ইউজার লগইন

খুঁজবো কোথায় তাকে, দুচোখে হারাই যাকে

যখন থেকে সায়ান পড়তে গেলো এ্যামেরিকা তখন থেকেই দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি চরম আকার ধারন করেছে। ঝগড়া করতে করতে এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে তিতলি। দুজনের মধ্যে ভৌগোলিক ব্যবধান আর সময়ের ব্যবধানতো আছেই তার সাথে আছে নিদারুন মানসিক চাপ। চব্বিশ ঘন্টা যার ভাবনায় সে বুঁদ হয়ে থাকে সারা পৃথিবী থেকে তাকে লুকিয়ে রাখার যন্ত্রনা। সারাদিন মনে মনে যাকে ভেবে তার সময় কাটে, মুখে কখনো তার নাম উচ্চারন না করতে পারার ব্যাথা। প্রাত্যহিক জীবনের সাথে লুকোচুরি খেলে কতো কষ্টে সায়ানের জন্য সময়টুকু সে যোগাড় করে রাখে তা সায়ান যেন আজকাল বুঝতেই পারে না। সায়ানের সবকিছুতেই দেরী হয় নইলে সে ব্যস্ত, সময় নেই, নাকি তিতলিকে এড়িয়ে যাওয়ার বাহানা এগুলো তার। তবে কি বদলে যাচ্ছে তার সায়ান একটু একটু করে? আগেতো এতো ইনকনসিডারেট ছিল না, তিতলির সুবিধাই ছিল সায়ানের বড় চাওয়া, তিতলির সান্নিধ্যই ছিল তার বড় পাওয়া। কি করবে সে? সেই মিষ্টি সময়গুলোর কথা ভাবলেই তিতলির কান্না পায় আজকাল। কখন যে নিজের অজান্তে চোখ ভিজে ওঠে, সে বুঝতেই পারে না। যখন লোনা জল তার গাল বেয়ে ঠোট স্পর্শ করে তখন খেয়াল হয়, সে কাঁদছে। অস্থির লাগে আর নিজের চারপাশে আরো বেশি করে সায়ানকে হাতড়ে বেড়ায় সে।

এখনতো আর চাইলেই সায়ানকে হাতের কাছে পায় না যে রেগে গেলে দুই হাতে ওর ঝাকড়া চুল মুঠো করে ধরে ওর মাথা ঝাঁকিয়ে দিবে কিংবা কান মলে মলে লাল করে দিবে। সারাক্ষণ মনে মনে রেগে থাকে আর ভাবে পাইতো তোকে একবার হাতের কাছে, খবর করে দিব বাঁদর ছেলে কোথাকারের। আগে ঝগড়া হলেই সায়ানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তো সে, নখ দিয়ে আঁচড়ে, পিঠে কিল মেরে সায়ানকে শুইয়ে ফেলতো। মুখে সায়ান লাগছে লাগছে বললেও আসলে মজা পেতো, হাসতো। এমনিতেতো তিতলিকে কাছে টানা যায় না, হাতটা ধরলেই ঝট করে ছাড়িয়ে নিবে, আমায় ধরবি না বলে। কিন্তু মারামারির সময় তার হুঁশ থাকতো না। এলোচুলের খোঁপা খুলে পড়ছে, কি গা থেকে ওড়না খসে পড়ছে, কিংবা সায়ানের মুখের কতো কাছে তিতলির মুখ তখন সেদিকে তার নজর নেই। মারামারিতে হাপাতে হাপাতে তিতলির বুকের দ্রুত ওঠানামা আর রাগে নাকের পাটা কাঁপানো দেখতে সায়ানের ভীষন ভালো লাগতো। সে তখন আলতো করে তিতলিকে জড়িয়ে নিতো, ঠোট চেপে আদর দিয়ে রাগ কমিয়ে দিতো। আচমকা এ আদরে তিতলি লজ্জা পেয়ে তখনের মতো মারামারি থামিয়ে দিতো। সায়ান সারাবেলা সেই শান্ত তিতলির হাত নিজের মুঠোয় ধরে থাকতো। ঘেমে যেতো তিতলির হাত তার মুঠোর উত্তাপে কিন্তু তারপরও কখনো ছাড়িয়ে নিতো না।

