ইউজার লগইন

বকুলকথা (২)

আস্তে আস্তে বকুল অনুভব করতে লাগলো তার ওপর কাকু-কাকিমার এ নির্ভরতা নিতান্তই স্বার্থ নির্ভর, ভালোবাসা নির্ভর নয়। আগে পাড়ার কেউ যদি বকুলকে ডেকে জিজ্ঞেস করতো, ও বকুল কি খবর তোর? এভাবে বোস বাড়ি পড়ে থাকলেই চলবে? পরের সেবা করেই যাবি? বিয়ে থা, চাকরি কিছুই করবি না? বকুল খুব বিরক্ত হতো। তোদের অতো দরকার কী বাপু, সে হবে যখন সময় হবে। কিন্তু সময়তো বয়ে যাচ্ছে, ষোড়শী বকুল এখন বাইশের তন্বী। কঁচি শরীর এখন অনেক পরিনত। কাকু-কাকিমা তাকে নিয়ে কোন কথা বলছেন না। কাকিমা নিজে যখন কাঁচা হলুদ, মুলতানী মাটি, চন্দন কাঠের গুঁড়োর ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে লাগান তখন যত্ন করে তা বকুলের গায়ে মুখেও লাগিয়ে দেন। পেয়াজের রস, মসুরের ডাল, নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে তার মাথায় লাগিয়ে চুলের যত্ন করা শেখান। তাকে সাথে নিয়ে পরিনীতা দেখতে যান, বইয়ের সাথে সিনেমার চিত্রনাট্যের তুলনামূলক আলোচনাও করেন। কিন্তু এসবের বাইরে তার আর কোন অস্তিত্ব কোথাও নেই। কাকিমার সাথে শাড়ি কিনতে কিংবা ফুঁচকা চটপটি খেতে গেলে কিছু আগ্রহী লোভী চোখ তাকে ঘিরে ঘুরঘুর করে, নতুন হিট ফিল্মের গান গেয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়, কারণে অকারণে শিস দেয়, বকুল খুব আশায় থাকে কাকিমার চোখে পড়বে সেসব, কাকিমা নিশ্চয় কিছু বলবেন। এতো দিকে সূক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা কাকিমার নজরে শুধু বকুলই কেনো এড়িয়ে যায় তাই ভেবে সে হয়রান।

বুক ভরা অভিমান নিয়ে একদিন বকুল কাকু-কাকিমার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের বাবা মায়ের কাছে চলে গেলো। কাকু-কাকিমা অনেক বাঁধা দিলেন, বোঝালেন তাদের কে দেখবে, তাদের কি হবে, বকুল ছাড়া আর কে আছে তাদের ঘুরে ফিরে সেই কথা। বকুলের কিছু চাই কীনা, তার ভবিষ্যতের কী হবে সেটা কাকু-কাকিমা একবারের জন্যও বলেন না। বাবা মা তার জন্যে বিয়ের চেষ্টা করতে লাগলেন। এদিক সেদিক থেকে সম্বন্ধ আসতে লাগলো। শুক্রবার শুক্রবার করে ছুটির দিনে, তাদের বস্তির ঘুঁপচি ঘরে তাকে নানা পদের পুরুষ মানুষ দেখতে আসতে লাগলো। সুন্দর করে সেজেগুঁজে তাদের সামনে মাথা নুইয়ে দাঁড়ায় সে, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে যথাসম্ভব নম্র গলায় জবাব দেয়। দাদা বাবা সাধ্য মতো মিষ্টি চা খাইয়ে তাদের আপ্যায়ন করতে লাগলেন। কেউ কোন বাড়ির দারোয়ান, কেউ কোন রেষ্টুরেন্টের বয় কিংবা কেউ বা ফুটপাতের হকার। তাদের সাজ পোষাক, হাবভাব দেখে বকুল ভেতরে ভেতরে সিঁটিয়ে যেতে লাগলো। কোন কোন পাত্র বকুলের সাথে একান্তে কথাও বললো। বকুলের কি পছন্দ, কি চায় সে এধরনের কোন কথা নয়। বিয়ের পর সে কাজ করবে কীনা, সাহেবদের বাড়ি থেকে হঠাৎ চলে এলো কেনো, কোন লটঘটের ব্যাপার আছে কীনা ইত্যাদি জাতীয় প্রশ্ন।

