ব্রেকিং - আমরা বন্ধু পিকনিক চলছে।
আমরা বন্ধু'র পিকনিক। গাজীপুর চোরাস্তা পেরিয়ে আমরা বন্ধু'র গাড়ী পিকনিক স্পটের কাছাকাছি এগিয়ে চলছে। সকাল ৭;৩০ ল্যাবএইড, ৮;৩০ শাহবাগ মোড় এবং ৯;০০ টায় রাজধানী স্কুলের সামনে থেকে পিকনিকের গাড়ী বন্ধুদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে আপনাদের একটু বলে রাখা ভাল, বাংগালী স্বভাবমত নিধারিত লিফটিং স্পটে হাল্কা একটু দেরী হয়েছে মাত্র। সর্বশেষ খবর পাওয়া থেকে জানা যায়, রাস্তায় অনেক জ্যাম থাকে কারনে নিধারিত সময়ে গাড়ী পিকনিক স্পটে পোছাতে পারবে না। বিশেষ করে হযরত শাজালাল এয়ারপোর্ট চক্কর পার হয়ে টংগী ব্রিজ থেকেই ভয়াবহ জ্যাম দেখা পাওয়া যায়।
গাড়ীতে প্রচুর আনন্দ হচ্ছে। শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, টুটুল, নাজ, হাসান রায়হান, নাজনীন খলিল, আসিফ, জয়িতা, জেবীন, বিমা, মাথামোটা, বাফড়া, বৃত্তবন্দী, ফারজানা, বোহেমিয়ান, মামুন ম. আজিজ, ঈশান মাহমুদ ও স্ত্রী - কন্যা, ডটু রাসেল, লিপি, নাজমুল হুদা, ভাস্কর, আনিকা, সাঈদ, সোহেল কাজী, নাহীদ, ফিরোজ কবীর, মৌসুম, তাজীন, গৌতম ও বন্ধু, মুক্ত বয়ান, বিলাই শাওন, ছায়ার আলো ও বন্ধু, আলী আরাফাত শান্ত, মিতু ভাবী ও পুরা পরিবার এবং মেসবাহ য়াযাদ। সবাই অনেক মজে আছেন।
শওকত মাসুম ভাইয়ের মনের অবস্থা আজ চরম। একদিনের ছুটি পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। আজ অন্তত তাকে অনেক কিছু শুনতে হবে না। আজ সকালে তার কাচাবাজার করার কথা ছিল। তিনি তা গত কাল রাতে শেষ করে দিয়েছেন। ভাবী মনে মনে কিছুটা রেগে আছেন বলে তার মনে হয়েছিল। কিন্তু কে শুনে কার কথা। বিখ্যাত হতে হলে পরিবার নিয়ে পড়ে থকলে কি চলে! টেলিভিশন চ্যানেল রাত ২টায় ডাকলে যেতে হয়। আজকাল সবই লাইভ! আমাদের রিপোর্টার তাকে এক্টাই প্রশ্ন করেছিল - এই যে আজ আপনি পিকনিকে যাচ্ছেন, ভাবীকে বলে এসেছেন তো? জনাব মাসুম ভাই, শুধু হেসেছিলেন। উত্তর দিতে পারেন নাই।
লীনা দিলরুবা দারুন দিনে আছেন আজ। টাকা শেয়ার নিয়ে আজ ভাবনা নাই। মাঝে মাঝে ফোন আসছে। গুন গুন করে কথা বলছেন, কাউকে কিছু বুঝতে দিচ্ছেন না।
টুটুল নাজ, এক জোড়া সিটে একে অপরের সাথে লেগে বসে আছেন। এই সুখী দম্পতি আজ অনেক সময় একা একা হাটবেন বলে মনে হচ্ছে। টুটুল সাহেব মাঝে মাঝে ঘাড় বাকিয়ে পিছনে আড্ডা মারতে চেষ্টা করছেন।
গুরু হাসান রায়হান বার বার ক্যামেরার কাঁচ পরিস্কার করছেন। ইস রে, কি সুন্দর দৃশ্য। যদি ছবি তুলতে পারতাম। রাজধানীর যানজটের উপর তার ছবি তোলার পরিকল্পনার কথা জানালেন তিনি। তবে একটা হেলিকপ্টার হলে নানা ধরনের এরিয়াল ভিউর ছবি তোলা যেত। আর এসব এরিয়াল ভিউ দেখে তার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি যান জট নিরশনে ব্যবস্থা নিতেন! যান যটে কত ম্যান অওয়ার নষ্ট হচ্ছে, কত তেল পুড়ছে তার হিসাব কে রাখে?
নাজনীন খলিল আজ জানালার ধারে বসেছেন। তার মনের মাঝে নুতন নুতন কবিতা আজ উঁকি মারছে। ঠিক এমুহুর্তে একটা রোমান্টিক কবিতা তার মাথে ঘুরছে, কিন্তু কলম খাতা বের করতে পারছেন না, পাচ্ছে যদি আবার আমরা বন্ধুরা মাইন্ড করে! আমরা আমাদের কবি নাজনীন খলিল আফাকে অনুরোধ করছি, লিখে ফেলুন। কবিতা তো কবিতাই। হয়ত এই কবিতাটাই মেগাসাই পুরুস্কার পেতে পারে।
আসিফ তরুন মেধাবী ছেলে। বার বার বড়দের দেখছে। মনটা খুশিতে ভরা - জয়িতা আপার সাথে পরিচিত হতে পেরেছে।
জয়িতা, নামেই যার জয়! কিন্তু তীব্র যান জটের কারনে মেজাজ ধরে রাখতে পারছেন না। এতক্ষন গাড়ীতে বসে থাকা যায়!
