ইউজার লগইন

উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি ও আমাদের অভ্র জনক মেহদী হাসান খান।

আজ সকালে দৈনিক প্রথম আলোতে জনাব জাহাঙ্গীর আলমের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি এর উপর প্রতিবেদনটা পড়ছিলাম। দুনিয়াতে মানুষ কত ভাল হতে পারে তারই নমুনা উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি। উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি আমার মনের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন ঠিক আমাদের অভ্র জনক মেহদী হাসান খান এর মত। কি সুন্দর মিল এ দুই জনের মাঝে।

Tim Lee.jpg
* উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি - আমি চাই সব মানুষ এক হোক।

Mahedi.jpg
* অভ্র জনক মেহদী হাসান খান - ভাষা হোক উন্মুক্ত।

পাশাপাশি মনে পড়ছিল আমাদের জাতীয় কাগু ও তার শ্যালক ষাড়ের কথা। মানুষে মানুষে ছিন্তায় কত ভিন্নতা। কাগু ও ষাড়দের কে বুঝাবে?

(ধন্যবাদ জাহাঙ্গীর আলম - আপনার লিখাটা পাঠকদের জন্য তুলে দিলাম, শেষের অনুছেদটা দেখুন - টিম লি চান না, কোনো প্রতিষ্ঠান বা কেউ কখনো এই ওয়েবের মালিকানা হাতে নিয়ে বিশ্বের মানুষকে একই বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া থেকে বঞ্চিত করুক। এ জন্যই তিনি এখনো ওয়েবের জন্য কোনো প্যাটেন্ট নেওয়ার পরিকল্পনা করেননি! বর্তমানের বাণিজ্যিক বিশ্বে বিরল একটি ঘটনা এটি।)

**************************************************************
টিম বারনার্স লি
ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ—ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www)। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এটা ব্যবহার করছে। কিন্তু কে আবিষ্কার করেছেন এই ওয়েব? আমাদের ক্ষুদ্র একটা অংশ তাঁর নাম শুনেছে। বিশ্বের অনেক মানুষের কাছে অপরিচিত একটা মুখ। যদিও তাঁর উদ্ভাবন আজ সারা বিশ্বের সব মানুষকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। তিনি হলেন টিম বারনার্স লি। তাঁকে বলা হয় ওয়েবের প্রতিষ্ঠাতা। ৮ জুন ছিল তাঁর ৫৫তম জন্মদিন। জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে এই রচনা।

ফেলে আসা কৌতূহলী শৈশব তাঁর যদি সত্যিই আমাদের ‘টাইম মেশিন’ থাকত তাহলে ইচ্ছে হলেই চলে যেতে পারতাম ১৯৬০-এর দশকের লন্ডনের একটি বাড়িতে। আর সেখানে দেখতে পেতাম এক যুবককে। মা মেরি উডস লি যে ঘরে রান্না করেন, সে ঘরে যুবকটি বাবা কনওয়ে বারনার্স লির পাশে বসে খেলার সামগ্রী দিয়ে বানানোর চেষ্টা করছে তার নিজের কম্পিউটার। ওই যুবকটিই টিম বারনার্স লি। লি তাঁর চারপাশের জগৎ নিয়ে শৈশব থেকেই খুবই কৌতূহলী। তো একদিন ঘরের কোণে তিনি দেখতে পেলেন নোংরা পুরোনা ও ভিক্টোরিয়ান যুগের এনসাইক্লোপিডিয়া নামের এক গ্রন্থ। গ্রন্থটি সম্পর্কে লি বলেন, ‘ওই বইয়ের রহস্যময় এক শিরোনাম “সবকিছুর ভিতরে ও বাহিরে অনুসন্ধান” আমার কৌতূহল আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে।’ টিম লির ফেলে আসা সেই সব শৈশবে ঘুরতে গেলে আপনি দেখতে পাবেন, টিম মূলত দুটি বিষয়ের প্রতি খুবই আগ্রহী এবং অনুসন্ধানপ্রিয় বালক এক। এক. কম্পিউটার। দুই. একটি ভাবনা: ‘কী করে মন বা মস্তিষ্ক অনেক ঘটনার মধ্য থেকে কিছু ঘটনাকে সময়ের প্রয়োজনে খুব দ্রুত পাশাপাশি আনে? কী করে গান কিংবা গন্ধ মানুষের মনে জড়িয়ে যায়? এসব নিয়ে ভাবতে ভালোবাসতাম।’ বলেন অনুসন্ধানী টিম লি।

