অনিমেষ রহমানের বেহেস্তী বয়ানঃ ০৩-তঘমায়ে ছাগ জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খাঁন নিয়াজী
ফাকিস্তান নিয়ে বহুত ঝামেলায় থাকি। যেদেশে ক্রিকেটার থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবাই দুর্নীতিতে যুক্ত!সেখানে আবার বিচার বিভাগ দুই একদিন পর-পর রায় দিতাছেন। অমুক এরেষ্ট করো আবার অমুককে বাতিল করো। ছাগরাজ্যে উজিরে আজম একবার হলো ইউসুফ রাজা গিলানী তারপর বিচার বিভাগের কোপে তার কল্লা যাওনের পরে আসলেন মাখদুম শাহাবুদ্দিন। তিনিও ওয়ান্টেড হয়ে গেলে আসলেন স্বয়ং রাজা যার নাম হইলো ‘রাজা আশরাফ’। তিনি আবার পার্লামেন্টে আস্থা ভোটেও জিতে এসেছেন। ছাগ রাজ্য সুখে থাকুক। দুনিয়াবি ছাগ রাজ্য নিয়ে আমার তেমুন মাথাব্যাথা নাইক্কা। এইডা হইলো আখেরাতি সিরিজ। তবু দুনিয়াতে হালকা টাচ দিয়া গেলাম।ভালুকুথা যে আদালত আজকের ফাকিস্তান চালাইতাছে তাদের পারফর্মেন্স কেমুন? একটু উইকি থেইক্কা ঘুইরা আসিঃ
In 2010, 69% of those surveyed reported that they or someone in their household was subjected to an act of corruption when interacting with the judicial system. Of 339 affirmative respondents asked to identify the actors involved in corruption, 119 said court employees, 84 said a public prosecutor, 50 said a witness, 44 said a judge, 29 said an opponent lawyer, 16 said magistrates, and 12 said others.
খুব মুন খারাপ তঘমায়ে ছাগ খেতাব পাওয়া জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ নিয়াজীর। কারন তিনি দুনিয়া থেইক্কা সোনার চাঁন ফাকিস্তানের যে সব খবর পাইতেছেন তাতে সব খারাপ খবর।যে দেশে এমন র্যা ঙ্কিং পাওয়া বিচার বিভাগ দেশ চালায়; সে দেশ কেমুন চলিতেছে? দেখেন নীচের খবরঃ
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সালমান বাট জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িত সালমান ৭ মাস কারাদণ্ডাদেশ ভোগের পর ছাড়া পেলেন। বিদেশি বন্দিদের মুক্তি দেয়ার একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সালমান বাট ৩০ মাসের কারাদণ্ড ৭ মাস ভোগ করেই ছাড়া পেলেন।
তার আইনজীবী জানিয়েছেন, এখন তিনি নিজ দেশেও ফিরতে পারবেন। বৃহস্পতিবারই সালমান পাকিস্তান পৌঁছবেন বলে জানান তিনি।
তবে মুক্তি পাওয়ার পর আগামী ১০ মাস ইংল্যান্ড ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকবে তার। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটার সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমিরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। গত মে মাসে ৬ মাস সাজাভোগের পর পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আসিফ মুক্তি পান। আর গত ফেব্রুয়ারিতে ৩ মাস জেলখানায় কাটিয়ে ছাড়া পান মোহাম্মদ আমির।
ছাগ জেনারেল স্বর্গীয় ওয়েটিং রুমে। আজকে প্রায় আটবছর হয়ে গেলো নিজের জন্য কুনু স্থায়ী ঠিকানা জোগাড় করতে পারলোনা আমীর আব্দুল্লাহ খাঁন নিয়াজী। দুইমিনিট পরেই স্বর্গীয় ওয়েটিং রুমের ত্রিমাত্রিক টিভিতে দেখলেন আরেকটা নিউজঃ
শুক্রবার পার্লামেন্ট ক্ষমতাসীন পিপলস পার্টির প্রার্থী রাজা আশরাফকে ইউসুফ রাজা গিলানির উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত করে। শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশটির ২৫তম প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি।
রাওয়ালপিণ্ডির সংসদ সদস্য রাজা আশরাফকে সে দেশের অধিকাংশ মানুষ চেনে ‘রেন্টাল রাজা’ নামে। ২০০৮ সালের মার্চ থেকে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে অনিয়ম তাকে এই নামে পরিচিত করেছে।
বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ঘুষ নেওয়ার জন্য রাজা আশরাফের বিরুদ্ধে বর্তমানে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। এই অভিযোগ ওঠার পর বিদ্যুৎমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তে হয় তাকে।
তবে পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ বিস্তৃত হলে তাকে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচিত হলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিদ্যুৎ সঙ্কট অবসানে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন রাজা পারভেজ।