পড়াশুনা, চাকরি আর নিজের রান্নাবান্নাসহ সমস্ত কাজের চাপে জেরবার সায়ানের কাছে মাঝে মাঝে তিতলির এই অবুঝপনা বেদনাদায়ক লাগে। সারাটাদিন কিসের মধ্যে দিয়ে ও যায় মেয়েটা কি একবারও বোঝার চেষ্টা করে। এই কি সেই তিতলি যে তার ঘুম খাওয়া নিয়ে অস্থির হয়ে যেতো। কি বদলে যাচ্ছে মেয়েটা। ম্যাসেঞ্জারে আসতে দেরী হলে, মেইল করতে ভুলে গেলে কিংবা এস,এম,এস বা ফোনের সময় একটু এদিক সেদিক হলে বেহুশের মতো রাগারাগি করে, কেঁদে কেটে সীন করে ফেলবে। অনেক সময় ফোনের লাইন পাওয়া যায় না, সব কি সায়ানের ইচ্ছে আর হাতে থাকে? আজকাল আর এক নতুন বাতিক যোগ হয়েছে, সন্দেহ। সায়ানের কি কোন বিদেশিনীর সাথে ভাব হয়েছে কি না এই এক প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে সে ক্লান্ত। ম্যাসেঞ্জারে কথা হলেই সেটা একভাবে না একভাবে ঝগড়ায় যেয়ে পৌঁছাবে আর কথা না হলে মনে হয় আজ দিনটা কাটছে না। খেয়ে শুয়ে বসে কিছুতেই সে শান্তি পায় না। চরম ইনসিকিউরিটিতে ভুগছে তার জান। এতো মায়া হয় মেয়েটার জন্য তার। মেয়েটা দিনরাত তাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারে না, এই সত্যিটা জানে সে। বাইরে থেকে দেখাবে অনেক শক্ত, ভেতর ভেঙেচুরে দুমড়ে মুচড়ে গেলেও মুখে কখনো স্বীকার করবে না, একা একা নিজে কষ্ট পাবে। কিন্তু তার কাছেতো তিতলির আর কিছু লুকানো নেই, সেতো জানে ওপরে যতো শক্ত ভাবই দেখাক, ভিতরটা পুরো হাওয়াই মিঠাই। তার স্পর্শ পাওয়া মাত্র গলে গলে পড়ে।

এ সমস্ত ঝগড়ার মূলে যে শুধুমাত্র তাকে হারিয়ে ফেলার ভয় কাজ করে সেটা আজকাল বেশ বুঝতে পারছে সায়ান। তিতলিকে তার ওপর, তিতলির নিজের ওপর আস্থা আর বিশ্বাস রাখতে হবে। এজন্য তিতলিকে তাকে হেল্প করতে হবে। মেয়েটাকে শক্ত করে তৈরী করতে হবে নইলে অসুস্থ হবে পাগল হবে মেয়েটা তার জন্য। অনেকদিন ভেবে ভেবে একদিন ভাবল অনেক দেরী হয়ে যাওয়ার আগে এটা বলা দরকার। সায়ান তিতলিকে ফোন দিল, আস্তে ধীরে তিতলির মুড বুঝে অনেক গল্প করলো। তিতলির মনের মেঘ যখন দূর হয়ে সে একটু স্বতঃস্ফূর্ত হলো, সহজভাবে ওর সাথে স্বভাবসুলভ চপলতায় কথা বলছিলো আর দুষ্টুমি করছিলো, সায়ানের পৃথিবী আবার দুলছিলো হারানো তিতলিকে কাছে পেয়ে। কিন্তু তাকে নরম হলে চলবে না। আস্তে আস্তে বললো সায়ান, শোন জান, তোর সাথে একটা কথা আছে, আর কথাটা তোকে মানতেই হবে। সায়ানের গলায় একটা কিছু ছিল যা তিতলিকে অকারণ ভয় পাইয়ে দিল। ভীতা হরিণীর গলায় বললো সে, আগে বল কি কথা। হেসে ফেললো সায়ান ঐপারের ত্রস্ততা টের পেয়ে। বললো, তোর জান তোকে যাই বলুক তুই সেটা রাখতে পারবি না, আগেই জানতে হবে কি কথা?

