ইউজার লগইন

তিন ব্লগার ও একটি মনোরম সন্ধ্যা

আসলে ব্লগার ছিলাম আমরা চারজন...না-না পাঁচজন। গিয়াস আহমেদও ছিল, এবিতে যিনি ‘বন্ধু’ নামে নিবন্ধিত। দিনটি ছিল শুক্রবার, অক্টোবর-২৯। আমরা মিলেছিলাম একটি বৈঠকে। পুরোনো বন্ধুদের প্রাণবন্ত আড্ডাবাজী (নাকি গলাবাজী!....মতান্তরে চাপাবাজী)। চলে প্রায় তিন ঘন্টা...। সঙ্গে চা ,কফি আর সিগারেট। (সিগারেটের প্রতি বন্ধুদের ভালোবাসা দেখে ভাবি, নিজের জীবনের প্রতি এদের ভালোবাসা এতো কম কেন !)আমি আড্ডায় পৌঁছি বিকেল চারটায়। গিয়ে দেখি মেসবাহ য়াযাদ আর রানাভাই বসে আছেন ।‘আমারা বন্ধু’তে মেসবাহ’র জনপ্রিয়তা(নাকি ব্লগারপ্রিয়তা!) ঈর্ষনীয়। জিজ্ঞেস করি, এতো কম লিখেও বেশী আলোচিত হওয়ার রহস্য কি ! মেসবাহ তার সেই বিখ্যাত হাসিটা ডেলিভারী দিলেন (এই রহস্যময় হাসি দিয়েই নাকি একদা তিনি মনুভাবীর মন জয় করেছিলেন)। তারপর... ওনার সঙ্গে আমার ব্লগর-ব্লগর (বকর বকর) চলে প্রায় আধঘন্টা (অন্যরা আসার আগ পর্যন্ত)। রানাভাই অমাদের এই ‘উচ্চ-মার্গীয়’( অতিশয় বিরক্তিকর) ব্লগীয় আলোচনা বাধ্য হয়ে সহ্য করেন। ব্লগ এবং ব্লগার বিষয়ে কিছু বাস্তব ধারনা পাই মেসবাহ’র কাছ থেকে। তবে ব্লগারদের হাড়িঁর খবর প্রকাশে তিনি খুবই কন্জুস। ইতোমধ্যে অন্যান্য বন্ধুরা চলে আসায় এই ব্যপারে তাকে বেশী চেপেও ধরা যায়নি।
আমাদের তুমুল আড্ডাবাজীর মাঝামাঝি সময়ে উপস্থিত হলেন মমিনুল ইসলাম লিটন। আমার বাংলা টাইপিং শেখা সম্পুর্ণ হওয়ার আগেই এবি’তে আমাকে প্রায় ধাক্কা মেরে ঢুকিয়ে দেন এই লোক। নয়তো আমার এবিতে পদার্পণ এবং বাংলা টাইপিং শেখাটা নি:সন্দেহে আরো প্রলম্বিত হতো। লিটন খুবই বড় মাপের একজন উদারমনা মানুষ, যদিও জায়গা দখল করেন কম। স্ত্রী-কণ্যাকে প্রচুর সময় দেন। অবশ্য এই ব্যপারে অদিতি ভাবীর মারাত্মক দ্বিমত রয়েছে। স্ত্রীর প্রতি খুবই দায়িত্বশীল এবং অনুগত। জানি এই মন্তব্য শুনে নিশ্চয়ই তিনি ক্ষেপে উঠবেন। তবু্‌ও... ‘সত্য বলিতে ডরেনা বীর...’।
আমাদের বৈঠকের প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে উপস্থিত হয় ‘লেট লতিফ’ সাহাদাত উদরাজী।(অবশ্য...লেট করার কারণ হিসেবে সে যে যানজট আর ব্যস্ততার অজুহাত দেয়নি, সে জন্য তাকে ধন্যবাদ।) তার সম্পর্কে কি বলেবো ! ব্লগজগতে সে নিজেই স্বমহিমায় উজ্জ্বল এক নক্ষত্র। সাত-আটটি ব্লগে (মেসবাহ’র মতে) নাকি সে ‘দু’হাতে’(অন্যান্য কাজ করে কোন হাতে !) লিখে থাকে। অবশ্য উদরাজী এমন এক ‘চরিত্র’..., জীবনে সে এমন সব ‘কর্মকান্ড’ করে বেড়িয়েছে যে, আগামী দশবছর ‘চার হাতে’(বউ সহ) লিখলেও তার লেখার উপাদান শেষ হবেনা।
