ইউজার লগইন

শুধুই গল্প নয়

আজকে ভাঙ্গা পেন্সিলের লেখা “দাস” পোষ্টটা পড়তে পড়তে বহুদিন আগে শোনা একটা গল্প মনে পরে গেলো। তখন গল্প হিসেবে শুনলেও এখন মনে হচ্ছে সবকিছু কেনো গল্পই হতে হবে? গল্পকে সত্যি করার দায়িত্বতো আমাদেরই। গতবছর হল্যান্ডে বাংলাদেশ সার্পোট গ্রুপের www.basug.nl রেমিট্যান্স বিষয়ের একদিনের একটি ওয়ার্কশপে আমি অংশগ্রহন করেছিলাম আরো অনেকের সাথে। ওয়ার্কশপের মূল বিষয় ছিল, আমরা প্রবাসীরা যে পয়সা দেশে পাঠাই সেটা কোন খাতে আমাদের পরিবার পরিজনরা ব্যবহার করছে সেটার প্রতি প্রবাসীদের সচেতনতা তৈরী করা। প্রয়োজনবোধে দেশে পরিবারকে শিক্ষিত ও সচেতন করা যে শুধু ভোগ বিলাসে পয়সা না খরচা করে বিনিয়োগ করার জন্য। ইনাফী INAFI (The International Network of Alternative Financial Institutions ) দেশে যারা রেমিট্যান্স ভোগ করেন এমন কিছু পরিবারের ওপর এবিষয়ে জরিপ চালিয়ে যে ডাটা কালেক্ট করে নিয়ে এসেছেন সেটির ফলাফল আমাদের ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ। প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের বেশির ভাগ অংশ যায় কাঁচা বাজার, বড় নার্সিং হোম, শপিং মল আর বিলাস বহুল যানবাহনে। বিনিয়োগের চেয়ে আমাদের রেমিট্যান্স ভোগে বেশি ব্যয় হয়

বাসুগ একই সাথে আরো রেমিট্যান্স ব্যবহারকারী দেশের লোকদের আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা আমাদেরকে জানানোর জন্য, কিভাবে রেমিট্যান্সের উপযুক্ত ব্যবহার করে তারা আজ তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। এমনই একজন ছিলেন ফিলিপিনের। তার নামটা কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছি না, কিছু পুরনো মেইল জিমেইল থেকে ডিলিট হয়ে গেছে। ভাবছি তার নামের চেয়েও তার কথাগুলো গুরুত্বপূর্ন সেগুলো স্মৃতি থেকে তুলে দেই। এশিয়ার ফিলিপিনের অবস্থা কিন্তু বাংলাদেশ থেকে খুব ভালো ছিলো না। ফিলিপিনের প্রচুর লোক বাইরে খাটেন। মধ্যপ্রাচ্যের গৃহকর্মীর কাজটি একেবারে ফিলিপিনো মেয়েদের জন্য বাধা ছিল এক সময়। যে ভদ্রমহিলা এখন নেদারল্যান্ডসে থাকেন, কাজ করেন তিনিও এসেছিলেন খুব দরিদ্র নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে। কিন্তু তার পরিবারে কেউ একজন কখনো স্কুলে গিয়েছিলেন। এবং পরিবারের লোকদেরকে তিনি বোঝাতে সর্মথ হয়েছিলেন যে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু তাদের টাকা ছিলো না যে সবাই একসাথে পড়াশোনা করবেন।