তিতলি চুপ করে রইল কিছুক্ষণ। নিজেকে সামলে নিয়ে মনে শক্তি যোগাড় করে বললো, বল পারবো রাখতে। সায়ান গভীর গলায় বললো, আজ থেকে রোজ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পঁচিশবার বলবি, এ পৃথিবীতে আমার হারানোর কিছুই নেই, বরং যে আমাকে হারাবে সে এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লুজার। আয়নায় নিজের চোখে চোখ রেখে বলবি এটা। হঠাৎ একী বলছে সায়ান। মনে হচ্ছে মাথা ঘুরে পড়ে যাবে সে। দমকে ওঠা কান্নাটাকে সে গলায় আটকে নিলো, মরে যাবে কিন্তু সায়ানকে তার ভিতরের যন্ত্রনা টের পেতে দিবে না, কিছুতেই না। যতোটা সম্ভব গলাটা পরিস্কার করে বললো, এ কথা কেনো বলছিস, জান কি হয়েছে? সায়ান বললো হাসতে হাসতে, আমার কিছু হয়নিরে, রোজ রোজ তোকে যে ভূতে তাড়া করে বেড়ায়, এটা তার চিকিৎসা। ওতো শক্ত হসনি, একটু ইজি হ গাধি। তিতলি এবার আর সামলাতে পারলো না। সায়ানের তিরস্কার যদিও বা সহ্য করতে পারে কিন্তু আদরে সে গলে যাবেই। সায়ানের ভালোবাসার উত্তাপে তিতলি মোম হয়ে গলে সারাবেলা। কেঁদে কেঁদে বলে, সে ভাবনা আমি সারা পৃথিবীর জন্য রাখতে পারবো কিন্তু তোকে ছাড়াতো আমি বাঁচবো না। তুই জানিস না এ পৃথিবীর কে আমায় পেল আর কে না তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না কিন্তু তোর সমস্ত কথা, ভাবনায় আমার সারা পৃথিবী দুলতে থাকে। সায়ান এবার শক্ত গলায় বললো, তা হবে না তিতলি সোনা, তোকে মনে জোর আনতে হবে, ভাবতে হবে, এ পৃথিবীতে নোবডি ইজ মোর ইর্ম্পট্যান্ট দ্যান ইউ, নেভার। ইউ আর এ জেম, আর এ জেম যে লুজ করবে, হি ইজ এ লুজার। ইভেন ইফ ইট ইজ মি দ্যান আই এ্যাম এ লুজার টু।

তিতলি বললো, আমিতো তোর কথা ভাবছি না, আমি ভাবছি আমার কথা। তোর ভাবনায় আমার দিনরাত যায়, আমার জীবনতো তোকে ঘিরে শুরু হয় তোর কাছেই এসে শেষ হয়। আমি বাঁচবো কি করে তোকে ছাড়া। আমার স্বপ্নেও তুই আমার বাস্তবেও তুই। বিষন্ন গলায় সায়ান বললো, এরকম করলে তুইতো মরে যাবি সোনা। কাউকে এতো ভালোবাসতে আছে নিজেকে ছাড়া। নিজেকে শক্ত কর, আমাদেরকে অনেক দূর যেতে হবে। পড়াশোনা শেষ করতে হবে, নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে। বাবা মায়ের আশা আকাঙ্খার দিকেওতো দেখতে হবে। তিতলি নরম গলায় বললো, আমাকে কি করতে বলছিস? আমি কি তোর বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছি। সায়ান হেসে ফেললো, দূর বোকা তাই বললাম বুঝি। বললাম, এতো টেন্স থেকে নিজেকে অতো কষ্ট দিস না সোনা। ভালো করে পড়াশোনা আর খাওয়া দাওয়া কর। যে হারাবে সে হারবে, তুই না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখ বোকা মেয়ে।

যখন সায়ানের সাথে কথা হয়, গলার শব্দ পায় তখন তিতলির মনের ভেতরে রঙীন প্রজাপতি নাচে। এক ধরনের সজীবতা কাজ করে, অনেক নরম থাকে সে, একদম কাঁদামাটি। তাতে যা আঁকতে চায় তাই আঁকা যায়। কিন্তু ফোনের লাইন কেটে যাওয়া মাত্রই মনে হয় হারিয়ে ফেললো সে আবার তাকে। ফোন ডিসকানেক্ট হওয়া মাত্রই আবার আস্তে আস্তে তিতলির কেমন যেন লাগতে শুরু করে। পৃথিবীটা উলটে পালটে যেতে শুরু করে। সবচাইতে প্রিয় মানুষটিকে প্রচন্ড মিস করতে শুরু করে, হারিয়ে ফেলার ভয় তাড়া করে বেড়ায়। কথা হওয়ার পর ঘন্টা দুই তিনেক মনটা ফুরফুরে থাকে। আবার শুরু হয় পরের বারের অপেক্ষা। অসহ্য লম্বা সেই দুঃসহ প্রতীক্ষা। সায়ানকে ছুঁয়ে দিতে না পারার এই অক্ষমতা, এই দূরত্বে তার মাথা গরম হতে শুরু করে, উলটা পালটা লজিক কাজ করে। ইনসিকিউরিটি আর বিরহ তাকে দিয়ে যা করতে চায় না তাই করিয়ে নেয়। সায়ানকে দুম করে উলটো পালটা একটা ম্যাসেজ পাঠায় কিংবা মেইল করে। যা বলতে চায় তা বলতে পারে না, বলে ঠিক তার বিপরীতটা। আগে সায়ান এগুলোতে ভীষণ টেন্সড হয়ে যেতো কিন্তু আজকাল বেশ বুঝতে পারে। সে হাসে আর আদর করে আবার উলটো ম্যাসেজ পাঠায়। ভালোবাসা যেখানে অসীম, ভুল বোঝাবুঝি আর রাগতো সেখানে সামান্য সময়ের দমকা হাওয়া মাত্র। যতো দ্রুত ধেয়ে আসে তারচেয়ে দ্রুত ওড়ে যায়।

