তোমাকে ছাড়া বেঁচে থাকা
তোমার দীর্ঘ অনুপস্থিতি আমাকে
তোমাকে ছাড়া বেঁচে থাকা শিখিয়েছে
তোমার নির্দয় চলে যাওয়া আমাকে
চোখে জল নিয়ে মুখে হাসি দিয়েছে
হাত বাড়িয়ে তোমাকে ছুঁতে না পারার
বেদনা শীতল নিজেকে গোটানো দেখিয়েছে।
জানিয়েছে এভাবেও বেঁচে থাকা যায়
অসহ্য যন্ত্রনায় তোমার বুকে কাঁদতে না পেরে
শিখেছি কান্না কি করে গিলে ফেলতে হয়
জীবনের প্রতিটি আঘাত আমাকে আরো দৃঢ় করেছে
আজ আমি জানি জীবন কাটবে জীবনের নিয়মে
ভালবাসা হারিয়ে যাবে ভালবাসার নিয়মে
তারপরো অপ্রত্যাশিত কোন আশা মনে নিয়ে
রোজ সকালে আমি চোখ মেলি।
প্রতিদিন আমি পথ চলি।
তানবীরা
৩১/০১/২০১





নিজের জন্য ভালোভাবে বাঁচতে হয়
স্যালুট বস
আপু, আপনার লেখাগুলো এত ভাল লাগে এই কথাটুকু বলার জন্য অনেক সাহস করে কমেন্ট করলাম। এত সরল সুন্দরভাবে সত্য উপলব্ধিগুলো প্রকাশ করতে পারা আসলেই অনেক বড় ক্ষমতা।ভাল থাকবেন।
মাঝে মাঝে সাহস করে জানাবেন কেমন লাগে লেখাগুলো। তাতে আমি লিখতে সাহস পাবো। তারপর সাহস করে নিজেও লেখা দিবেন, আমাদের ভাল লাগবে।
ভালো থাকবেন।
একেবারে আমার জীবনের সাথে মিলে গেছে কবিতার প্রতিটা লাইন, অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার্বিরহে তুমি অভ্যস্ত হয়ে যেও না
মেজর সাব, দেখছেন ক্যাপ্টেন ববি আমাদের সৈনিক বানায়া দিছে!!
(
এম্নে করে নন-কমিশনড!!
জীবন যুদ্ধে সবাই সৈনিক। কেউ ব্রিগেডিয়ার, জেনারেল নেই। সব এক কাতারে
প্রত্যেক শূন্যস্থান ভরিয়ে দেয়াই পানি-বাতাস-আকাশের নিয়ম। প্রকৃতি শূণ্যতা পছন্দ করে না
অনেক স্ট্রাগলের বর্ণনার পর "অপ্রত্যাশিত আশা" বলতে কি প্রত্যাশা বুঝাইলেন? এইটা কি সংগ্রামের কাছে পরাজয়ের মতোন কিছু অথবা কাকতালীয় কিছু ঘটবার প্রত্যাশা? নিজের জন্য ভালোভাবে বাঁচার সংগ্রামের মধ্যে কি এই কাকতালীয় প্রত্যাশাটাও পড়ে?