জেবীন আপুর মাথা চক্কর দিচ্ছে। বমি বমি ভাব হচ্ছে। মেজবাহ কে অনুরোধ করা হচ্ছে তিনি যেন আমাদের জেবীনাপুকে কালো পলিথিন ব্যাগ দিয়ে যান।
বিমা, গত পিকনিকে তিনি অনেক মজা করেছেন। ভাল গানের গলা। এবারো ফিরে আসার সময় তিনি অনেক গান গাইবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তিনি তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে কেন পিকনিকে নিলেন না! বিবাহ করার এখনো এক বছরো পার হয় নাই, কেন তিনি এত তাড়াতাড়ি মাসুম, রায়হান, মেজবাহদের পথ ধরলেন! আগের হাল যেভাবে, পিছনের হাল ও সে পথে। এটাই সিনিয়ারদের সাথে চলার মজা! অনেক কিছু আগেই শিখে ফেলা যায়! আর জীবনে যে যত জলদি শিখে ফেলে তার জীবন ততই সুন্দর।
মাথামোটা ভাই! আপনার নামটা চরম সুন্দর। সমাজের আপনার মত অনেক মাথামোটা লোক দরকার, চিকন মাথা নিয়ে আমাদের এ সমাজের কোন উন্নতি হচ্ছে না। চিকন বুদ্দিতে আমাদের দেশ রশাতলে যাচ্ছে! আচ্ছা, আজ আপনার কেমন লাগছে। উদাস হবেন না প্লিজ!
বাফড়া আজ চমৎকার পোষাক পরে এসেছেন। হেভী হ্যান্ডসাম দেখাছে। এই বয়সে এত! আমরা আশা করি এই পিকনিক থেকে তিনি নানা বাফডীয় উপাধান সংগ্রহ করে আমাদের উপহার দিবেন। তবে রয়ে সয়ে।
বৃত্তবন্দী, জীবন নিয়ে এত ভাবছেন কেন। জীবনকে জীবনের মত চলতে দিন। নিজকে বৃত্তবন্দী করে রাখবেন না। বৃত্তের বাইরের জীবন আপনি না দেখলে কে দেখবে। ও যে এক বন্ধু একা হাটছে, যান তাকে সংগ দিন। তার সাথে কথা বলুন।
নিম্মের সবাইকে এখনো অবজার্ব করা হচ্ছে! টাইম টু টাইম আপনাদের জানানো হবে। কোরিয়া থেকে রাসেল কাকা চরম হাসফাসের মাঝে আছেন। আর কয়দিন পর পিকনিক করলে তিনিও যোগ দিতে পারতেন।
ফারজানা, বোহেমিয়ান, মামুন ম. আজিজ, ঈশান মাহমুদ ও স্ত্রী - কন্যা, ডটু রাসেল, লিপি, নাজমুল হুদা, ভাস্কর, আনিকা, সাঈদ, সোহেল কাজী, নাহীদ, ফিরোজ কবীর, মৌসুম, তাজীন, গৌতম ও বন্ধু, মুক্ত বয়ান, বিলাই শাওন, ছায়ার আলো ও বন্ধু, আলী আরাফাত শান্ত, মিতু ভাবী ও পুরা পরিবার এবং মেসবাহ য়াযাদ।
২ টা ২৩ মিঃ
ঈশানকে এইমাত্র অনেকবার চেষ্টা করা হল। ফোন ধরছেন না। কিন্তু অন্য ফোন থেকে তিনিই ফোন করলেন। সবাই পিকনিক স্পটে পৌছে গেছেন। সবাই যার যার মত মজা লুটছেন।
দুই দলে ভাগ হয়ে প্লেইং কার্ড খেলতে বসে গেছেন অনেক বন্ধু। মেজবাহ, রায়হান ভাই অনেক জিতে যাচ্ছেন। বার বার তাগিত দেয়া সত্তেও রায়হান ভাই, ছবি তুলছেন না! পড়ন্ত বেলায় নাকি ছবি ভাল আসবে।
গানের আসর বেশ জমজমাট। একের পর এক বাংলা গান গাইছে, একদিনের গায়কগন । নাজমুল হুদা ভাই, নানা দলে মিশে মিশে মজা নিচ্ছেন। টুটুল, নাজ সহ অনেকের এখনো কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কোথায় গেলেন তারা। আশা করা হচ্ছে খাবার আগেই হাজির হয়ে যাবেন।
মিন্টু সাহেবের বাংলা খামার বাড়ী সবার মনে ধরেছে। টাকা থাকলে কি না হয়। টাকার নৌকা নাকি পাহাড়ে চলে, কথাটা সত্য। এই দরিদ্র দেশে এত সৌখিনতা। বাংলাদেশের এখন প্রায় সব টাকাওয়ালা লোকদের এমন একটা খামার বাড়ী আছে। প্রতিটা টাকাওয়ালা লোককে একটি করে উপজেলা দিয়ে দেয়া হউক। তারা তা সাজাবে মনের মত করে! কে কত সুন্দর করতে পারে! দেশ এমনিতেই ধনী হয়ে যাবে!