তানবীরা
০৫.০২.২০১১

উৎসর্গঃ “জয়িতা” ও “নুশেরা”
মালতীলতা
হায় রাম

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


আজ থেকে রোজ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পঁচিশবার বলবি, এ পৃথিবীতে আমার হারানোর কিছুই নেই, বরং যে আমাকে হারাবে সে এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লুজার।

লাইনটা অসাধারণ।

তানবীরা's picture


তাই ???? চোখ টিপি

উলটচন্ডাল's picture


না হয় দ্বিতীয় হলাম, চা-টা কিছু দিবেন না এইবার? মজনুকে ডাক দেন। Smile

লেখায় মারপিটের অংশটুকু খুব ভালো লাগলো। আর অসাধারণ লাগলো এই লাইনটা -

ভালোবাসা যেখানে অসীম, ভুল বোঝাবুঝি আর রাগতো সেখানে সামান্য সময়ের দমকা মাত্র।

তানবীরা's picture


ওরে মজনু, চায়ের সাথে পুরিও দে দাদাকে।

লাইনটা ঠিক করে দিলাম ভাগন্তিস

বাতিঘর's picture


উরি কি পেম কী পেম!!! মজা আপুনি প্রথম গানটা তো শুনতে পারলাম না Sad যিনি আপলোড করছিলেন তার একাউন্ট বন্দ..তয় 'গুম হ্যায় কিসিকা পেয়ার ম্যায়..' গানটা শুনলাম ধন্যবাদ গানের জন্য আর এরাম রুমান্টিক একখান পুষ্টের জন্য Love

তানবীরা's picture


এবার দেখেনতো প্রথম গানটা শুনতে পান কিনা। আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্যে

লীনা দিলরুবা's picture


ভালোবাসা যেখানে অসীম, ভুল বোঝাবুঝি আর রাগতো সেখানে সামান্য সময়ের দমকা মাত্র। যতো দ্রুত ধেয়ে আসে তারচেয়ে দ্রুত ওড়ে যায়।

ঠিক ঠিক।

তানবীরা's picture


অভিজ্ঞতা আপু? মজা

উলটচন্ডাল's picture


জাতি জানতে চায় Thinking

১০

রাসেল আশরাফ's picture


হায় হায় সায়ান আমেরিকা কবে গেল??জানিনা তো কিছুই।এর মধ্যে কি আমার কোন পর্ব বাদ গেছে?? বুঝতেছি না।

ভাবতে হবে, এ পৃথিবীতে নোবডি ইজ মোর ইর্ম্পট্যান্ট দ্যান ইউ, নেভার। ইউ আর এ জেম, আর এ জেম যে লুজ করবে, হি ইজ এ লুজার। ইভেন ইফ ইট ইজ মি দ্যান আই এ্যাম এ লুজার টু

ইয়াপ।

১১

তানবীরা's picture


সায়ানকে কেনো এ্যামেরিকা পাঠাতে হলো বুঝো না? Wink Tongue

১২

নুশেরা's picture


উরি কী পেম রে!!!

উৎসর্গের জন্য বিয়াপক :ধইন্না:

১৩

তানবীরা's picture


এমন নিস্পৃহ ধইন্যা ক্যান? এতো মরা গলায়। বিশেষ করে লিখে বিশেষজনকে উৎসর্গ করার এই ফল Sad

১৪

জ্যোতি's picture


উরি কী প্রেম রে!!! Love
সুইটুকে ব্যাপক ধইন্যা পাতা

ঘটনা হইলো মন্টা খ্রাপ। কাল রাসেল বলে, সে তাতাপু, নুশেরাপু, লীনাপু, মাসুম ভাই, বিলাই, মীর এর ব্যাপক ভক্ত। আপনি বিচার করেন এরপর কি আমার চোক্ষে পানি আসে নাই?এই নিয়া এক্টা পোষ্ট দিমুই দিমু।

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


ফ্যাতকান্দুনি কাইন্দা ভাসাবো এইটা আর নতুন কি??