তখন তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রথম জন প্রথম পড়াশুনা করবেন। তার পড়াশুনা শেষ হলে তিনি যখন অর্থ উপার্জন করবেন তিনি দ্বিতীয় জনকে পড়াশোনা করাবেন। দ্বিতীয়জন করাবেন তৃতীয়জনকে। পড়াশোনার জন্য যেহেতু বয়স কোন বাধা নয় তাই এভাবেই তারা এগিয়ে যাবেন। সবচেয়ে ছোট যে জন সে পড়াশোনার খরচ দিবেন দ্বিতীয় জেনারেশনের প্রথম জনকে। বাড়ির মেয়েদের প্রতি নির্দেশ ছিল গ্রাজুয়েশন শেষ করার আগে কেউ গর্ভধারন করতে পারবে না। এখন তিনি গর্বিতভাবে তার অভিজ্ঞতার কথা আমাদের জানালেন। দীর্ঘ আঠারো বছর তিনি তার পরিবারের পড়াশোনার জন্য টাকা পাঠিয়েছেন। এখন তিনি দায়িত্ব থেকে মুক্ত। কখনো কোন উৎসবে উপহার পাঠাতে ইচ্ছে হলে তিনি পাঠান নতুবা পাঠাননা। পরিবার এখন স্বয়ংসম্পূর্ন। তার টাকার আশায় আর কেউ নেই, এ চিন্তাটা তাকে মানসিক স্বস্ত্বিও দেয় যেটা তার আগে ছিলো না।

এধরনের কিছু কি আমাদের দেশে একেবারেই অসম্ভব? আমরাই কি কেউ শুরু করতে পারি না? বোঝাতে পারি না আমাদের আশে পাশের লোকজনদেরকে শিক্ষার গুরুত্ব? আমাদের অনেকের বাড়িতেই অল্পবয়সী গৃহকর্মী আছে, তাদের দিয়েই কি শুরু করতে পারি না? এরকম কোন ওয়ার্কশপে আমাদের দেশের কেউই হয়তো তার সাফল্যের গর্বিত উদাহরন অন্যদের জানাবেন। হয়তো এটা শুধুই আমার একটা আবেগতাড়িত ভাবনা কিন্তু সবাইকে জানাতে ইচ্ছে করলো। কে জানে কোথাও যদি কোন দীপ জ্বলে?

তানবীরা
২০.১০.১০

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নুশেরা's picture


ফিলিপিনো ভদ্রমহিলাকে স্যালুট।
দীপ জ্বলুক।

মুকুল's picture


দারুণ! এই অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের সবার শেখার আছে। ধন্যবাদ তানবীরা আপু।

নড়বড়ে's picture


কত কী যে শেখার আছে। চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লিখছেন।

পড়ালেখা বাদে টাকা আমরা অনেক খাতেই ব্যয় করি। এই যেমন ধরেন খেলোয়াড়দের সবাইকে একটা করে প্লট-গাড়ি দিয়ে দেই।

তানবীরা's picture


আমার ধারনা ছিল খেলাধূলাও একটি পেশা অন্তত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। আর সে পর্যায়ের খেলোয়াররা পৃথিবী জুড়েই ভালো উপার্জন করেন। খেলোয়ারের কাজ খেলা এবং খেলে জিতা। তাদের কাজ তারা করেছেন। এতে বাড়ি - গাড়ি উপহার পাওয়ার কি আছে? তারা কি পারিশ্রমিক পান না?
পৃথিবীর ইতিহাসে এই অভাবনীয় ঘটনা আর ঘটছে কি না কে জানে। যত্তোসব

রশীদা আফরোজ's picture


হায়রে রেমিট্যান্স! ফেনীতে থাকতে দেখেছি, এক ডিব্বা পাউডার কেনার জন্য প্রবাসীর পরিবারের সদস্য গ্রাম থেকে সিএনজি স্কুটারে চড়ে ফেনী শহরে চলে এসেছে, ঘোরাঘুরি করে পাউডার কিনে চাইনিজ রেস্টুরেন্টে খেয়ে আবার সিএনজি স্কুটারে চড়ে ফিরে গেলেন।