কবিতা সোজাসাপ্টা হইছে...বক্তব্য পুরাটাই বোধগম্য। টানা গদ্য হিসাবে পড়তেও খারাপ লাগে না। কেবল
এই দুইলাইনের বাক্য গঠন একটু গোজামিলের লাগলো...বেদনা কি শীতল? নাকি বেদনার গোটানোটা শীতল? এই কনফিউশন তৈরী হয়। প্রথম বক্তব্যটাই সম্ভবতঃ বলতে চাইছেন অর্থাৎ বেদনা শীতল, কিন্তু সেইটা ধইরা পড়তে গিয়াও মনে হইলো "শীতল বেদনা" হইলে বাক্য গঠনটা সঠিক হইতো।
আমার লেখায় আপনার কমেন্ট পাওয়া বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার ভাস্করদা তার ওপর আবার লেখা নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, আমি যারপর নাই সম্মানিতবোধ করছি এতে।
অপ্রত্যাশিত আশা বলতে আমি আসলেই প্রত্যাশাকে বুঝিয়েছি কিন্তু সেটা অসম্ভব প্রত্যাশা, যা বাস্তবে হয় না, মে বি ফিল্মে হয়
আমি আসলে লিখতে চাচ্ছিলাম, বিষন্নতা মানুষকে শীতল করে দেয়। বেদনা থেকে বিষন্নতা তার থেকে শীতলতা কিন্তু আমি অক্ষরবৃত্ত ফলো না করে শব্দবৃত্ত ফলো করি, ব্রেইনে বেশি চাপ দিতে ইচ্ছে করে না। কি করে সামঞ্জস্য সহকারে এক লাইনে আটকাবো তাই এভাবেই লিখলাম ভাবলাম কবিতা একটু দুর্বোধ্য হলে লোকে জ্ঞানী ভাবে
আপনে বেশ টিটকারী সহকারে লিখলেন, এই ধরণটা পছন্দ হইলো না আমার। আমি এই কবিতা বিষয়ক কমেন্টে ছন্দের ব্যবহার নিয়া কোনো কিছু বলি নাই, আরেক জায়গায় দেয়া জবাবের রেশ টাইনা অহেতুক কথা বলাটা সোজাসাপ্টা চরিত্রের প্রকাশ না কিন্তু...এই কথাটা বললাম কারণ কোনো এক কমেন্টের জবাবে আপনি কইছিলেন আপনি মুখের উপর কথা কইতেই পছন্দ করেন। অক্ষরবৃত্ত আপনি না'ই বুঝতে পারেন বা এই বিষয়ে আপনার ধারণা না'ইবা থাকতে পারে, তাই বইলা টিটকারী দেওয়াটা খুব শোভন বা সোজাসাপ্টা অ্যাটিটিউড না।
দুর্বোধ্য আর অবোধ্য এই দুইয়ের মাঝে ফারাক আছে। এক বাক্যে আনতে চাইলে বাক্য গঠনটা অন্ততঃ ঠিক রাখতে হইবো। একটা বাক্য'ই যদি না হয় তাইলে তো বুঝতে হবে আপনি নিজেই ঐটা বুঝতেছেন না। দুর্বোধ্য হইলে লোকে জ্ঞানী ভাবে বিষয়টা মনে হয় এমন না...দুর্বোধ্য হইলে যারা কম বুঝে তারা সেইটারে জ্ঞান বইলা ধইরা নেয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার সেইটা না'ও হইতে পারে। আবার পৃথিবীর অনেক কিছুই আপনি না বুঝতে পারেন, তারমানে এই না যে ঐটা দুর্বোধ্য...আমি নিশ্চিত আপনি ইদ্দিশ ভাষা জানেন না, এখন কোনো গোড়া ইহুদী যদি ইদ্দিশ ভাষায় কবিতা লিখে ঐটারে আপনি কি দুর্বোধ্য কইবেন নাকি আপনের জ্ঞানের স্বল্পতা হিসাবে ধরবেন। বোঝাবুঝি'র এই কেরদানিটা আমার পছন্দ না। আমিও অনেক কিছু বুঝি না, অনেক কিছু জানি না...তাই বইলা সেইসবরে আমি খোঁচা দেওনের প্রয়োজন বোধ করি না। কিছু ক্ষেত্রে বিষয়টারে বোঝার জন্য খোঁজখবর নিতে চেষ্টা করি।
আপনি জানেন আমি সোজাসাপ্টা কথা কইতেই পছন্দ করি। এই কারনেই আমার যা মনে হইছে সেইটা সরাসরিই বললাম।
সোজা বলছেন ভাস্করদা, ভালো করছেন। আপনি যেভাবে যা ভাবছেন আর আমি আমার উত্তর যা লিখছি দুটো দুই মেরু। মাথা ঠান্ডা হলে আবার আমার উত্তরটা পড়ে দেখেন।
