ইউজার লগইন

সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে)

মুখবন্ধঃ ২০০৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সেন্ট মার্টিনে ছিলাম দুদিন। আরো থাকার খুবই ইচ্ছে ছিলো কিন্তু নিরন্তর ব্যস্ততা দিলো না আমায় অবসর। “ফার ফ্রম দি ম্যাডিং ক্রাউড” এ ধরতে গেলে প্রায় রিমোট অঞ্চলে যেয়ে আমার মন প্রশান্তিতে ভরে ছিলো। গাড়ি নাই, কারেন্ট আসে মাত্র দু এক ঘন্টার জন্যে, গরম পানি নাই, মোবাইলের নেট ওয়ার্ক নাই, ল্যাপটপ নাই, ফেসবুক নাই, ব্লগ নাই আহা কি শান্তি কতোদিন পর। এই মুগ্ধতার রেশ বহুদিন আমার মনে ছিলো আরো বহুদিন থাকবে আমি জানি। আমি স্বভাবগত ভাবেই ক্ষ্যাত টাইপের মানুষ, বহুদিন বিদেশে থেকেও ক্ষ্যাতত্ব ঘুচে নাই। কয়লা ধুলে যা হয় আর কি। আমার কেনো যেনো ওয়েল এ্যরেঞ্জড ভ্যাকেশেনের থেকে এসব খাওয়ার ঠিক নাই, শোওয়ার ঠিক নাই টাইপ ভ্যাকেশন খুব ভালো লাগে। নীল দিগন্ত নামে এক রিসোর্টে গেছি রিসোর্ট দেখতে, পাশে লেকমতো কেটেছে তারা তাতে দেখি সাপ দৌড়াদোড়ি করে খেলছে, পানির ওপর থেকে দেখে প্রশান্তিতে মনটা ভরে গেলো। আমি খুশি হয়ে অন্যদের দেখাতে, তারা চেহারা বাংলা পঞ্চম করে রিসোর্ট বাতিল করে দিলো, বেক্কল আমি আবার ধরা।

কিন্তু সেই চাঁদনী রাত, রিসোর্টের বারান্দা থেকে শোনা সমুদ্রের গর্জন, আর প্রায় গ্রাম্য লোকদের কন্ঠে শোনা অতি আধুনিক গান, “মনে বড়ো জ্বালারে পাঞ্জাবীওয়ালা”, পাশে কয়লায় বারবিকিউ হচ্ছে, নানা রকমের তাজা সামুদ্রিক মাছ, যান্ত্রিক আমার জীবনের জন্য একটি অতিপ্রাকৃতিক দৃশ্য। একটা ঝড় এলে আমাদের আর কেউ কোনদিন খুঁজ়ে পাবে না এই অনুভূতি ছিলো স্বর্গীয় আমার কাছে। অনেকদিন ভেবেছি আচ্ছা সেন্ট মার্টিনটা কি অযত্নে বাংলাদেশে পরে রয়েছে। এখানের লোকজন টুকটুক করে বার্বেডোজ, সেসেলস, মরিশাস, ইবিজা আইল্যান্ডে ছুটিতে যায়। সেন্ট মার্টিনটা বাংলাদেশে না হয়ে যদি পশ্চিমের কোথাও হতো তাহলে সেটা দেখতে কেমন হতো? সময় আর আলসিতে লেখা হয়ে ওঠে নাই এ ভাবনাগুলো এতোদিন। সেদিন শনিবার রাতে আয়োজন করে সিনেমা দেখতে বসলাম “নাইট এট দি মিউজিয়াম” এডভেঞ্চার কমেডি মুভি। ছবিটা দেখে আবারো “এমন হলে কেমন হতো” লেখাটা লেখার ইচ্ছাটা কুটকুট করতে লাগলো মনে। এবার তাই লিখেই ফেললাম।