মীর's picture


Rolling On The Floor

টুটুল's picture


নিশ্চয় সেটা মিল্লাত ঘামাচি পাউডার ছিল Wink

মীর হাসেন ক্যান... এইটা খুবি দর্কারি জিনিষ... Wink

মীর's picture


ঘামাচি পাউডার কিনতে ফেনীর মানুষের ব্যাকুলতা দেইখা মজা পাইলাম।

মীর's picture


ঘটনা এর উল্টোটা ঘটে। কাজের মেয়েগুলোকে লেখা-পড়া শেখানোর চেষ্টা করলে তাকে তার মা ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ‌'মাইয়ায় লেখা-পড়া শিখলে কাম করবো কেডায়?' এই হলো তার মা'য়ের যুক্তি।

১০

তানবীরা's picture


একটা আধটা উদাহরন নিশ্চয় অন্যরকমও আছে মীর। চলুন সেগুলোর কথা বলি। Laughing out loud

১১

শওকত মাসুম's picture


তানবীরা, জরিপ টা আমার দরকার। খুবই।

১২

তানবীরা's picture


আমি চেষ্টা করবো খুঁজে দিতে। ইনাফীতে মেইল করবো।

১৩

শাওন৩৫০৪'s picture


ফিলিপিনো স্টাইলটা আম্গো দেশে করা যাবো কিনা জানিনা, এত দীর্ঘময়েদি পরিকল্পনা আমাদের রক্তেই নাই মনে হয়, স্টাইলটা আমাগো দেশে কার্জকরী কোনো স্টাইলে এ্যডপ্ট করলে ভালো হৈতো, আম্রা আবার চুলার থেইকা নামানের আগেই ভাত খাইয়া ফেলতে চাই---যেমন শেয়ার ব্যাবসা---
ফিলিপিনো আন্টিরে সালাম।

১৪

টুটুল's picture


শেয়ার ব্যবসার কিছু হলে...
জলপে আগুন বিলায়ের লোমে

১৫

তানবীরা's picture


আমাদের দেশে আরো সোজা শাওন। ক্লাশ এইট পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক। বাকি টুকু মাত্র ছয় বৎসর। তাছাড়া আজকাল এস।এস।সির পর থেকেই অনেকে টিউশনি করে কিংবা ছো্টখাটো কাজ করে। আসলে আমাদের দেশে এর চেয়েও অনেক অনেক বড় বড় উদাহরন আছে। যেমন কদিন আগেই পড়লাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান কি অবস্থা থেকে কোথায় ওঠে এসেছেন। আগের দিন আমাদের দাদারাও কিন্তু পাঁচ মাইল ছয় মাইল হেটে পড়তে যেতেন। তাই না?

১৬

মামুন হক's picture


খুবই দরকারী লেখা। আসলেই। আরেকটু বিশদ পরিসরে লেখেন বইন Smile

১৭

তানবীরা's picture


Smile

১৮

টুটুল's picture


ভালো আইডিয়া

১৯

ঈশান মাহমুদ's picture


তানবীরা,আপনার লেখাটি পড়ে বেশ ক'বছর আগের একটি অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল।খাগড়াছড়িতে এক বন্ধু ছিল অন্তরিকা চাকমা। একবার ওদের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছিলাম...।ওর সৌজন্যে বিভিন্ন বাড়ীতে ঘুরে ঘুরে পাহাড়ীদের জীবনাচরণ দেখার সুযোগ হয়েছিল।খুবই সাধারণ...কিন্তু পরিপাটি বাড়ীঘর।কোন বাড়ীতেই বিলাস দ্রব্যের ছড়াছড়ি নেই।অন্তরিকাকে জিজ্ঞস করেছিলাম,তোমাদের জীবনযাপন এত সাধারণ কেন? ও মুচকি হেসে বলেছিল, 'দেখো, আমরা একটি ক্রান্তি লগ্ন অতিক্রম করছি,এ সময়ে বিলাসিতার চেয়ে আমাদের বেশী জরুরী হলো শিক্ষা।তাই বাঙালীরা যখন সম্পদ অর্জনে ব্যস্ত,আমরা তখন আমাদের সব অর্জিত সম্পদ শিক্ষাগ্রহণের পেছনেই ব্যয় করছি...'।সত্যি পাহাড়ী জনগোষ্ঠী এখন শিক্ষায়-দীক্ষায় আমাদের চেয়ে অনেক অগ্রসর।

