সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে) {শেষ পর্ব}
খাওয়া দাওয়া শেষ করে একদল যাবেন ডিস্কোতে। সেখানে স্প্যানিশ, ল্যাটিন, হিন্দী, ইংরেজি গানের সাথে থাকবে কিছু লোকাল নাম্বার। সেন্ট মার্টিনকে ঘিরে বানানো। এল আর বি কিংবা দলছুটের বানানো ওওও উই আর গোয়িং টু সেন্টমার্টিন, কিছু থাকবে র্যাপ আর রিমিক্স। ওরে সাম্পানওয়ালা তুই আমারে করলি দিওয়ানা কিংবা রুপবানে নাচে কোমর দুলাইয়া। আর যারা নাচতে ভালোবাসেন না তাদের জন্য আছে ঝলমল আলো সজ্জিত ক্যাসিনো। সুন্দরী মেয়েরা সেখানে বসে থাকবেন আর চলবে সারা রাত গ্যাম্বলিং। জ্যাকপটের আশায় অনেকেই মন উজাড় করে খেলবেন, কেউ পাবেন কেউ পাবেন না। যারা প্রকৃতির খুব কাছে থাকবেন, অন্যকোন কিছুই তাদের চাই না তারা ক্যাম্প ফায়ার করে তার পাশে গোল হয়ে আকাশের চাঁদকে প্রেয়সী করে কবিতা লিখবেন। সেই আলো আঁধারিতে রাত যখন ভোরের দিকে যাবে সবাই হোটেলের দিকে ফিরবেন। বিছানায় গড়িয়ে প্রস্তুত হবেন পরের দিনের জন্যে। এতো কিছু করার আছে এখানে।
সকাল হতেই একদল বেরিয়ে পড়বেন ছেঁড়াদিয়া দ্বীপ কিংবা নিঝুম দ্বীপের সন্ধানে। বাহন থাকবে ওয়াটার ট্যাক্সী কিংবা সাম্পান। ছেঁড়াদিয়া দ্বীপের অনেকটাই সংরক্ষিত এলাকা। সমস্ত প্রবালে সবার মাড়ানো নিষেধ। পর্যটকরা নিজেরাও এব্যাপারে মারাত্মক সচেতন, ভবিষ্যতের জন্য সব বাঁচিয়ে রাখতে হবেতো। তবে কিছুটা এলাকা পায়ে হেটে দেখতে পারেন। আর বাকিটা দূর থেকে সবাই দেখবেন। এই দ্বীপে দুটো মাত্র স্যুভেনীয়’র শপ। তাতে নানা ধরনের প্রবাল পাওয়া যায় হ্যালো সেন্টমার্টিন কিংবা ওয়েলকাম টু ছেঁড়াদিয়া লিখা। প্রবালের টুকরো লাগানো ওয়ালপ্লেট, চাবির রিং ইত্যাদিও আছে। আর আছে চা-কফি, সামান্য স্ন্যাকস, রেষ্ট রুম পর্যটকদের সুবিধার জন্যে। গরমের দিনে আরো থাকে ঠান্ডা ডাব, কোক, আইসক্রীম। দ্বীপের মধ্যে বড় একটা টাওয়ারের মতো আছে। সেখানে চারপাশ দেখার জন্যে বড় বায়নোকুলার টাইপ মেশিনগুলো বসানো আছে। যেগুলোতে পাঁচশো টাকার কয়েন ফেলে চারদিক ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সমুদ্রের ও আশপাশের প্যানারোমা শোভা দেখা যাবে। শপগুলোর পাশে পাশেই আছে কোন ইঞ্জিনিয়ার / আর্কিওলজিষ্ট কবে কি ডেভেলাপ করেছেন, কতো সালে কোন কাজ শুরু করেছিলেন, তাদের মূর্তি ও তাদের জীবনী। সমুদ্রের - বাংলাদেশের আগের ও পরের ল্যান্ডস্কেপ, কে কবে কি উদ্বোধন করেছেন তার ছবি ও বিবরন দেয়া বিরাট বিরাট ফলকখানা। পর্যটকরা শটাশট এগুলো তাদের ক্যামেরায় বন্দী করতে শাটার টিপবেন।