আচ্ছা “সেন্ট মার্টিন” দ্বীপটি যদি ইউরোপে হতো তাহলে আমরা কিভাবে সেখানে যেতাম? কিংবা আজ থেকে দুইশ বছর পর আমরা কিভাবে সেন্ট মার্টিন যাবো? সবচেয়ে সস্তার উপায় সম্ভবত থাকতো, “শাটল ট্রেন”। টেকনাফ থেকে মাটি খুঁড়ে সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত সমুদ্রের নীচ দিয়ে ট্রেন রাস্তা বানানো হতো। গাড়ি নিয়ে শাটলে ওঠে যাবে লোক, গাড়ি প্রতি ৫০০০ টাকা। কিছু দেখতে পাবে না, গরীবের বেশি দেখাদেখির দরকার নাই। সমুদ্রের এদিক থেকে গাড়ি নিয়ে ডুববে, ঐদিক থেকে ভুস করে ওঠবে। আধ ঘন্টায় সেন্ট মার্টিন। যারা উচ্চ মধ্যবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত তারা যেতে পারবেন বোটে। “ডিজিটাল কেয়ারি সিন্দাবাদ”, কিংবা “দি রয়্যাল ঈগল এক্সপ্রেস", "দি নিউ মর্ডান এল সি কুতুবদিয়া"। নীচে সবাই গাড়ি রেখে, ওপরে ডেকে যেয়ে বসবেন। দু – ঘন্টার জার্নি। দিনের বেলা গাড়ি প্রতি ১০.০০০ হাজার টাকা আর রাতের বেলা গেলে ১৮.০০০ হাজার টাকা। রাতের বেলা নীচে থাকবে নিকষ কালো সমুদ্র, ওপরে খোলা নীল আকাশ, আকাশের সারা গায়ে ফুটে থাকবে অসংখ্য দুধ সাদা বেল ফুলের মতো তারা, পূর্নিমা হলে “নিশি রাত সাথে নিয়ে তার বাঁকা চাঁদ”। তার সাথে মৃদ্যু মন্দ ঠান্ডা বাতাস, সুদূরে চারপাশ নীরব নিঝুম, ঝিম ধরা। অসহ্য একটা ভালো লাগায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে এখুনি মরে যাচ্ছি এমন একটা অনুভূতি হবে। এগুলোতো ফ্রী হতে পারে না। তাই রাতের ট্রিপ দামি।

বোটে থাকবে রেষ্টুরেন্ট লাং লীং লাংলা, এর মধ্যে পাওয়া যাবে সেট মেন্যু। ফ্রায়েড রাইস প্লাস প্রন টেম্পুরা আর ভেজটেবল কারি ৩৫০০ টাকা প্রতি প্লেট, ড্রিঙ্কস এক্সক্লুডেড। কিংবা প্লেইন নাসি উইথ সুইট এন্ড সাওর বিফ বল উইথ স্পিনাচ ইন থাই সস ৩০০০ টাকা প্রতি প্লেট। পাশের সাউথ ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টে পাওয়া যাবে মাশালা দোসা ১৫০০ টাকা অথবা শাহি পানির উইথ রুমালি রুটি ১৮০০ টাকা প্রতি প্লেট। লাচ্ছি আর জিরা পানি অর্ডার দিলে বানানো হবে তাজা তাজা। আর অবশ্যই থাকবে পকেট ফাঁকা কিন্তু পোজপাজিয়া ষ্টুডেন্টদের জন্য কফি কর্নার। এক কাপ চা/কফি ১৫০ টাকা, দুটো সমুচা কিংবা রোল ৫০০ টাকা, ক্লাব স্যান্ডউইচ ৩০০ টাকা । সফট ড্রিঙ্কস ২৫০ টাকা প্রতি ৩০ সিএল এর বোতল। বড়লোকেরা যাবেন প্লেনে চেপে। ফরেনাররা যাবেন ফার্ষ্ট ক্লাশে নইলে ফার্ষ্ট ক্লাশ ফাঁকা যাবে, কারন বাংলাদেশের অতি বড়লোকেরা সেন্ট মার্টিন যান না তারা যান সিঙ্গাপুর। আর ঘুষ খাওয়া কিংবা সদ্য এক্সিকিউটিভ, সিইও পদে পদোন্নতি পাওয়া বড়লোকেরা যাবেন ইকোনোমী ক্লাশে বউকে সঙ্গে করে। ফার্ষ্ট ক্লাশ ৬৫.০০০ হাজার টাকা আর ইকোনোমী ৪০.০০০ টাকা। প্লেনে তারা হালকা/ফুলকা স্ন্যাকস/ড্রিঙ্কস পাবেন কারন এতো কাছের ফ্লাইটে মিল দেবার নিয়ম নেই।

