কদু’তে মধু!
গত ক’দিন ধরে আমরা ক’জন অফিসার,
কাজ করছি, বসাবো একটা হেল্প সেন্টার।
নিয়ম অনুযাযী নানা কসরত করা হ্ল,
ঢাকার নানা মুখি এক্সপার্ট ডাকা গেল।
একে একে চলছে- মহডা, নানাবিধ কথামালা
প্রজেক্টরে চলছে অনলাইন দেমো।
আমরা শিখছি, আর জানছি কত কি
টেকনিক্যাল কথায় আমরা এখন হিরো!
নুতন একটা কোম্পানির মিটিং, আজ শেষ দিন
কোম্পানির উপদেস্টা হিসাবে এলেন তিনি!
অনুমানিক পয়তিরিশের এক ডানাকাটা সুন্দরী
হেল্প সেন্টার নাকি তার হাতের তুরি!
তিনি শুধু বলেই চলছেন,
কোথায় কবে কখন কেন দেশ ঘুরেছেন।
তিনি উপদেশ দিয়েছেন - কাকে কাকে
কারা কারা এখন ও খুঁজে ফিরেন তাকে!
বাংলালিংক, সিটিসেল, গ্রামীনফোন
পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, আফগানিস্তান
আমার লাগে কেমন গোলমাল
টাকা কড়ি আছে, বুঝা যায় মালামাল।
একটুও টেকনিক্যাল নয়, ভাবি কি চাপাবাজ।
মাঝে মাঝে হাত নাড়ান যেন গায়িকা মমতাজ!
ওনার বাম পাশে আমাদের মালিক মিঃ এমডি,
লোকটা বদরাগী, আমরা ভয়ে মরি!
মেজাজি লোকটার মেজাজে আমরা তটস্ত
কিন্তু লক্ষন ভিন্ন, তিনি বেশ ফুরফুরে- শুনছেন!
সময় যেন তার অফুরন্ত - তাড়া নেই!
বার বার দেখি দুই মুখ বুক, অবাক হই।
অধিক আগ্রহে আছি, টেকনিক্যাল শুনার
মাঝে আমাদের বস্ কথা বলেন -
ম্যাডাম আসুন না সকালের দিকে একদিন
নিরিবিলি আমাকে বুঝিয়ে যাবেন!
উপসংহার ছাড়া মিটিং শেষ হ্ল
হাসি মুখে আমাদের বিদায়ের পালা
আর ভাবছি - সময় নস্টের কি ছিল দরকার,
মহিলা খুশি, মনে হল পেলেন নুতন শিকার!
আমাদের লোকাল এক্সপার্ট মিস্টার নদু,
আমাকে ডেকে বলেন- ভাবছেন কেন শুধু!
আজ আপনি দেখেছেন বড় দু’টো কদু!
আপনার বস্ পথ তৈরী করলো- খাবেন মধু!!





আজ আপনি দেখেছেন বড় দু’টো কদু!
আপনার বস্ পথ তৈরী করলো- খাবেন মধু!!
আজ আপনি দেখেছেন বড় দু’টো কদু!
আপনার বস্ পথ তৈরী করলো- খাবেন মধু!!
আজ আপনি দেখেছেন বড় দু’টো কদু!
আপনার বস্ পথ তৈরী করলো- খাবেন মধু!!
অবুঝ দুটি মন নামে একটা সিনেমা হইছিলো। আমিন খান আর রথির। যেখানে নায়িকা সুইমিং কস্টিউম পরে সাঁতরাইছিলো।
আমরা সেই সিনেমার নাম দিছিলাম অবুঝ দুটি লাউ...
যে লাউ সেই কদু...
তীব্র জাঝা
লাউএ জাঝা দিলেন
আপনে আর ঝাঁকায়েন্না
স্কুল পালাইয়া দেখতে গেছিলাম.।.।.।।পরে এই নিয়া স্কুলে কিছু উত্তম-মধ্যম খাইছিলাম.।
অশ্লীল। অশ্লীল।
আস্তাগফিরুল্লাহ...
উদরাজী ভাই এইবার একটু ক্ষেমা দেন দয়া কৈরা
ফালতু
ব্লগে আমাদের কিছু বন্ধু আছে যারা নারী এবং আমাদের সেইটা মনে রাখা উচিৎ। সন কিছুর একটা লিমিট আছে লিমিট পার হইলে সেইটা আর ফান থাকে না।
ভাষা হারায় ফেলছি, উপমার ব্যবহারে কবি সাহেব এত উদার যে ভবিষ্যতে এই সিরিজের কবিতাগুলো এবি'র নীতিমালার 'ঝ' অনুচ্ছেদটির কোপানলে পড়লে অবাক হবোনা
পোস্টের কিছু অংশ আপত্তিকর। শালীনতার সীমা বর্জিত। সদস্যরাও আপত্তি জানিয়েছেন।
আমরা বন্ধুর নীড়পাতা পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলের্ সহযোগিতা কাম্য।
এমন কিছু প্রথম পাতায় না থাকুক, যা কারো জন্য অস্বস্তিকর হয়ে যায়।
পোস্টটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো।
খেক্ খেক খেক। বস দেখি লুলামির দিক দিয়াও বস।
উদরাজী ভাই যেন এই পোষ্টের কারনে নিজেকে গুটিয়া না ফেলেন। ভাল মন্দ পাঠকতো বলবেই। আর আমরাতো বন্ধুই।
মন্তব্য করুন