রান্না হচ্ছে। আশাকরি ৪ টার আগেই খাবার খেতে পারবে সবাই! রোস্ট, রেজালা, পলাউ, সালাত। জম্বে বেশ!
৩ টা ৩৬ মি
এখনো রান্না শেষ হয় নাই। চলেন আড্ডা মারি।
ফারজানা, আপনাকে ঠিক চেনা যাচ্ছে না। আজ আপনাকে অনেক সুন্দর লাগছে, কানের পাশে একটা জবা ফুল গুঁজে দিলে চমৎকার লাগত। আরো আসেন, প্রান খুলে আড্ডা মারুন।
বোহেমিয়ান, আজতো আপনার গল্পের প্লটের অভাব হবে না। নীলক্ষেত থেকে বুয়েটে হেটে যেতে যেতে আপনি যত কল্পনা করেন আজ তো মনে হয় আপনি এর অনেক বেশী কল্পনা করছেন। আচ্ছা ওই যে, যার বই আলগে ধরে আপনার হাত ব্যাথা হয়ে গিয়েছিল! আজ কি তেমন কিছু ঘটবে! আপনি ভীষন রোমান্টিক আছেন। যান সময় কাজে লাগান।
মামুন ম. আজিজ, কেমন আছেন। আপনি এত কম লিখেন কেন। দেশ ও মুক্ত বুদ্দি চিন্তাতে আপনাকে ১০০ তে ১০০ দেয়া যায়। যত পারেন লিখুন। একদিন এ দেশের পরিবর্তন হবেই।
ঈশান মাহমুদ ও স্ত্রী - কন্যা, ঈশান তালগোল পাক্কাছ না তো! ভাবীকে টাইম দাও। পাবলিক কত কথা বলবেই। এক কান দিয়ে শুনে ওই কানে বের করে দাও। জীবনে লোটা বাটী কম্ভলের মত সংসারটাও গুরুত্বপুর্ন। ভাবীর খোয়াল তুমি না রাখলে কে রাখবে! খবরদার, আমার গুরুজী রায়হান ভাইয়ের সাথে বেশী কথা কিংবা মিশার চেষ্টা করবে না। আমার গুরুজী কিন্তু আবার খাঁটি ডোজ শিখাতে জানেন। ঈশান, আমার গুরুজীকে সালাম জানাতে ভুলবে না!
৪ টা ৩০ মিঃ
এই মাত্র পিকনিকের খাওয়া দাওয়া শেষ হল। রান্না বেশ ভাল হয়েছে। যার যত খুশি খেয়েছেন। ৬ জন এত বেশী খেয়েছেন সে কোমর সোজা করে উঠে দাড়াতে পারছেন না। গুরু রায়হান ভাই, আমাদের শাওন ওরফে বিলাইদা এখনো মাটিতে শুয়ে আছেন। নানা মোবাইল ক্যামেরা ম্যান ছবি তুলছেন। আশা করি এই ছবি গুলো ব্লগ হিট হবে।
টুটুল ভাই আমাদের ভাগিনা ঋয়ানকে কোলে নিয়ে সেই মজা লুটছেন। ঋয়ান আজ অনেক খুশি। চাচা, মামা, ফুফু, খালাদের দুস্টামি দেখে ও আজ অনেক শান্ত। মনে মনে হয়ত ভাবছে, আমি আর কি করবো! তোমরা এখনো শিশুই রয়ে গেলে! ফুফু জয়িতা অনেক টানছে, কেন যে বার বার কোলে নিতে চায়!
মেজবাহ কে পাওয়া যাচ্ছে না। না, না, ওই যে দূরে - চিপায়। কি যেন ফুকে! দাদাভাই, এত সিগারেট ফুকবেন না। আজকাল আপনি এমনিতেই বেশী বেশী ফুকছেন। উচিত নয়।
৫ টা ৩০ মিঃ
গাছ পালা বেশী বলে এখানে শীতের আমেজটা বেশী। ৫টা বাজতে না বাজতেই শীত শুরু হয়ে গেল। সবার আবার ঘরে ফিরার তাড়া আছে। রাস্তার যান জটের কথা মাথায় রেখে আগে বের হয়ে যাবার ইচ্ছা পেশন করেন সবাই।
সাইদ ভাই তার লম্বা ক্যামেরায় দূর থেকে সবার গ্রুপ ছবি তোলার চেষ্টা করছেন। বারশত মহিষ এক করে ছবি তোলা সহজ কিন্তু বারজন মানুষ এক করে ছবি তোলা সহজ নয়। মহিষগুলো দাঁড়ানোর সময় পেটে পেট লাগিয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু মানুষ! একজন আরেকজন থেকে পারলে দুই হাত দূরে দাঁড়ায়। দুনিয়ার খেলা, বুঝা দায়!