বিয়ে নিয়ে বকুলের দেখা স্বপ্ন ঝনঝন শব্দে আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে ভাঙতে লাগলো। বুকের নিঃশব্দ কান্না রক্ত হয়ে ঝরতে লাগলো যেটা পৃথিবীর কেউ টের পেলো না। সেই ঝরে পড়া ফোঁটা ফোঁটা রক্তের ওপর পা দিয়ে, পণের টাকার পরিমান নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দরাদরি চলতে লাগলো। এতোদিন সাহেবদের বাড়ি থেকে বকুল খালি হাতে ফিরেছে, সেটা পাত্র পক্ষ মানতেই নারাজ। এ কী করে হয়। নিশ্চয়ই সাহেবদের বাড়ি থেকে দেয়া টাকা পয়সা বকুলের বাবা মা রেখে দিতে চাচ্ছেন। বোস বাড়ির পরিবেশের আলোকে বকুলের দেখা চেনা পুরুষদের সাথে এ পুরুষদের কোন মিল ছিলো না। কিন্তু বকুলের নিজেরই বা কী আছে? মা বাড়ির ঝি, তাকে বোসরা তাদের বাড়িতে রেখেছিল মাত্র তার বেশি কিছুতো নয়। দেখতেও তেমন আহামরি নয় আবার বিদ্যের দৌড়ও সেই স্কুল ফাইন্যাল পাশ। সে কতো রকমের কেক বানাতে জানে, কতো সূক্ষ্ণ কুরুশের ঘর তুলতে পারে, সোয়েটার বুনতে পারে, শুনে শুনে সুনীলের কবিতা বলতে পারে কিংবা রবীন্দ্র সংগীত গাইতে পারে এসব কথা জানতে এই পরিবেশের কোন লোক আগ্রহী নয়। রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিত, সুচিত্রা মিত্র এরা এ পরিবেশে অপরিচিত আর বেমানান। বস্তির ঘরে প্রায়ই দাদা বৌদি, কিংবা বাবা মায়ের সাথে বকুলের ছোট ছোট জিনিস নিয়ে মতান্তর হয়ে যেতো। প্রাথমিক উচ্ছাস কেটে যেতেই দেখা গেলো বকুলকে ফিরে পেয়ে তারাও আনন্দিত নন, ফিরে এসে বকুলও আর সুখী নয়।

রাগ করে চলে এসেছে বটে কিন্তু এখন প্রতি মুহূর্তে সে টের পাচ্ছে তার পৃথিবী আর এ পৃথিবী পুরোই আলাদা হয়ে গেছে। এ পৃথিবীর সে আর কেউ নয়। জাগতিক আরাম আয়েশ যা রাগের মাথায় তুচ্ছ মনে হয়েছিলো সে সমস্ত যে জীবনে অতি প্রয়োজনীয় বিষয়, তা প্রতি মুহূর্তে মুহূর্তে ধরা পড়তে লাগলো। গা মোছার জন্যে পরিস্কার বাথরুম, চা খাওয়ার জন্যে গ্যাস বার্নার, বুক ভরে নিঃশ্বাস নেয়ার খোলা বারান্দা তাকে প্রতি মুহূর্তে হাতছানি দিতে লাগলো। কিছুদিন পর বকুলের রাগ পড়েছে কীনা দেখতে কাকু-কাকিমা একদিন এলেন তাদের বস্তির ঘরে। রাঙা কাকিমা এসে বকুলকে জড়িয়ে ধরতেই সব অভিমান ভুলে কেঁদে আকুল হলো সে। বুঝিয়ে সুঝিয়ে অভিমান ভাঙিয়ে তারা বকুলকে সাথে নিয়ে এলেন। এতোদিনে বকুল টের পেয়ে গেছে সে স্বাবলম্বী হলে তাদের ছেড়ে যদি চলে যায় সেজন্য তারা তার কাজ, পড়া কিংবা বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহী নন। যা করতে হবে নিজেকেই করতে হবে। ফিরে এসে বকুল এবার কোন একটা কাজের কথা ভাবতে লাগলো। পত্রিকার বিজ্ঞাপণ দেখে দেখে সে ভাবলো পার্লারে কাজ শিখবে। স্কুল ফাইন্যাল পাশ দিয়ে এর চেয়ে ভালো আর কীই বা পাবে সে। তার মতো মেয়েদের বাইরে সব জায়গায় কাজ ততো নিরাপদ কিছু নয় এখনো এদেশে।