তয় ভাষনটা কিন্তু এহনতারি দেন নাই।ঐটা আগে দেন তারপরে আপনার ''গাছের পাতা নড়েচড়ে আম্রিকার বন্ধুর কথা মনে পড়ে '' টাইপ পোস্ট পরে দিয়েন।

১৬

জ্যোতি's picture


Angry Nail Biting গুল্লি মাইর
আম্রিকার বন্ধু কেডায়? বিশেষ কারো কথা বলেন?সে কুথায়?তারে খুঁজি।সে বন্ধু কেন হপে?সে হবে জানেমান, কলিজা। কিন্তু হেতে কই?ঠিকানা জানিনা। Crying

১৭

তানবীরা's picture


রাসেলের আমাকে ভালো লাগে? তাহলে কিছু খাওয়ায় রাসেল। Big smile

পুষ্ট দাও, আমরাও তোমার দুঃখের কথা জানি Tongue

১৮

জ্যোতি's picture


আবারো বলি এই দুনিয়াতে এমন সায়ান আছে নাকি?অজানা, অদেখাই রয়ে গেলো। দারুণ গল্প তাতাপু। উদাস হয়ে গেলাম।

১৯

তানবীরা's picture


বাস্তবে কোন সায়ান নেই, সায়ানরা বাস্তবে থাকে না। কল্পনার জিনিস কল্পনাই ভালো। বাস্তবে এলে চার্ম নষ্ট হয়ে যাবে।

এ দুনিয়াতে এমন কোন সায়ান নেই জয়িতা। আনকন্ডিশনাল কিছু নেই মা-বাবা সন্তান বাদ দিয়ে। বাস্তবে সায়ান থাকার আসলে কোন দরকারও নেই। বাস্তবের সায়ান হাত দিয়ে নাক খুঁটবে। গলা বাড়িয়ে ঝগড়া করবে, স্বপ্ন ভেঙ্গে দিবে। তারচেয়ে এই ভালো, কি বলো

২০

লিজা's picture


সায়ান তিতলির এই পর্বটা অন্যতম সেরা পর্ব মনে হয়েছে আমার কাছে । সায়ান অনেক পরিনত, দায়িত্বসম্পন্ন আর তিতলির যথার্থ প্রেমিক । এই পর্বের সংলাপগুলোও খুব জমাটবাধা । আর পুরোপুরি ১৮+ Tongue
তোমাকে ধইন্যা পাতা আপুনি , সকালে উঠে প্রথম কম্পিউটার অন করেই মন ভালো করা গল্প পড়তে পারলাম ।

২১

তানবীরা's picture


সবতো বুঝলাম কিন্তু তুমি কই থাকো শুনি? নতুন লেখা কোথায় তোমার?

২২

শাওন৩৫০৪'s picture


ব্যাপক রোমান্টিক!

২৩

তানবীরা's picture


কয় কি বিলাই দেখি Big smile

২৪

মামুন হক's picture


আপনি এত দারুণ লেখেন দিদিমণি, কিন্তু আমারে উৎসর্গ করে কুনোদিন কিছু লিখলেন না! আচ্ছা আমারে ভালু না পান ঠিকাছে, কিন্তু আমার মেয়েদের জন্যও তো কিছু লিখতারেন, ফুপু হিসাবে একটা দায়িত্ব আছে না!

২৫

রাসেল আশরাফ's picture


আর মেয়ের বাপতো কেমনে লিখে সেটাই ভুলে গেছে।

খালি ভাতিজি দুইটার বাবা আর ভাবি ফেসবুকে বন্ধু হিসাবে আছে বইলা আপনারে এখন আর জালাই না।কিন্তু না থাকলে আপনার খবরই ছিলো। Crazy Crazy

২৬

তানবীরা's picture


মামুন ভাই, আপনারে উৎসর্গ করা যায় তেমন মানের কিছু এখনো লিখা শিখি নাই তাই। আর ভাতিজিদের এমন লেখা ক্যামনে উৎসর্গ করি আপনিই বলুন।

ভবিষ্যতে, দেখেন একদিন আমিও Big smile

২৭

সাঈদ's picture


বাহ বাহ দারুন ।

২৮

তানবীরা's picture


THNX THNX THNX

২৯

নীড় সন্ধানী's picture


দুর্দান্ত রোমান্টিক গল্প!!! Love
পেম মানুষকে ফাগল করে দ্যায় Cool

৩০

তানবীরা's picture


হুক্কা হুক্কা হুক্কা

৩১

শওকত মাসুম's picture


ব্যাপক শিক্ষামূলক গফ।

৩২

তানবীরা's picture


কি শিখলেন মাসুম ভাই যদি অল্প কথায় আমাদের কইতেন Cool

৩৩

নাজমুল হুদা's picture


এত ভালো লাগলো, কোন মন্তব্য করতে পারছিনা। আলসেমীতে ধরেছে। সায়ান-তিতলীর প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হোক।

৩৪

তানবীরা's picture


হাহাহাহাহা। প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হয় না হয় বিরহ।

বানান ভুল?