২০

তানবীরা's picture


যাক, এগিয়ে যাক। ওদের অনেক বঞ্চিত করেছি আমরা তাই ওদের এই এগিয়ে যাওয়ার জন্য রইলো শুভকামনা।

২১

সাহাদাত উদরাজী's picture


প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের বেশির ভাগ অংশ যায় কাঁচা বাজার, বড় নার্সিং হোম, শপিং মল আর বিলাস বহুল যানবাহনে। সত্য কথা।

প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের টাকা কেহ ধার নিলে তা আর ফেরত দেয় না।

শিক্ষার বিকল্প নাই।

২২

তানবীরা's picture


উদরাজী ভাই যে এই বাড়িতে Big smile । শরীর ভালোতো আপনার? Glasses

২৩

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আমি অবশ্য ভিন্নমত। সবাই মীনার মতো লেখাপড়ায় আগ্রহী না। সত্যি বলতে আমরা যারা এখন শিক্ষিত/প্রতিষ্ঠিত তাদের কয়জনে ছোটবেলায় লেখাপড়া করতে চাইছি? কিন্তু মাধ্যমিক পর্যন্ত জোর করে হলেও পড়ানো উচিৎ। তারপরে সবাই নিজেই অল্প অল্প করে লেখাপড়ার গুরুত্বটা বুঝতে পারে, নিজের ভালোমন্দ বুঝতে শিখে। তাই এই জোর করার জন্য হলেও শিশুর উপর জন্মদাত্রী না, শিক্ষাদাতা/দাত্রীর অধিকার বেশি থাকা উচিৎ। ধরেন আমি আমার বাসার কাজের মেয়েকে লেখাপড়া শিখাব, সুতরাং মেয়েকে লেখাপড়া থেকে দূরে সরানোর বেলায় তার মায়ের অধিকার থাকা উচিৎ না। এটা যেহেতু ঘরে ঘরে সম্ভব না...তাই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আবশ্যক।

২৪

তানবীরা's picture


প্রাতিষ্ঠানিক রূপের আশায় আর কতোকাল বসে থাকবো তানিম? লেখাপড়াতো দূরের কথা আমিতো চাকরীও করতে চাই না। কিন্তু জীবনে কয়টা জিনিস আমাদের চাওয়া মতো হয় বলো? আর যাদের পড়াশোনার কোন সুযোগ নেই তাদেরতো জীবনের কাছে চাওয়ার সুযোগ আরো কম। আমার ভাবতে অবাক লাগে একই দেশে কেউ মাসে ৫০.০০০ টাকা বাচ্চার স্কুলে বেতন দেয় আর কেউ পয়সার জন্য স্কুলে যেতে পারে না। তাই ম্যালেরিয়ার টীকার মতো চাওয়া - পাওয়ার আলোচনার সুযোগ না রেখে বাধ্যবাধক সবাইকে পড়তে হবে। এই নীতিতে আপাতত থাকি সবাই।

২৫

শাপলা's picture


আমি সংসার শুরু করেছিলাম, ৯ জন নিয়ে। ছেলেপুলেরা সারাডিন যার যার ধানদায় থাকতো। কিনতু যখন একটা একটা বাড়ি ফিরতো তখন দরোজা খুলতে খুলতে আমার জান কাবাব।

