না আমি লাদেন নিয়ে লিখবো না
মার্কিনিরা আবার একবার লাদেন খেলায় মেতেছে। দশ বছর আগে শুরু হওয়া ইদুঁর বিড়াল খেলার আবার একটি নতুন মোড় নিল। আর এজন্যই তো সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি জনাব ওবামা সাহেব দম্ভের সঙ্গে বলছে তার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা। এজন্যই বলছি, তাদের ঠিক করে দেয়া বিষয়ে উপর চিন্তা করা বন্ধ করতে হবে। কারণ বিশ্ববাসীর কাছে এক সময়ের অচেনা রোগ 'সন্ত্রাসবাদ' আজ পুরো পৃথিবীর চিন্তার বিষয় হয়ে গেছে। কাদের জন্য (?) জানি এই উত্তর ব্লগার বন্ধুদের অজানা নয়। এই এক অদ্ভুত 'রাক্ষসের গল্পের' মতো। রাজার যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে হানা দেয় তাকে ধরার জন্য। কেউ রাজার এই কাজের বিরোধীতা করলে তাকে বানানো হয় রাক্ষসের বন্ধৃ। এই অবস্থায় সবাই খুব চিন্তিত, রাজা কবে কাকে রাক্ষসের বন্ধু বলে প্রচার করে তার বাড়িতে এসে হানা দেয়। আবার রাজার সাথে বন্ধুত্ব করলেও বিপদ কারণ, সবচেয়ে মৃল্যবান জিনিসটা না চাইতেই উপহার দিয়ে দিতে হবে তাকে। না হলে রাজা আবার রাক্ষসের বন্ধু বানিয়ে দেবে। এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার যে রাজা ও রাক্ষস দু'জনি বিপদজনক। সুতরাং 'রাজা-রাক্ষস' নিয়ে না ভেবে এ থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসা যায়, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে।কারণ, সময় এসেছে রাজার মতো করে নয়; নিজেদের মতো করে ভাবার। তা না হলে রাজা এখানে হানা দিবে হয় নিজে বন্ধু হিসেবে, না হয় রাক্ষসের বন্ধু হিসেবে।





গ্রীন জোন মুভির কাহিনী মনে পড়লো। সেখানে এক ইরাকী নিজেই তাদের নেতাকে গুলি করে মেরে ফেলে। কারণ আর কিছু না; নিজেদের সিদ্ধান্ত ওরা নিজেরাই নিতে চায়। অন্য কেউ নিক, চায় না।
আপনার কথা শুনে মনে হইলো, একলা চলো নীতিকে সমর্থন করতেসেন।
যাক্ লেখা ভাল্লাগসে। এবি'তে
না ভাই আপ্নে লাদেন নিয়াই লেখেন... রিকুশ
শুধু আপনি না, এখন আসলে সবাই তাই চাচ্ছে।
যাক লাদেন লেখা আসল তাইলে। গতকালই আতেলদের সাথে আলোচনা করছিলাম যে এবিতে লাদেন নিয়া কেউ লেখলোনা!
ওবামা বিন লাদেন!
তাইলে কি বারাক ওসামা ! এট নাজ
স্বাগতম হে !
হ
দোস্ত, আসলে হবে ওসামা বিন আম্রিকা ।
দুটি শব্দ বাদ পরলেও লাদেনের পরিচয় পেতে কারো এত টুকুও কষ্ট হবে না। আমি মনে করি, জানি না তোমাদের কি মত।
এইখান থেকে সহসাই নিস্তার নেই। কথায় আছে আম্রিকা যার দোস্ত তার শত্রুর দর্কার নাই... সো আম্রিকা আপ্নার বন্ধু হইতে চাইলে মানা করার মত কইলজা আমাগো নাই... অনেকেরই নাই...
দেখেন মনে করতে পারেন কিনা... কিছু দিন আগে হাসিনা কইলো... আম্রিকারে গ্যাস দিলে ৯১ এ বিএনপি ক্ষমতায় আসে না... কোন এক গোপন মিটিংয়ে নাকি হাসিনা খালেদা দুইজনই ছিল... হাসিনা বের হইয়া আসছে... খালেদা পরে বের হইছে...
বিষয়টা কে প্রধানমন্ত্রী হইছে সেইটা না... বিষয়টা আম্রিকারে না পুইছা আম্রা থাকতে পার্লাম্না... হুদাই গনতন্ত্র ... নির্বাচন... কৈরা গলা ফাটাই... ক্ষমতা নির্ধারন হয় আসলে পর্দার আড়ালে... এই চক্র আর ভাঙবে না ..
দুনিয়া তারপরও লাফাইবো...এখন আরেক লাদেন বাইর হইবো...গাদ্দাফীরে মারার লাইগা এখন লিবিয়াতে আক্রমন হইবো। সবই তেলের কেরামতি।
টুটুল ভাইয়ের লগে একমত। আম্রিকার দেখানো পথে চলা ছাড়া আমগো উপায় নাই।
এই রাজা আর রাক্ষস নিয়া লেখা ভাল্লাগসে ....
ভালই বলেছেন ভাই ... তার উপর রাজা যদি আবার আমাদের মতো হলুদ রাজা হয় তাইলে তো কথাই নাই ......
আমাদের মতো হলুদের কারণেই তো রাজাদের এত শক্তি হয়েছে।
আমেরিকা চিরদিন পরাশক্তি থাকবে এটা ভাবতে চাইনা । আর আমেরিকার intelligence কে avoid করতে হলে তাদের থেকে better intelligence show করতে হবে । এখানে emotional হওয়ার কোন সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন