আমরা বন্ধুর সোস্যাল ক্যাচাল

আমরা বন্ধু, তাইলে আমাগো ফেইসবুকে সবাই এড থাকবো না কেন?
আশিক ভাইয়ের ঠিক অনেকটা এমন কথা দিয়েই হঠাৎ ফেইসবুকে আমরা বন্ধু গ্রুপটা প্রানবন্ত হয়ে উঠলো। আপনারা যারা এখনো সেই মজা থেকে নিজেদের বঞ্চিত রেখেছেন, তাহলে মিস করছেন অনেক কিছুই।
মনে পড়ে আমরা বন্ধু যখন শুধু ইয়াহু গ্রুপ ছিল, তখন যেমন সুযোগ পেলেই গ্রুপের মেইলগুলো পড়া হতো, সেই দিনগুলো কখনোই ফিরে আসবেনা জানি তবুও আমরা ক'জন ফেইসবুকে আমরা বন্ধু গ্রুপের কল্যানে মনের অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছি আবারো। মাঝে দিয়ে বেশ কিছুদিন গ্রুপ কিংবা ব্লগে একেবারেই আসা হতনা আমার। তাই নতুন অনেককেই চিনি না, তবে সবচেয়ে আজব ব্যাপার হলো, সেই প্রথম এই গ্রুপে আসার পরে যেমন সবাই খুব আপন করে নিয়েছিল, এবার অনেকদিন পরে গ্রুপে সচল হবার পর দেখি অনেক নতুন মুখ যাদের সাথে প্রতিদিন গ্রুপে মজা করে মনেই হয়না এই মানুষগুলো সেই মানুষগুলো নয়।
অবশ্যই এই পৃথিবীতে কেউ কারো বিকল্প নয়, তবে সেই মানুষগুলোর মতই এই মানুষগুলো অনেক বেশি মন খুলে মিশে। আমরা সময় পেলেই গ্রুপে শুরু করে দেই মজা, এক একটা থ্রেড ৫০ থেকে ১০০ এমনকি ২০০ মন্তব্যে ভড়ে উঠে ক্ষনিকের মধ্যেই।
আমরা যারা গ্রুপে খুব বেশি সক্রিয় তাদের মধ্য আছেন, বড়ুয়া সুমিত দা। তিনি নিজে সচরাচর কোথায় যেন লুকিয়ে থাকেন। তবে কেউ গ্রুপে কোন পোস্ট কিংবা মন্তব্য করলেই কোথা থেকে যেন হুট করে হাজির হয়ে যান।
আশরাফ হোসেন রাসেল ভাই। নাক বোচাদের দেশের এই মানুষকে নাকি ব্লগে বেশীর ভাগ সময় একাধিক বার লগিন আইডি এবং পাসোয়ার্ড দিতে হয়। আমাদের এখানে মানে ইউরোপে, ইউরোপীয়রা নাকি আমাদের ছবি দেখে আমাদের চেহারা আলাদা করতে পারেনা, যেমনটি আমাদের হয় চায়নিজ এবং জাপানীদের ক্ষেত্রে।
আমরা এখানে একজন আরেকজনের বাস কার্ড কিংবা অন্য আইডি অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারি। 
আমার ধারণা ব্লগটি বাংলা ব্লগ হওয়ার কারণে এবং রাসেল ভাই ব্যাঙজাতীদের দেশে থাকার কারণে ব্লগ একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করে।
আশিক ভাই, এই লোকটা যতক্ষণ গ্রুপকে জমিয়ে রাখে আমাদের বাকীদের পক্ষে এখনো সম্ভব হয়না তেমন, তবে এই লোকটা সারাজীবন সবাইকে পিঠ দেখিয়েই যাবে, যেন একটা কিছু।
গ্রুপে আরো সক্রিয় থাকে আমাদের জেবীন এবং জয়িতা আফা। এই দুইজন মাঝে মাঝে দুই একটা মন্তব্য করে কোথায় যেন উধাও হয়ে যান। আবার অনেকক্ষণ পরে এসে উঁকি মারেন।
লাইক বিশেষজ্ঞ আমাদের তানবীরাপু। একটা লাইক দিয়ে আর খবর নেই, তবে তার নামে কেউ কিছু বললেই হুদায় ঝারি দিতে উস্তাদ।
আমাদের সাথে সক্রিয় থাকেন আমাদের ভূষি আফা, থুক্কু আমাদের তুসী আফায়। পরপর দুই থেকে তিনটা মন্তব্য করেই চলে যান তার সদ্য পরিবর্তিত অবস্থার জন্য দায়ী যেই সৌভাগ্যবান তার দ্বায়িত্বে। জীবনে কোনদিন এই ব্যাক্তির লগে দেখা হইলে ঠিকই জিগামু তার হবু বৌ-রে কি কেউ ভাগাইয়া নিবো নাকি।