টিএসসিতে আমাদের নির্ধারিত আড্ডাবাজী শেষ হওয়ার আগেই ‘জরুরী কাজ’র কথা বলে...(সম্ভবত: ভাবীর ফোন পেয়ে) বিদায় নেন মেসবাহ। এরপর...অন্যান্য বন্ধুরাও একে একে সটকে পড়ে। আমরা তিন ব্লগার, উদরাজী-লিটন এবং আমি...আমাদের বাসা একেই দিকে হওয়ায় তিনজন একসঙ্গে বের হই। উদরাজী বলে, ‘চল সোরোওয়ার্দী উদ্যানের ভিতর দিয়ে শর্টকাট মারি’। অত:পর তিনব্লগার সোরোওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকে দিশা হারাই...।
অন্ধকার রাত। উদ্যানের ভেতর আধাঁর যেন একটু বেশী। যদিও এখানে-সেখানে ল্যাম্পপোস্ট আছে, কিন্তু আলো এতো অল্প যে আবছা আলোতে নিজেদেরকে নিজেদের কাছেই ভূতড়ে লাগছে। আমরা যে পথ দিয়ে হাঁটছি, সেটা আসলে পথ নয়, অরণ্যে পথ হারালে যে বেদিশা অবস্থা হয়, আমাদের হয়েছে সে অবস্থা। আন্দাজের ওপর হাঁটছি। ইচ্ছে হলো একটা গান ধরি, ধরেও ফেল্লাম, ‘দয়াল পাড়ে.... নিয়ে যাও আমায়...’। কলিটা শেষ করার আগেই দেখি,‘কোথাও কেউ নেই’। আমার সংগীত সাধনায় বিঘ্ন ঘটবে বলে দু’বন্ধুই কেটে পড়েছে...।তাদের এই ‘বিচক্ষনতা’ আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত করে। আসলে দেশে ভালো গানের স্রোতা পাওয়া মুসকিল।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে বেরিয়ে অত:পর আমরা রমনা পার্কে ঢুকি। আমার ধারনা ছিল, ঢাকা শহরের পার্কগুলো সন্ধ্যার পর মাদকসেবী, পতিতা, আর ছিনতাইকারীদের দখলে চলে যায়। ধারনা দেখছি ভুল, সারা পার্কজুড়ে অসংখ্য মানুষ। বসার জন্য একটি বেঞ্চিও খালি নেই। অগত্যা আমরা হাঁটতে থাকলাম। কাসুন্দি মাখিয়ে আমড়া বিক্রি হচ্ছে, দেখেই উদরাজীর জিভে জল। লিটন বল্লেন, ‘আমার পেট খুবই সেনসেটিভ । এইসব রাস্তার জিনিস খেলেই প্রকৃতি আমাকে ‘ মিসকল’ দিতে শুরু করে’। উদরাজী বলে, ‘সমস্যা নেই লিটন, নির্দ্বিধায় খাও, প্রকৃতির তলব এলে যে কোন ঝোঁপ-ঝাঁড়ে ঢুকে পড়ো, লেক থাকতে পানির চিন্তা কি !’। উদরাজীর কথায়ও আশ্বস্ত হতে পারেনা লিটন, অগত্যা আমরা দুজনই কাসুন্দি ঘাটি...না না খাই। কাসুন্দি মাখানো আমড়া খেতে খেতে সামনে এগুই। শুরু হয় আমাদের ব্লগ বিষয়ক গলাবাজী (নাকি ব্লগবাজী)।‘বুঝলা ঈশান, একেক ব্লগের চরিত্র একেকরকম, যেমন কেনটির চরিত্র হলো মেয়েদের মতো, ফুল,পাখি, কবিতা, গল্প -এসব বেশী পছন্দ করে, আবার কোনটি হলো আঁতেলদের চারণক্ষেত্র। ওখানে দেখবে শুধু আঁতলামী। কোনটি আবার রাজনীতিঘেঁষা, ওখানে পাবে শুধু রাজনৈতিক প্যাঁচাল। কোনটির দেখবে কোন চরিত্রই নেই, অথাঁৎ নির্দিষ্ট কোন চরিত্রে আবদ্ধ নয়, যা পায় তাই খায়, অনেকটা আমার মতো... আসো ঝালচানাচুর খাই’।
