ইউজার লগইন

প্রজাপতি মন আমার

মেয়ের স্কুল থেকে নানান ধরনের চিঠিপত্র আসতেই থাকে। সারাদিন অফিস ঠেঙিয়ে বাড়ি ফিরে এই হলো আমার হোমওয়ার্ক। মেয়ের বিভিন্ন বিষয়ের বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা গ্রহন করা। তারা বাইরে খেলতে যাবেন অমুকদিন তাদেরকে যেনো অমুক কাপড় আর তমুক স্যু দিয়ে দেই। অমুক দিন তমুক টীচারের জন্মদিন, টিফিন দিতে হবে না বাসা থেকে, হেনতেন ভেজালের চিঠি আসতেই থাকে। আজকেও মেয়ের স্কুল ব্যাগ খুলে চিঠি পেয়ে বিরস বদনে পড়ছি, হঠাৎ বুকের মাঝে ধাক্কা লাগলো। চিঠিতে লেখা আছে, বসন্ত শুরু হয়েছে তাই চলছে গরমকে বরন করার প্রস্তূতি। বাচ্চাদেরকে “সামার ক্যাম্প” এ নিয়ে যাওয়া হবে। আমার মেয়েকে সাথে দিতে চাই কি না? দিলে কি পুরো সপ্তাহন্তের জন্যই দিতে চাই নাকি একদিন বা দুদিনের জন্য? একদিনের জন্য হলে এতো টাকা, দুদিনের জন্য হলে ততো। ভাবছি মেয়ে আমার শেষ পর্যন্ত এতোটাই বড় হয়ে গেলো যে একা ক্যাম্পে যাবে? এতোদিন শুনেছি এর বাচ্চা যায় তার বাচ্চা যায়, এখন আমার বাচ্চার জন্য চিঠি!!! মেয়ে একবার এক রাতের জন্য পাশের বাড়ি বান্ধবীর কাছে থাকতে গিয়েছিল, সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে মেয়েকে আনতে ছুটেছি। সারাটা সন্ধ্যা আমার অস্থির লেগেছে। নিজেকে কতো ভাবে বুঝাতে হয়েছে। ভেবেছি আমি যখন বিদেশে আমার নিজের সংসার সাজাতে ব্যস্ত ছিলাম আমার মা’ও হয়তো ঠিক এভাবে আমাকে মিস করেছেন, কেঁদেছেন।

কিন্তু আমি নিজে কি এতো বড়ো হয়ে গিয়েছি? আমার মেয়ে ক্যাম্পে যাবে? এতো বড় মেয়ের মা কি আমি? আমারতো সারাক্ষন মনে হয়, এইতো সেদিন আমি স্কুলে যেতাম, দুষ্টুমী করতাম! সেদিন মাত্র নয়? কিছু কিছু জিনিসতো এখনো স্পষ্ট মাত্র কিছুদিনের আগের কথা মনে হয়। দু হাজার দুইয়ে রাইফেল স্কোয়ারে এগোরা খুললো সুপার মার্কেট। আমি আর ভাইয়া রোজ যাই দেখতে। তখন ধানমন্ডির আশে পাশে বাস করা সব সেলিব্রেটিরা বান্ডেল ভর্তি টাকা নিয়ে ওখানে বাজার করতে আসেন। আমরা ক্যাশের পাশের খাবারের দোকানে খাই আর কে কখন কতো ঘুষ খেয়ে এসে এখানে বাজার করছে তার কাল্পনিক হিসাব মিলাই। একদিন এগোরাতে ঘুরছি, আমাদের সামনে গায়ক সাদী মোহাম্মদ তার পরিপাটী নিভাজ চুল আর একজন কর্মচারী গোছের কাউকে নিয়ে ঘুরছেন আর বাজার করছেন। তারা সেলিব্রেটি সুতরাং বাজারে যেয়ে নিজের হাতে জিনিস তোলা তাদের সাজে না কাজ়েই সাথে কেউ। একটু পর পরই আমরা সাদী মোহাম্মদের মুখোমুখি হচ্ছি দোকানে, তখন আমরা তার পিছে পিছেই ঘুরতে লাগলাম। নামী দামী লোকদের দেখতেওতো অনেক সুখ। খেয়াল করলাম মাথার চুলগুলো যেনো কেমন একদম নিভাঁজ। ভাইয়াকে বলতেই ভাইয়া বললো, আরে এটাতো উইগ। হঠাৎ ভাইয়া বললো, চল এক কাজ করি, ওর উইগটা টান দিয়ে খুলে নিয়ে আমরা উঠে একটা দৌড় দেই। প্রথমে আমার একটু কেমন মনে হলেও পরে ভাবলাম কি আছে জীবনে, চল করি। আমি আর ভাইয়া পরের এক ঘন্টা ওর পিছে পিছে হাটলাম উইগ নিয়ে দৌড় দেয়ার জন্য কিন্তু কিছুতেই দৌড়ের সুযোগ করতে পারলাম না, এগোরা ভর্তি কর্মচারী গিজগিজ করে, ধরে ফেলবে সহজেই সেজন্য শেষ পর্যন্ত করা হলো না কিন্তু সেই এক ঘন্টার রোমাঞ্চ আজো আমি আমার রক্তে অনুভব করি। এটাকি অনেকদিন আগের কথা?