মানুষে মানুষে বিশ্ববন্ধন গড়ার স্বপ্ন যখন পড়াশোনায় লি অসাধারণ মেধাবী ছিলেন। ১৯৭৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণীতে ডিগ্রি পান। এর চার বছর পর উদীয়মান তরুণটির বয়স তখন ছুঁই ছুঁই পঁচিশ। তিনি পাড়ি জমালেন সুইজারল্যান্ডে। উদ্দেশ্য জেনেভায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান। সেখানে প্রয়োজন পড়লেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা কর্মী তাঁকে প্রশ্ন করত। অনেক সময় প্রশ্নগুলো ছিল একই। ফলে বারবার একই ধরনের উত্তর দিতে হতো। লি তখন চিন্তায় পড়ে গেলেন, ‘কী করে আমার ক্ষুদ্র মাথা সব প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত-প্রতিবেদন ইত্যাদি সর্বদা স্মরণে রাখবে?’ তিনি ভাবলেন, আচ্ছা যদি এমন কোনো পথ থাকত যে কম্পিউটারের মাধ্যমে কর্মীরা তাঁর কাছ থেকে খুব সহজেই সব প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে, যাতে কর্মীরা কে কোথায় কত দূরে আছে সেটা কোনো বাধা হবে না? মানুষে মানুষে বিশ্ববন্ধন গড়ার এক মহাজাগতিক স্বপ্নের শুরু এখানেই, টিম বারনার্স লির হাতে।

ইনকুয়ার: একটি স্বপ্নের সত্যায়ন এরপর টিম এমন একটা সফটওয়ার প্রোগ্রাম তৈরি করলেন, যেটা গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্যকে সামলাবে। এর জন্য তিনি অনেকগুলো লিংক ব্যবহার করলেন। এবং তিনি এগুলোকে একটা বইয়ে থাকা সূচিপত্রের মতো করে সাজালেন। প্রোগ্রামটির নাম রাখলেন ইনকুয়ার বা অনুসন্ধান। টিম লি এটিকে স্মৃতিশক্তির প্রতিনিধি বলে অ্যাখ্যা দেন। ইনকুয়ার নামটি সেই এনসাইক্লোপিডিয়া বই থেকে নেওয়া, যে বইটি তিনি শৈশবে পেয়েছিলেন তাঁর ঘরের কোণে। এরপর উত্তরোত্তর উন্নতিসাধনের মধ্য দিয়ে ১৯৯১ সালে যাত্রা শুরু হলো ওয়েবের। বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইটটির নাম ছিল ইনফো.সার্ন.সিএইচ (info.cern.ch)। এবং প্রথম ওয়েবপেজের ঠিকানা ছিল:http://info.cern.ch/hypertext/WWW/TheProject.html