সেন্ট মার্টিন পৌঁছানোর পর বেশির ভাগ সবাই চলে যাবেন আগে থেকে ইন্টারনেটে বুকিং দেয়া রিসোর্টে কিংবা হোটেল ও মোটেলে। বেশির ভাগ হোটেলেই সুইমিং পুল, সাওনা, জিম ও ডিস্কো আছে। দিনের বেলা সব চলছে চলবে ঢিলেঢালা। কেউ কেউ গায়ে লোশন মেখে সমুদ্র স্নান করবেন, কিংবা সাঁতার, ডাইভিং, বাঞ্জি জাম্প, সেইলিং, সার্ফিং। যারা পরিবার কিংবা বান্ধবী নিয়ে যাবেন তারা সৈকতে বসে বালির রাজপ্রাসাদ বানাবেন আর ভাংগবেন, পরদিন আবার বানাবেন। জমে ওঠে দ্বীপ সন্ধেবেলা থেকে। রোদের তাপ কমে গেলে সবাই তাদের বেষ্ট আউটফিটে বেরোবেন। ডিস্কোগুলোও তাদের লাল নীল নিয়ন বাতি জ্বালিয়ে দিবে। মাঝে মাঝে কেউ যখন দরজা খুলে ঢুকবে কিংবা বেরোবে তখন হালকা আওয়াজ পাওয়া যাবে, “মনে বড় জ্বালারে পাঞ্জাবীওয়ালা”র সুরের। তখনো ডিস্কো সব ঢিলাঢালা থাকবে। ভীড় থাকবে রেষ্টুরেন্ট আর বারবিকিউ ক্যাফেগুলোতে। বড় বড় লবষ্টার, তেলাপিয়া, রুই, ইলিশ একদিকে গ্রীল হবে অন্যদিকে খাসির রান, মুরগী। সাথে ফিলার হিসাবে আলু, আপেল, ভুট্টা, বেগুন, টম্যেটো। দ্বীপের অথরিটি ট্যুরিষ্টদের জন্যে খোলা আকাশের নীচে বারবিকিউ এর সুন্দর ব্যবস্থা রেখেছেন। একসাথে দু’শ লোক বারবিকিউ করতে পারবেন কিন্তু তারপরো এখানে সমুদ্রের পাড়ে এতো ভীড় হয়ে যায়, আগে থেকে এসে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, জায়গা দখল করার জন্যে। গ্রীল দেয়া আছে, বাকি কয়লা, প্লেট – গ্লাস, মাছ – মুরগী সব নিজেকে যোগাড় করে নিতে হবে। তাতেও সমস্যা নেই, কাছে অনেক সুপারমার্কেটের এরকম রেডি প্যাকেজ আছে মিট প্যাকেট ফর টু কিংবা ফিশ প্যাকেজ ফর ফোর ইত্যাদি ইত্যাদি।

অনেকেই মাংসকে পুড়তে দিয়ে নিজে গিটার নিয়ে বসে পরবেন। পাশ থেকে গান ভেসে আসবে, “ঐ দূর পাহাড়ে লোকালয় থেকে দূরে, মন কেড়েছিলো এক দুরন্ত মেয়ে সে কবে……”। গানের সুরে মুগ্ধ হয়ে কেউ কেউ পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে গান শুনবেন। কেউ কেউ তার সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনীকে জড়িয়ে ধরে সামান্য নাচবেন। এ জায়গাটুকু মাছ – মাংসের গন্ধে, গানে, চুড়িং টুংটাং, ফিসফাস, কাপড়ের খসমস, হঠাৎ কেঁদে ওঠা শিশুর শব্দ, আধো হাসি আধো কথায় ভরে থাকবে। যারা ভীড় ভাট্টা পছন্দ করেন না তারা কাঁচ দেয়াল ঘেরা বারবিকিউ রেষ্টুরেন্টে চলে যাবেন তাদের পার্টনারকে নিয়ে। কাঁচ ভেদ করে কোন গন্ধ কিংবা শব্দ তাদের কাছে পৌঁছুবে না। মৃদ্যু আলোয়, খুব কম ভলিউমে বাজবে সেখানে রবির সেতার কিংবা বিটোফোন বা মোর্জাৎ। ক্রিষ্টালের গ্লাসে ফ্রেঞ্চ কিংবা ইটালিয়ান – স্প্যানিশ ওয়াইনের সাথে ওয়েল সার্ভড ডিনার সারবেন তারা।

(চলবে)

তানবীরা
২৭.১২.২০১০.

এ পোষ্টটির আসল ট্যাগ হবে, "কাল্পনিক" কিন্তু এটা ট্যাগ লিষ্টে নেই ঃ(

মীর, রাসেল যারা আমাকে পোষ্ট উৎসর্গ করেছেন, আরা যারা যারা উৎসর্গ করবেন ভেবেছিলেন কিন্তু এখনো করেননি, তাদেরকে আমি এইপোষ্টটি উৎসর্গ করলাম।

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

উলটচন্ডাল's picture


আপু, পোস্ট ভাল লাগল।এই প্রসংগে কিছু কথা যোগ করি।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আমরা অনেকেই যাই পর্যটক হিসেবে। ছবি তুলি, ঘুরে বেড়াই, পোড়ানো মাংসের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে উঠে। সেই একই দ্বীপে স্থানীয় মানুষেরা বড় কষ্টে থাকে। প্রায় সাত-আট হাজার বাসিন্দার জন্য কয়টা স্কুল, কলেজ আর হাস্পাতাল আছে সেখানে? আমরা তাদের জন্য কতটুকু চিন্তা করি?? আজকে সরকার কর বাড়ালেই রে রে করে ছুটে আসবে সব পর্যটন সংস্থা।