আছে আমাদের মোল্লা উম্মাদ, মানে আমাদের নাঈম। আজ অবশ্য মোল্লার জন্মদিন তাই বেশী কিছু কমুনা, পোলাডা ভালা আছে। অনেক শুভ কামনা নাঈমের জন্য।
মাঝে মাঝে উঁকি ঝুকি মারে আমাদের সেই পুরনো পুতুল, নাজ এবং আনিকা। এই গুলারে মাঝে মাঝে ঝারি দিতে মন চায়। পুতুল আর নাজ এর ভাব সাব দেখলে মনে হয় বিয়া হইছে তাই দুনিয়ার সকল ব্যস্ততা শুধু তাদের। আর আনিকাতো অতিথি পাখীর মত এই আছে আবার গায়েব।
আমাগো বড় চৌধুরী সাব কিন্তু সব দেখে মাগার নড়া চড়া কম তার। এইডা আসলে একটা সিনিয়র সিনিয়র ভাব।
আর আমাগো রইন্যা, সেতো ইন্নানিল্ল্যাহ কেইস। কোন এক অজ্ঞাত কারণে তার ফেইসবুকে প্রোফাইলের ফুটুক গায়েব, আফনেরা যারা এখনো খেয়াল করেন নাই, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হইলো।
এক সময় যখন পরিবার ছেড়ে ঢাকায় চলে আসি চাকুরীর কারণে, তখন হোম সিকনেসে ভুগতাম খুব বেশী। সেই সময়টায় এই গ্রুপ্টা পাশে ছিল, এই গ্রুপের কিছু মানুষ যেন আজীবনের জন্য খুব আপন হয়ে গেছে, যাদের সাথে অনেক বছর পরে দেখা হলেও মনে হবেনা তাদের থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে হাজার হাজার দিন পার করেছি।
গ্রুপের কথা গুলো বলে চাইনা আপনারা ব্লগ ফেলে গ্রুপে সক্রিয় হোন, এই ব্লগটা এমনি ঝিমন্ত একটি ব্লগ। পোস্ট আসে হাতে গুনা, মন্তব্য করতে তো আমাদের রাজ্যের আলসেমী। সবাই কিন্তু আমরা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটে আসছি দিনের কোন না কোন সময়। তবে এটা ঠিক, আমার মত অনেকেই লিখেনা আলসেমী এবং এমন একটা ধারণা থেকে যে, কি লিখবো, কি লিখলে সবাই পড়বে, অন্য সবার মত অত সুন্দরতো লিখতে পারিনা। তাই বলে কি লিখা বন্ধ রাখবো? নাহ, যেদিন মনে যাই আসে তাই লিখবো, যতক্ষণ না সেটা অন্যের কোন অনুভূতিকে আঘাত করছে, যতক্ষণ না সেটা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের বিপক্ষে যাচ্ছে, যতক্ষণ না সেটা আমাদের ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতিকে খাট করছে।
আমরা বন্ধু বেচে থাকুক যুগ যুগ ধরে, সকলের অন্তরে অন্তরে।





ফেবুর লুকেরা ব্লগে আসলে ব্লগের লুকেরা ফেবুতে যাবে। হিসাব সুজা
এনাদার ঝাড়ি। এখন জানবা ঝাড়ি কাহাকে বলে কি কি 
এহ, হুদাই, আমরা দেন ডরাই
আইছে আরেক চাচী-আম্মা!! কাল একটা ঝাড়ি দিতে এসে উলটা ঝাড়ি খাইয়া আতংকে হাত পা কাঁপাকাঁপি শুরু করে দিছিলো।

মিশুর মতো জোয়ান মর্দরে চাচী আম্মা ডাকার তেব্র নিন্দা জানাইলাম
খালাম্মা, আফনেরে চাচী কইছে
তোমার চোখে ন্যাবা হয়েছে
আপনে যতই শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করুন পারবেন না মিসেস তালুকদার।।
আসল জনের নাম কন নাই।খুব খারাপ। লাবণী আফারে নিয়ে কয়েকদিন ধরে যা করতেছেন আপনারা।সেইটা কন।
উনারে আপাতত এক্সপাঞ্জ কইরা রাখছি আমরা
খুবই ভালো প্রস্তাব। সবাই গ্রুপে সক্রিয় হন, তাড়াতাড়ি!