অত:পর উদরাজীর সৌজন্যে’ঝালচানাচুর’। এবার আর লিটনও আপত্তি করেনা। চানাচুর খেতে খেতে আমরা আবার পা বাড়াই...। ‘আসলে ব্লগের ব্যাপারটা বেশ মজার, নিজেই লেখক, নিজেই সম্পাদক, নিজেই প্রকাশক’।আমার কথা শুনে মুচকি হাসে উদরাজী। লিটন বলেন,’তারপরও দেখো বেশীরভাগ লেখাই কিন্তু মানসম্মত’। উদরাজী বলে, ‘এর কারন হলো, নেট যারা ইউজ করেন,তারা সবাই শিক্ষিত’, চল এবার ঝালমুড়ি খাই...’। উদরাজীর সঙ্গে আমার দেখা হয় কম, কিন্তু যখনই দেখি, মনে হয় আগের’চে আয়তনে বেড়ে গেছে। এখন বুঝতে পারছি সে কেন দিন দিন মটু হচ্ছে...। বন্ধু উদরাজী, জিভটারে সামলাও, নয়তো পরে নিজকে সামলানোও কঠিন হয়ে যাবে।
পার্ক থেকে বের হয়ে আমরা মিন্টু রোড ধরে হাঁটি। হাঁটতে হাঁটতে ‘মিনিস্টার কোয়াটার্স’ এর সামনে এসে থামি। উদরাজী বলে, ‘এবার চা হয়ে যাক’।আমরা চা খাওয়ার জন্য ‘মিনিস্টার কোয়াটার্স’ এর ভিতরে ঢুকি। ।এখানে দেখি ‘এলাহী কান্ড’।এই রাতের বেলায়ও তদবিরকারীদের ভীড়ে জমজমাট অবস্থা। হায়রে বাংলাদেশ ! অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চা পাওয়া যায়। মন্ত্রীদের ফ্ল্যাট বাড়ীর নিরাপত্তার শৈথিল্য দেখে আবাক হই আমরা। যার ইচ্ছে ঢুকছে, যার ইচ্ছে বেরুচ্ছে, গেটে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ ভাইয়েরা কাউকে কিছু বলছেনা। লিটন বলেন, ‘কিছু বলে বিপদে পড়বে নাকি ! সবাইতো মন্ত্রী মহোদয়দের ‘সন্মানিত গেস্ট’।
মিন্টুরোড থেকে বেইলীরোড, নাটকপাড়া। এখন অবশ্য বেইলীরোডের চরিত্র অনেকটাই পাল্টে গেছে। আপনি এখন এটিকে নাটকপাড়ার পাশাপাশি ফার্স্টফুডপাড়া,বুটিক পাড়া,স্কুলপাড়া,ফ্যাশনপাড়াও বলতে পারেন। ভিকারুন্নেসার সামনের দেখি ফুটপাত জুড়ে অসংখ্য নরনারী। বসে আছে জোড়ায় জোড়ায়। ফুটপাতের কিনারে রাস্তার ওপর পা রেখে আমরাও বসে পড়ি। পাশেই পুলিশের অস্থায়ী চেকপোস্ট। বসে বসে দামী সব গাড়ী থামিয়ে পুলিশভাইদের রহস্যময় চেকিং তৎপরতা প্রত্যক্ষ করি। উদরাজী বলে, ‘এই বেইলী রোডে আমার অনেক স্মৃতি আছে, একসময় গ্রুপথিয়েটার করতামতো’। ‘তাইনাকি! তুমি নাটকবাজীও(নাট্যামোদীরা ডোন্ট মাইন্ড) করতা’! অবাক হই আমি।‘করেছিতো অনেক কিছুই, কিন্তু বন্ধু,কোন কিছুতেই থিতু হতে পারিনি’। উদরাজীর কন্ঠে কিঞ্চিৎ বিষন্নতা...।
বেইলীরোড থেকে হাঁটতে হাঁটতে আমরা মৌচাক মোড়ে আসি।পাশেই দেশ টিভির কার্যালয়। গতরাতে(বৃহস্পতিবার রাতে) এখানে বোমা হামলা হয়েছিল।কেউ অবশ্য আহত হয়নি। ‘ বন্ধু’ গিয়াস আহমেদ ( দেশটিভিতে কমর্রত) ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘কেউ আহত হয়নি, কিন্তু দেশটিভির প্রতিটি কর্মীর হৃদয় আহত হয়েছে’। সুন্দর মন্তব্য।আমি বলি, ‘চল বোমা হামলার জায়গাটা দেখে আসি’। লিটন বলেন, ‘মাথা খারাপ, আমাদের করিৎকর্মা পুলিশবাহিনী শেষে সন্দেহভাজন হিসেবে আমাদরকেই...’।তার’চে চল কেটে পড়ি’।অত:পর আমরা বিদায় নিয়ে যার যার পথে...।