এইতো গতো বছরের জানুয়ারীতে আমরা সেন্ট মার্টিন বেড়াতে গেলাম। সন্ধ্যেবেলা আমরা বোনেরা আমাদের আন্ডা বাচ্চা নিয়ে বীচে হাঁটছি, টুকটাক গল্প করছি এমন সময় দুটো দশ বারো বছরের স্থানীয় ছেলে এলো আমাদের কাছে। এসে জিজ্ঞেস করলো, আফু গান শুনবেন, গান? আমি বল্লাম, শোনাও। সে শুরু করলো, “সোনার ময়না পাখি………।“। আমার অন্যবোনেরা আমাকে চিমটি দিয়ে ধরলো তিনদিক থেকে। আমি বোনদের চিমটি অগ্রাহ্য করে মাথা নেড়ে নড়ে ওদের গান শুনতে লাগলাম। অসহ্য হয়ে স্বনার্লী বললো, ওরা কিন্তু গান শেষ করে টাকা চাইবে তোমার কাছে। আমি ফিচলা হাসি দিয়ে বল্লাম তাই নাকি? মুখ ভেংচে স্বর্নালী বললো, তাই না, আবার কি? এমনি এমনি নাকি? ওদের গান শেষ হওয়া মাত্র আমি বল্লাম, এবার আমাদের গান শোন। শুরু করলাম আমরা চারবোন মিলে গান। আমাদের গান শেষ হলে এবার আবার ওদের গান। কিশোর দুটো অবাক বিস্ময়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইলো। বেশ কিছুক্ষন গান গান হওয়ার পর নিজেদের মধ্যে কীসব আলোচনা করে পিঠটান ওরা দিল। খুব জব্বর বোঁকা বানিয়ে ওদেরকে আমি বিমলানন্দ অনুভব করতে লাগলাম।নপরদিন সকালে ওরা আমাদেরকে “চীজ” স্বরুপ মুখ নিয়ে আবার দেখতে আসলো।

আমাদের কিশোর বয়সে একটা খেলা ছিল টাকাতে ফোন নম্বর লেখা। বেশীর ভাগ গ্রাম্য কিসিমের লোকেরাই এধরনের কাজ করতো। সেধরনের টাকা পেলে আমাদের কাজ ছিল নম্বরে ফোন করা। অনেক সময়ই দেখা যেতো নম্বর আর নাম মিলছে না। কিন্তু যদি মিলে যেতো আর মক্কেল টাইপ কাউকে পেতাম তাহলেতো সোনায় সোঁহাগা। ফোনেই শাঁসিয়ে শেষ করতাম, টাকার ওপর নম্বর লিখলেন যে, জানেন কতো বড়ো অপরাধ? পুলিশে ধরতে পারে, রাষ্ট্রীয় সম্পদের কতো বড়ো ক্ষতি করেছেন? ফোনের ওপাশে প্রথম দিকে গাই গুঁই করে পরে যখন নিশ্চুপ হয়ে পড়তো তখন আমরা ক্ষান্ত দিতাম। কিন্তু নম্বরগুলো রেখে দিতাম।বান্ধবীদের মধ্যে আদান প্রদান করতাম। মেজাজ খারাপ হলেই কিংবা পড়তে পড়তে বোর লাগলেই ওঠে যেয়ে ফোন করে সেসব নম্বরের হাঁদাগুলোকে বঁকে দিয়ে আসতাম। কিন্তু আমিতো এখনো তাই আছি। আমারতো এখনো তাই ইচ্ছে করে যেগুলো আগে ইচ্ছে করতো। দু হাজার আটের ষোলই ডিসেম্বরে আমরা টি।এস।টিতে হাটছি খুব ভাব নিয়ে। মেয়েকে বিজয় দিবস উদযাপন দেখাচ্ছি। কিছু আমাদের থেকে ছোট কিন্তু নাঁকের নীচে মোঁছ গজানো ছেলেপেলে আমাদের পিছনে পিছনে ঘুরতে শুরু করে দিল। একী মহা জ্বালা। বাসায় আসার জন্য রিকশা নিলাম, দেখি পোলাপানও রিকশা নিয়ে আসে। যখন আগের দিনের মতো ঠিক এতোবড় করে মুখ ভেংচি দিলাম তখন দেখি রিকশা নিউমার্কেটের ঐদিকে ঘুরে গেলো। আমিতো এখনো ভেংচা ভেংচি, মারামারি, ঝাড়াঝাড়ির ফর্মে আছি, আমার মেয়ে যদি বড় হয়ে যায় তাহলে ক্যামনে কী?