তো আমার একটু আরাম আর মাঝে মধ্যে নীচে দোকান থেকে কিছু আনার জন্য একটা ৮ বছরের ছেলেকে আমার বাবা'র বাড়ির গরাম (যুকত অকখর লিখতে পারছি না। দুঃখিত) থেকে আনলাম। ভীষন মায়াময় চেহারা। লেখাপড়া জানে। গামে ওয়ানে না টু এ পড়ে। হাতের লেখা খুবই ভালো।
আমি তো সেটা দেখেই ভাবলাম, ওকে পড়াবো। বাসার সামনে নীলখেত চতুরথ শরেনীর (উফ! বানানের কি দশা!) Sad( Sad( Sad( করমচারীদের বাচচাদের সকুল।
বই খাতা কিনে আনলাম। ছেলের অখনড অবসর। সারাদিন খায়-দায় আর টিভি দেখে। যতই বলি পড়, সে পড়বেই না।
একদিন রাগ করাতে বললো, "আমাকে পড়িয়ে আপনার কি লাভ?!!!"
আমি- লা জবাব।
তবে তোমার লেখাটা সত্যি অনেক ভালো এবং দরকারী।
রেমিটেনস মানে যারা দেশে টাকা পাঠান, তারা কে না ভুকতভোগী বল?!!!

২৬

তানবীরা's picture


হুমম, তখন কানের নীচে দুখানা দিয়ে বলতে হয়, না পড়লে কার লাভ সেটা বুঝবি কি করে Laughing out loud

ভালো থেকো শাপলা

২৭

তানবীরা's picture


নুশেরা, মুকুল, টুটুল ভাই, রশীদা সবাইকে ধন্যবাদ লেখাটি পড়া ও মন্তব্য করার জন্য

২৮

নাহীদ Hossain's picture


বিষয় টা অবশ্যই ভাবার মত। চিন্তার ফাঁক ফোঁকর দিয়ে বেড়িয়ে যাওয়া এ রকম একটা বিষয় পর্দায় আনার জন্য ধন্যবাদ।

২৯

তানবীরা's picture


আপনাকেও ধন্যবাদ নাহীদ সহৃদয় মন্তব্যের জন্য

৩০

নীড় সন্ধানী's picture


এরকম একটা ব্যাপার আমি স্বচক্ষে দেখেছিলাম অনেকদিন আগে। মানুষটা প্রতিদিন কাজ থেকে ফিরে বস্তির ছেলেমেয়েদের স্বাক্ষর করার কাজ করে যান। নিজের ঘরেই। প্রথমে পড়াতেন কেবল নিজের ছেলেমেয়েদেরই। কিন্তু পরে নিজের ছেলেমেয়ের পাশাপাশি অন্যদেরও পড়াতে শুরু করেন। একটা অস্বীকৃত স্কুলের মতো হয়ে যায় তার সান্ধ্যাকালীন আসরটা। সেই মানুষটা পেশায় দিন মজুর, সামান্য কয়েকক্লাস পড়েছেন মাত্র। সেই সামান্য জ্ঞানও তিনি নিজের ভেতর জমিয়ে না রেখে বিলিয়ে দিতেন অন্যদের কাছে। একেবারে বিনামূল্যে। সেই মানুষের কথা শোনার পর থেকে নিজের সমস্ত পড়াশোনাকে অর্থহীন অপচয় মনে হয়েছিল।

আমরা কেউ কি বুঝি আমাদের লব্ধ জ্ঞানের কতোটা নেহায়েত অপচয়?

৩১

তানবীরা's picture


নীড়দা, আমরা নিজেদের শক্তি ও কর্তব্য সমন্ধেও অনেক সময় অচেতন। নিজের দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করলেও কিন্তু অনেকদূর যাওয়া যায় দাদা।

৩২

নাজমুল হুদা's picture


তানবীরা, আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি বেশ ভারি । অভিজ্ঞতায় জ্ঞান । তা যার আছে সে জ্ঞাণী । ক'জন আর সে জ্ঞান অন্যদের দিতে পারে ? দেবার মত সে দুর্লভ ক্ষমতা আপনার আছে । আপনার আছে এ অমূল্য সম্পদ সকলের সাথে ভাগাভাগি করবার অদম্য আগ্রহ । আপনার সফলতা কামনা করি ।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/