ছেঁড়াদিয়া থেকে অনেকেই নিঝুম দ্বীপের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন। যদিও নিঝুম দ্বীপে ঢোকার প্রবেশ মূল্য অনেক কিন্তু এতোটা দূর যখন এসেছেনই এতোটা পয়সা খরচ করে তখন দেখে যাওয়াই যাক। এতো নাম শুনেছেন এই দ্বীপটির। পুরো দ্বীপটিই যেনো অভয়ারন্য। হরিণ, বানর আর শীতকাল হলেতো কথাই নেই নানা রকম নাম না জানা অতিথি পাখির ভীড়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখানে খুবই সজাগ। কোনরকম শব্দ দূষন করে এখানকার পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না। দূর থেকে ছবি তোলা যাবে। তবে হরিণ – বানরের সাফারী ট্যুর খুবই দামি। সেফটি লকের গাড়িতে করে একসাথে দশজনের সাফারি কার যায় ঘন্টায় একটি। কিছুটা এলাকা উন্মুক্ত আছে বিনে পয়সায় দেখার জন্যে। পর্যটকরা তাতেই খুশি। কতবার কত সিনেমার দৃশ্যে এই জায়গাগুলো দেখেছেন তারা আর আজ স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য ঘটেছে। বিরাট নীল সমুদ্রের পাশে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে সবুজের মেলা। তাতে অবাধে চরে বেড়াচ্ছে নির্ভীক হরিণের দল, গাছে গাছে দুষ্ট বানর আর নাম না জানা পাখির কিচির মিচির। নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে আর কি চাই?
এখানের ভ্রমন শেষ করে অনেকেই ছুটবেন আকুয়া ডাইভিং, বানজি জাম্পের জন্যে। অনেকদিন ধরে তারা অপেক্ষায় আছেন। প্রথম দশ মিনিট ট্রেনিং আনাড়িদের জন্যে তারপর খেলা। কেউ কেউ সার্ফিং ও সেইলিং করতে পারেন। যারা এ্যাক্টিভ কিছুতে আগ্রহী না তারা বীচে যেয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়েছেন। কিন্তু বাচ্চা কাচ্চা যাদের সাথে থাকবেন তাদেরতো সেই সুবিধে নেই। তারা বাচ্চাদের নিয়ে লাইভ একুরিয়াম দেখতে যেতে পারেন। সেন্ট মার্টিনের একটা পাশ জুড়ে আছে লাইভ একুরিয়াম প্লাস মিউজিয়াম। আলাদা টিকেট কাটলে দাম বেশি আর দুটোতে ঢুকার টিকিট একসাথে কিনলে একটু সস্তা। একুরিয়ামে বড় বড় তিমি, হাঙর এসে এমন ভাবে দেয়ালে তাদের লেজ দিয়ে মারবে যে মনে হবে এখুনি সব ধসে যাচ্ছে। আসলে কিছুই না, বাচ্চাদের আনন্দ দেয়ার জন্যে শব্দ আর আলো দিয়ে এধরনের পরিবেশ বানানো হবে। ছোট ছোট গ্লাস দেয়া জায়গায় রঙীন সব মাছেরা তাদের লেজ নাড়িয়ে নাড়িয়ে ভেসে বেড়াবে। অবাক চোখে শিশুদের সাথে তাদের বাবা মায়েরাও নাম না জানা এতো মাছ প্রথম বারের মতো চাক্ষুস চোখে দেখবেন।
মিউজিয়ামে আছে বিলুপ্ত সব মাছের মমি ও ছবি। কিছু থাকবে মাছের কাঁটা, কঙ্কাল, দাঁত। আর থাকবে বিলুপ্ত সব মাছের ইতিহাস ও বিলুপ্ত হওয়ার কারন। মিউজিয়াম দর্শন শেষ হলে অবশ্যই সমুদ্র স্নান। তরুন তরুনীরা হয়তো ন্যুড বীচে বাকিরা ফ্যামিলি বীচে। জলকেলী শেষ হলে তাজা মাছের বাহারে আহার। একটু গড়াগড়ি করে রোদের তেজ কমলেই যেতে হবে সেন্টমার্টিনের এ্যাট্রাকশন পার্কে। রোলার কোষ্টারে চড়লে নাকি দ্বীপের এ মাথা ও মাথা সবটাই দেখা যায় আর চড়কিতেতো কথাই নাই। দারুন দারুন জিলিপী ভাজা পাওয়া যায় সেখানে সাথে নানা ধরনের মুরালী, কদমা। এতো দূরতো সহসা আসা হবে না, তাই পার্কের মজা না নিয়ে ফেরত যাওয়ার কথা ভাবাই যায় না। পার্কটি এভাবে সাজানো যে ফটোগ্রাফীর আর্দশ স্থান। সুন্দর সুন্দর সব ছবি তোলা যায় এখানে।
