ইউজার লগইন

এবি এস হাসান'এর ব্লগ

বন্ধু তোমার জন্মদিনে শুভেচ্ছা তোমায়

শুভ জন্মদিন সাঈদ
.
দেখতে দেখতে সময় অনেক চলে গেছে। তোর আর আমার বন্ধুত্ব ১৪ বছরের দীর্ঘ সময় পাড়ি দিয়ে এসেছে।কখন এতটা পথ একসাথে হাঁটা হয়ে গেল টের-ই পাইনি।কত অভিমান কত খুনসুটি কত আড্ডা কত মারামারি। এখন হয়তো আমারা আগের মত নেই তবুও কেউ না জানুক আমারা দুজন ঠিকই জানি এখনও আগের মত কোন কিছুতে আশ্রয় এর দরকার হলে তোর যেমন সবার আগে তোর এই পাগল বন্ধুর কথা মনে হয় তেমনি আমারও আমার বুদ্ধিজীবী বন্ধুর কথাই মনে হয়। আজ তোর জন্মদিনে তোকে নিয়ে হঠাৎ করে লিখে ফেললাম,দেখতো কেমন লাগে...

বন্ধুত্বের গল্প কথা...

“কতখানি পথ একসাথে হেঁটেছি?
আর কতখানি বাকি?
জানিস নাকি?
ভেবেছিস কখনো?
বৃথা মনে হচ্ছে এ
সব ভাবাভাবি...
তবে , কি দরকার
মিছে ভেবে?
শুরু যখন হয়েছে
পথ চলা
দেখা যাক নীলিমা
ছুঁতে পারি কিনা!
না পারি তবু রংধনু
আঁকি পথে।
পথের ধুলায়
আমাদের পায়ের ছাপ
যায় যদি মিলিয়ে
যাক। তবুও-
বাতাস রাখবে মনে

ভালবাসার বিশ্বাস

ইউনিভার্সিটির ৪র্থ তলায় এসে আমি দেখি তুমুল ঝগড়া করছে সাঈদ আর শিমু।সাঈদ
আর শিমু এক সাথে পড়ে। দু জন-ই আমার ভাল বন্ধু।
কতক্ষন হল ওরা ঝগড়া করছে জানিনা ।আমি এসেই দেখি ওরা ঝগড়া বাধিয়ে দিয়েছে।একটু আগে সাঈদ আমাকে ফোন দিয়ে এখানে আসতে বলে ,আর এসেই দেখি এই কান্ড ।শিমু মেয়েটা সুন্দরী,সাদাকালো একটা ড্রেস পরে এসেছে। মুখেও তেমন একটা মেকাপ নেই,তবে ঠোটে আমার অজানা একটা রঙের লিপিস্টিক আর চোখে সামান্য একটু কাজল ,এই যা।
সাঈদ কালো ,গোমড়া মুখো ,আর একটু বলদ টাইপের তবে কুটীলতায় ভরা ।আমি বুঝতে পারিনা ,এত সুন্দরী একটা মেয়ে কিভাবে সাঈদ এর মত কালো একটা ছেলে কে পছন্দ করল ।যাই হোক,কথায় আছে না "ভালবাসার প্রেত্নীও সুন্দর" ।।
"তুই-ই বল হাসান" আমার দিকে তাকিয়ে বলল শিমু;"ওর মত মিথ্যুক ছেলে তুই তোর জীবনে দেখেছিস?" ।আমি বললাম
"তোদের ঝগড়ার মধ্যে আমাকে টানছিস কেন"।সাঈদ বলল
"কী বলিস,তাহলে তোকে এখানে আসতে বললাম কেন?"