একটার পর একটা রিসোর্ট গড়ে উঠছে। এদের বর্জ্য সরাসরি সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে যা দ্বীপের ইকোসিস্টেমের জন্য শুধু হুমকি নয়, বরং বিপদ সংকেত। সাগরের এই প্রবাল আমরাই, পর্যটকরাই, কিনি - আর এভাবেই ধ্বংস হয় পরিবেশ। চিপ্সের প্যাকেট, সিগারেটের টুকরা, আরও হাজারটা টুকিটাকি সৈকতে ফেলে দেই নির্দ্বিধায়।

আমার ধারণা এই কথাগুলো আপনিও বলতেন, বলা হয়ে উঠেনি - এই যা। আপনার হয়ে আমিই বলে দিলাম। ভুল বুঝবেন না।

ধন্যবাদ

তানবীরা's picture


আমার পোষ্টে নির্দিদ্বায় আপনার ভাবনা যোগ করে যাবেন।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ জায়গারই এই অবস্থা। সেন্ট মার্টিন এর বাইরের কিছু নয়। সেগুলো দেখলে আর বেড়াবো কি? তাই স্বার্থপরের মতো চোখ বন্ধ করে ঘুরতে হয়।

আর আমিতো কল্পনা করছি। সুন্দর সুন্দর জিনিস কল্পনা করা আমার একটা রোগ। এখানে ঝামেলার কথা থাকবে না। Laughing out loud

নীড় সন্ধানী's picture


আপনার কল্পনা শক্তির সাহিত্যগুন নজীরবিহীন। Laughing out loud Laughing out loud

তবে আমার কল্পনাটা মোটামুটি বিপরীত। ২০০ বছর পরে একদল জিওলোজিষ্ট এবং আর্কিওলোজিষ্ট ডুবুরী নামিয়ে খোঁজাখুঁজি করছে এখানে নাকি মধ্যযুগে একটা কোরাল দ্বীপ ছিল, যা টুরিষ্টের অত্যাচারে সলিল সমাধি লাভ করেছিল।

২০০৮ সালে গিয়ে আপনার মনে হয়েছে ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড!!! আমার মতো আদিযুগে (১৯৯৪) গেলে না জানি কিরাম লাগতো। আহা, প্রথম সবসময়ই সেরা। প্রথমবারকে কেউ অতিক্রম করতে পারে না। সেই দিন আর ফিরে আসিবে না Sad(

তানবীরা's picture


প্রত্যেকের প্রথমই প্রত্যেকের কাছে সেরা। Wink

হুমম খোঁজাখুজি করার পর আমার এই লেখাটা পড়বে Tongue

নাজমুল হুদা's picture


২০০৮ সালে গিয়েছিলাম আমিও । যেমন ছিল তেমনটি রাখার ব্যাপারে কারো গা আছে বলে মনে হয়নি । নীড় সন্ধানী ১৯৯৪ তে গিয়ে যা দেখতে পেয়েছিল, তা দেখবার সৌভাগ্য আর কারোর কখনো হবে না । আমরা সুন্দরকে উপভোগ করতে যেয়ে তার সৌন্দর্যকে নষ্ট করি অবলীলায় ।ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড সেন্ট মার্টিন এখনই তো ক্রাউডেড । তবে স্বপ্ন দেখতে হলে দামীটাই দেখা স্বস্তির । আর তাই কল্পনার দৌঁড়ে দু'শ বছর পরের আনন্দে যোগ দেই । সেন্ট মার্টিন কেমন হবে এতদিন পরে এমন চিন্তা ও কল্পনা করে তানবীরা আমাদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে । ভাল লাগছে, পরবর্তী কাল্পনিকের জন্য আগ্রহী ।

তানবীরা's picture


হুমায়ূন আহমেদ মধ্যবিত্তকে বেড়ানো শিখাচ্ছেন। সেন্ট মার্টিনকে আজকের সেন্ট মার্টিনে রুপান্তর করতে তার ভূমিকা অনেক। তারপরো কিছু লোক এই করে সংসার চালাচ্ছে, কিছু লোক মানসিক ভাবে আনন্দ লাভ করছে, এটাও মন্দ কী।

বাংলাদেশের কোথাও কোন ইনফ্রাস্ট্রাকচার নাই, সেন্ট মার্টিনও এর ব্যতিক্রম কিছু না। লালবাগের কেল্লারই কি অবস্থা?