নির্বাচনে জয়ের পর তিনি বলেন, “আমাদের প্রধান কাজ হবে বিদ্যুৎ সঙ্কটের সমাধান করা। আশা করি, আমরা শিগগিরই একটা পথ বের করতে পারব।”
রাজা আশরাফকে পিপিপি মনোনয়ন দেওয়ার পরপরই এতে আপত্তি জানান বিরোধী নেতা নওয়াজ শরীফ ও ইমরান খান।
জেনারেল আমীর আবডুল্লাহ খান নিয়াজীর মুন-দিল খুব খারাপ কারন তার ত্রিমাত্রিক টিভিতে টিপাটিপি কইরা তিনি গেলেন আরেক চ্যানেলে সেখানে দেখা গেলো জেরী নামক একটা ছুডু ইন্দুর টম নামের এক মোটকা বিলাইরে কৌতুক শুনাইতেছেঃ
ইমরান খাঁন নিয়াজী তাদের প্রথম রাতে জেমিমাকে জিগাইলোঃ ডার্লিং দুই ফাইনলেগের মাঝখান দিয়ে আমার শর্ট কি তোমার ভালো লেগেছে?
জেমিমা উত্তর দিলোঃ শর্ট মন্দনা কিন্তুক মনে রাইখো তুমি কিন্তু ওপেনিং ব্যাটসম্যান না।
মিজাজ খারাপ কইরা তঘমায়ে ছাগ উইঠ্যা গেলেন স্বর্গীয় রিশেপশনে গিয়া রিশেপশনিষ্ট মহিলাকে বলিলেনঃ
-আমি কই যাইমু? সাড়ে তিন হাত লম্বা কবর আর আর তুমাদের এই টিভি রুম ছাড়া আর কুথাও যানেকা পারমিশন ম্যারা কিঁউ ন্যাহি হ্যা?
-তুমার নাম কিতা?
-আমাকে তুম কিউ বলছো? আপনি বলো! আমি জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খাঁন নিয়াজী।
-এই বেডা চুপ কর-তুমি বালের জেনারেল আছিলা! এইখানে ডাটাবেইজে পাইলাম-General Niazi was personally indicted of smuggling and rape by the Hamoodur Rehman commission, led by Chief Justice Hamoodur Rahman. উত্তেজিত হয়ে রিশেপশনিষ্ট কইলো।
-তুমি জানো আমি কি করতে পারো?
-এই ছাগীর পুত তুই অফ যা।
-টুমি আমারে ছাগীর পুত কইলা ক্যানু?
-এই শুনো মাথামোটা পাঠান চুপ থাক!
-তুমি আমাকে উত্তেজিত করাইতেছো?
-উত্তেজিত হয়ে কি করবা? তুমি তো পাঠান!
-পাঠান হইছি তো কি হইছে?
-শুনো ছাগু পাঠান আমি এখন ইচ্ছে করলে সব পাঠানকে বেহেস্ত থেইক্কা দোজখে নিয়ে যাইতে পারি?
-কিভাবে?
-শুধু দোজখে যদি একটা গাঁজার দোকান খুলে দিলেই হইলো।
-টুমি একজন খুব খারাপ মানুষ!
-আমি খারাপ? কিভাবে বুঝলা? আর তুমি তো চাপাবাজ!
-আমি চাপাবাজ?
-হ্যাঁ তাইতো! দেখো তুমি কি কইছো আর তুমি যে আজীবনের গাঁজাখোর তার প্রমান দেখোঃ
He (General Niazi) was also noted for making audacious statements like "Dacca will fall only over my dead body".According to Pakistani author, Akbar S. Ahmed, he had even hatched a far-fetched plan to "cross into India and march up the Ganges and capture Delhi and thus link up with Pakistan." This he called the "Niazi corridor theory" explaining "It was a corridor that the Quaid-e-Azam demanded and I will obtain it by force of arms".[7] In a fantasy plan that he presented to the central government in June 1971, he stated in an immatured manner in his own words that "I would capture Agartala and a big chunk of Assam, and develop multiple thrusts into Indian Bengal. We would cripple the economy of Calcutta by blowing up bridges and sinking boats and ships in Hooghly River and create panic amongst the civilians. One air raid on Calcutta would set a sea of humanity in motion to get out of Calcutta” Niazi’s reputation as a “soldier’s general” lasted to the end. Niazi died in Lahore with only few to attend his funeral.
কিঞ্চিত মুন খারাপ করিয়া আবারো ফৌজি হুকুম চালাইতে চাহিলো তঘমায়ে ছাগ আমীর আবডুল্লাহ খাঁন নিয়াজী। কিন্তু হতাশ হয়ে গেলেন ভাবতেছিলেন-নিজের সাড়ে তিন হাত কবরে শুয়ে রেষ্ট করবেন। ক্লান্ত তঘমায়ে ছাগ আন্ডারগ্রাউন্ড সুড়ঙ্গ দিয়ে কবরে এসে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষন শুয়ে থাকার পর ত্রিমাত্রিক টিভিতে দেখতে গেলেন কৌতুক চ্যানেল! কারন তিনি কৌতুকপুর্ণ জীবন ভালোবাসতেন। চ্যানেল অন করার সাথে সাথে শুরু হলো কৌতুকঃ
ফাকিস্তানের বন্দুক-পতাকা আর ফাকিস্তানী উজিরে আজম রাজা আশরাফের বিবির প্যান্টির মাঝে মিল কোথায়?
তিনটাই হুকুম দিলে নীচে নাইম্মা যায়; বন্দুক নেমেছে বীর বাঙ্গালীদের গুতা খাইয়া-পতাকা নেমে যায় আমেরিকার হুকুমে আর রাজা আশরাফের বিবির প্যান্টি নেমে যায় যে কারো হুকুমে।
হতাশ-লাঞ্চিত-কুপিত তঘমায়ে ছাগ চোখ বন্ধ করে বিড় বিড় করে বললোঃ
সারে দুনিয়া মুক্তি হো গেয়া।
হ্যাপি ব্লগিং!!





ওস্তাদ ফাকিস্তান নিয়া কিছু পড়তে ভাললাগে না...
এই সিরিজে কেবল বেহেস্তের বর্ণনা থাকবো??
আসলে বেহেস্তের না থাকবে পরকালের বর্ণনা। আপনাদেরকে একটু স্পীন দেওনের লাইগ্যাই নাম দিছি 'বেহেস্তী বয়ান'। আসলে লিখতাছি সব দোজগী বান্দাদের কাহিনী।

হা হা হা ব্যপুক মজা পাইছি
ফাকিস্তানের বর্তমানেরো অনেক তথ্য ব্যবহার করেছেন দেখছি।
ফাকিস্তানের বর্তমান-অতীত সবি এক রকম।

লন সাধু সফেদ বেন্সন বাদ দিয়া এইটা টেরাই করেন
ধন্যবাদ শিমুল সাথে থাকার জন্য এন্ড ফর হুক্কা।

এইবার পাঞ্চ এট্টু কম হৈছে।
ওক্কে উস্তাদ নেক্সট টাইম মাইরাম।

রেন্টাল রাজা নামটা বেশ। আমাগো দেশের বেকুবটার নাম দেয়া উচিত রেন্টালিলাহী।
এই সিরিজটা অতিশয় উত্তম হচ্ছে। চলুক।
ধন্যবাদ মীর ভাই।

আপনার নতুন লেখা কুথায়?
এই সিরিজ আমার কাছে নতুন না- তবে অনিমেষ দা’র অবশ্যই প্রতিটি নতুন লেখাই আমার কাছে প্রাণবন্ত; এটাও তাই।
ধন্যবাদ শনি!!

দুরদান্তিস বেহেস্তী বয়ান।
ধন্যবাদ!!
ami ase gesi, Bangla likte parsina.
হাহাহা। ব্যাপক হইতাছে সিরিজ। চলুক, দৌড়াক।
ধইন্না আপনারে!!

দাদা - লিখা তো খতরনাক.
চরম
ধন্যবাদ!!

সিরিজটা জটিল।
ধন্যবাদ রাসেল ভাই।

ব্যাপক ভালো হইছে!
জটিল সিরিজ... চলুক... চলতেই থাকুক
ধন্যবাদ বস !!
আপনার রসবোধ জটিল। আপনার লেখা এবিতে নিয়মিত পড়তে পারবো জেনে খুবই আনন্দিত। দারুন হচ্ছে সিরিজ।
বাই দ্যা ওয়ে, বাংলাদেশের অবস্থা কি বেটার
যতোটুকু ভদ্রলোক শুধুই সুযোগের অভাব
মন্তব্য করুন