শেষ সন্ধ্যেটি কাটবে নানা ধরনের উন্মাদনায়। যেতে ইচ্ছে করবে না অপার সৌর্ন্দযকে ছেড়ে কিন্তু জীবিকা ইচ্ছের বিরুদ্ধে টেনে নিয়ে যাবে। স্যুটকেস গোছাতে হবে সাবধানে। বেরোবার মুখে কঠিন চেকাপ। দ্বীপ থেকে অবৈধভাবে প্রবাল, রঙীন মাছ কিংবা হরিনের চামড়া জাতীয় কিছু ব্যাগে পাওয়া গেলে সাথে সাথে জরিমানা ও জেল। এধরনের চিন্তা অবশ্য সাধারণ পর্যটকদের মাথায় নেই। তারা জীবনের অন্যতম সুন্দর দুটো কিংবা তিনটে দিন এখানে কাটিয়ে তাজা ভালো লাগা মাথায় নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যের দিকে রওয়ানা হবেন।
তানবীরা
০৪.০১.২০১১





আইজকা মুনয়তেসে কপালটাই ভালু। লগিন কর্তেই তানবীরা'প্পুর পুস্ট। পয়লা কমেন্ট কৈরা তার্পরে পড়তে বসি।
যা লিখেছেন দিদি। পড়ে অস্থিরচিত্ত হয়ে গেলাম। একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসি।
আপনার বাইরে কি সমুদ্র আছে?
আছে জনসমুদ্র আর জ্যামসমুদ্র।
ক্লান্তিতো তাহলে পুরোই দূর
ইয়াপ্। বাইরে গেলেই দেহ-মন চাঙগা।
ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে সেন্ট মার্টিনকে পুরোপুরি আদি অকৃত্রিম রূপে রেখে দেয়া। মানুষ ওখানে নিরাপদে ও আরামে বেড়াতে যাবে, নিরাপদে ঘুড়ে বেড়াবে, সন্ধ্যে হলে টেকনাফে ফেরত আসবে। টেকনাফে যা কিছু করার করবে। কেউ কেউ হয়তো কক্সবাজার বা অন্য কোথাও চলে যাবে।
ছোট্ট একটা দ্বীপ যা প্রকৃত অর্থে একটা প্রবাল দ্বীপ নয় যদিও প্রবাল সেখানে জন্মায়, উন্নয়নের নামে পরিবর্তন করে এটাকে ধ্বংস করার পক্ষপাতী নই আমি আগামী দুশ বছর পরও।
সুমন ভাইয়ের ব্যাক্তিগত মতামতে একটু অবাক হলাম। এরকম অনেক দ্বীপ কিন্তু ওয়েল মেইনটেন্ড অবস্থায় পৃথিবীর অনেক দেশে আছে।
আচ্ছা দুশ বছর পরে কি সেন্টমার্টিনের নাম সেন্টমার্টিনই থাকবে??নামটা বদলিয়ে আমার নাম দেয়া যায় না।
কতো টাকা দিবে বাহে
শেষ যখন আমি ওখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম তখন ছিলো ঝড় বাদলার সময়, সাগর উত্তাল , প্রচন্ড গরম। সারা সেন্টা মার্টিনে শুধু মাত্র আমরা দু বন্ধু। থাকবার জন্য কোনো পাকা মোটেল ( এটা কিভাবে সম্ভব যেখানে গাড়িই নাই) /হোটেলও ছিলো না, কোনো একটা যেনো মাত্র তৈড়ি হচ্ছিলো। খাবারের ব্যবস্থা বলতে ছাপড়া রেস্তোরান্তে তাও একটা ছাড়া অন্যগুলো বন্ধ। আমাদের দুজনের জন্য রান্না হয়েছিলো নাম অজানা এক মাছের সাথে আস্ত ওকরা ও সেইরকম ঝাল ওলা ঝোল। গিয়েছিলাম ছোট্ট এক মাছ ধরার নৌকায়। এখন শুনেছি কত কিছুই হয়েছে কিন্তু সেই সুন্দর সেন্টমার্টিন আর নাই। মাঝে মাঝে ভাবি পাবলিকের ফেলে আসা রাবিশগুলো কোথায় যায় !