পিকনিক থেকে আসার সময় বাসে খুব মজা হয়। গানের পর গান। যে ভাল গায় তাকে ঘিরে চলে গানাসর। খালি মনে করিয়ে দিতে হয়। ব্যস, চলতেই থাকে। মেজবাহ এ ব্যাপারে উৎসাহী। গলা ভাল। তাল মিলিয়ে ভাল গাইতে পারে। বিবাহ পুর্ব বিমার গানের গলা ভাল ছিল।
বাসে মেয়েরা দুই একটা গানে তাল মিলালেও এক সময় চুপচাপ হয়ে যায়। সারা দুনিয়ার ক্লান্তি এসে যায়, কখন বাসায় যেতে মেকাপ তুলবে!
এদিকে আমাদের নাজমুল হুদা ভাইকে একটু আনমনা মনে হচ্ছে। আজ ভাবীর ঝাড়ি (মধুর অর্থে) কি করে সামলাবেন তিনি! তোমার বয়স কমছে না বাড়ছে! এখনো পিকনিকে যাও। আমার পরামর্শ যদি নেন তবে বলি, হুদা ভাই একদম চুপচাপ! একদম চুপচাপ থাকবেন আর মিটি মিটি হাসবেন।
রাশেল ভাইকেও হুদা ভাইর মত অবস্থা সইতে হবে! রাশেল ভাই, বাসায় যেয়ে কম্বল নিয়ে ছেলেটাকে কাছে টেনে কুস্তাকুস্তির মত খেলাধুলা শুরু করবেন। ভাবীকে বলে দিবেন, আজ আমি আর টিভি দেখব না। যত পার স্টার প্লাস দেখ। ব্যস। ভয় পাবেন না, আমরা আছি। ভুলেও পিকনিকে দেখা কেন মেয়ের গল্প করবেন না! তা হলে, আপনাকে বাচাতে পারে দুনিয়াতে এমন কেহ পাবেন না। আপনি মাসুম ভাই থেকে কিছু টিপস নিতে পারেন।
৬ টা ১০ মিঃ
ফিরতি যাত্রা শুরু। আমি বিদায় নিচ্ছি। ব্যাটারীর চার্জ আর নাই। আশা করি রাতে আমরা নানা ছবি দিয়ে আমরা বন্ধু পিকনিকের ছবি ও নানা ঘটনার কথা আরো জানবো। যাদের নিয়ে পেচ্ছাপেছি করলাম, আশা করি তারা মনে কিছু নিবেন না। আজ মরলে কাল দুই দিন, কথাটা ভুলে যাবেন না।
আমরা বন্ধু পিকনিক ২০১০ সুন্দর ও সফল হয়েছে। সবাইকে শুভেচ্ছা। আসুন সবাই মিলে গান ধরি।





টুটুল ভাইকে অনলাইনে পাওয়া গেছে! হ্যালো টুটুল ভাই, শুনতে পাচ্ছেন। আচ্ছা আপনারা এখন কোথায় আছেন। পিকনিক স্পটের থেকে কত দূর!
আপনার বউ বাচ্চা এবার পিকনিকে আসে নাই?
মুকুল ভায়া, মাইজদী'র খবর কি। পৌর নির্বাচনে দাড়াইয়া পড়েন। আমরা বন্ধু'রা হেল্প করবে। জুম্মার নামাজ পড়তে যাবেন না! চলেন জুম্মা পড়ে আসি। ব্যাচেলার হয়েও আপনি কেন যোগ দেন নাই!
ভাবছিলাম এইবার বউ নিয়া যেতে পারবো। বউ জোগাড় করতে পারি নাই। এই দু:খে যাই নাই।
কিন্তু আপনে এবার বউ সাথে নেন নাই ক্যান?
মুকুল ভায়া, বিবাহ ছাড়া আপনার মুক্তি নাই দেখছি। বিবাহ করলে বুঝবেন - হাউ মেনি পেডি, হাউ মেনি রাইস!
হ্যালো হ্যালো, সাহাদাত ভাই, আপনার লাইভ ব্লগিং পিকনিক মিস করা এই পাব্লিকের মনে ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
(
এই আনন্দযজ্ঞে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু হয়ে উঠল না ভূগোলের মারপ্যাঁচে। আপনাদের হইচই ক্যামেরাবন্দী হয়ে আরো দীর্ঘনিঃশ্বাসের জন্ম দিক - এটাই অনুরোধ।
হ্যালো উলটচন্ডাল ভাই, আপনাকে আমাদের সাথে যোগ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা এখনো শেষ খবর পাচ্ছি না। আমাদের বাসটি কোথায় আছে। একবার টুটুল ভাইকে অন লাইনে পাওয়া গেলেও তিনি কোন কথা বলেন নাই।
আরো উলটচন্ডাল ভাই, মন খারাপ করবেন না। আপনি তো দেশের বাইরে থেকে আস্তে পারেন নাই! এমনো অনেক কস্ট আছে, পিকনিকের চাদা দিয়েও যোগ দিতে পারে নাই। সবই কোপাল। কোপালে লিখা থাকলে আপনিও আগামীতে আমরা বন্ধুর পিকনিকে যোগ দিতে পারেন।
তবুও আমাদের সাথেই থাকুন।
হায় হায় ! এমন পোড়াকপালও আছে তাইলে! যাক, একটা সান্ত্বনা পাওয়া গেল!