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

মীর's picture


যেভাবে লিখতেসিলেন, আমি তো চলেই গিয়েছিলাম। খাচ্ছিলাম-দাচ্ছিলাম ইচ্ছেমতো, বেস্ট আউটফিটে ঘুরছিলাম-ফিরছিলাম মনের আনন্দে। হঠাৎ দুম করে শেষ করে দিলেন...
ঠিক হলো এইটা? যাউক্গা আছেন-টাছেন কিরাম? ডিটেইলে বলেন।

তানবীরা's picture


Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

নাহীদ Hossain's picture


কল্পনা ১০০% ডিজিটাল হইছে। কিন্তু দুইশো বছর যদি হয় তাইলে টাকার পরিমানে আর একটা শুন্য যোগ হওয়া উচিৎ  Innocent
প্রথমবার গেছিলাম ২০০১ এ ... সেইন্টমার্টিন্সের সেই র' ফরম্যাট আর পাই নাই ... Frown

১০

তানবীরা's picture


২০০১ এর ফরম্যাটে পৃথিবীতে কোন কিছুই আর খুঁজে পাবেন না, এমনকি নিজেকেও আর না।

আমি এর থেকে বেশি টাকার অঙ্ক কল্পনা করতে পারি না, গরীবের সীমাবদ্ধতা।

অঃটঃ আপনার গান শুনে আমি আর আমার স্বামী মুগ্ধ। সামনে থেকে শুনতে পেলে আরো ভালো লাগতো অবশ্যই।

১১

জ্যোতি's picture


এসব উৎসর্গ দেখেই আর কমেন্ট করলাম না যে পোষ্ট পড়ে কল্পনায় দেখতে পাচ্ছিলাম সব।

১২

তানবীরা's picture


Puzzled Puzzled Puzzled

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


দুইশ বছর পরের চিন্তা কইরা লাভ আছে????????

না আপমি মনে মনে রবিদা হতে চান। Tongue Tongue

সাউথ ইন্ডিয়ান খাবারের হোটেল ক্যান??আমি একটা হোটেল দিবো ঐ খানে শুধু কালাইয়ের রুটি,বেগুন ভর্তা আর আমের আচার পাওয়া যাবে।

১৪

তানবীরা's picture


তুমি ইন্ডিয়ান আর চায়নীজদের সাথে বিড করে পারবা?

মনে মনে কতো কিইতো হতে চাই, বলে লাভ আছে?

১৫

লিজা's picture


আপু সাউথ ইন্ডিয়ান দোসা কিন্তু আমাদের দেশেও প্রায় একি রকম করে বানায়। চালের গুড়ো দিয়েই। তাওয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে, সাইজ একটু ছোট হয় আরকি। ওইটাও খাইতে হয় ভর্তা দিয়ে। বুঝলামনা দোসা বিশ্বে জনপ্রিয় হইল কিন্তু আমাদেরটা লোকে চিনেওনা। Thinking

১৬

রাসেল আশরাফ's picture


আমাদের গ্রামে ঐটারে বলে চাপড়ি।সাধারণত সকালের নাস্তা দেরী হলে চাপড়ি বানায় কিছুক্ষন বুঝ দেয়া হয়।

আমি বসুন্ধরা সিটিতে দেখেছিলাম প্রথম।কয় এর নাম দোসা।মনে মনে কয়লাম ''বাড়িতে ছিলি ছোলা ভাজা আর শহরে আইসা হইছোস ঘুঘনি''

১৭

নাজমুল হুদা's picture


রাসেল, ঐটারে চাপড়ি বলে, কোন কোন জায়গায় ধাপড়াও বলে । আর কালাইয়ের রুটি তো কুষ্টিয়া-পাবনা এলাকায় পদ্মা-গড়াই চরের মানুষের ক্ষুধা নিবৃত্তির অন্যতম ভরসা । আপনি কি ঐ এলাকার বাসিন্দা ?

১৮

রাসেল আশরাফ's picture


হুম।আমার চুয়াডাঙ্গার বন্ধু-আত্মীয়রা ধাপড়া বলে।

আর কালাইয়ের রুটি তো কুষ্টিয়া-পাবনা এলাকায় পদ্মা-গড়াই চরের মানুষের ক্ষুধা নিবৃত্তির অন্যতম ভরসা ।

এই কথার সাথে একমত না আমি।

কালাইয়ের রুটি চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার খুব জনপ্রিয় খাবার বিশেষ করে সকালের নাস্তা হিসাবে।

আমার দাদাবাড়ি-নানাবাড়ি কুষ্টিয়া আর আমার বাড়ি রাজশাহী।

১৯

তানবীরা's picture


দোসার রুটিটা খুব পাতলা হয় আর আমাদের দেশেরটা হয় বেশ ভারী। আমাদের দেশেরটা শুধু চালের গুড়ো দিয়ে হয় আর দোসারটা হয় চালের গুড়ো, কলাইয়ের ডাল, অড়হড় ডালের মিশ্রন থেকে।

দেখতে একি রকম হলেও পুরো প্রসেসটা মনে হয় না এক Glasses

২০

নাজমুল হুদা's picture


আমার ধারনা সঠিক । ধন্যবাদ ।

২১

যৈবন দাদা's picture


২০০ বছর পর কি হবে কে জানে, আমি এখন ই যা দেখলাম ! ! !