পাশের ঘরের হৈ চৈ’তে তার ভাবনার জাল ছিন্ন হলো। কাকুর বাড়ির লোক আর কাকিমার বাড়ির লোকের মাঝে চলছে আলোচনা। দুপক্ষই নিঃসন্তান কাকু-কাকিমার সম্পত্তির হিসাবের চুলচেরা নিয়ে বসেছে। তাদের অবর্তমানে কার কতোটুকু অধিকার, কে কাকু-কাকিমার কতো কাছের, কতো আদরের তার ওপরতো নির্ভর করছে কে কতোটুকু পাবে। মানুষের নিষ্ঠুরতায় এ ক’বছরে পুড়ে পুড়ে অনেক শক্ত হয়েছে বকুল, না কাঁদবে না কিছুতেই সে। চোখ জ্বালা করে আসলেও সে শক্ত হয়ে থাকবে। চোখের পানিকে সে মনের জ্বলুনিতে বাস্প করে চারধারে উড়িয়ে দিবে। কার জন্যে কাঁদবে বকুল? কার কি হয় সে? সবাই কাকু-কাকিমার অনেক কাছের লোক বটেইতো, শুধু বকুল ছাড়া। এই দূরের বকুল সকালে ঘুম থেকে ওঠে কাকু-কাকিমার নাস্তা বানায়, ওষুধ দেয়, দুপুরে তারা কি খাবেন তা রান্না ঝি’কে বুঝিয়ে দিয়ে পার্লারে যায়। সারাদিন কাজ শেষে ফেরার পথে ঘরের বাজার, ওষুধ আর যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে তবে ফিরে। ছুটির দিনে তাদের নিয়ে হাটতে বেরোয়, নাটক দেখতে নিয়ে যায়, কাকিমার অনেক দিনের না দেখা মাসিকে মনে পড়লে তার বাড়ি খুঁজে বের করে সেখানে নিয়ে যায়। অসুখ বিসুখে দৌড়ে ডাক্তার ডেকে আনে। এহেন দূরের বকুলের মনে পাশের ঘরের আপাত রুক্ষ আলোচনা যেমন কোন ছায়া ফেলে না, তেমনি উল্লসিত ধ্বনিও কোন রেখাপাত করে না।

তানবীরা
০১.০২.২০১১

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

উলটচন্ডাল's picture


আমি প্রথম। Big smile

তানবীরা's picture


বজলু, উলটাদারে চা দে, গরম পানি দিয়া কাপ ওয়াশিং করে দিস, প্রথম পাঠক Big smile

উলটচন্ডাল's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor

উলটচন্ডাল's picture


ফাটানো লেখা। দ্রুত পরের পর্ব চাই।

প্রসঙ্গত, আশাপূর্ণা দেবীর বকুলকথা কেমন লেগেছে আপনার?

দুপক্ষই নিঃসন্তান কাকু কাকিমার সম্পত্তির কড়ায় গন্ডার হিসাবের চুল চেরা নিয়ে বসেছে।

এই বাক্যটি আরেকটু সহজ করলে সাবলীল হত।

নুশেরা's picture


এ বাক্যে লেখকের তাড়াহুড়োর ছাপ রয়ে গেছে।

১। কড়া আর গণ্ডা-- দুটোই জমির মাপের একক। হিসাব বুঝে নেয়ার বেলাতেও "পাই পাই করে" অর্থে সাধারণত "কড়ায়-গণ্ডায়" ব্যবহৃত হয়। লক্ষ্যণীয়, ৭মী বিভক্তি 'য়' যুক্ত হলে উভয়পদে যুক্ত হয়ে হবে কড়ায়-গণ্ডায়। অথবা ৬ষ্ঠী বিভক্তি 'র' যুক্ত হলে শুধু শেষপদেই যুক্ত হবে: কড়া-গণ্ডার। গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে "কড়ায় গণ্ডার"; যেটা পড়তে অস্বস্তি হচ্ছে।

২। কড়া-গণ্ডার হিসাব বুঝে নেয়া আর চুলচেরা হিসাব করা একই কথা। যে কোনো একটা এক্সপ্রেশন বাদ দেয়া যেতে পারে।

৩। কাকু-কাকিমার মাঝখানে হাইফেন বসবে।

৪। চুলচেরা একশব্দ হবে।

তানবীরা's picture


তথাস্তু Big smile

তানবীরা's picture


প্রথম প্রতিশ্রুতি, সুবর্ণলতা, বকুলকথা ত্রিলজিটাই আমাকে আশাপূর্না দেবীর প্রেমে ফেলেছিল। এই নামটিও ওনার উপন্যাস থেকে ধার করা।

বাক্যটি পরের পর্বে সহজ করে দিবো Big smile

তানবীরা's picture


ট্রিলজি ****

উলটচন্ডাল's picture


আমার কিন্তু ত্রিলজি শুনতে মন্দ লাগে নাই। চলুক পুরোদমে।

১০

তানবীরা's picture


Angry Angry Angry

১১

হাসান রায়হান's picture


ভালো হচ্ছে তাতিয়ানা। আগ্রহ নিয়া পড়তেছি। পরের পর্বের অপেক্ষা।

১২

তানবীরা's picture


ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা মেজর। ভালো থাকবেন, আর ভুল ত্রুটিগুলোও বলবেন