নামহীন কবিতা "শিলা"

শিলা,
চুপটি করে বস , কথাটা আমার শোন,
মূখটা কেন গোমরা তোমার ,
বলেছি বলে শিলা।

নামটি যে তোমার নাহার ,
জানতাম না আমি কিছুই তাহার,
জানতাম তুমি শিলা, সকাল সাঝের বেলা,
বসাতে শুধু ফেইসবুকেতে বন্ধুত্বেরই মেলা ।

রাগ করেনা লক্ষী সোনা ,
বলছি আবার,
শিলা নামটা তোমার ,
বলব না আমি আর

কি রাগ ভেঙ্গেছে,
তাই বলে কি হাসি পাচ্ছে,
হাসো তাহলে,
বাংলার পাচ থেকে মুখটাকে বানাও আকাশের ই চাঁদ।

এই তো কি সুন্দর যাচ্ছে দেখা তোমায়,
ঠিক যেন সুন্দরী ঐ পূর্ণীমার ই চাঁদ।

এই বার বলছি তোমায় শোন,
যাহাই বল আর তাহাই বল ,
বলবো না আমি নাহার,
শিলাই বলবো আমি আবার

শিলা শিলা শিলা
আফরিন নাহার শিলা ।
.
.
বন্ধু তোকে অনেক মিস করি । ।যেখানে থাকিস ভাল থাকিস আর আমাদের মনে রাখিস ।

বন্ধুবেশী শত্রু

নিজেকে গরু গরু মনে হচ্ছে সাঈদের।গরু বলাটা ভুল হবে। গরু বললে গরুকেও অপমান করা হয়। গরুরাও এত বড় ভুল করে না। হাসানের দাঁত বের করা হাসি দেখে মেজাজটা আরো খারাপ হয়ে গেল। চিবিয়ে চিবিয়ে সাঈদ বলল, "বাছা, ঘুঘু দেখেছে, কিন্তু ফাঁদ দেখ নাই।এই কথা কাউকে বলা যাবে না? মান সম্মান ধুলোতে মেশালে তাও বলা যেত, মান সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে,হাসানের মত একটা ছাত্র আমাকে সবার সামনে বলল যে ও আমার গ্রুপে কাজ করবেনা ,আর সবাই তখন হেসে দিল ।আমাকে সবার সামনে কমেডিয়ান বনাল । এর প্রতিশোধ সুদে আসলে উসুল করা হবে।" হাসান দাঁত বের করেই জবাব দিল, "মোল্লার দৌড় জানা আছে।" শুনে মেজাজটা আরও
বিগড়ে গেল সাঈদের । কোন ক্লাসেই মন বসাতে পারছে না সাঈদ।" যে করেই হোক শোধ তুলতে হবে" ভাবছে সাঈদ ,"সুমনার সাথে প্যাচ লাগাইয়া দিবে নাকি?"

গোপন ভালবাসা

গোপন ভালবাসা

সুমনা, একটি সিডির দোকানে কাজ করে। Sales-girl হিসেবে। একদিন মুনিম নামের একটি ছেলে সেই দোকানে সিডি কিনতে আসে। প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে যায় মেয়েটিকে তার। শুধুমাত্র মেয়েটিকে দেখার জন্যই সে সেই দোকানে সিডি কিনতে আসতো। বাসায় গিয়ে সিডি এর প্যাকেট খুলেও দেখত না।

........এভাবে কেটে গেল বহুদিন।
মুনিমের বাড়ি সিডি তে ভরে যাওয়া শর্তেও সে নিয়মিত দোকানে যেত এবং সুমনার কাছ থেকে নতুন সিডি নিয়ে আসতো...

একদিন দোকানে গিয়ে দেখল মেয়েটি নেই। দোকানের অন্য কর্মচারীর সাথে কথা বলে সে জানতে পারল মেয়েটি সড়ক র্দূঘটনায় মারা গিয়েছে। নিজেকে সামলাতে পারলোনা মুনিম। সে বাড়িতে গিয়ে একমাত্র স্মৃতি ,সিডির প্যাকেট গুলো বের করল। বের করে দেখল ,

মেয়েটি প্রতিদিন প্যাকেট এর ভিতর একটি করে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু মুনিম খুলেও দেখেনি ।