আমি কিন্তু আপনার পোস্ট ঠিকই ফলো করব - অন্তত মনে মনে আপনাদের পিকনিকে শরিক হইতে চাই আরকি!
আরো আপডেট দেন - খানা তৈয়ার হইছে ??
উলটচন্ডাল ভাই, এরি নাম জীবন। আমরা ভাবি এক আর হয় অন্য কিছু। কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। আমাদের সংগ্রাম চলবেই!
অবশ্যই সংগ্রাম চলবে!
কিন্তু তার আগে বলেন খানা কেমন হল? তরকারীতে লবণ হয়েছে তো??
সবাই, রান্নার তারিফ করছে। আরে আমাদের দাদাভাই মেজবাহ না! ওর কাছে এসব নস্যি! এক খাঁড়াতেই ১৬০০ লোককে খাইয়ে দিবে! এসবে ওস্তাদ মানুষ। লবণ বেশী হলে কমাতে হয় কি করে সে সেটা জানে!
আহা, ভাল ভাল - উদরপূর্তি হল আসল ফুর্তি!
আহারে কেমন জানি শূন্য শূন্য লাগতেছে। সবাই এত মজা করে, আর আমি ঘরে বসে চুলায় বাধাকপি ভাজি করি।
(

বোন লিজা, আমার মনে হয় এ মুহুর্ত্তে আপনি সব ছেয়ে নিরাপদে আছেন। এই মাত্র খবর পেলাম, মালিবাগ মোছাকে একটা দুঘটনায় তিন চার জন লোক মারা গেছেন। একবার ভেবে দেখুন, কি অবস্থায় আমরা বেঁচে আছি। ঘর থেকে বাইরেই বিপদ।
মনে দুঃখ নিবেন না। আপনার বাঁধাকপি ভাজি আশা করি এতই ভাল হবে যে, দুলাভাই খেয়ে বলবেন - আলহামদুল্লিলাহ। এর চেয়ে আর কি পাওনা হতে পারে। আচ্ছা বোন এক্কাপ চা হবে কি?
আসেন গলা ধইরা কান্দি।
আমি অতি লাজুক! কারো গলা ধইরা কান্দিনা ।
তুই আজীবন বাধাকপি ভাজি ই করবি
জ্বি না । সামনের বার ইনশাল্লাহ আমি পিকনিকে যেয়ে ঋহানের সাথে ছবি তুলবো। (জনগনের কাছে এ আমার দৃপ্ত অঙ্গীকার!!)

আপনার অঙ্গীকার পুরন হউক! দুলাভাই কাল আপনার বাঁধাকপি ভাজি খেয়ে কি বলেছে! কি তারিফ করল! নাকি এজ ইট ইজ, মুখে কথা নাই!
হায় হায় কাকা আপনি যান নাই কেন???
চাচী যেতে দেয় নাই??

আরো না হে ভাতিজা! আমাদের বড় কাকা, আমাকে এমন একটা কাজ ধরিয়েছেন! আমি না বলতে পারি নাই!
৩ টা ২২ মিঃ
ল্যাবএইড খিচুড়ী! দুই দিকেই আজ লস! দাম যা বড়াইছে! স্বাদও ভাল নয়! গলা দিয়ে নামে না!
আজ সিষ্টার তানবীরা কই গেলেন! সারাদিনে একবারো ব্লগে আসেন নাই। আমরাবন্ধু তে মনমরা হয়ে আছে!
গুরু সাবধান, গজারি লইয়া আইতাছে, সব গরম গরম নাই।
ব্রাদার উদরাজী, আপনি মাশাল্লাহ একাই এক হাজার
সিস্টার, কেন, আমি কি আপনার ওই এলিফ্যান্ট রোডের পর্দা দোকানদারের মত বেশী কথা বলছি!
কাকা @ পিকনিকের শেষ খবর কি?
কিছুক্ষন আগে খাওয়া দাওয়া শেষ হল। ৬ জন এত বেশী খেয়েছে, এখনো মাটীতে শুয়ে আছে!
মেয়েরা ছবি তোলায় ব্যস্ত।
এই যে সেই ছবি..........
দুই বেলার খানা, এক বেলায়! সাব্বাস।
আপনে মিয়া, দুধের স্বাদ ঘোলে মিটায়তেছেন !
আমি আছি দূষিত খাবার খাইয়া ইনাগো পেটের অবস্থা জানার অপেক্ষায় ।
আর ছড়া কাটতে মঞ্চাইতেছে--
তাইরে নাইরে নাই
তারা কেহ নাই
তারা গেছে পিকনিকে
'বন্ধুব্লগ' ঝিমায় !!
আরে রাজ্জাক সাহেব যে, গেলেন না কেন।
তাইরে নাইরে নাই
তারা কেহ নাই
তারা গেছে পিকনিকে
'বন্ধুব্লগ' ঝিমায় !!