১৩

লীনা দিলরুবা's picture


জমছে Smile পায়েস হয়ে গেছে। বকুলকে ভালোবেসে ফেল্লাম।
মুগ্ধ তানবীরা, আপনি নিজেকে ভেঙে এ কি কাহিনি দাঁড় করাচ্ছেন পাঠকের কাছে!
চলুক। শুভকামনা প্রত্যহ।

১৪

তানবীরা's picture


ধন্যবাদ দিদি। আসেন পায়েস খাই

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


গত পর্বে কামনা করেছিলাম বেকার জীবন দীর্ঘ হোক। আজকেও করলাম।

অহনার কি খবর??

১৬

তানবীরা's picture


শকুনের দোয়ায় গরু সব মরছে Stare

বকুলের খবর শেষ হোক তারপর অহনা

১৭

sumy's picture


বকুলের কাহিনি (ভুল বানন) তাড়াতাড়ি চলুক, ভালো হচেছ। Love

১৮

নাজমুল হুদা's picture


কাহিনি ? বানন ?

১৯

তানবীরা's picture


Love Love Love

২০

লিজা's picture


সুন্দর এগুচ্ছে । আপু গল্পের পটভূমি কি ঢাকা ? ঠিক বোঝা যাচ্ছেনা ।

২১

তানবীরা's picture


লিজা, ভেরি গুড কোয়েশ্চেন। আমি ইচ্ছে করেই পটভূমি উল্লেখ করিনি কারন এটা দুই বাংলার মিলিত ইতিহাস।

কালো আর ধলো বাহিরে কেবল
ভিতরে সবাই সমান রাঙা

২২

নীড় সন্ধানী's picture


আপনার বকুলকে আমি শাবানার চেহারায় দেখতে পাচ্ছি Cool

২৩

তানবীরা's picture


হাহাহাহাহা। নীড়দা, শাবানাদের সমস্যা তিন ঘন্টায় সমাধান হয়ে যায় "অতঃপর তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে"

কিন্তু বকুলেরা ...........................।।

২৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম।
(শেষে লিখব)

২৫

তানবীরা's picture


আমি অপেক্ষায় থাকলাম

২৬

নাজমুল হুদা's picture


প্রথমের উচ্ছাস কেঁটে যেতেই ধরা খেলো বকুলকে পেয়ে তারাও আনন্দিত নন, ফিরে এসে বকুলও আর সুখী নয়।
এই বাক্যটা আসলে কি হবে ?
ভাষা নিয়ে কথা বলবার মত বিদ্যে নেই পেটে, তবে বানান নিয়ে একটা কথা । লেখককে অনুরোধ করছি, সম্পূর্ণ লেখাটা অন্ততঃ একবার মনোযোগ দিয়ে পড়বার জন্য । এত সুন্দর একটা লেখার মধ্যে বানান বিভ্রাট পাঠককে বিভ্রান্ত করে, রস আস্বাদনে বিঘ্ন সৃস্টি করে ।
ভালো হচ্ছে তানবীরা, আগ্রহ বাড়ছে ক্রমাগত । অপেক্ষা পরের পর্বের ।

২৭

নাজমুল হুদা's picture


প্রথমের উচ্ছাস কেঁটে যেতেই ধরা খেলো বকুলকে পেয়ে তারাও আনন্দিত নন, ফিরে এসে বকুলও আর সুখী নয়।
এই বাক্যটা আসলে কি হবে ?
ভাষা নিয়ে কথা বলবার মত বিদ্যে নেই পেটে, তবে বানান নিয়ে একটা কথা । লেখককে অনুরোধ করছি, সম্পূর্ণ লেখাটা অন্ততঃ একবার মনোযোগ দিয়ে পড়বার জন্য । এত সুন্দর একটা লেখার মধ্যে বানান বিভ্রাট পাঠককে বিভ্রান্ত করে, রস আস্বাদনে বিঘ্ন সৃস্টি করে ।
ভালো হচ্ছে তানবীরা, আগ্রহ বাড়ছে ক্রমাগত । অপেক্ষা পরের পর্বের ।

২৮

তানবীরা's picture


তিরস্কার শিরোধার্য। কিন্তু তিনবার পড়লেও আমি তখন ভুল গুলো চোখে দেখি না।

২৯

আজম's picture


ভালো লাগল...