আরেকটা কথা ছিলো, কোরিয়া সম্পর্কে আপনার কথাগুলো আমার কাছে racially prejudiced লেগেছে, যদিও ঠাট্টা করেই বলেছেন জানি। তারপরও বললাম। আশাকরি কিছু মনে করবেন না।
ধন্যবাদ।
দুঃখিত আপনি মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে, আমি আসলেই মজা করে বলেছি। ব্যক্তিগতভাবে কোন জাতীর প্রতি আমার কোন বিদ্বেষ নেই (পাকি ছাড়া)।
তবে ফেবুতে আইলে দাবড়ানী খাইয়া টিকতে পারবেন বলে মনে হইলে আইতে পারেন
আশিক ভাইয়ের পোষ্টের উছিলায় ওইদিনের পর থেকে গ্রুপে চ্রম গোলাগুলি হইছে এবং হইতেছে......
হ, কেউ কেউ গুম ও হইছে।
এটাই চাই।
প্রথমে আমার নামের এহেন দষা বানানর লাগি তেব্র পরতিবাদ!!
তারপরের আলাপ হইতেছে আমি নিজের কাজের চাপে কমেন্টের মাঝে উুইঠা দৌড়ানি দি এখানে আমার তার বিন্দু মাত্র দোষ নাইক্কা। আপনার যদি তাও বলতে ইচ্ছা হয় আমার তারে তাহলে এবি গ্রুপের মেমবার লিষ্টে খুইজা দেখেন সে ঐখানে আছে আর খুইজা না পাইলে এইখানেও কিন্তু সে আছে
ও কিডা?
কোন নাম টা কমু? এফবির নাকি এইখানের ?
কী যেন লিখতে চাইছিলাম, আলসেমীতে ভুলে গেছি
আমিও আলসেমী কইর্যা জবাবে কি লিখতে চাইছিলাম ভুইলা গেছি
এটাই চাই।
আপনে কেডা? আমার পোস্টে মন্তব্য করতে হলে আইডি কার্ড লাগে
আমার আইডি কার্ড দেখতে চাইলে আপ্নেরেই একটু কষ্ট কইরা ব্লগের সব ব্লগারদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া লাগবো। সেক্ষেত্রে আমার কিসু করনের নাই বইলা দুঃখিত।
কারো সম্পর্কে খোঁজ নিতাম ফারতাম না, আমার পোস্টে আইডি কার্ড দেখাইয়া কমেন্টাইতে হয়
আইডি কার্ড নাইক্কা । তাই কমেন্ট করলাম না
শুধু বইলা যাই,
তাইলে মন্তব্য করলেন কেন?
সবার আইডি কার্ড দেখতে চান! আপনার আইডি কার্ড কই?
চেনা বামনের পৈতা লাগেনা
আমরা বন্ধু বেচে থাকুক যুগ যুগ ধরে, সকলের অন্তরে অন্তরে।
এই লোকটারে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি তাই সালাম
আমরা বন্ধু "বেঁচে" থাকুক যুগ যুগ ধরে, সকলের অন্তরে অন্তরে।
~
এই লোকটা আজীবন আমার মুরব্বী থাকবো। অনেক ভালা পাই এই ব্যক্তিত্বটারে। কেমুন আছেন। আপনাগোরে অনেক মিসাই।
জীবিকার তারনায় সব্বাই দৌড়ের উপ্রে... বুড়া হইলে সব্বাইরে আবার ফ্রি পাইবা
হ, মিশুরে বালা পাই। আমরা বন্ধুর সবতেরে বালা পাই

আমরা আমরাইতো
লাবণী আফা, এখানেও চ্যাতা ..... ঘটনা কিতা ??
মেয়েগুলি সব হঠাৎ এক পার্টি হয়ে গেলো কেন ধরতে পারলাম না
ক্যাচালের প্যাচাল পইড়া গেলাম চুপচাপ!
টাল্লি আফারে মিসাই
(
(
(
মন্তব্য করুন