৩৫

নাজমুল হুদা's picture


এ্যমেরিকা >?, ধারন > ?, ভৌগলিক>ভৌগোলিক, পৃথিবীর>পৃথিবী, যন্ত্রনা>?, উচ্চারন>?, যেনো>যেন, সান্নিধ্যেই>সান্নিধ্যই, হাতের কাছে পায় না সে যে রেগে গেলে>হাতের কাছে পায় না যে রেগে গেলে, কোথাকারের>কোথাকার, ঝাপিয়ে পরতো>ঝাঁপিয়ে পড়তো, ওড়না খসে পরছে>ওড়না খসে পড়ছে, বুকের দ্রুত ওঠানামা>বুকের দ্রুত উঠানামা, তিতলির হাত নিজের ধরে মুঠোয়>তিতলির হাত নিজের মুঠোয় ধরে, তারপরো>তারপরও,
পড়াশোনা>পড়াশুনা, রান্নাবান্না সহ>রান্নাবান্নাসহ, একবারো বোঝার>একবারও বুঝবার, এস।এম।এস>এস,এম,এস, অনেক সময় ফোনের লাইন যায় না>অনেক সময় ফোনের লাইন পাওয়া যায় না, সায়ানের কি কোন বিদেশিনীর>সায়ানের কোন বিদেশিনীর, একভাবে না একভাবে>কোন না ভাবে, গলে গলে পরে>গলে গলে পড়ে,
তিতলিকে তারওপর>তিতলিকে তারপরও, আর দুষ্টমি>আর দুষ্টুমি,
যন্ত্রনা>?, ওতো শক্ত হসনি>?, কে আমায় পেলো আর কে না তাতে>কে আমায় পেল আর কে না পেল তাতে, আমার সব দুলতে থাকে>আমার সব কিছু দুলতে থাকে,
কাউকে ওতো ভালোবাসতে>কাউকে এতো ভালোবাসতে, দাড়াচ্ছি>দাঁড়াচ্ছি, নিজেকে ওতো কষ্ট>নিজেকে অতো কষ্ট
কেমন যেনো>কেমন যেন, দ্রুত ওড়ে যায়>দ্রুত উড়ে যায়।

৩৬

তানবীরা's picture


নাজমুল ভাই আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ। কষ্ট করে বানান আর ভাষারীতি ঠিক করে দেয়ার জন্য।

কিছু জিনিস আমি আমার মতো রেখে দিলাম। আমার মনে হয় বানান আর ভাষারীতিতে কোথাও কোথাও আমাদের জেনারেশন গ্যাপ কাজ করে। (চাম্মে আমি বয়স লুকাইলামঃ কপিরাইট উদরাজী)। আমার লেখার ভাষাটা আসলে যেভাবে আমি দিনরাত কথা বলি কিংবা ভাবি সেটাই। ঠিক প্রফেশনাল সাহিত্যিক ভাষা নয় আর আমার কাছে সে ধরনের কিছু আশাও কেউ করে না Big smile

ভালো থাকবেন সবসময়।

৩৭

নাজমুল হুদা's picture


ঠিক আছে! লেখকের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবার আমার কোন অধিকার নাই। তবে ভুলকে ভুল বলবার আমার অধিকার কেউ খর্ব না-করলে আমি আহ্লাদিত হব!
[একটা কথাঃ 'পাখী ওড়ে' আর 'পাখী উড়ে যায়' এ দু'টো বাক্যের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। ওড়ে আর উড়ে উচ্চারণে কাছাকাছি হলেও অর্থ আর ব্যবহার এক নয়।]

৩৮

তানবীরা's picture


নিজেকে লেখিকা বলার দুঃসাহস আমার নাই।

[একটা কথাঃ 'পাখী ওড়ে' আর 'পাখী উড়ে যায়' এ দু'টো বাক্যের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। ওড়ে আর উড়ে উচ্চারণে কাছাকাছি হলেও অর্থ আর ব্যবহার এক নয়।]

নাজমুল ভাই, হাতে যখন সময় থাকবে তখন যদি ওপরের লাইনটার ব্যাখাটা লিখেন, তাহলে আমার মতো অনেকেই যারা শিখতে চায়, তারা উপকৃত হবে।