তানবীরা
০৯.০৪.১০

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ভাস্কর's picture


মেয়েরেও ভেংচি কাটা শিখাইয়া দেন...ভেংচির উপর অষুধ নাই। (তয় আজকাল ভেংচিতে কাজ না'ও হইতে পারে। মেয়েরে আত্মরক্ষামূলক জুজুৎসু আর পিস্তল চালাইতেও শিখাইয়েন খেলাচ্ছলে।)

তানবীরা's picture


একটা শিক্ষনীয় ও সুচিন্তনীয় কমেন্ট

অদিতি's picture


মজার পোস্ট

তানবীরা's picture


খাও

লীনা দিলরুবা's picture


তানবীরা আপনি এত সুন্দর লেখেন। আপনার লেখার ফ্যান হয়ে গেলাম কিন্তু।

তানবীরা's picture


ফ্যান আমি সিলিং এ লাগিয়ে রাখলাম Wink

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আপ্নে তো বিশাল ত্যান্দর ছিলেন দেখা যায়!

তানবীরা's picture


ছিলাম বলছেন ক্যান? আছিতো এখনো

নড়বড়ে's picture


আমিতো এখনো ভেংচা ভেংচি, মারামারি, ঝাড়াঝাড়ির ফর্মে আছি, আমার মেয়ে যদি বড় হয়ে যায় তাহলে ক্যামনে কী?

মেয়েরেও শিখায়ে দিবেন, তারপরে দুইজনে মিল্যা করবেন, ডাবল অ্যাকশন! Smile

(এই রকমের পোস্ট পড়লে নিজেরে বুড়া বুড়া লাগা শুরু করে, এখনো নিজেরে পোলাপাইন ভাবতেই ভাল্লাগে Undecided ... )

১০

তানবীরা's picture


এখনো নিজেরে পোলাপাইন ভাবতেই ভাল্লাগে

দীর্ঘশ্বাস ইমো হইবেক

১১

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture


হা হা, মুখ  ভেংচি দেখি না কতোদিন।

 আপনার মেয়েটারে শিখাইতে পারেন। নানা ঢং-এর মুখ ভেংচি।

 

 

 

 

 

 

১২

তানবীরা's picture


এগুলা শিখাইতে হয় না, এগুলি এমনিতেই শিখে নেয় লোকে

১৩

সোনাবীজ's picture


লেখা জমেছে।

আর কিছুদিন যাক, মা-মেয়ে একসাথে এক ধরণের কাপড় পরে রিকশায় ঘুরবেন। .... আমরা কিছু ব্লগার আপনাদের পিছু নেবো....Wink

শেষ পর্যন্ত আপনার বাসায় যেয়ে আমার ছেলের জন্য বউ হিসেবে আপনার মেয়েকে আংটি পরিয়ে আসবো:)

১৪

তানবীরা's picture


আপনার কমেন্ট পড়ে মাথাটা হালকা লাগছে। মেয়ের বিয়ের টেনশান থেকে মুক্তি

১৫

সাঈদ's picture


হায় হায় আপনি দেখি আন্টি হইয়া গ্যাছেন !!!

১৬

তানবীরা's picture


আন্টিকে আন্টি বলতে হয় না, জানেন না Yell

১৭

টুটুল's picture


মজা পাইলাম Smile

১৮

তানবীরা's picture


তাহলে ১০০টা ইউরো ছাড়েন Smile

১৯

টুটুল's picture


হাহাহাহাহ
ইউরো কি? এইগুলা ছাড়তে হয় ক্যান?

২০

নরাধম's picture


আমিও তো নিজেরে এই সেদিনের পোলা মনে করি, কিন্তু বয়স যে বেড়ে যাচ্ছে! এখন তো আন্ডারগ্র্যাডের পোলাপাইন দেখলে মনে হয় "আরে, এই বাচ্চা ছেলে ভার্সিটিতে পড়ছে?"

----

মেয়েকে ভ্যাংচি শিখান, ইউনিক বাঙালি ভ্যাংচি।

২১

তানবীরা's picture


ইউনিক বাঙালি ভ্যাংচি।

কুন্টা কইতেছেন? শাবানা - ববিতা - কবরী না রুজিনা?

২২

নজরুল ইসলাম's picture


কিন্তু আমি নিজে কি এতো বড়ো হয়ে গিয়েছি?

না, আপনের বয়স তো মাত্র ষোল...