এই চান্সে দুইটা ব্লগ পোষ্ট করুন।
চরম সত্য একটা কথা বলেছ, গুরু। দুরত্বটার নানা কারন থাকতে পাের-
১।আমরা পশুর চেয়ে অধম।
২।সবাই নিজেকেই সেরা ভাবি (ওর কাছে যাবো ক্যান, ওই আসুক, শেষ পরযন্ত কারোই কাছাকাছি আসা হয় না)।
৩। পাছে লোকে িকছু বলে, এই ভাবনা।
৪। েবশী ধারমিক আমরা মাইয়া লোকের ধারে যাওয়া না জায়েজ।
৫। আমরা বেশ ভূষায় সাফ সুতরা হইলেও, দিল পরিস্কার নাই।
৬। আমরা আন্তরিক নই।
কারো এরচেয়ে ভাল কারন জানা থাকলে বলতে পারেন।
গুরু,ব্রেকিং নিউজ পড়ে দারুন লাগলো মনে হয় আমিও ছিলাম....। িকন্তু অনিবারয কারনে শরিক হতে পারলাম না এই আনন্দজজ্গের।
মেযবাহ য়াযাদ এর মুকুটে যোগ হলো আরেকটা সাফল্যের পালক। তোমার পক্ষে সবই সম্ভব মেসবাহ, ইউ আর গ্রেট।
লিটু, তোমার পিকনিকে না যাওয়ার কারনটা মেনে নেয়া যায় না!
কিছু ত্রুটি সংশোধন করি..
#১. মাসুম ভাই, লীনা আপা, নাজ আপু, নাজনীন আপু, মিতু আপুরা আমাদের সাথে বাসে যান নাই। উনার আলাদা আলাদা করে গাড়িতে আসছিলেন। টুটুল ভাই শুরুতে আমাদের সাথে থাকলেও পরে বাকিদের রাস্তা চিনায়ে আনতে মাঝপথেই বাস থেকে নেমে যান।
#২. জয়িপুর মাথা পুরা যাত্রায় একবারই গরম হইছিলো, সেইটা মেসবাহ ভাইয়ের কাছে চায়ের দাবি জানায়েও ব্যর্থ হওয়ায়।
#৩. মাথামোটা নামে কেউই আমাদের সাথে আজ যান নাই। আপনার রিপোর্টার মনগড়া তথ্য দিয়ে তথ্য সন্ত্রাস ঘটাচ্ছে!!
#৪. রায়হান ভাই'র কথা জানি না, তয় মেসবাহ ভাই আজকে কার্ড খেলায় হারু পাট্টি!!! আবারো আপনার রিপোর্টারের ভুল তথ্য!!
#৫. গানের আসর জমজমাট ছিল। নাহিদ ভাই চমৎকার "লালন সংগীত দুপুর" উপহার দিছেন।
#৬. ফিরতি পথে গানের আসর জমজমাট ছিল "বাসর রাতে বাত্তি" নিভানোর অনুরোধে!!
আজকে পুরা পিকনিকে সবচাইতে মজা করছে রাসেল ভাই'র ছেলে, মিতু আপুর দুই বাচ্চা, ছায়ার আলোর পিচ্চি। এবং আজকের পিকনিকের মূল সেলিব্রেটি ছিল ঋহান। এই পিচ্চিটা আসামাত্রই পুরা পিকনিক দলের সবাই হুড়মুড়িয়ে পরে ওর ছবি তোলার জন্যে/ ওকে কোলে নেবার জন্যে।
আর, আমরা যারা ছিলাম, তারা তো সারাক্ষণই উপভোগ করছি প্রতিটা মুহূর্ত।
এবি পিকনিক রক্স।
মুক্ত কে ধইন্যা।
এবি পিকনিক রক্স। Smile
মুক্তকে আমার ধন্যবাদ জানানো দরকার, আপনি জানাচ্ছেন কেন! ও পিকনিকে আপনাকে কিছু হেল্প করেছে কি? মুক্ত ছেলে ভাল।
মুক্ত ভাই, আপনার বয়ান ভাল লাগল।
#১. মাসুম ভাই, লীনা আপা, নাজ আপু, নাজনীন আপু, মিতু আপুরা আমাদের সাথে বাসে যান নাই। উনার আলাদা আলাদা করে গাড়িতে আসছিলেন। টুটুল ভাই শুরুতে আমাদের সাথে থাকলেও পরে বাকিদের রাস্তা চিনায়ে আনতে মাঝপথেই বাস থেকে নেমে যান।
* এটা আমি জেনেছিলাম পরে কিন্তু পরে আর মনে রাখতে পারি নাই।
#২. জয়িপুর মাথা পুরা যাত্রায় একবারই গরম হইছিলো, সেইটা মেসবাহ ভাইয়ের কাছে চায়ের দাবি জানায়েও ব্যর্থ হওয়ায়।
* মেজবাহ তার মত করে এসব প্লান করে! ওই পথ থেকে তাকে হাটানো মুশকিল।
#৩. মাথামোটা নামে কেউই আমাদের সাথে আজ যান নাই। আপনার রিপোর্টার মনগড়া তথ্য দিয়ে তথ্য সন্ত্রাস ঘটাচ্ছে!!