৩৯

নাজমুল হুদা's picture


এই পোস্টের শেষ বাক্য "যতো দ্রুত ধেয়ে আসে তারচেয়ে দ্রুত ওড়ে যায়।" এবং আমার দেওয়া সংশোধনীতে (একেবারে শেষটা) এই লাইনের ব্যাখ্যা রয়েছে।

৪০

সাহাদাত উদরাজী's picture


খেলাধুলার কারনে একটু দেরী হয়ে গেল। এখন পড়ে গেলাম। ভাল লাগল। নাজমুল হুদা ভাইয়ের সাথে কথোকপন পড়ি নাই (!).।।

৪১

তানবীরা's picture


ধন্যবাদ উদরাজি ভাই

৪২

নাজমুল হুদা's picture


সাহাদাত উদরাজী, ৩৩ থেকে ৩৯ নং মন্তব্য পড়ুন - কথোপকথন পেয়ে যাবেন!

৪৩

নাজ's picture


মনটা ভরে গেলো রে আপু Smile

আজ থেকে রোজ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পঁচিশবার বলবি, এ পৃথিবীতে আমার হারানোর কিছুই নেই, বরং যে আমাকে হারাবে সে এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লুজার।

এত সুন্দর করে কেউ কখনো নিজের কথা ভাবে নাকি? অসাধারণ!

৪৪

তানবীরা's picture


তুমি ভাববে এখন থেকে, ঠিকাছে নাজ?

ধন্যবাদ তোমাকে পড়ার জন্যে

৪৫

মীর's picture


ক্যপ্টেন, উনি মেজর সাহেবের স্পেশাল গেস্ট। অবশ্য শুধু গেস্টও বলা যায় না, কারণ নিজেও তো স্বতন্ত্র ব্লগার Wink

৪৬

তানবীরা's picture


আমার ক্যান জানি সন্দ বাতিক হইছে Shock Shock Shock

৪৭

মীর's picture


Rolling On The Floor

৪৮

মীর's picture


প্লেয়ারদের পেটান কেনু? একদিন কি খারাপ খেলতে পারে না?

৪৯

তানবীরা's picture


সুশীল কথা কইবাতো তুমারেও পিটামু। খারাপ খেলা মানে কি? জার্সি খুইল্যা বের হবে?

৫০

মীর's picture


কি দিয়া পিটাবেন?
একদিন হৈতেই পারে। যদি এরপরের ম্যাচে পোলা-পান ইংল্যন্ডের হাতে লোটা-বদনা ধরায় দেয় তখন কি বলবেন? ক্রিকেট বড়ই অনিশ্চয়তার খেলা।

৫১

তানবীরা's picture


মীর, মেজাজ বহুত খারাপ আছে। ত্যানা প্যাচাইও না খামাখা

কই ইংল্যান্ড আর কই বাংল্যান্ড

আটান্ন রানে আউট হইলে ইংল্যান্ডের জনগন খেলোয়ারদের দাড়ি ছিড়ে ফেলবে, বাসে ঢিল মেরে ক্ষান্ত হবে না।

৫২

মীর's picture


সান্তনা সান্তনা আপনারে
টিসু আমাকে

৫৩

নরাধম's picture


প্রেম ভালবাসা ভালনা, বলে গেছেন রামসন্না! Smile Big smile

তবে ঐ "জান" সম্বোধনটা কিরাম যেন লাগে, কেমন জানি ডিজুসটাইপ, ব্যক্তিত্বহীন। অবশ্য প্রেমভালবাসায় হয়ত ব্যক্তিত্ব থাকেনা, আমি ঠিক জানিনা। সায়ান সাহেব আর মিস তিতলি কি বিজ্ঞান, সাহিত্য, দর্শন, রাজনীতি, মানবপ্রকৃতি, সমাজ, ধর্ম এসব নিয়ে আলোচনা করে? নাকি এসব কথাবার্তা প্রেমের জন্য ক্ষতিকারক? প্রেমিক-প্রেমিকারা কি এসব নিয়ে আলোচনা করেনা? মাঝে মাঝে আতঁলামি করলে এদের প্রেম-ভালবাসাও মনে হয় একটু সুঈট হয়! হেহে...। জানলে সুবিধা হয়, কারন আমিও একটা প্রেমকাহিনী লিখতে চাই!

