আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
(থাঙ্ক ইউ মেহেদী, গেট আউট জব্বার!)
একটা বিষয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না। কদিন আগে অভ্র ও জাব্বার নিয়ে যে বিতর্ক হয়ে গেলো তাতে আমার একটা লাভ হয়েছে! আমি অভ্র লোড করে বাংলা লিখা শিখে ফেলেছি! যে বাংলা টাইপিং দেখলে ভয়ে পালিয়ে যেতাম আজ আমি বাংলায় চেটিং(!) ও করছি। কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে হবে বলে আমি অনেক কাজ করতাম না। আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
মজার বিষয় হল আমি বাংলা শিখে আমার আত্নীয় সজন দের মেইল পাঠাছিলাম - আমার মা বোন ইতালীতে থাকেন। এত কাল এংলিশ-বাংলা করে মায়ের/বোনের/ভাগিনার সাথে মেইলে কথা হত। মাকে ও বংলিশ শব্দ গুলো পড়ে শুনানো হতো - কি যন্ত্রনার কথা ছিল! আজ তিনি নিজেই মেইল পড়ছেন! কি মজা! দেখুন আমাদের মেইল গুলো-
মায়ের কাছে আমার প্রথম মেইল (আমি ও ভালো লিখতে পারি নাই)-
প্রিয় আম্মা,
সালাম নিবেন। আশা করি ভাল আছেন। আমরা সবাই ভাল আছি। রাইমের প্রথম সাময়ি্ক পরিক্ষা শেষ হয়েছে। অনেক দিন আপনার কোন খবর পাই না। আশা করি জানাবেন।
আপনারই ছেলে,
সাহাদাত, ঢাকা।
আমার মায়ের জবাব দেখুন -
2010/4/26 Mostafizur Rahman
- Hide quoted text -
সাদাত,
অনেক দিন তোদের কোন খবর না পেয়ে চিনতা করছিলাম। একটা কাগজ বাকি আছে, হলে আগামি চার মাস পর দেশে আসতে পারব। এখানে আমার কোন অসুবিধা হছে না, তারপরও তোদের জন্য চিনতা হয়। ভাল থাকিস দোয়া করি সবসময়। মুননি ও রাইম কে আদর দিস।
তোর আমমা
ইটালি।
(হয়ত চিঠি লিখছে আমার ভাগিনা, কিন্ত আমি নিশ্চিত আমার মা ই বলেছেন এবং মনিটর এ দেখেছেন)
আমার জবাব দেখুন-
অভিনন্দন! আমাদের ভাষা আমাদের প্রান!
যে ভাষায় একটি শব্দ লিখলেই চলে! শব্দটি হলো 'মা'!
আপনি ভালো থাকুন।
(আমি নিশ্চিত আমার এ চিঠি পেয়ে আমার মা আনন্দে কাঁদবেন! কারন বাংলাতে ডাকা হয়েছে ‘মা’। আমার মায়ের দৈনিক পত্রিকা, গল্প, কবিতা, উপনাস পড়ার বাতিক ছিল, সে ইতিহাস অন্যদিন)
আমার ৯ বছরের ভাগিনার চিঠি দেখুন-
মেজ মামা,
আমার সালাম নিবা। রাইম কেমন আছে? মামিকে আমার সালাম দিবা। মামা তোমাকে অনেক ধন্যবাদ AVRO পাঠানোর জন্য। আমি ভাল বাংলা লিখতে ও পড়তে পারি। আমি এবার SCHOOL এ ভাল করেছি। সব বিষয়এ ১০ পেয়েছি। আমি নানুমনির সাথে লুডু খেলি ।
মাহিন।
ভাগিনাকে আমার চিঠি দেখুন (কত সহজ়ে মনের কথা!)
মামা,
তোমার চিঠি পেয়ে মনে হলো তুমি আমার কাছে বসে আছ! দোয়া করি আরো বড় হও! অনেক অনেক আদর ও ভালবাসা! আমরা বন্ধু গ্রুপ এর সদস্য হয়ে যাও জলদি!
তোমারই,
মেজ মামা , ঢাকা
সবশেষ, অভ্র না হলে এত ঘটনা হত না! পুরো ধন্যবাদ যায় ‘অভ্র’ তথা ‘মেহেদী’ সাহেবের থলের মাঝে! আমি বলি - ‘থাঙ্ক ইউ মেহেদী, গেট আউট জব্বার!’





অভিনন্দন!
ভালো লাগলো আবেগটা।
শুকরিয়া । আপনার জন্য শুভ কামনা।
ঘটনা কী ? উদরাজী পোস্ট লেকছে ? তাও আবার বাংলায় ?
যামু কৈ, খামু কী ? আল্লারে............!!!!
কিপিটাপ দোস্ত
একটা বড় কবিতা (নামা) লিখে ফেলেছি!
কিনতু পোসট করতে লজজা পাছি।
আপনাদের মত বড় লেখকরা আবার কি বলেন!
লজ্জা কবির ভূষন। তবুও কবিতাখানা পড়তে চাই
বোন তানবীরা, নামাটি প্রকাশিত হয়েছে!
http://www.amrabondhu.com/udraji/1068
এবং তা জনপ্রিয় হয়েছে!!!!!
বন্ধুরা ভালভাবে নিয়েছেন।
বাহ। একারণেই তো অভ্র এতো জনপ্রিয়।
মাসুম ভাই, আমি নিজেও অবাক!
এত দিন বাংলা থেকে কেন দূরে ছিলাম!
মন ভাল হয়ে গেল ব্লগটা পড়ে
ঈংলিশ এ যত কথাই লিখি না কেন, সম্পুন মনের ভাব প্রকাশ হয় না। আপনাকে ধন্যবাদ।
একেকটি বাংলা অক্ষর একেকটি বাঙালীর জীবন।- ১৯৭১ এর এই স্লোগানটার কথা মনে পড়ে গেল।
আপনি সত্য বলেছেন। ধন্যবাদ।
চিঠিগুলো পড়লাম, প্রিয় জনদের সাথে বাংলায় চিঠি লেখার আবেগই আলাদা।
শ্যায়ার করে মন ভালো করে দিলেন।
ধন্যবাদ।
ভালো লাগল
একেকটি বাংলা অক্ষর একেকটি বাঙালীর জীবন
ধন্যবাদ।
খুব ভালো লাগলো্।
ধন্যবাদ।
এইতো , এবার শুরু করেন বাংলায় সাহিত্য ।
ভাল লাগলো।
অভ্র নিয়ে সবার দেখি মোটামুটি একই কাহিনী। একই কাহিনী জব্বর নিয়ে। জব্বর আমাকে বাংলা শেখা থেকে দুরে রেখেছিল ৭ বছর।
এই পোস্টটা জব্বার কাগুর কপালের উপর পেস্ট করে দেওন দরকার।
অভিনন্দন উদরাজী ভাই
নজরুল ভাই,
কাগু কে আমি দূর থেকে অনেক কাল আগেই জানি! কাগুর আনন্দে আমার এক পরিচিত লোক কাজ করত। তার কাছে কাগু কে চিনেছি!
আপনি আমার ধন্যবাদ টা মেহেদী ভাইকে পৌছে দিন!
মেহেদী ভাই এর জন্য থাকলো শুভ কামনা।
মন্তব্য করুন