* তাহলে ওনার নামে চাঁদা দিল কে? হা হা, আমার রিপোর্টার আরো স্মার্ট হলে আমি কন্টোল রুম থেকে আরো ভাল নিউজ দিতে পারতাম!
#৪. রায়হান ভাই'র কথা জানি না, তয় মেসবাহ ভাই আজকে কার্ড খেলায় হারু পাট্টি!!! আবারো আপনার রিপোর্টারের ভুল তথ্য!!
* আমার রিপোর্টার কে আমার গুরু রায়হান ভাইকে চিনাতে সময় লাগছিল। মেজবাহ কত হারল। আবার তাসও খেলে! ছেলের সাহস বটে!
#৫. গানের আসর জমজমাট ছিল। নাহিদ ভাই চমৎকার "লালন সংগীত দুপুর" উপহার দিছেন।
* আমার রিপোর্টার নাহিদ ভাইয়ের নাম বলতে পারে নাই। দুঃখিত।
#৬. ফিরতি পথে গানের আসর জমজমাট ছিল "বাসর রাতে বাত্তি" নিভানোর অনুরোধে!!
* বাসর রাতে বাত্তি নিভায় বেকুবরা !
** আগামীতে আমার রিপোর্টার হিসাবে আপনাকে বিবেচনা করা হবে।
মুক্ত ভাই, আপনার বয়ান ভাল লাগল।
#১. মাসুম ভাই, লীনা আপা, নাজ আপু, নাজনীন আপু, মিতু আপুরা আমাদের সাথে বাসে যান নাই। উনার আলাদা আলাদা করে গাড়িতে আসছিলেন। টুটুল ভাই শুরুতে আমাদের সাথে থাকলেও পরে বাকিদের রাস্তা চিনায়ে আনতে মাঝপথেই বাস থেকে নেমে যান।
* এটা আমি জেনেছিলাম পরে কিন্তু পরে আর মনে রাখতে পারি নাই।
#২. জয়িপুর মাথা পুরা যাত্রায় একবারই গরম হইছিলো, সেইটা মেসবাহ ভাইয়ের কাছে চায়ের দাবি জানায়েও ব্যর্থ হওয়ায়।
* মেজবাহ তার মত করে এসব প্লান করে! ওই পথ থেকে তাকে হাটানো মুশকিল।
#৩. মাথামোটা নামে কেউই আমাদের সাথে আজ যান নাই। আপনার রিপোর্টার মনগড়া তথ্য দিয়ে তথ্য সন্ত্রাস ঘটাচ্ছে!!
* তাহলে ওনার নামে চাঁদা দিল কে? হা হা, আমার রিপোর্টার আরো স্মার্ট হলে আমি কন্টোল রুম থেকে আরো ভাল নিউজ দিতে পারতাম!
#৪. রায়হান ভাই'র কথা জানি না, তয় মেসবাহ ভাই আজকে কার্ড খেলায় হারু পাট্টি!!! আবারো আপনার রিপোর্টারের ভুল তথ্য!!
* আমার রিপোর্টার কে আমার গুরু রায়হান ভাইকে চিনাতে সময় লাগছিল। মেজবাহ কত হারল। আবার তাসও খেলে! ছেলের সাহস বটে!
#৫. গানের আসর জমজমাট ছিল। নাহিদ ভাই চমৎকার "লালন সংগীত দুপুর" উপহার দিছেন।
* আমার রিপোর্টার নাহিদ ভাইয়ের নাম বলতে পারে নাই। দুঃখিত।
#৬. ফিরতি পথে গানের আসর জমজমাট ছিল "বাসর রাতে বাত্তি" নিভানোর অনুরোধে!!
* বাসর রাতে বাত্তি নিভায় বেকুবরা !
** আগামীতে আমার রিপোর্টার হিসাবে আপনাকে বিবেচনা করা হবে।
কাকা সারাডিন ভুংভাং ব্রেকিং নিউজ দিয়ে এখন কই গেলো???????
ও কাকা কই গেলেন আপনার জন্য জয়িতা পিকনিক থেকে হারিকেন নিয়া আসছে।

কাকা, আমার গল্পটার নাম হচ্ছে - 'জয়িতা ও হারিকেন'! আমি চাচা ভাতিজীর একটা সংলাপ হেডিং এ তুলে দিয়েছিলাম, যাতে পিকনিকে বন্ধুরা খ্যাপায়!! এ মজাটা কে লুটল, এখনো বুঝতে পারছি না।
এবি পিকনিক রক্স
আপনার লেখাটাও সুন্দর হয়েছে।
একজোড়া না, সিট আসলে তিন জনের বসার উপযুক্ত ছিল.. তবুও আপনি যেভাবে বলেছেন, ঠিক সেভাবেই বসে ছিলাম আমরা।
আচ্ছা, দুজন আবার একা একা হাটে কিভাবে? আর তাছাড়া আমাদের ঋহান কে ভুলে গেলেন মনে হয়?