আমিতো পাহাড় নদী নই
আমি আমার নিজের কথা কই
আমি অন্য পোষ্টের উত্তর এখানে লিখছি এটা আপনি ভাবলেন কোন কারণে দাদা? আমাকে কি আপনে দেখছেন গায়ে পড়ে ত্যানা প্যাঁচাতে? আপনি নিজে যা বুঝে এই উত্তর লিখলেন তার দায়িত্ব আপনার, আমার না।
অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এগুলো বুঝলেই কি নিজে লিখা যায় নাকি? তাহলেতো তানবীরা না হয়ে রবার্ট ফ্রষ্ট হয়ে যেতাম, সেটাই বলেছি।
প্রথম দুটো লাইনে আপনাকে আমি খোঁচা একটু দিয়েছি এটা সত্যি। খুব একটা আপনার মন্তব্যতো পাই না লেখায় সেই দাবি থেকেই। সেটা মোটেই নেগেটিভ ছিল না, আশা ছিল এটুকু আপনি বুঝবেন।
ভালো থাকবেন, শুভ রাত্রি
শুভ রাত্রি বইলা শেষ করাটাও খুব সুবিধার ঠেকতেছে না। আমার যেই কমেন্টের জবাবে আপনি অক্ষরবৃত্ত বিষয়টা উল্লেখ করলেন সেইটারে আপনি ইনটেনশনাল না বলতে চাইতেছেন? আপনার এই কবিতার ছন্দ বিষয়ে যেহেতু আমার কোনো আলোচনা ছিলো না সেহেতু আপনার এই উল্লেখটা ইন্টেনশনাল না হইলে অহেতুক দুই পাতা বেশি বুঝছেন বইলা মনে করতে পারি বড়জোর। কিন্তু আপনি লিখছেন অক্ষরবৃত্ত না শব্দবৃত্ত ছন্দ ব্যবহার করেন আপনে। আমার কবিতায় করা কমেন্টের জবাবে আমি আপনেরে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের উল্লেখ করার পর কি আমার জবাবের মেরু ছাইড়া অন্য কোনো মেরুতে যাওয়া সম্ভব?
বুঝলেই লেখা যায় নাকি আর রবার্ট ফ্রস্ট হইয়া যাওয়ার উপমাটা হয়তো মজা কইরা দিছেন, কিন্তু সেইটাও খুব জুইতের ঠেকে না যখন আমি আলোচনার ক্ষেত্রে সিরিয়াস। আপনি অহেতুক ফান করার নামে আমারে ইনসাল্ট করতেই চাইতেছেন মনে হওয়ার স্কোপ তৈরী হয়। ছন্দ সম্পর্কে বই লেইখাও নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তার নিজের নামেই মিডিওকার কবি হিসাবে পরিচিতি পাইছে, রবার্ট ফ্রস্ট হয় নাই।
আশা করি আপনার অক্ষরবৃত্ত ছন্দ ব্যবহারের উল্লেখ কেনো করছেন সেই বিষয়ে গ্রহণযোগ্য জবাব দিবেন...বাউলি কাইটা সইরা গিয়া "জিতছি" বইলা চিৎকার করবেন না।
অবশ্যই ইন্টেনশনাল না। আপনি ইন্টেনশান খুঁজতেছেন, সেটা আপনার সমস্যা। অক্ষরবৃত্ত মিলাতে গেলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আমার এতো পরিশ্রম করতে ইচ্ছে করে না। তাই আমি সাধারণত গদ্য কবিতা না লিখলে শব্দ ধরে একটা সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা করি। কিংবা এও হতে পারে অক্ষরবৃত্তে লেখার মতো মেধাবী আমি না। আমি আমার কবিতার ধরনটা আপনাকে বলতে গেছিলাম কিন্তু এখানেতো “পড়ল কথা সভার মাঝে যার কথা তার বুকে বাজে” ঘটনা দাঁড়ালো।
বাউলি কাটবো তখন যখন আমি কোন অন্যায় করবো। আমিতো কোন অপরাধ করি নাই তাহলে বাউলি কাটা ধরনের কথা আসে কেন? এ ধরনের শব্দই আপনি আমার সম্পর্কে ব্যবহার করছেন কেন? আপনাকে ইনসাল্ট করা হয়েছে নিয়ে ব্যস্ত হচ্ছেন অথচ অন্যের সম্বন্ধ এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করছেন? সুবিধার ঠেকছে না কোন ধরনের সম্মানার্থে ব্যবহার করেন অপরের সম্বন্ধে দাদা?