২২

তানবীরা's picture


কি দেখলেন কষ্ট করে যদি লিখতেন।

২৩

বকলম's picture


মর্ডাণ কইতে যদি এগুলান হয়, তাইলে আমি ক্ষ্যাত আছি, ক্ষ্যাতই ভালা। প্রথমবার যখন সেন্টমার্টিন গেছিলাম কাঠের ট্রলারে, উত্তাল সাগরে ডুবি ডুবি কইরা, তখন মনে হইছিল ফুলসিরাত পাড় হইয়া যেন স্বর্গে আসলাম। সময়টা ১৯৯২/৯৩ এর দিকে হইব। হোটেলতো দূরের কথা একখান তাবুও ছিল না। দিন গিয়া দিনেই ফেরত আইছিলাম রাইতে থাকনের যায়গা না থাকায়।

সেই স্বর্গে যদি নাচ গান ডিস্কো ঢুকে তাইলে নামডাই খালি স্বর্গ থাকব, ভেতরেতো নরক গুলজার।

২৪

তানবীরা's picture


নাচ গান ডিস্কো কি খারাপ জিনিস? স্বর্গেতো এসবই পাবেন। সূরা আর সাকি। নাকি ভুল বল্লাম? হুরদের সাথে ডিস্কো করার জন্যইতো এতো ত্যাগ তিতিক্ষা

২৫

বকলম's picture


কাঠমোল্লারা স্বর্গ নিয়া যেইসব ফ্যান্টসিতে ভোগে সেইটাই তারা ম্যাংগো পাবলিকগো কাছে বয়ান করে তানবীরাপা। স্বর্গে যদি ডিস্কো, সূরা আর সাকি জায়েজ হয় তাহলে দুনিয়ায় না'জায়েজ হওয়ারতো কুনো কারন দেখি না।

আমি কইতে চাইছিলাম সেন্টমার্টিনের ভার্জিন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যডারে ডিস্কো, বার আর হাউকাউ আর্টিফিসিয়াল ম্যটেরিয়াল দিয়া বলৎকার না করনের লাইগা।

২৬

তানবীরা's picture


বকলমদা, স্বর্গ সম্বন্ধে আমিও কিন্তু সূরা আর ৭০ হুরপরী আর গেলম্যানের বাইরে কিছু জানি না।

তবে ডিস্কো, বার এগুলো থাকা মানে কিন্তু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের হানি করা নয়। বরং লোকের চিত্তবিনোদনের যথেষ্ঠ ব্যবস্থা থাকলে, লুকিয়ে প্রবাল চুরি কিংবা অন্যান্য অনৈতিক কাজগুলো থেকে বিরত লোকে থাকবে। আর এটা আমার মুখের কথা নয়, আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা।

আন্তরিক ধন্যবাদ দাদা আপনাকে, অভিমান করে আমার বাড়ি আসা বন্ধ করবেন না যেনো। ভিন্ন ভিন্ন মতবাদ কিন্তু বন্ধুত্ব জোরদার করে Big smile

২৭

লিজা's picture


একজন দুইজন হুর না পুরা চল্লিশজন!!

২৮

নাজমুল হুদা's picture


চল্লিশ জন নয় তো সত্তুর জন । আবার কেউকেউ বলে প্রতি লোমে একজন । তবে মহিলাদের জন্য কি ব্যবস্থা তা কেউ কিছু বলে না ।

২৯

লিজা's picture


আমি এখনও দেখি নাই। দু'শ বছর পরে আমার আত্মা নিশ্চই ওইসব দেখবে। যদি ততদিন সেন্টমার্টিন দ্বীপ থাকে। সুন্দরবনে নাকি ওইরকম একটা স্বপ্নদ্বীপ ছিল। বাংলাদেশী আর ভারতীয় জেলেরা বিশ্রাম করত সেইখানে। হঠাৎ করে একদিন তারা দেখে সেটি আর নাই। সলিল সমাধি হয়েছে তার। তাদের কাছে সেটি এখন রুপকথার মত। ভয় হয় সেন্টমার্টিনও কি একদিন এই পরিনতি ভোগ করবে। Sad
তবে আপু লেখা কিন্তু জোশ হইছে। Star Star

৩০

তানবীরা's picture


ডাইনোসার নেই, একদিন আমরাও নেই, স্বপ্নদ্বীপ নেই হয়তো সেন্ট মার্টিনও নেই। শুধু এই মুহূর্তটি আছে লিজা। বাধাকপি ভাজা কেমন হলো?