অবসর নামে একটা পাকা মোটেল আছে। জাহাজ দিয়েও পাকা মোটেলের জিনিসপত্র আনা নেয়া করা যায়।
আচ্ছা , হল্যান্ডে কি গাঞ্জা পাওয়া যায় ???
হল্যান্ডের এই ব্যপারে বড়ই প্রসিদ্ধি আছে শুনসি।
আমি জানি না কারন আমি ঐলাইনে ঘুরি নাই কখনো
আমি এখনো সেন্টমার্টিন যাই নাই।
দু'শো বছর পরে একটা আদি অকৃত্রিম দ্বীপের জন্য মানুষ কোটি টাকার নোট দিয়ে টিকেট কাটবে। পৃথিবীতে মানুষ সুযোগ সুবিধার দোহাই দিয়ে দ্বীপগুলোর এমন হাল করবে যে, একটা আদি অকৃত্রিম দ্বীপ হবে মানুষের জন্য সিক্রেট প্যারাডাইস। আমার কায়মনোবাক্যে প্রার্থণা আমাদের সেন্টমার্টিনটি যেন সেই দ্বীপ হয়। যদিও তা হবে না এটাও দিব্য চোখে দেখতে পাচ্ছি।
বকলমদাকে নাড়তে ভালো লাগে। আদি অ্কৃত্রিম দ্বীপ কোনটা হবে? বদনা থাকবে নাকি গাছের পাতা?
মাটির বদনা থাকবে আর গাছের পাতাতো থাকবেই। আপনি কোনটা প্রেফার করেন?!
বসুন্ধরা টিস্যু
এই থ্রেডের পেচ্ছাপেচ্ছিটা ব্যাপক লাইক্কর্লাম! কিপিটাপ
আমি এদলে থাকতাম। লেখা জোস হইছে তানবীরা। আপনার প্রখর কল্পনা শক্তির তারিফ করা লাগে।
কল্পনা শক্তি মৌলিক না। পশ্চি্ম থেকে হিন্দী ফ্লিমের ডিরেক্টরদের মতো মেরে দেয়া
ধন্যবাদ আপনাকে।
পোষ্ট পড়তে পড়তে ঘুরে আসলাম । আহা।
উমদা পোষ্ট, ক্যাপ্টেন ববির মতোই।
আমারো একই দশা
আমার জন্য জেল অনিবার্য কারণ কোথায় বেড়াতে গেলে সে জায়গার কোন স্যুভেনির না নিয়ে তো ফিরিনা
স্যুভেনিওর এর জন্য ধরবে কেনো? ধরবে ইল্লিগ্যাল জিনিস আনলে। যেমন আমি জানি অনেকেই সুন্দরবন বেড়াতে গেলে হরিণের বাচ্চা ধরে নিয়ে আসেন লুকিয়ে।
একদিন যাবোনে দুজনে
খুক খুক। এসব কথা এখানে বললে লুকজন গোফন ক্যামেরা লইয়া চইলা যাইবে।
এহেম। (ঠান্ডা আইলেই খালি গলা খুসখুস করে।
)
হোক্কে মেজর
খুক খুক্ ।তাতাপু, হইছে কি... কেন জানি কমেন্ট করতে আসলেই কাশি আসে।আসেন আড্ডাই।আড্ডা পোষ্ট দেন।
হ খুক খুক।এক্টা আড্ডা পোস্ট দেন।
চলো আড্ডাই, জয়িতা দাও আড্ডা পোষ্ট।
আর হইছে কি, কেউ কাশলে আমারো কাশি আসে
তাতাপু, আপনি হইলেন ক্যাপ্টেন ববি। আপনের মান সোলেমান নিয়া আমি বেদ্দপি করতে পারি না। তাইলে মেজর খুউপ মাইন্ড করপে।।আপনি পোষ্ট দেন। পিলিজ লাগে।আমি বইলাম গ্যালারীতে।রাসেলরে বলেন পপকর্ন আনতে।
রাইত বাজে একটা আপনার জন্য আমার ফুপায় তো পপকর্ন ভাইজা এই শীতের মধ্যে নিয়া বইসা আছে।
রাসেল এর মধ্যে ফুপা কইত্থেক্কা আসলো, ওনি বাদ।
