করিনাই Smile

২০

মুকুল's picture


২১

সোহেল কাজী's picture


Smile

২২

হাসান রায়হান's picture


পরেরটায় অপেক্ষায়।

২৩

সোহেল কাজী's picture


দেয়া হইছে Laughing out loud

২৪

নীড় সন্ধানী's picture


রহস্য রহস্য লাগতেছে। হুমায়ুন আহমেদ না আমি কাজী আনোয়ার হোসেনের ঘ্রান পাচ্ছি কেন যেন Smile

২৫

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহাঃ কাজী সাবেরে টানি নাই Tongue

২৬

সুবর্ণা's picture


সকালে পড়তে গিয়ে বড় লেখা দেখে পড়তে পারি নাই। এখন আয়েশ করে পড়লাম। পরের পর্ব এরকমই বড় চাই। খুব ভালো লাগলো।

২৭

সোহেল কাজী's picture


ধনিয়াজ Smile

২৮

সাঈদ's picture


জলদি পরের পর্ব দাও ভাইডি ।

২৯

সোহেল কাজী's picture


দিছি Smile

৩০

মুক্ত বয়ান's picture


ব্যাপক উমদা লেখা হইছে। কিঞ্চিৎ ১৮+ইয় গন্ধ পাওয়া যায় মাঝে.. Wink Wink
পরের পর্বও একসাথে পইড়া ফেলি। Smile

৩১

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহাঃ লেখায় টুইস্ট কিছুটা দরকার পরে Wink
ধনিয়া

৩২

তানবীরা's picture


কাজী হুমায়ুনকে অভিনন্দন। ভালো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সোহেল কাজী's picture

নিজের সম্পর্কে

আমার অন্তরের অলিতে গলিতে জট লেগে আছে থোকায় থোকায় অন্ধকার। দৈনন্দিন হাজারো চাহিদায় পুড়ছে শরীরের প্রতিটি কোষ। অপারগতার আক্রোশে টগবগ করে ফুটে রক্তের প্রতিটি কণিকা। হৃদয়ে বাস করা জন্তু-টা প্রতিনিয়ত-ই নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানে ব্যাস্ত।

প্রতিদিনের যুদ্ধটা তাই নিজের সাথেই। সেকারণে-ই হয়তো প্রেমে পড়ে যাই দ্বিতীয় সত্ত্বার, নিজের এবং অন্যের।