৩১

লিজা's picture


পঁচা হইছে আপু Sad কি করব, মনতো ছিল উদাস Steve Tongue

৩২

তানবীরা's picture


এরপর থেকে তাহলে পিকনিক সেরে এসে বাধাকপি ভাজবেন Cool

৩৩

জমিদার's picture


এক কাপ চা/কফি ১৫০ টাকা, দুটো সমুচা কিংবা রোল ৫০০ টাকা, ক্লাব স্যান্ডউইচ ৩০০ টাকা ।
৫০ বছর পরেই ৩০০ হবে , সবে তো হোটেল হ্ওয়া শুরু হইছে ,

নীর দার বিপরীত চিন্তাটাই ঘটার সম্ভবনা বেশি
২০০ বছর পরে একদল জিওলোজিষ্ট এবং আর্কিওলোজিষ্ট ডুবুরী নামিয়ে খোঁজাখুঁজি করছে এখানে নাকি মধ্যযুগে একটা কোরাল দ্বীপ ছিল, যা টুরিষ্টের অত্যাচারে সলিল সমাধি লাভ করেছিল।

৩৪

তানবীরা's picture


সেইজন্যই আমি কল্পনার আশ্রয় নিলাম কারন বাস্তব বড়ো বেশি নির্মম।

৩৫

মামুন ম. আজিজ's picture


টাকার পরিমাণ অনেকস কম হইছে.........লাখে লেখেনটাকার পরিমাণ অনেকস কম হইছে.........লাখে লেখেন

৩৬

তানবীরা's picture


গরীবের গরীবি কল্পনা আর কি? Sad(

৩৭

ঈশান মাহমুদ's picture


আপনারে কোন পোস্ট উৎসর্গ করার আগে আপনিই কইরা দিলেন ! এই গণ পোস্ট সবাই ভাগ কইরা নিলে এক লাইন কইরা ভাগে পড়বো কিনা সন্দেহ । তবে আমারে কোন লাইন বাইছা নিতে কইলে আমি এই লাইনটাই বাইছা নিবো....।

অপূর্ব সুন্দর পোস্ট। কল্পনায় পোলাউ খাইলে ঘি বেশী কইরা দিতে অসুবিধা কি ! তবে বাস্তবতা হয়তো এরকমই হবে....
০০ বছর পরে একদল জিওলোজিষ্ট এবং আর্কিওলোজিষ্ট ডুবুরী নামিয়ে খোঁজাখুঁজি করছে এখানে নাকি মধ্যযুগে একটা কোরাল দ্বীপ ছিল, যা টুরিষ্টের অত্যাচারে সলিল সমাধি লাভ করেছিল

৩৮

ঈশান মাহমুদ's picture


আপনারে কোন পোস্ট উৎসর্গ করার আগে আপনিই কইরা দিলেন ! এই গণ পোস্ট সবাই ভাগ কইরা নিলে এক লাইন কইরা ভাগে পড়বো কিনা সন্দেহ । তবে আমারে কোন লাইন বাইছা নিতে কইলে আমি এই লাইকয়টাই বাইছা নিবো....।

রাতের বেলা নীচে থাকবে নিকষ কালো সমুদ্র, ওপরে খোলা নীল আকাশ, আকাশের সারা গায়ে ফুটে থাকবে অসংখ্য দুধ সাদা বেল ফুলের মতো তারা, পূর্নিমা হলে “নিশি রাত সাথে নিয়ে তার বাঁকা চাঁদ”। তার সাথে মৃদ্যু মন্দ ঠান্ডা বাতাস, সুদূরে চারপাশ নীরব নিঝুম, ঝিম ধরা। অসহ্য একটা ভালো লাগায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে এখুনি মরে যাচ্ছি এমন একটা অনুভূতি হবে।

অপূর্ব সুন্দর পোস্ট। কল্পনায় পোলাউ খাইলে ঘি বেশী কইরা দিতে অসুবিধা কি ! তবে বাস্তবতা হয়তো এরকমই হবে....

২০০ বছর পরে একদল জিওলোজিষ্ট এবং আর্কিওলোজিষ্ট ডুবুরী নামিয়ে খোঁজাখুঁজি করছে এখানে নাকি মধ্যযুগে একটা কোরাল দ্বীপ ছিল, যা টুরিষ্টের অত্যাচারে সলিল সমাধি লাভ করেছিলভ।

৩৯

তানবীরা's picture


কল্পনায় পোলাউ খাইলে ঘি বেশী কইরা দিতে অসুবিধা কি !