জয়ি, তোমাদের আড্ডা পোষ্টের অর্ধেকতো আমি বুঝিই না, নিজ়ে আবার দিবো কি? রাসেল দাও , মাসুম ভাই কই, ওনারে না মাত্র অন লাইন দেখলাম
আপনি দেন। মাসুম ভাইরে খবর দিমুনে। আর কারে চান, শুধু মেজররে খবর দিতে পারুম না। এই নেন টিস্যু। চোখ মুছে পোষ্ট দেন। আড্ডা পোষ্ট বুঝতে হয় না কিছু।
আপনের ফুপায় কি পপকর্ণ বাজে?আহারে। সে কই? ঠিকানাডা দেন। আমি গিয়া পাশে বসি।আহারে আহা।
)
কারো ফুপা নাই যে "ঝালমুড়ি" বানায়? আহা, এমন ঠান্ডায় কান দিয়ে ধোঁয়া বের হয় এমন ঝাআআলমুড়ি খেতে পারলে ............।
কেউ একজন পোস্ট দেন। নাইলে আমি আইজকা রাতে কিছু পুস্টাইতে পারুম না। পর পর দুইটা হয়ে যাবে।
আমার একটা উথাল - পাথাল প্রেমের গপ্পো লিখতে ইচ্ছে করতেছে।
মাসুম ভাই আসছে, ওনাকে ধরো।
কুনো পোলা আমারে ধরতে আইলে খবর আছে।

এবার বলেন তানবীরা
কোন পোলা আপনারে ধরতে যাবে না।আপনি ইদানিং পোলাদের বুকে টেনে নিচ্ছেন।
@মাসুম ভাই
মাসুম ভাই
ডরান কেন?মীর নাকি লেডী?
কেমনে বুঝলেন??চিটাগাং্যের আপামনিরা মীরের জন্য পাগল হইয়ছে তাই??

এহহহহ। নিজে বসে সারাদিন ইভা রহমানরে দেখেন আর মীরের নামে কুৎসা?মীর ভালু ছেলে।
চাচীরে ভালা পাই।তাই দেখি।তারে সম্মান করি।হাজার হলেও বাটিঁছাট চাচার বৌ।

ঠিকাছে মীর শক্ত করে মাসুম ভাইরে ধরো। মাসুম ভাই পোষ্ট দিক। রাসেল যেয়ে জয়িতা'র জন্য পপকর্ন আর আমার জন্য ঝালমুড়ি নিয়ে আসো।
এবার ঠিকাছে জয়িতা?
খোদ হুদাভাই বলছেন মীর চার্মিং লেডী। কাজেই মাসুমভাইর জন্য খুশির খবর
এই নুশেরা, ভুল বুঝ কেন ? আবার পড় । আমি পেচ্ছাপেচ্ছি করতে গেলে ঝগড়া লাগে । তাই আমি এ থেকে বাদ । চালাও তোমরা - আমি দেখি, তবে আমাকে নিয়ে নো টানাটানি ।
তাতাপু ঠিকাছে। রাসেল কিন্তু বিরাট বদ।আনবে কি না কে জানে। মীর কই গেলো?ডাকেন তো!
এইটা শুইনা তো আর্ও ডরাইছি। হুদা ভাই কেমনে জানলো এইটা ভাইবা
মুরুব্বী মানুষ লক্ষন বিচারে ধরে ফেলছে
লক্ষণ কৈ কৈ দেখা গেছে?
আমিতো এখনো মুরুব্বী না, আমি কিভাবে বলবো? হুদা ভাইরে জিজ্ঞাসান
হুদা ভাইএর কথাটার একটা সম্মান অন্তত দেয়া উচিত, নাইলে কেমন দেখায়। মাসুম ভাই, আজকে শুধু আপনারে ধরি? প্লীজ?
আগে কন আপনে কেডা? পরিচয় দেন, ছবিসহ
ওকে, হুদা ভাইর কথায় সম্মান দেখাইয়া তার কথাই সবাই মাইনা নিলাম
কী বিপদ !
কিছু মনে কইরেন না হুদা ভাই। সরি বললাম।
মনে করে ফেলেছি - এখন উপায় ?
মাইর দিবেন?