আফা, আমি আমার ভাগিনার কথা ভুলি কি করে! শুধু কনফার্ম হতে পারছিলাম না বলে শেষে নিয়ে এসেছি।
উদ্রাজি ভাই অফিসে বসে দিব্য চোখ দিয়ে এত কিছু দেখছে , তাই উদ্রাজি ভাই রক্স
সাইদ ভাই, এবারো ফেল মারলেন! বিবাহের পাত্রী পেলেন না। আপনার আসলে ইচ্ছাই নাই! মেজবাহ'র সব আয়োজন জলে গেল! পিকনিক থেকে প্রেম, তার পর.।.। এমন একটা গল্প আপনি তৈরী করতে পারেন না!
নাজ ভাবী উদরাজী ভাই কল্পনা করতে করতে মাথুরে পর্যন্ত পিকনিকে নিয়ে ছেড়েছে, বেচারা পুরা কল্পনার উপরে একটা ধারাবিবরণী দিয়েছে, শতভাগ মিলে নাই আর কি, এক্টু গুলিয়ে ফেলছে।
''man is mortal''

গুলাছে
কে গুলায়! মাসুম ভাই ছাড়া কেহ গুলাতে পারে না। ইম্পসিবল!
গুলাছে
আমি যে গুনগুন কৈরা কার লগে কথা কইতেছিলাম............. মনে করতে পারলাম না 
গান গাইছেন বলে আজকে?কুন গান গাইলেন একটু কন না লীনা দি??
সালমার হিট গান্টা।
বাত্তি জালানো নিভানো টা??

পোস্ট চমৎকার হয়েছে। পুরাই পিকনিকের আমেজ
ধন্যবাদ
আপনার প্রশংসা শুনে ভাল লাগল।
এছাড়া আমি আর কি বা করতে পারতাম।
ব্রেকিং নিউজ অসামান্য । ভুল রিপোর্টিংএর কারণে কিছুটা গড়বড় হয়েছে । তবে মূল বিষয়ে তাতে তেমন কিছু যায় আসেনা । বেশ ক্লান্ত । অনেক কথা ছিল, বলবার ধৈর্য নাই এখন । রাত হয়েছে, ঘুমাতে যাই । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
হুদা ভাই, আশা করি আগামী পিকনিকে আরো বেশী মজা হবে। ভাবীর দাওয়াত থাকল। আমার রিপোর্টিং এ ভুল নাই, সেন্টাল রুম থেকে আর কত! আপনারা সহযোগীতা করেন নাই, খালি মেয়ে দেখে বেড়িয়েছেন!!
ছিঃছিঃ, এইডা কি কইলেন ?
উদারজী ভাইজান, ধন্যবাদ।
সময় আর ব্যস্ততা আর দেশের অপরিবর্তনীয় পরিবর্তন আমাকে লেখার সময় দেয়না।
তবে আপনাদের বিরক্ত করার জন্য একটি নোটবুক কিনছি সো সুন...
যাতে জ্যামের সময় গুলোতে পথেই লিখে ফেলতে পারি
মামুন ভাই, লিখে ফেলুন। নোটবুক আসলেই জরুরী। আমিও কিনবো কিন্তু টাকা পয়সার টানা টানিতে আর পারি না!
বন এবং সেই বনে ভোজন মজা হইছে....ধন্যবাদ ....সর্বত্র সবার জন্য
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রাজা.....হিক....................হিক................
মাসুম ভাই, সারা পিকনিকে আপনি এত চুপচাপ ছিলেন ক্যান! জাতি জানতে চায়! না, সে সব কিছু না, টানেন!
গতকাল সারাদিনে আমাদের গল্পকার মীর এর দেখা পাওয়া যায় নাই। আজ শবিবারেও দেখা নাই। মীর সাহেব পিকনিকে গেলে পারতেন। কেন যান নাই, জাতি জানতে চায়!
পিকনিক খুবই ভালো হইছে.... তবে একটা আফসোস রইয়া গেছে , বেকতের লগে পরিচিত হইতে পারি নাই। নিজে নিজে আর কতটা এগুনো যায়। একটা হালকা পরিচিতি মূলক ইভেন্ট থাকা দরকার ছিলো। মেজব্হ এতো ব্যস্ত ছিলো যে, তার পক্ষে আর বাড়তি কিছু করা সম্ভব ছিলো না । এখন মনে হইতাছে উদরাজী তুমি থাকলে এই ব্যাপারটা ভালো সামলাইতে পারতা। আফসুস, তুমি শেষ মুহূর্তে পিছটান দিলা,তোমার বসের ওপর .....পড়ুক। আর একখান কথা তুমি কন্ট্রোল রুমে বইসা বইসা রিপোর্ট লিখতাছো জানলে তোমার রিপোর্ট আরো জোশ হইতো...তবুও অন্ধকারে ঢিল ভালোই ছুঁড়ছো।
লিটু, তোমার তাল বুঝা দায় হচ্ছে।
ঈশান, তোমাকে আরো স্মার্ট হতে হবে।
পরামর্শ দিলা না লিটনের মতো খোঁচা মারলা। পরামর্শ হইলে ধন্যবাদ।
পরামর্শ হিসাবে নাও বন্ধু।
বাত্তি নিভাইয়া গানটা বাদ পড়ছে!
এত দিন পরে এলেন!
বাত্তি নিভাইয়া গানটা বাদ পড়ছে!
মন্তব্য করুন