ওভারল গল্প খুবই ভাল লেগেছে। চমৎকার ফ্লো, বেশী ছোটও না বা দীর্ঘও না। আয়নায় দাঁড়িয়ে বলতে বলা কথাটা চমৎকার! এখানে কি শুধু এই দু'জন চরিত্রই থাকবে, নাকি আরো চরিত্র আসবে? কাহিনীর কি কোন ডেফিনিট এন্ডিং আপনার পরিকল্পনায় আছে নাকি জাস্ট যে পর্বে যেরকম মনে হয় সেরকম লিখবেন?

সাজেশান: শেষে এসে একজনকে জোরে ছ্যাকা দিবেন, একদম ছ্যাকার জন্য যেন জীবন কেরাবেরা হয়ে যায় সেরকম আগুন-গরম ছ্যাকা। সেটা সায়ানকে দিলেই ভাল হয়। ছ্যাকা না হলে প্রেমকাহিনী জমেনা, কেমন জানি পানসে হয়ে যায়। দেববাবুরা এখনও বেঁচে আছেন ছ্যাকা খেয়েছেন বলেই। মাতব্বরি করলাম ভয়ে ভয়ে, ক্ষমাচোখে দেখবেন দিদি।

৫৪

তানবীরা's picture


রামসন্না লুকটা আকলমন্দ।

নরুদা, আপনি একটা সুইট সম্বোধন সাজেষ্ট করেন। আমি সেরকম করে পোষ্ট এডজাষ্ট করে দিব। প্রেমিক প্রেমিকারা, সিনেমা, ক্রিকেট, গল্পের বই, গান এগুলো নিয়ে আলোচনা করে মনে হয়। আমি জানি না Laughing out loud

আমার জীবনের অন্যান্য সব কাজের মতো এ কাজেরও কোন পরিকল্পনা নেই। জাষ্ট একদিন একটা লিখতে ইচ্ছে করলো তাই লিখলাম। দেখি অনেকেই পছন্দ করেছে। তখন মাঝে মাঝে লিখি যা মনে আসে তাই, ডায়রী লেখার মতো।

আমার ব্লগ পাতায় ফীল ফ্রী ফর এনি কাইন্ড অভ সাজেশন, আলোচনা এন্ড সমালোচনা। আমি এখানে শিখতে আসি, পন্ডিতি খেলতে নয়। তবে তালগাছ আমার, যেটা আমার পছন্দ সেটা গ্রহন করবো Wink আর বাকিটা Tongue

ছ্যাকা দিবো না, এটা ডিজিটাল প্রেম। এখানে অন্তত ভালোবাসা থাকুক Big smile

৫৫

জ্যোতি's picture


সুইটু তাতাপু, নতুন এক্টা পুতুপুতু ধুমধারাক্কা কেরাবেরা পোষ্ট দেন। Big smile
আপনারে দেখে এত রাতে আবার লগইন হইলাম। লবণ মরিচ দিয়া বরই খাই।কেমন আছেন তাতাপু?

৫৬

তানবীরা's picture


লবণ মরিচ দিয়া বরই খাই।কেমন আছেন তাতাপু?

মানুষ এতো পাষান হয় ক্যামনে Puzzled

৫৭

মীর's picture


আরে না, সে প্রত্যেকদিন এই এক জিনিসই খায়। বাসায় মনে হয় আর কিছু নাই।
মানুষ যে ক্যামনে এত বরই খায়, বুঝি না। Big smile

৫৮

তানবীরা's picture


সান্তনা সান্তনা সান্তনা

৫৯

জ্যোতি's picture


তাতাপু, মীরের কথা সত্যি। প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার পথে ২/১ কেজি বরই কিনি, রাতে বসে সেগুলা খাই। আজ বরইগুলা বেশী মিষ্টি তাই ভালো করে লবণ মরিচ আর ধনেপাতা দিয়ে মেখে খেয়ে শেষ করে হাত ধুয়ে আবার বসলাম।

৬০

তানবীরা's picture


ওরে পাষানী আমার চোখেরও পানি, বরই দিয়ে মুঁছে তুই যাস মামনি Sad(

৬১

জ্যোতি's picture


আমারে পাষাণী কইলেন?যামুগা আমি। আপনেরে দেখে এতরাইতে আড্ডাইতে বসলাম আর আপনি চিলে চোট দিলেন!
মীররে দেখে আড্ডাইতে বসলে তো সে কথাই বলে না, তাই গল্পগুজব বাদ দিয়ে বারান্দায় বসে রাত দেখি। Sad Sad

৬২

তানবীরা's picture


তারা কয়টা দেখলা গুনে রাখো। আমি মেয়েরে ঘুম পাড়াতে গেলাম। কালকে শুনবোনি Tongue

৬৩

রশীদা আফরোজ's picture


Smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/