উহু। জরিমানা, এক কাপ দুধ ছাড়া চা উইথ টোস্ট ।
হ ধরো আমারা চোখ বন্ধ করলা।x_xx_xx_xx_x
x_x
ইয়া আল্লাহ। এসব কি?মীর!!!!!!!!!!!!!!!!!!! ধমক দিলাম আর কি। বুঝছেন?
আরি! মাসুম ভাইএর আমি কোলাকুলি করি, আপ্নে ধমকান কেনু?
ভাবী ধমকাইলেও হৈত।
আমি পোলাদের সাথে কোলাকুলি করি না, কোলাকুলির ভয়ে ঈদের নামাজেও যাই না।
ভাইসাব, ধরছি কিন্তুক পোস্ট দেওনের লিগা। সেইটা ভুললে চলপে না।
পোস্ট তো আমি দেই। তবে আগামি এক সপ্তাহ ব্যস্ত থাকবো।
আরে ব্লগে মাইনষের সামনে কুলাকুলি কিসের?এজন্য ধমকাই।
এইতো মীর চলে আসছে। এখনই মীরকে ফোন দিতে গেলাম...নম্বরটা খুঁজে পাইলাম না।
আপনে আবার চিপায় যাইতেছেন?আপনেরে কইলাম পোষ্ট দিতে। যামুগা কইলাম।=((
জয়ি, চিপাটা কোন দিকে যেনো?
চিপা চিনতে নুশেরা আপুর পোস্টে যান রাফি ভাই চিপায় গিয়া চ্যাপ্টা হয়ে গেছে।

সেন্ট মার্টিনের নাম পাল্টায়া এক আমলে শেখ লুৎফর রহমান প্রবালদ্বীপ, পরের আমলে শহীদ জিয়া আইল্যান্ড, তার পরের বার বারো আউলিয়ার পুণ্যদ্বীপ রাখার বিষয়টা চিন্তা করতে পারো।
হেতেরা কেডা?আমগো ম্যাডামের কথা কইলেন না যে! বিরাট মাইন্ড করছি।
এইজন্য আগেই কইছি বুবুর ছোডু ভাইয়ের নামে রাখুক।
এহহহহহহহহহহ। আইছে আরেকজন।
ফালু দ্বীপ , সাকা দ্বীপ , কোকো দ্বীপ কত সুন্দর সুন্দর নাম রাখা যেতে পারে । অথবা নিজামী দ্বীপ। রাসেল ভাই যেকোন একজন ম্যাডামের আচল ধরলেইতো ওনার নামেও রাখা যেতে পারে
।
আমি আচঁল ধরবো কেন??আমার নাম ''রাসেল'' আর রাসেল কিডা??আমাদের বুবুর ছোট ভাই।

তুমি কইতাছো আগামী দুইশো বছর ধইরা এই তান্ডব অব্যাহত থাকপে?
(
আপনার সপ্ন সত্যি হোক। প্রার্থনা করি দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপটি টিকে থাকুক ।।
আপনার প্রার্থনা সত্যি হোক
এইবারের স্বপ্নটা যুৎসই।
আহা! কলমের মুখে ফুলচন্দন পড়ুক। স্বপ্ন হোক সত্যি। আপনার ছেলেপিলে, নাতিনাতনী, তস্য পুত্রকন্যা নিজ দেশে সমুদ্রস্নানের সুযোগ পাক।
কিন্তু
???
বরং কিছু পাগলা শিল্পীকে দ্বীপে এনে ছেড়ে দেই। তারা নিসর্গের ছবি আঁকুক প্রাণ ভরে। নারকেলের খোল দিয়ে বানানো হোক পুতুল, গাড়ি ইত্যাদি। তাই বিক্রী হোক সুভ্যেনির হিসেবে।
স্যুভেনীওর বানাতে কটা প্রবাল লাগবে? আর্টিফিসিয়াল প্রবালও হতে পারে তাই না?