আপনাকে ইনসালট করা হয়েছে কি হয়নি সেটা প্রমান করতে এখন আর কোন ব্যাক্তিগত দায়বদ্ধতা অনুভব করছি না। আপনার যদি তাই মনে হয় তাই। আপনার এই ধরনের শব্দ চয়ন করে লেখা মন্তব্যের পর কোন ধরনের ব্যাখা দিতে রুচি হচ্ছে না।
বাস্তব জীবনের অনেক ঝামেলা এমনিতেই থাকে। নেটে বসে ইন্টেলেকচ্যুয়েল ঝগড়া দেয়ার ইচ্ছা এখন পোষন করছি না। আপনি জিতছেন এই ঘোষনা দেয়া হলো, সাথে ট্রফিও, ফেবুতে ট্রফির ছবি প্রোফাইলে দিয়ে রাইখেন।
আপনি এখনো বলেন নাই কেনো আমার মন্তব্যের জবাবে অক্ষরবৃত্তের প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন। ধরা যাক আপনে নিজের কবিতার ছন্দ নিয়া কইতে চাইছেন। কিন্তু সেইটা কইতেও কেনো অক্ষরবৃত্ত ব্যবহার করি না শব্দবৃত্ত করি এই টাইপ বাক্য লিখতে হবে? যদি না এইটায় কোনো খোঁচা না থাকে...
আমি আপনেরে ছন্দ বিষয়ে বিন্দুমাত্র কোনো কিছু না কওয়াতেও আপনি অক্ষরবৃত্তের প্রসঙ্গটা কেনো আনলেন সেইটা বললেই হয়। এখনো আপনি এই জবাবটাই এড়াইতেছেন। অক্ষরবৃত্তে লেখার জন্য যে মেধা লাগে সেই প্রসঙ্গটাও বা আপনার মাথায় কেনো আসছে? আমি আপনার কবিতা বিষয়ে যেই আলোচনা করছি সেইখানেও মেধা বিষয়ক কোনো উল্লেখ ছিলো না। আপনার বেদনা শীতল ব্যবহারের ব্যখ্যা তো দিছেনই। দুইটা বাক্যরে একটা বাক্য করতে চাইছেন, তারপর ভাবছেন বাক্য না হইলে সেইটা দুর্বোধ্য হয়। তাতে আপনেরে লোকে জ্ঞানী ভাববো। এখন অক্ষরবৃত্তের ব্যবহার করেন না কারণ সেইটায় ব্রেইন খাটাইতে হয় এই বিষয়টা আপনি কোন যুক্তি প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করছেন? আমার শব্দবৃত্ত নামের কোনো ছন্দ বিষয়ে জানা নাই। আপনি শুধু সেইটাই কইতে পারতেন...কিন্তু সেইটা না কইরা যখন সুনির্দিষ্ট অক্ষরবৃত্তের কথা বলেন তখন আসলে কি মীন করে? আমার কবিতায় অপ্রমিত শব্দের ব্যবহার করাতে আপনি কইলেন ছন্দ কাটে। আমি তার জবাবে কইলাম যে আমি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ব্যবহার করছি পঠনরীতির জন্য। তবে আমার নিজেরও কবিতার ক্ষেত্রে ঊন ভাষা ব্যবহারে অনভ্যস্ততা আছে। তার ঠিক পরের কমেন্টের জবাবে আপনি ইন্টেনশনালি একটা উল্লেখ করলেন। যেইটা আপনি বলতেছেন আমার দুই পাতা বেশি বোঝার দোষ, আপনি তার দায় নিবেন না। ধরা যাক আমি দুই পাতা বেশি বুঝছি, কিন্তু আপনি বাড়তি দুই পাতা না পইড়াই কন যে অহেতুক কেনো ছন্দের প্রসঙ্গটা ব্যবহার করছেন, আমার আলোচনায় তার জন্য কোনো ইনভাইটেশন না থাকার পরেও...ত্যানা প্যাচাইতেছেন কি প্যাচাইতেছেন না সেইটা আমি কোথাও বলি নাই...আমি কেবল গ্রহণযোগ্য একটা জবাব চাইতেছি।
অত্যন্ত ভালো হয়েছে ।
অনেক ধন্যবাদ জানবেন।
সাহসী দুই জীবন্ত সৈনিককে স্যালুট। <)
আফা
এই কুবিতা কি ভাইজানরে নিয়া লিখা? 
ভাইজানদের নিয়ে কবিতে লেখে মাইনষে?
ও বুবুজান কিভাবে আমার মনের কথা বুইঝা ফালান। .। কনতো দেহি?
কবিতা বুজিনা
জেবীনাপা আর জ্যোতিপা রে কি এখন থিকা গাজী কইয়া ডাকমু? যেহেতু উনারা সৈনিক এবং ইস্টিল বাইচা আছেন
গ্রিফিন, আপ্নেও সৈনিক হইয়া থাকতে বলছেন?!
গাজী মানে তো যেই বেটা সৈনিক হইয়া বাইচা যুদ্ধ থিকা ফিরতাসে। মানে আমি আপ্নেরে ফিরতাইতে কইছি
গাজী
পোষ্ট উৎসর্গ মন ভরে গেলো। আবার সাহসী বললেন? আমি ভীতুর ডিম।
কবিতাটা মনে ধরছে। থ্যাংকু সুইটু।
তুমি ভীতু? এ দেখি বিনয়বাবুর তালতো শালীর ননদের বেয়াইন!!!
সোজাসাপ্টা কবিতা উৎসর্গ না করলেও পছন্দ হইতো।
আমার ইচ্ছা হইছে উৎসর্গ করেছি। তোর ভাল না লাগলে বল, ফেরত নিয়ে নেই।
আর জয়ির ক্রমাগত মন খারাপ পোষ্ট আর স্ট্যাটাস হলো এই কবিতার উৎস। জয়ির কারণেই আমার মনে এই ভাবের উৎপত্তি হয়েছে।
কান্না গিলতে পারিনা তাতাপু। আমি বরং কাঁদতেই থাকি। আর আমি দৃড় ও হতে পারিনা এখনো।
তারমানে এখনো পুড়ে কয়লা হও নাই। আরো পোড়া বাকি আছে, দেখবা কান্না আসবেই না। চোখ জ্বালা করলে ডলেও চোখ থেকে পানি বের করতে পারছো না
(
কষ্ট হজমের সুন্দর রেসিপি!!
ভালো লাগলো আপি!
এটাই জীবন
সত্যি বলছি তোমাকে আর ভালোবাসিনা
তোমার জন্য মিছেমিছি রাতও জাগিনা।
আমিও না, কাটাকুটি
জয়ি আর জেবীন দুই বান্ধবীরে এক পিড়িতে বসাইয়া বিয়া দিয়া দিলে সবচেয়ে ভাল হয়
তখন আমিও তোমার মত একটা কবিতা লিখুম-তার আগে না
কবিতা ভাল লাগলো।, শুভকামনা।
রাজলক্ষী - শ্রীকান্ত ???
প্রথমে কমেন্ট পড়েছি হেরপর কবিতা।কবিতার চেয়ে কমেন্টগুলোই দূবোর্ধ্য ।
মন্তব্য করুন