আমিওতো তাই কইলাম মিঞাভাই

৪০

বোহেমিয়ান's picture


অন্যরকম লাগছে।
চলুক

৪১

তানবীরা's picture


ধন্যবাদ Cool

৪২

মাইনুল এইচ সিরাজী's picture


২০০ বছর পরেরটা দেখলাম। এই সেন্টমার্টিন এখনো দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া। আমার সমুদ্রভীতি আছে

৪৩

তানবীরা's picture


ভীতিকে জয় করে ফেলুন দেখবেন নেশা লেগে যাবে

৪৪

আপন_আধার's picture


সপ্তাহ খানেক আগে গেছিলাম । কল্পনার সাথে কিছুই মিলেনাই । । সেন্টমার্টিন নামার পরে মনে হইলো কোন গ্রামের হাটে গিয়া ঢুকছি ।
তবে ছেড়াদ্বীপ ভালই লাগছে।

৪৫

তানবীরা's picture


বাজারের জিলাপী খেয়েছেন? আমি আমার জীবনে এতো স্বাদের জিলাপী খাই নাই। আর মাছ ভাজা, আহা এখনো ভুলতে পারি না

৪৬

আপন_আধার's picture


জিলাপী খাই নাই Sad ......
মাছ ভাজা খাওয়া হইছে আয়েশ কইরা, আর ডাব Laughing out loud

৪৭

তানবীরা's picture


হুমম, মাছ নিয়ে আমি খুব টেনশনে থাকি। অচেনা মাছ সাধারনত খেতে চাই না কিন্তু সেন্ট মার্টিন গিয়ে সব খেয়েছি। মাছ ভাজা, মাছের বারবিকিউ অসাধারণ।

৪৮

অলৌকিক হাসান's picture


বহুদিন আগে যা ভাবছিলাম

৪৯

তানবীরা's picture


দেখে ভালো লাগলো আমার মতো অনেকেই এ ব্যাপারটা ভেবেছেন তাহলে, আমি একা না

৫০

লীনা দিলরুবা's picture


তানবীরার কল্পনার দৌড়তো সেরম। ৪০.০০০ দিয়েতো চল্লিশ টাকা বোঝায় অবশ্য পেছনে শূণ্য একটা কম দিয়ে। ৪০,০০০.০০ এইটা হবে মনে হয়।

কল্পনা আর যাই হোক বর্ণনা অতি উপাদেয় হয়েছে (খাবার গুলোর মত)। আমার এখনো যাওয়া হয়নি, পোস্ট পড়ে যাবার আকাঙ্খা বেড়ে গেল।

৫১

তানবীরা's picture


এভাবে বোধহয় শেয়ারের হিসেব হয় Cool

ঘুরে আসেন, খুব ভালো লাগবে গ্যারান্টেড, বিফলে মূল্য ফেরত Big smile

৫২

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


২০০ বছর পরের সেন্ট মার্টিন থেইকা ঘুরায়া আননের লাইগা আপনার 'ফি' টা যদি বলতেন !

কল্পনা দুর্দান্ত হইছে ।

৫৩

তানবীরা's picture


আপনে ইনসাফ করে যা দেন বড়ভাই Big smile

৫৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


৬/৭ বার পড়ে চলে যাচ্ছি, কিন্তু কমেন্ট করছি না! এটা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না।

৫৫

তানবীরা's picture


অবশ্যই ঠিক হচ্ছে না Angry

৫৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


সিষ্টার রেগে গেলে হুশ থাকে তো! আমাগো দুলাভাইয়ের উপর আবার বেশী একশান লিবেন না। আহ,বেচারা!

৫৭

নুশেরা's picture


দুস্তাইনের কল্পনা তো সেইরাম! ইয়ে মানে কল্পনার সব লেখা তোমারে উৎসর্গ করলাম Wink

৫৮

তানবীরা's picture


ওলো সই ওলো সই ............... তোমারে বাস্তবে ধন্যবাদ জানালাম Big smile Big smile Big smile Big smile Big smile

৫৯

শওকত মাসুম's picture


“ডিজিটাল কেয়ারি সিন্দাবাদ”-এ কিন্তু যাইতাম না।

৬০

তানবীরা's picture


ঠিকাছে আপনার জন্যে এল।সি।কুতুবদিয়া তাও যান Wink

৬১

জুলিয়ান সিদ্দিকী's picture


আমি ডরেই আপ্নের লগে উড়তে পর্লাম্না! দুইশ বছর দূরের কথা তার আরো একশ বছর আগেই সেন্টমার্টিন হারায় যাবে। বাংলাদেশের সম্পদ বইলা কথা! অন্য দেশ হইলে সাহস কইরা ভাবা যাইতো।

৬২

তানবীরা's picture


আমিতো ভাবছিনা দাদা কল্পনা করছি

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/