হতাশা যাঁকে ছুঁতে পারেনি আপনার কি স্মরণে আছে, বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কারের পর টমাস আলভা এডিসন হতাশা ও ব্যর্থতা সম্পর্কে কী বলেছিলেন? ‘আপনি নাকি ১০ হাজার বার ব্যর্থ হয়েছেন বাতি জ্বালানোর আগে?’ এর জবাবে এডিসন বলেছিলেন, ‘ব্যর্থতা বলে কোনো কথা নেই। বৈদ্যুতিক বাতি সফলভাবে জ্বালানোর আগ পর্যন্ত ওই সব একেকটি চেষ্টা ছিল একেকটি পথ। হতাশা আমাকে গ্রাস করেনি।’ না, হতাশা কখনোই অধ্যবসায়ী আর পরিশ্রমী মানুষকে গ্রাস করতে পারে না। তেমনি টিম লিকেও থমকে দিতে পারেনি হতাশা। অনেকে মনে করেছিল, কোনোভাবেই টিমের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে না। আর যদি হয়ও, তাহলে এটা জনপ্রিয়তা পাবে না। খুব কমসংখ্যক বন্ধু তাঁর স্বপ্নকে সমর্থন করত। তবু বন্ধুদের তুমুল সমালোচনায়ও হাল ছাড়েননি টিম লি। স্বপ্নের প্রতি ছল তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা। স্বপ্নের সমান শ্রম ছিল তাঁর আদর্শ। এবং নিরলস সাধনায় তিনি তাঁর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছেন।

সাদামাটা জীবন তাঁর ইতিমধ্যে বয়সের ঘর থেকে ৫৫টি বছর মুছে মিশে গেছে তাঁর ফেলে আসা অতীতে। কিন্তু ভবিষ্যতের আবিষ্কারককে বর্তমানে দেখলে তরুণই লাগে। মানুষটিকে দেখলেই বোঝা যাবে, বিলাসপ্রিয় মানুষ নন তিনি। ‘বর্ষসেরা তরুণ নেতা’, ‘নাইট কমান্ডার’, ‘মহা ব্রিটন’ নানা উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৯৯ সালে টাইম ম্যাগাজিন বিশ শতকের শ্রেষ্ঠ ১০০ ব্যক্তির নামের একটি তালিকা প্রকাশ করে। ওই তালিকায় টিম লির নাম ছিল। ২০০৭ সালে দ্য টেলিগ্রাফ জীবিত ১০০ বুদ্ধিজীবী মহামনীষীর একটি তালিকা তৈরি করে। আলবার্ট হফম্যানের সঙ্গে যুগ্মভাবে তিনি সে তালিকায় প্রথম হয়েছিলেন। কিন্তু সাদাসিধে পোশাক আর সাদামাটা জীবনই ভালো লাগে তাঁর। ‘কী অর্জন করেছি সেটা আমার কাছে মুখ্য বিষয় নয়, আমি কত কিছু না-করা থেকে নিজেকে স্বেচ্ছায় এড়িয়ে রেখেছি সেটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ তাঁর এই কথা থেকেই উঠে আসে তিনি কতটা স্বচ্ছ আর শান্ত জীবন যাপনে অভ্যস্ত।

ভালো-মন্দের মানদণ্ড মূল্যবোধ ওয়েবের ভালো দিকের পাশাপাশি মন্দ দিকও হয়তো আছে। এবং সেটা ব্যবহারকারীর ওপর নির্ভর করে। নিউক্লিয়ার শক্তির অপপ্রয়োগের জন্য যেমন আলবার্ট আইনস্টাইনকে দায়ী করা যাবে না, ঠিক তেমনি ওয়েবের অপব্যবহারের জন্যও টিম লি দায়ী হবেন না। এ বিষয়ে টিম লি বলেন, ‘সময়ের বিবর্তনে এটা স্পষ্ট হবে। প্রযুক্তির ভালো-খারাপ দুই দিকই আছে। ওয়েবের ভালো-মন্দ নির্ভর করে আমাদেরই ওপর। মূলত আমরা কীভাবে এটা ব্যবহার করি, কীভাবে আমরা শিশুদের শেখাচ্ছি বা আমাদের মূল্যবোধ কেমন তার ওপরই নির্ভর করে ওয়েব ভালো না মন্দ।’ যে পথে কেউ হাঁটেনি অনেক পথই তো ছিল যে পথে হাঁটতে পারতেন টিম লি। এখন তিনি সচ্ছল মানের একটা নির্ধারিত পারিশ্রমিকে জীবন যাপন করছেন। কিন্তু ওয়েব আবিষ্কারের দরুন বিশেষ কোনো সুযোগ গ্রহণ করছেন না। কেন? যে পথে সবাই হাঁটে সে পথে হাঁটতে চাননি টিম লি। আর কী চাই তাঁর?