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাঈদ's picture


Smile

ঈশান মাহমুদ's picture


Wink

কুদ্দুস's picture


Smile Wink

ঈশান মাহমুদ's picture


Big smile Wink Cool

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আপনে মিয়া এইভাবে আমারে নিয়া হাঁটে হাঁড়ি ভাঙ্গলেন... তবে আপনাদের সন্ধ্যেটা ভাল কেটেছে জেনে ভাল লাগলো... আমাদের কত শত স্মৃতি !!

ঈশান মাহমুদ's picture


হাঁড়ি তো ভাঙ্গতে পারিনি মেসবাহ,(হাঁড়ি আসলে খুঁজেই পাইনি)ভবিষ্যতে হঁআবার চেষ্টা করবো,যদি খুঁজে পাই....।হাঁ কতোশত স্মৃতি,কতো হাসি-আনন্দ!

শওকত মাসুম's picture


মেজবাহ য়াজাদের জনপ্রিয়তার নানা কারণ আছে।
১. সে আজাদ লেখে ভুল বানানে।
২. সে ল্যাব এইডে কাম করে, সেইখানে একটা ফ্রি আড্ডার যায়গা আছে।
৩. খাবো বললেই খাওয়ায়
৪. তার একটা পাঙ্খা আছে

তানবীরা's picture


পাঙ্খা আমার কমন পরছে। সেটা হলো কটকটা হিমু হলুদ "মোটর সাইকেল"।

প্রথম আলোর লুকজন দেখি ব্যাপক হিংসায়

এইটার নাম আড্ডা, এমন বেরসিক আড্ডার পোষ্ট কে পড়তে চায় ঃ(

ঈশান মাহমুদ's picture


তানবীরা, কত...অজানারে.... এবিতে যোগ দিয়া অনেক কিছু শিখলাম(মজার মজার ভাষা আর শব্দ) এখনো শিখতেছি...। 'আড্ডাবাজী'র গল্পটা ভালো হয় নাই ! রস কম ? ঠিক আছে...ভবিষ্যতে চেষ্টা করবো রস বাড়াতে। অনেক ধন্যবাদ।

১০

তানবীরা's picture


ভাই, আপনে সব কথা সিরিয়াসলি নিলেতো বিপদ। এগুলা হলো হিংসিত প্রতিক্রিয়া। খোচাখুচি আর কি

১১

জেবীন's picture


তাতা'পু কমন পড়ে নাই,  এই পাঙ্খা সেটা না...  Wink মেসবাহভাইরে জিগান...

 সেদিন আমরাও আড্ডা দিলাম, সে   আড্ডায় খালি আমরা নিজেদের না আশপাশের সবার হাল বেহাল করে দিসিলাম,  আর  আড্ডাবাজদের বয়েসের লিমিট ছিল ১ থেকে ৫০!!...  সব আমরা আমরাই...   Big smile

১২

ঈশান মাহমুদ's picture


পাঙ্খা'র রহস্যটা কি ? এ পযর্ন্ত তিনজনকে জিজ্ঞেস করলাম,সবাই 'প্যাচ' মারা জবাব দেয়, জেবীন, হাটে হাঁড়িটা আপনিই ভাঙ্গুননা !

১৩

ঈশান মাহমুদ's picture


শওকত মাসুম,সবইতো বুঝলাম,কিন্তু...পাঙ্খা জিনিসটা কি ভাই? প্লীজ একটু জ্ঞান দিন।

১৪

ঈশান মাহমুদ's picture


শওকত মাসুম,সবইতো বুঝলাম,কিন্তু...পাঙ্খা জিনিসটা কি ভাই? প্লীজ একটু জ্ঞান দিন।

১৫

টুটুল's picture


এইটা মেসবাহ ভাইরে জিগান Smile

১৬

ঈশান মাহমুদ's picture


টুটুল,মেসবাহ নিজের সম্পর্কে খুব কমই বলে। ব্যখ্যাটা আপনার জানা থাকলে প্লীজ বলুন।

১৭

জ্যোতি's picture


পাংখা হইলো..................(ফ্যান না কিন্তু)।
মেসবাহ ভাইরে চিনেন আর পাংখারে চিনেন না?আজব!

