ইউজার লগইন

ইমতিয়াজ মাহমূদ'এর ব্লগ

আপনারা বৌদ্ধদের উপর হিন্দুদের উপর কেন অত্যাচার করছেন

রামুতে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির নেতৃত্বে কিছুসংখ্যক মানুষ বৌদ্ধদের উপর অত্যাচার করছে। অত্যাচারের বিবরণ বিস্তারিতভাবে খবরের কাগজে আসে নাই, কিন্তু তবু আমরা সকলেই কিছু কিছু জানতে পেরেছি। অত্যাচারের বা মারধরের বা ক্যাঙ্গ ধ্বংসের মাত্রা নিয়ে আলোচনা করতে চাইনা। মাত্রা যাই হোক, নির্যাতন নির্যাতনই। সকল নির্যাতনই অন্যায়, সকল অত্যাচারই অন্যায়, মানুষের উপর সকল হামলাই অন্যায়। আবার সে অত্যাচার যদি হয় কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে সংখ্যালঘুর উপর সংখ্যাগুরুর অত্যাচার, সেটা আরো বেশি অন্যায়।

কণ্ঠ রোধ করা অন্যায়, হোক না সে শয়তানেরই কণ্ঠ

দি পিপল ভার্সেস ল্যারি ফ্লিণ্ট সিনেমার জন্যে শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার নেওয়ার সময় মিলো ফোরম্যান বলছিলেন, 'আমি কখনো হাসলার ম্যাগাজিন কিনি নাই, জীবনেও কিনবো না। যারা বলে হাসলার ম্যাগাজিনকে কুরুচিপূর্ণ বলেন, আমি তাদের সাথে সম্পূর্ণ একমত।'

চুল কাটা দরকার: আবার বেড়ে যায়, কী আর করা, আবার কাটতে হবে

বয়েস হয়েছে, প্রতিদিনই বেড়ে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে কম তো দেখলাম না। দেশ বিশ্ব কথা থেকে কোথায় চলে গেছে। ছোটবেলায় মফস্বল শহরে একটা বই কিনার জন্যে চিত্তরঞ্জন সাহার ৭৪নম্বর ফরাশগঞ্জের ঠিকানায় চিঠি দিয়ে বসে থাকতাম, দিন দশেক পরে পোষ্টফিস থেকে খবর আসতো, ভিপি ডাকযোগে বই এসেছে টাকা নিয়ে নিয়ে যেতে হবে বই আনতে। আর আজকে, হাহ। অনেক কিছু বদলেছে- কিন্তু কিছু কিছু জিনিস এখনো একই আছে, এবং মনে হচ্ছে আমার বাকি জবন একরকমই থাকবে। একটা হচ্ছে আমার কেশ, আরেকটা হচ্ছে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে মুল্লাদের মাঝে মাঝে উত্তেজনা। এই দুইটাই মাঝে মাঝেই একটু বৃদ্ধি পায়, আমি একটু চিন্তিত হই। তারপর যথানিয়মে এদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয় এবং সাইজ হয়ে যায়। কিন্তু আবার বারে আবার আবার। একটু পার্থক্যও অবশ্য আছে। বয়েসের সাথে সাথে কেশের ঘনত্ব পুরুত্ব কমেছে, কোন কোন ক্ষেত্রে বর্ণপরিবর্তনও হয়েছে। কিন্তু মুল্লাদের বিশেষ পরিবর্তন হয়নাই। সেটা অবশ্য হবেও না কারণ মুল্লাদের কাজই হচ্ছে পরিবর্তনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা। সেই বিষয়টার বিস্তারিত এখানে না, এখানে আজকে কোন গুরুগম্ভীর কিছু বলতে বসি নাই। নিতান্তই হালকা ফুলকা কথাবার্তা,

কাপাসিয়া উপ-নির্বাচন: বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টিতে

তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ (পুরো নামটা কী ঠিকমত লিখতে পারলাম), সোহেল তাজ মানেই সবাই তাঁকে চেনেন। সুদর্শন স্বাস্থ্যবান তরতাজা তরুণ। লেখাপড়া কোথায় কী করেছেন জানিনা, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণও না, কথা বার্তায় চটপটে। এই যুবক কাপাসিয়া এলাকার সংসদ সদস্য যখন কাপাসিয়া এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তখন প্রায় সকলেই খুশি হয়েছিলেন। আমার মুরুব্বীস্থানিয় কিছু সুশীল ভদ্রলোককে বলতে শুনেছি, ভাল পরিবারের শিক্ষিত রুচিশীল যুবক, এরকম আরো বেশি ছেলেময়েয়ে নেতৃত্বে আসলে দেশের ভাল হবে, রাজনীতিতে একটা গুণগত পরিবর্তন আসবে ইত্যাদি। তরুণ বয়েসের আরো কিছু ভাল পরিবারের ছেলে এই সংসদে আছে, তাঁদের ব্যাপারেও আমি অনেকের মাঝে এই ধরনের মুগ্ধতা দেখি, এমন কী নাজিউর রহমান মঞ্জুর পুত্রের উপরও একই মাত্রার আস্থা ও প্রশংসা শুনি। এই ধরনের কথা শুনলে আমি সেই অর্থে বিরোধিতাও করতে পারি না কিন্তু আবার মনের মধ্যে কেমন যেন একটু অস্বস্তি বোধ করি। আমি নিজে বিশিষ্ট বা ভাল বংশের মানুষ না সেই জন্যেই বোধ হয়।