সংবিধান সংশোধন নাটকে নামধারী বাম চরিত্র
নাটকের নাম সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধনী বিল ২০১১। পুরো নাটকে ২৯৪টি (সংসদ নেতা, সংসেদ বিরোধী দলীয় নেতা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী, বিদায়ী প্রধান বিচারপতি, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বাম সংসদ সদস্যগণ ) চরিত্র। সব চিরত্রের বর্ণনা দেয়ার সময় হবেনা বলে আমি অত্যন্ত দুঃখিত্। যদিও এখানে মুল চরিত্র সংসদ নেতা। কিন্তু আমার নাটকের প্রধান চরিত্র উনি নন। এ নাটকে প্রধান চরিত্রে আছেন, বর্তমান মহাজোট সরকারের তথাকথিত শরিক নামধারী বামদলের কয়েকজন নেতা। এসব মান্যগণ্য অভিনেতারা (নেতারা) এ নাটকে আজব এক ভেলকীবাজি খেলা দেলালো আমাদের দর্শকদের জন্য।
উচ্চ আদালতের রায়ের পর থেক এ নাটকের সূচনা শুরু। শরুর চরিত্রকে বেশি দিন সিনে রাখা হয়নি। অবসরের অনিবার্য কারণে সমাপ্ত টানতে হয়েছে এ চরিত্রের। তবে, যে ফাঁদ পাতা হয়েছে তাতে যদি প্রতিপক্ষের পা আটকে যায় তাহলে সেই চরিত্রের আর্বিরভাব আবার হতে পারে। যা হোক অহেতুক বিভ্রান্ত সৃষ্টি না করি ঐসব নামধারী বাম চরিত্রের মতো।
এ সরকারের নাবা (নামধারী বাম) একটু ছোট করে নিলাম, শরিক দলের নেতারা শুরু থেকেই পকেটে হালুয়া রুটি নিয়েই জনগণের কাতারে এসে দাড়ায়। আর সাধারণ জনগণI এখুশিতে অল্পতেই পুলকিত হয়ে পরি। যে আমাদের নাবা'রা আমাদের পাশে আছে। শুরু থেকে নাবা'রা জনগণকে বলে আসছিল নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার সময় তারা নাটক থেকে নিজেদের নাম কাটিয়ে নেবেন। কিন্তু মহরত অনুষ্ঠানে নাটকের প্রকৃত মুল চরিত্রের আস্থাভাজনরা তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে, পকেটে রাখা হাড্ডী দেখিয়ে বসে আনেন। আর লোভনীয় বস্তুটা দেখে মাথা নাড়াতে নাড়াতে মুখের লাল ফেলতে ফেলতে, কনের কথা ভুলে গিয়ে বরের কর্তা সেজে বসেন। ভাবছেন এখানে আবার বর, কণে আসলো কোত থেকে ? গ্রাম-বাংলার একটা প্রবাদ আছে, তুই বরের কর্তা, তুই কণের কর্তা। আমাদের নাবা'রাও তো তাই ছিল। এখানে সবসময় যা ঘটে আমাদের প্রিয় নাবা'রা তাই করেছে। এখানে নাবা দের চেয়ে আমাদের দোষ বেশি।
যাই হোক, সামনের দিনে গ্যাস রক্ষার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়ে যাবে এদের জন্য। ঘুম ভাঙ্গার সময় হয়েছে এটা যত তারাতারি বুঝতে পারবো ততো তারাতারি আমাদের কাজ শেষ হবে। যুগে যুগে তরুণের জয়ের গান আমরা শুনে এসেছি, আর সেই আত্মবিশ্বাসের সাথেইতো বাঁধ সেধেছিলাম ১/১১ সময় বিরাজনীতি করনের বিরুদ্ধে। সুতরাং ঐখানেই এ প্রজন্মের হাতে খড়ির কথা যদি আমরা নিজেরাও মেনে নিই তাহলে আর বসে থাকার বা এসব নাবা দের উপর আস্থা রাখার কোন মানে হয়না। মর্ডাণ রাজনীতিতে ও গণমানুষের সততি কারের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন নেতৃত্ব দরকার তা না হলে সব সময় এমন টাই ঘটবে|





নতুন নেতৃত্বতো আকাশ থেকে পড়বে না। কোথায় নতুন সেই নেতা?
সবাই যখন হাটতে যানে সাহস করে সামনে দাড়ালেই হবে। ভুলে গেছ 'বাঙ্গালী' শব্দের আগে 'বীর' বলে একটি শব্দ আছে। লড়তে চাইলে নেতার দেখাও পেয়ে যাবা।
আর ঘটছে
সবাই এমনটা ভাবলে ৪০ বছর আগেই থেকে যেতাম!!!!!
"মর্ডাণ রাজনীতিতে ও গণমানুষের সততি কারের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন নেতৃত্ব দরকার তা না হলে সব সময় এমন টাই ঘটবে"
মর্ডান রাজনীতির তত্ত্বটা বুঝতে পারলাম না । আর নতুন নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য কেমন হবে তাও একটা প্রশ্ন । তাছাড়া নতুন নেতৃত্বের আগমন ঘটলে শুধু বামরাই বিতারিত হবে না- বামরা যাদের শরীক দল তারাও বাদ যাবে না । সেক্ষেত্রে "মহাজোট সরকারের তথাকথিত শরিক নামধারী বামদলের কয়েকজন নেতা"-র উপর দায়টা একটু বেশি হয়েগেল বলে মনে হয় ।
না এখানে কোন তাত্বিক আলোচনা করার চেষ্টা চালায়নি। মর্ডান রাজনীতি বলতে বাস্তব সম্মত। নিজের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে বাস্তবতার নিরিক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করার দক্ষতা সতসাহস থাকা । আরেকটা বিষয়, দায়টা আসলে নামধারী কয়েক জন বামদের না মূলত আমাদের প্রত্যেকের। কারণ পথ দেখানোর মশালটা আমরাই তাদের হাতে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমচ্ছি। সঠিক পথ দেখানোর ছুতায় ভুল পথে নিয়ে যাচ্চে, আর আমরা এসব বুছেও চুপচাপ আছি।
"সংবিধান সংশোধন" নাটকে "নামধারী বাম"দের ভূমিকা মূল-কুশীলবদের আশে পাশে সংলাপ-বিহীন পার্শ্ব-চরিত্রের বলেই মনে হয়
~
বামরা কবে স্বতন্ত্র অবস্থান নিছে?
মন্তব্য করুন