ইক্ষু চোর
সূর্যি মামা তার বোন
ভূ-বোনের বাড়ী থেকে
আধ ঘণ্টা আগে বিদায়
নিয়েছেন।
৭-৮ বছরের দুটি কিশোর
এবং তাদের চেয়ে এক দু
বছরের বড় দুটি কিশোরী
এক সাথে সরকারি ইক্ষু খামারে
আক্রমণ চালালো।
কড় কড় মড় মড় শব্দ।
তড়িত কাজ সমাধা করতে হবে।
তাই পাল্লা দিয়ে
একেক জনের
কড় কড় মড় মড় শব্দ,
গুলো যেন উচ্চ নিনাদে
প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
কে রে কে ?
কে কুশার ভাঙ্গে।
শব্দ গুলো কানে এসেছে
কি আসে নাই।
সাক্ষাত যম সম ওয়াচ ম্যানের
হাত আমার গর্দানে।
পাশ ফিরে দেখি
অভিজ্ঞ সঙ্গীরা সবাই পগার পার।
বাড়ী কোথায়?
বাবার নাম কি?
কে শুনে কার কথা।
কান্নার বাহানায় চিৎকার,
প্রশ্ন যত বাড়ে চিৎকারের জোর ও
তত বাড়ে।
হাটুরেরা হাট থেকে ফিরছে,
তাদের মধ্যে ভারত থেকে আগত
রিফিউজি আমাদের জমির বর্গা চাষি।
চিৎকার শুনে কাছে এসেই আমাকে
চিনতে পারে। বাবার নাম বলার সাথে সাথে
ওয়াচ ম্যান চিনতে পেরে ছেড়ে দিল।
না শুধু ছেড়েই দিল না
বাড়িতে পৌঁছে দিতে চাইল।
বড় ভাই শুনলে মারের চোটে
পিঠের চামড়া কোথায় যাবে,
নিজেও চিন্তা করতে পারছিলাম না।
তাই ওয়াচ ম্যানকে বললাম।
না বাড়ী যাব না।
কেন? ভাইয়া মারবে। কেন মারবে,
এই যে চুরি করতে এসেছি,তাই।
তুমি আর কখনো আসনি
না,
না আর কোন দিন আসিনি।
তবে আজ কেন এলে?
ওরা তো প্রতিদিন নিয়ে যায়
তাই ওদের সঙ্গে এসেছি।
তবে কোথায় যাবে?
ফুপুর বাড়ি,
ফুপু বকবে না?
না ফুপু আমাকে কখনো বকে না।
আমি শত অপরাধ করলেও বকে না।
শুধু আদর করে।
আজাদ ভাই,
আপনার নতুন প্রোফাইল ছবির
পিছনে ইক্ষু ক্ষেত
তার পরে সম্ভবত কালাই ক্ষেত।
আপনার ছবিটা
এই ইক্ষু চোরের
চুড়ির ঘটনা মনে করিয়ে দিল।
পাশাপাশি না ফেরার দেশে চলে যাওয়া
বুলবুলি পক্ষীর মত সুন্দরী,
আমার আদরের ভান্ডার
ফুপুর কথা মনে করিয়ে দিল।
আপনার ছবিটা আমাকে কাঁদাল।
না কাদব না, কাঁদলে ফুপু কষ্ট পাবে,
তাই দু হাত তুলে যার কাছে
এখন তুমি আছ,
তার কাছে দোয়া করছি।
তিনি যেন তোমাকে
রাখনে শান্তিতে।
সন্মানিত স্থানে।
আমিন।





শেষে এসে এই চমক অভাবনীয়। ভাল থাকুন তিনি সে না ফেরার দেশে।
না ফেরার দেশে সবাই ভাল থাকুন।
শেষে এসে এই চমক অভাবনীয়। ভাল থাকুন তিনি সে না ফেরার দেশে।
মন্তব্য করুন