৩০

তানবীরা's picture


ভালো লাগল জেনে আমারো ভালো লাগল

৩১

মীর's picture


নতুন হিট ফ্লিমের গান গেয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়

এ ঘটনার ভার্চুয়াল রূপ কি হতে পারে? ধরেন আমি কোথাও কোন্ গান কেমন লেগেছে, সেটা বলতে গেলে কি মনে হতে পারে যে, আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছি? কিংবা কোনো গানের লিংক দিলে কি মনে হতে পারে উপরের লাইনে যা বলা হলো, তেমন কিছু ঘটছে? চিন্তাটা মাথায় আসলো আপনার লাইনটা পড়েই।
যাউক্গা, লেখাটা পড়ার সময় মনে মনে চাচ্ছিলাম তাহলে মেয়েটি আবার পুরোনো নিবাসে ফিরে যাক। দেখা গেল, লেখক তার ঝুলিতে আরো ভালো জিনিস লুকিয়ে রেখেছিলেন। কাকু-কাকিমা স্বশরীরের এসে মেয়েটিকে ফিরিয়ে নিয়ে গেল। প্রত্যাশা বেড়ে যাচ্ছে আপু।

৩২

তানবীরা's picture


মীর, আপনিও কি কোনটা প্রেম আর কোনটা যৌন হয়রানী এ নিয়ে সন্দিহান নাকি? Cool ঘটনা কি মীর? Wink

মেয়েদের কোন নিবাস নেই মীর। সঙ্গীতা ব্যানার্জির লেখা "শঙ্খিনী" উপন্যাসটা পড়বেন প্লীজ।

৩৩

আনিকা's picture


নিবাস কারো থাকেনা তাতা'পু... মেয়েরা মনে হয় এক্টু বেশি বেশি নিবাসের খোঁজ করে... অ্যাটাচড হয়। ছেলে যেহেতু আমি না, ছেলেদের মনোজগত বুঝতেও পারবোনা হয়তো... কিন্তু এই মনোজগতটাও সামাজিক আর সাংস্কৃতিক প্রত্যাশায় তৈরী হয়। ঘরের স্বপ্ন, সংসারের স্বপ্ন এমনভাবে আমাদের চারপাশের সবকিছুর বুননে জড়িয়ে আছে যে এর থেকে বাইরে গেলেই আমাদের সবটা নাই হয়ে যায়। কোন একদিন একটা আলাদা পোস্ট দিবোনে এইটা নিয়ে। আমার নিজের নায়িকামার্কা মনখারাপটা কমুক আরেকটু।

৩৪

আনিকা's picture


আরো একটা কথা তাতা'পু... ভালোবাসা মাত্রেই স্বার্থ নির্ভর...
গল্পটা কোনদিকে যাবে আন্দাজের চেষ্টা চালাচ্ছি.... চালিয়ে যাও।

৩৫

তানবীরা's picture


মেয়েদেরকে প্রকৃতি এদিক থেকে ঠকিয়েছেরে। এতো যে সোস্যাল সিকিউরিটি, খোলামেলা সমাজ তাও জানিস, এই পশ্চিমেই মেয়েরা ঘরের প্রতি এটাচমেন্ট থেকে কতো অসুখী জীবন পার করে দেয়?

তোর পোষ্টের অপেক্ষায় থাকলাম। খুব গুছিয়ে লিখিসও তুই।

নায়িকা মার্কা মন খারাপ ব্যাপারটা কি?

গল্পটাকে কোনদিকে নেয়ার সাধ্য আমার নাইরে, গল্প যাবে গল্পের নিয়তির টানে

৩৬

আহমেদ মারজুক's picture


ভালোই বলেছেন । গল্পের নিয়তি !!

৩৭

তানবীরা's picture


আমি তাই জানি ভাই। নিয়তিই ভাগ্যকে টেনে নিয়ে যায়। ভালো আছেনতো?

৩৮

নুশেরা's picture


গল্পের বুনোট চমৎকার!
অপেক্ষায় রইলাম পরবর্তী পর্বের জন্য।

৩৯

তানবীরা's picture


Tongue Tongue Tongue

৪০

মাহফুজ's picture


প্রথম পর্বের মতই ভালো লাগাটা জানাচ্ছি। আচ্ছা আপনার বন্ধু মনিকা রশিদও কি লেখালেখি করেন?

৪১

তানবীরা's picture


জ্বী করেন। এবিতে আছে কিছু লেখা, বাকি পাবেন মুক্তমনা, সচলায়তন ও তার নিজস্ব ব্লগ স্পট লেবুপাতায়।

৪২

খান অনির্বাণ's picture


Smile

৪৩

তানবীরা's picture


Big smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/