এইরকম একটা দ্বীপ নিয়া আমরা হতভাগার মত বসে আছি । একটু বুদ্ধি খাটালেই দ্বীপটাকে অটুট রেখে অনেক টাকাও উপার্জন করা যায় আর দ্বীপেরও কোন ক্ষতি হয়না। এমনো হতে পারে, পুরা দ্বীপ্টাই হবে অকৃত্রিম প্রাকৃ্তিক পরিবেশ সহ একটা পার্ক ( যেখানে সব সুযোগ সুবিধা থাকবে) । আর পর্যটকরা থাকবে বিশাল একটা জাহাজে দ্বীপ থেকে দূরে। প্রতিদিন তারা ওই দ্বীপে এসে অনেক আনন্দ করে টাকা খরচ করে সন্ধায় বা রাতে ফিরে যাবে জাহাজে । বেশী রাতে যারা ফিরবে তাদের একটু লাইফ রিস্ক থাকবে । তারপরও সমুদ্রে তো তারা রিস্ক নিয়েই এসেছে।একটা নকল জলদস্যুর জাহাজ থাকবে যেটা পর্যটকদের মজা দেবার জন্য তাদের কিডন্যাপ করবে। তারপর দ্বীপের কোন সুন্দর জায়গায় সারাদিন রেখে দিবে । সেখানে একটা ভূতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। পর্যটকরা আনন্দে বার বার ফিরে আসতে চাইবে সেন্টমার্টিন দ্বীপে।
( আমার এই চিন্তাও ট্রাভেল & লিভিং চ্যানেল থেকে চুরি করা ) ।
আপু পর্ব মাত্র দুইটা বানানো উচিত হয়নাই । এইবার সুন্দরবন নিয়া কিছু একটা লিখে ফেলেন ।
আমার সই নুশেরা লিখবে সুন্দরবন নিয়ে, অপেক্ষা করো তেলেসমাতি লেখা আসিতেছে আসিতেছে
তাতাপু বাঘ দেখে ডরায়।

আর তুমি বাঘের সাথে কুস্তী খেলো না? >)
সত্যিই এমন যদি হতো ! কী-বোর্ডে তানবীরার আংগুলের ছোঁয়ায় যা ঘটে গেল তা যদি সত্যি-সত্যিই ঘটতো ! [অঃটঃ তানবীরার ই-মেইল ঠিকানা জানতে ইচ্ছুক, আপত্তি না-থাকলে ।]
সত্যি সত্যিই একদিন ঘটবে। মেইল আইডি আপনাকে পৌঁছে দেয়া হবে
তানবীরার দুই পর্বের স্বপ্ন দেখা শেষ? এখন ঘুম ভাঙছে?
ভালো লাগলো ভবিষ্যত স্বপ্ন।
ধন্যবাদ সকালকে
আপনের ণত্ব বিধান তো দেখি বিধান সভার বাইরে আছে এখুনো।
আর এইটা দিয়া শতক!
শতক করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ দাদা।
আজ থেকে দুশো বছর পরে টেকনাফে স্নরকেলিং/স্কুবা ডাইভিং চালু হবে, জাহাজে/স্পিডবোটে করে টেকনাফ থেকে ২০-২৫ কিমি দূরে গিয়ে বঙ্গোপসাগরের মাঝে মানুষ ডুব দিয়ে দিয়ে হারানো নগরী সেইন্ট মার্টিন খুঁজবে
আপনি বাস্তবে আর আমি কল্পনায়
বাপরে কদিন আসি নাই, এদিকে দেখি মহাকান্ড। সেন্টমার্টিনরে তুলাধুনা করা হইছে রীতিমতো। ক্যাসিনো স্বপ্ন দেখানোর জন্য পয়লাই মাইনাস দিলাম
এবার আসল কথায় আসি। দুইশো বছর পরে টেকনাফের শাহপরী দ্বীপের দুইশো তলা টাওয়ারের গ্যালারীতে বসে লোকজন টেকনোকুলার (এইটা এখনো আবিষ্কার হয়নাই, আপনার নাতির নাতির নাতিকে বলে যেতে পারেন কবরের পাড়ে গিয়ে একটা স্যামপল দেখিয়ে আসতে) দিয়ে হারানো নগরীর খোজে টেঙ্গুসার্চ(এইটাও আবিষ্কার হয় নাই, দেখতে চাইলে নাতির নাতির নাতিকে........) দিবে বঙ্গোপসাগরের তলে।
তবে পয়লা মাইনাস দিলেও এইবার একটা অভিনন্দন দিয়া গেলাম, কিজন্য কইলাম না

না কইলেন আমিও শুনলাম না

যে পরিমাণ চিপা চিপছে সবাই মিল্লা!!! শব্দ দেখি একটা একটা কইরে আইছে!!!
মন্তব্য করুন