টিম লি বিয়ে করেছেন ন্যান্সি কার্লসনকে। তাঁদের এখন দুই সন্তান। নিজেকে কখন সবচেয়ে সুখী বলে মনে হয় টিম লির? তিনি বলেন, ‘আমি যখন আমাকে হারিয়ে গবেষণায় আত্মনিয়োগ করি তখনই নিজেকে সবচেয়ে সুখী মনে হয়।’ এখন তাঁর অধিকাংশ সময় কাটে ওয়েবের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনায়। তার চেয়ে বড় ভাবনা তাঁর ওয়েবের স্বাধীনতা নিয়ে। টিম লি চান না, কোনো প্রতিষ্ঠান বা কেউ কখনো এই ওয়েবের মালিকানা হাতে নিয়ে বিশ্বের মানুষকে একই বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া থেকে বঞ্চিত করুক। এ জন্যই তিনি এখনো ওয়েবের জন্য কোনো প্যাটেন্ট নেওয়ার পরিকল্পনা করেননি! বর্তমানের বাণিজ্যিক বিশ্বে বিরল একটি ঘটনা এটি। টি লি বলেন, ‘আমি চাই সব মানুষ এক হোক।’

**********************************************************

আরো জানার জন্য যে সকল লিঙ্ক দেখতে পারেনঃ
http://info.cern.ch/NextBrowser.html
http://info.cern.ch/
http://info.cern.ch/hypertext/WWW/TheProject.html
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-06-09/news/69532
http://www.sachalayatan.com/omicronlab/31599

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রুবেল শাহ's picture


অনন্য এই দুই মানুষে কে শ্রদ্ধা ...........

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


স্যালুট এমন কর্মবীরদের

বোহেমিয়ান's picture


স্যালুট

শওকত মাসুম's picture


বাহহহ

সাহাদাত উদরাজী's picture


মাসুম ভাই, টিম লি যদি www প্যাটেন্ট রেজিস্টার করে ফেলেন, ভাবুন তিনি কত টাকার মালিক হবেন! আমারতো মনে হয়, বিল চাচাও কেদে ফেলবেন! আর আপনি আমি হয়ত www লিখতে পারতাম না!

মাশরুফ's picture


ভালো লাগল

তানবীরা's picture


পোষ্ট প্রিয়তে Big smile

সাহাদাত উদরাজী's picture


বোন তানবীরা, দুনিয়াতে ভাল মানুষ আছে বলে আমরা এখনো বেচে আছি।

নাহীদ Hossain's picture


দারুন একটা পোষ্ট ।

১০

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাই নাহীদ, যুগ যুগ ধরে এরা মানুষের ভালবাসা পাবে।

১১

মাহবুব সুমন's picture


অভ্রতো একটা সম্মলিত উদ্যোগ !

১২

সাহাদাত উদরাজী's picture


মাহবুব সুমন ভাই, অভ্রের পুরা ইতিহাস জানলে আমাদের জানান।

১৩

সাঈদ's picture


এরকম মানুষ আছে বলেই পৃথিবী এগিয়ে যায় সামনে।

১৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাই সাঈদ, আপনি ও একজন ভাল মানুষ।

১৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


পোস্ট ভালো লাগছে... তরমুজের খবর কী ? গরম তো শেষ হৈয়া গেলো...

১৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাই মেসবাহ য়াযাদ, আপনি আছেন তরমুজের খুজে। আমি আছি ভয়ে, তরমুজ দিলে আমাকে বান করবে নিশ্চয়! তখন কে আমাকে বাচাবে!!!

১৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ব্যান করবে মানে ? বললেই হলো ! মডুদের চামড়া তুলে নেব আমরা... নো চিন্তা... তরমুজ চাই তরমুজ...

১৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাই আপনাকে দিয়ে হবে!!!

আমি মড়ু মামাদের চিনি!!! (মুড়ু মামারা ক্ষমা চাই, মাইন্ড করবেন না)
তলদিয়ে গংগা গেলেও কিছু কয় না সামনে দিয়ে মশা গেলেই কামান!!!
আমি এখনো মশা!

১৯

মীর's picture


লেখাটা আগেই পড়েছিলাম। এখানে তুলনামূলক বিশ্লেষণের সাথে পড়ে আরো ভালো লাগলো। সাহাদাত ভাইরে ধইন্যা।

২০

সাহাদাত উদরাজী's picture


আপনার মন্তব্য আমাকে আনন্দিত করেছে। মীর ভাই, আপনি ও ভাল মানুষ।

২১

মুকুল's picture


Grade

২২

আরণ্যক's picture


ইন্টারেষ্টিং পোষ্ট।
তবে মেহেদীর সাথে তুলনার টা বেখাপ্পা লাগলো।

বার্নস লী কি এটাকে পয়সা উপার্জনের কোন মাধ্যম বানাতে পারতেন ?
আমার তেমনভাবে ইতিহাস জানা নাই ।
সবই আবছা ধোয়াটে। ওয়েব আর ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের ইতিহাস । সম্ভবত কাউকে ঠিক একক ভাবে জনক বা আবিস্কার বলা যায় না বলেই ।

২৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাই আরণ্যক, তুলনা নয়। তারা দুইজন ই যে ভাল মানুষ তাই বুঝাতে চেয়েছি।

বার্নস লী কি এটাকে পয়সা উপার্জনের কোন মাধ্যম বানাতে পারতেন ? - কেন নয়! চাইলে এখনো পারেন।

এত কিছু আমিও জানি না - আমার শুধু মনে হয়, এরাই পারে মানুষের উপকার করতে।

২৪

আশফাকুর র's picture


কত প্রজাতির মানুষ ই না আছে এ পৃথিবীতে?এক মানুষ ভাষা কে বন্দী করতে চায় "বিজয়ের" নামে।আবার সেই মানুষ ই সারা পৃথিবীর সব মানুষকে এক করতে www এর প্যাটেন্ট করেনা।পৃথিবীতে বেঁচে থাক স্বার্থহীন এ মানুষগুলো।স্যালুট টিম বার্নস লী কে আর মেহেদী ভাইকে।ধন্যবাদ সাহাদাত উদারজী ভাইকে. Applause Applause Applause

২৫

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাই আশফাকুর, আমাদের বুঝার রাস্তা সোজা হলেই চলার পথ সুন্দর হতে পারে। আপনিও ভাল মানুষ। আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

২৬

নজরুল ইসলাম's picture


ভালো লাগলো

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সাহাদাত উদরাজী's picture

নিজের সম্পর্কে

নিজের সম্পর্কে নিজে কি লিখব! কি বলবো! গুনধর পত্নীই শুধু বলতে পারে তার স্বামী কি জিনিষ! তবে পত্নীরা যা বলে আমি মনে করি - স্বামীরা তার উল্টাই হয়! কনফিউশান! ----- আমি নিজেই!! ০১৯১১৩৮০৭২৮ udraji@gmail.com

বি দ্রঃ আমি এখন রেসিপি লেখা নিয়েই বেশী ব্যস্ত! হা হা হা। আমার রেসিপি গুলো দেখে যাবার আমন্ত্রন জানিয়ে গেলাম। https://udrajirannaghor.wordpress.com/

******************************************
ব্লগ হিট কাউন্টার


Relaxant pills