১৮

অতিথি's picture


জয়িতা,আপনিও 'প্যাচ' মারলেন !!

১৯

ঈশান মাহমুদ's picture


আশ্চর্য ! সবাই জবাবটা এড়িয়ে যাচ্ছে কেন? জয়িতা, আপনিও...।

২০

জ্যোতি's picture


আমি তাকে চোখে দেখিনি, তার অনেক গল্প শুনেছি.................. Laughing out loud

২১

ঈশান মাহমুদ's picture


পাঙ্খার গল্পটা বলেন,শুনি...।

২২

জ্যোতি's picture


গল্পটা হলো.....এক দেশে ছিলো হলুদ মেটরসাইকেল, হলুদ রেইনকোট,হলুদ মোবাইলওলা এক লুক। লুকটা কেমুন তা কইলাম না। লুকটার নাম মেসবাহ য়াযাদ। তার ছিলো এক পাংখা। ঘুমের দেরী হয়ে যাচ্ছে, আরেকদিন বলবো। Laughing out loud

২৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


এখানে কী নিয়ে কথা হচ্ছে... Wink Big smile

২৪

জ্যোতি's picture


এহহহহহ। আইছে পাংখার.............

২৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


পাংখা দিয়া কী হইবো ? শীত আইয়া গেছে। এখন দরকার কম্বল আর কাঁথা... মেরা পাংখা.... Wink

২৬

ঈশান মাহমুদ's picture


মেসবাহ আপনার বহুল আলোচিত 'পাংখা' সম্পের্ক আমার ধারণা নেই, এটা নাকি বিশাল অযোগ্যতা,একটু জ্ঞান দিনতো ভাই...।

২৭

জুলিয়ান সিদ্দিকী's picture


তিনজনে আড্ডা হয় নাকি? বড়জোর গুলতানি হয়। Big smile

২৮

ঈশান মাহমুদ's picture


জুলিয়ান সিদ্দিকী,আপনার সংগে আমি একমত, তিনজনে আড্ডা আসলে জমেনা। তবে আমরা তিনজন আড্ডা মেরেছি, তা কিন্তু আমি বলিনি।আমি বলেছি 'ব্লগবাজী'।আমাদের মূল আড্ডায় আমরা নয়জন ছিলাম।ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯

নাজমুল হুদা's picture


বাহ্ ! বেশ ভাল তো ! কিছু নেই, অথচ সব আছে ! সহজ কথা সহজে বলে সহজে মনের মাঝে ঢুকে পড়বার ভাল পন্থা । "সহজ কথা কইতে আমায় কহ যে, সহজ কথা যায় না বলা সহজে" কবিগুরুর এ বক্তব্য মনে হচ্ছে পালটে যাচ্ছে ঈশানের হাতে পড়ে ।

৩০

ঈশান মাহমুদ's picture


বড় ভাই,আমার কাছে আপনার মতামতের মূল্য অনেক।আসলে সবাই 'ব্লগর ব্লগর' করেতো, তাই আমিও একটু করলাম। ধন্যবাদ আপনাকে ।ভালো থাকেবেন।

৩১

মমিনুল ইসলাম লিটন's picture


আসলে স্ত্রী সন্তান সংসার ফেলে এই বয়েসেও সেদিন রাতে কেমন যেন আমরা স্কুল পালানো বখাটে কিশোরে পরিনত হয়েছিলাম। অন্যরকম এই পাগলামীটাকে ঈশান তুলে ধরেছেন তার নিজস্ব ভংগিমায়। চমৎকার।

৩২

ঈশান মাহমুদ's picture


'স্কুল পালানো বখাটে কিশোর'...খুব চমৎকার উপমা দিলেন লিটন।আহা ...আবার যদি...।

৩৩

রশীদা আফরোজ's picture


Tongue Sad Crazy

৩৪

অতিথি's picture


Shock Laughing out loud Wink

৩৫

ঈশান মাহমুদ's picture


Shock Laughing out loud Wink

৩৬

ঈশান মাহমুদ's picture


Applause Devil Smile)

৩৭

অতিথি's picture


Smile

৩৮

জ্যোতি's picture


আপনে কেডা?প্যাচ পাইলেন কই?