ধুর, আমি আরো ভাবলাম আপনি কোনো সুন্দরী তরুণী। একটু টাঙ্কি টুঙ্কি মারবো। এখন দেখি আপনে আন্টি। ধুর, মন্টাই ভাইঙ্গা দিলেন

২৩

তানবীরা's picture


মন্টাই ভাইঙ্গা দিলে

CryCryCry

২৪

লোকেন বোস's picture


মনের তারুণ্যই সত্যিকারের তারুণ্য। ধরে রাখুন।

লেখাটা খুব ভালো লাগলো

২৫

তানবীরা's picture


২৬

সাইফ তাহসিন's picture


মিয়া, কি লেকহা নামাইছেন, পড়তে গিয়া হাসি নাকে মুখে দিয়া বাইর হইতেছে, জ্বর আসছিল, হাসতে হাসতে জ্বর পর্যন্ত নাইমা গেছে গিয়া।

মাইয়া তো বড় হইবোই, এইবার দুইজনে একসাথে ফুন কইরা মাইনষেরে বোকা বানাইবেন, অসুবিধা কি? গান ও ২ জনে মিলা একলগে গাইবেন, গালি শিখনের দরকার পড়লে অবশ্য আমারে আওয়াজ দিয়েন।

২৭

তানবীরা's picture


জ্বর আসছিল, হাসতে হাসতে জ্বর পর্যন্ত নাইমা গেছে গিয়া।

এই লেখাটাকি তাহলে জ্বর নামানোর ওষুধের জার্নালে এন্ট্রি করা যায়

তুমিতো খালি একটা গালি জানো মিয়া, সব জায়গায় এক গালি Frown, আমি তোমার থেকে বেশি জানি গালি Wink

২৮

নীড় সন্ধানী's picture


বাচ্চারা বড় না হলেই ভালো হতো। ওদের পিচ্চিকালটা ওদের চেয়ে বেশী মিস করে বাবা মা। লেখা মজারু হয়েছে Smile

২৯

তানবীরা's picture


ওদের পিচ্চিকালটা ওদের চেয়ে বেশী মিস করে বাবা মা।

ঠিক ঠিক ঠিক

কিন্তু আমরা না বড় হলেই বা কি ক্ষতি হতো?

৩০

শওকত মাসুম's picture


খালিই আমিই তাইলে মাসুম রইয়া গেলাম।

৩১

তানবীরা's picture


SurprisedSurprisedSurprised

৩২

কাঁকন's picture


বাচ্চারা বড় হয় আমরা বুড়ি হই

৩৩

তানবীরা's picture


সত্যি কথা এভাবে কেনো বললে?

৩৪

আশরাফ মাহমুদ's picture


ঈশারায় কাফি বলে একটা কথা আছে। তোমার মেয়ে বড় হয়ে বুঝাইতে চাইতেছে যে এখন তোমার দুষ্টামি কমানোর সময় হইছে। Wink

৩৫

তানবীরা's picture


Frown

৩৬

জেবীন's picture


মজার লাগছে লেখাটা.।.।। Innocent

নিজের কিছু কিছু কীর্তিকলাপ মনে পইরা গেলো.।.। Smile

নিজের কাজিন কিবা বান্ধবীদের ছোট ভাইবোন গুলোরে দেখলে ধক করে মনে লাগে, আরে! এগুলারে না কাথায় মোড়ানো দেখলাম!! এখন দেখি মাথা ছাড়ায়া গেছে!! Surprised

৩৭

তানবীরা's picture


গুলারে না কাথায় মোড়ানো দেখলাম!! এখন দেখি মাথা ছাড়ায়া গেছে!!

৩৮

সাঁঝবাতির রুপকথা's picture


হালুম হালুম .।
কেমন আছেন আপু?

৩৯

তানবীরা's picture


ভালো আছি ধন্যবাদ। তুমি কেমন আছো?

৪০

রোবোট's picture


কন্যার বয়স কত?
আমিও বুড়া হয়া গেলাম। সকলে নানা ডাকে। আফসুস।

৪১

মীর's picture


যে একটা লেখা দিছিলেন। অদ্ভূত। সেই সময় এইখানে ছিলাম না তাই দুঃখু পাইলাম।

৪২

রাসেল আশরাফ's picture


নিজে ত্যান্দরের বড়খালা ছিলো আর আমারে কয় বান্দর। Crazy Crazy Crazy Crazy

লেখা বরাবরের মতো ভাল লাগলো।

৪৩

কামরুল হাসান রাজন's picture


আমি ভাবতেছি মেয়ে বড় হইলে কিছু নিয়ে ধমক দিলে এই ব্লগকে প্রমাণ ধরে বলে 'তুমি নিজে তো এই এই করছ, আমাকে বক কেন' তখন আপনি কি বলবেন Tongue

৪৪

জ্যোতি's picture


এমন পোষ্ট আর নেই কেন?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/