৩৯

নুশেরা's picture


লুকজনের চিত্তে বড়ই সুখ

সুখ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাক

৪০

ঈশান মাহমুদ's picture


আমিন,আমিন।

৪১

সাহাদাত উদরাজী's picture


Onak koste ekta Cyber Cafe peyechi..... Ovro Installation korar chesta korchi... achi addate..... from India.

৪২

ঈশান মাহমুদ's picture


'Onak koste ekta Cyber Cafe peyechi.....' দোস্ত, তুমি কি ইন্ডিয়ার কোন গন্ড গ্রামে আছোনি? তোমার ভ্রমনের ওপরে দুই-একখান পোস্ট-টোস্ট পাঠাও, দুধের স্বাদ ঘোলে মিঠাই...।

৪৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


সবাই ভাল আছেন? টেষট করছি!

৪৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


ইয়েস, অভ্র কাজ করছে। এখন লিখা যাবে। থাঙ্ক ইউ অভ্র! তুমি না থাকলে বিদেশে বসে বাংলা লিখতে পারতাম না।

৪৫

মমিনুল ইসলাম লিটন's picture


টেস্ট করার আর জায়গা পাইলা না....

৪৬

ঈশান মাহমুদ's picture


ইন্ডয়ায যাইয়া কি 'টেস্ট' করতেছো বন্ধু?

৪৭

সাহাদাত উদরাজী's picture


দুষ্ট পোলাপাইন!

৪৮

ঈশান মাহমুদ's picture


Rolling On The Floor Smile) Devil Crying Applause

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

ঈশান মাহমুদ's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বপ্নচারী মানুষ আমি,স্বপ্নডানায় ভর দিয়ে কল্পনার আকাশে উড়তে পছন্দ করি।জীবনের রূঢ় বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্ক কম,তাই পদে পদে হোঁচট খাই…।
একমাত্র মেয়ের প্রিয় বাবা, কিন্তু….স্ত্রীর(তিনিও একমাত্র) কাছে আদর্শ স্বামী হতে পারিনি…।আমাকে দিয়ে এজনমে কিচ্ছু হবেনা…এটা তার বদ্ধমূল ধারণা।তাই তিনি অধীর আগ্রহে পরজনমের অপেক্ষা করছেন।তবে মুখে যতই ‘অনলবর্ষী’হোন না কেন,আমার মত’ অপদার্থ’র জন্য ভেতরে ভেতরে তিনি যে প্রবল ভালোবাসা ধারণ করেন,সেটা আমি প্রতি পলে পলে টের পাই…।এজন্য তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার সীমা নেই।
মানুষের সান্নিধ্য পছন্দ করি,তবে নষ্ট মানুষের উগ্র আস্ফালন দেখে ইদানীং কষ্ট পাই।তবুও…কিছু প্রিয় মানুষ আছে,যারা আমাকে আলোকিত করে,আশ্বস্ত করে,এবং…স্বপ্ন দিয়ে যায় আগামী সকালের।
আবেগপ্রবণ তাই কবিতা লিখি,হৃদয়ের আবেগগুলো, অনুভূতিগুলো অক্ষরে সাজাই।অব্যক্ত যন্ত্রণা,মৌন অভিমান,হাসি-কান্না,প্রেম-ভালোবাসা দিয়ে কথামালা গাথি…।কতটা তার কবিতা হয় কে জানে !
আড্ডা দিতে পছন্দ করি,যাকে ভালো লাগে,যার সঙ্গ ভালো লাগে-তার পেছনে সময় খরচ করি দ্বিধাহীন।এজন্য আমার বন্ধুভাগ্য ঈর্ষনীয়।
স্বপ্ন দেখি…আদিগন্ত আকাশ,অনন্ত সবুজ , ভালোবাসায় ঘেরা পৃথিবী,অকৃত্রিম অনুভব,মুঠো মুঠো আনন্দ,অতলস্পর্শী আন্তরিকতা,প্রস্ফুটিত মনুষ্যত্ব আর…নিটোল বন্ধুত্ব।তাই…’আমরা বন্ধু’র আঙ্গিনায় পা রাখা…।সব বন্ধুরা ভালো থেকো।