বনভোজন

বনভোজনে আয়োজনের কমতি ছিলো না;
বিলুপ্তপ্রায় চিরহরিৎ বন ছিলো,
বনের মাঝে জমকালো এক বাড়ী ছিলো,
মুখরোচক খাবার ছিলো, মন ভোলানো সুর ছিলো।
সুন্দরী নারী ছিলো, বাগান বাড়ীর পাশটাতে
মনোরম এক পুকুর ছিলো, সেই পুকুরে মাঝিবিহীন এক নৌকো ছিলো।
বনভোজনে সবই ছিলো।
ধোঁয়া ওঠা পিঠে ছিলো, উৎসবের আমেজ ছিলো,
সবার মুখে হাসি ছিলো,
চলতে ফিরতে বাঁধনছাড়া সুখ ছিলো।
বনভোজনে সবই ছিলো,
কেবল ছিলেনা তুমি-
একপাশে জীবনবৃক্ষের শিখা, অন্য পিঠে চুমু।
আমরা একদল ছন্নছাড়া
এদিক খুঁজি ওদিক খুঁজি
এত তোলপাড়- তবু তোমার দ্যাখা নাই,
চারদিক ফাঁকা মরুভূমি!
৭.২.২০১০
* ছবি: রায়হান সাঈদ





লেখাটা উৎসর্গ করা হইলো নিম্নোক্ত লোকদিগকে:
অমি রহমান পিয়াল, মাথামোটা, মামুন ম. আজিজ, লালদরজা, বৃত্তবন্দী।
শুকনার জন্য কৃতজ্ঞতা সরূপ?
পোষ্ট এডিট অপশনে যান গিয়া দেখেন নিচে upload image অপ্সহন আছে সেখানে ইমেজটা আপলোড করেন।
আপলোড কম্পলিট হলে দেখবেন থাম্বনাইল দেখাইতেছে সেটার উপরে রাইট ক্লিক করে copy link location করেন, তারপর আগের ছবিটা সরিয়ে সাইটে আপলোড করা ছবিটার লিঙ্ক দিন
তখন প্রথম পাতায় থানবনাইল দেখা যাবে
এতো দেখি হেভি গ্যাঞ্জাম! আমি ছবি টিনিপিক এ আপলোড করছি।
এখানে আবার করেন। পারলে সাইজ কমাইয়া কইরেন, কারন প্রতি ইউজারের জন্য দুই মেগা নিদৃষ্ট
আমার বানানো সাইটে কিন্তু এত কষ্ট নাই। ছবি পোস্টে দিলে অটোমেটিক প্রথম পাতাতেও থাম্বনেইল চলে আসে।
http://muktolekha.mukul.us/mukul/244
অয়ার্ডপ্রেস সাইট ডেভেলাপ করা সুজা

ভেডুরা মুনয় এইটা নিয়া কাম করতেছে দুয়া করি তারা যেনো সফল্কাম হয়
হ। ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট বানানি ডালভাত। আমার মত ননটেকিও সাইট বানায়া ফেলছি।
আরে জট্টিলতো

চমৎকার লিখছো ব্রো...
ধইন্যা
তাইলে মুকুল ভাই এর ভাগ্যে কি এখনও শিকে ছিড়লো না ?
আমিতো বিড়াল না! তাই শিকে ছিড়ে না। ব্যাপার না। আমিও চালাক হইয়া যামু।

আফসুস..আর সমবেদনা....আছে ছিল
আমি একা ছিলাম , কবি তুমিও তাই
বেদনা , বিরহ স্তমিত ছিল ...ক্ষণিক
তারপর ফিরে আসে সকালের সূরয র মত আবার ...
দু:খ যতটুক হারিয়েছিল দিঘীর জলে....
তারচেয়ে বেশী জর হয় ধূলোর সাথে...নতুন কষ্ট অতিথি।
আমারতো এই কবিতা পইড়া পিকনিক যাওনের ইচ্ছা চাগার দিয়া উঠলো...
পিকনিকে না গিয়া আসলেই মিস কর্ছেন। হেব্বি মজা হইছে।
পুরাটুক লিখছেন বইলা তো মনে হইলো না।
যেটুকু বাদ পড়ছে, আপনি যোগ করেন।
আফসুস
সুন্দরী নারী ছিলো, বাগান বাড়ীর পাশটাতে
এডাও কৈলেন, আবার ওডাও....
বনভোজনে সবই ছিলো,
কেবল ছিলেনা তুমি-
একপাশে জীবনবৃক্ষের শিখা, অন্য পিঠে চুমু।
তাইলে ক্যাম্নে প্যাচ খাইলো?
কোবতে ভালৈছে কিন্তু এত ভালো ভালো কবিতা লিখাও ছেলেটা এখনো অবিবাহিত রইয়া গেলো ; আপ্সুস
@ কাঁকন,
কি আর করা! নারী আর নারী নাই, শুধুই শরীর!
@ অবিবাহিত মুকুল (ভাই/দাদা ডাইকা আপ্নার বিয়ার বাজার আরো খারাপ করতে চাই না); নারী কোন কালেই ছিলনা এইজন্য কবি বলেছেন:
নারী--সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
নাস্তিকেরা তোমায় মানে না, নারী
দীর্ঘ-ঈ-কারের মতো তুমি চুল মেলে
বিপ্লবের শত্রু হয়ে আছো !
এমনকি অদৃশ্য তুমি বহু চোখে
কত লোক নামই শোনেনি
যেমন জলের মধ্যে মিশে থাকে
জল-রং-আলো.........
তারা চেনে প্রেমিকা বা সহোদরা
জননী বা জায়া
দুধের দোকানের মেয়ে, কিংবা যারা
নাচে গায়
রান্নাঘরে ঘামে
শিশুকোলে চৌরাস্তায় বাড়ায় কঙ্কাল হাত
ফ্রক কিংবা শাড়ি পরে দু:খের ইস্কুলে যায়
মিস্তিরির পাশে থেকে সিমেন্টে মেশায় কান্না
কৌটো হাতে পরমার্থ চাঁদা তোলে
কৃষকের পান্তাভাত পৌছে দেয় সূর্য ক্রুদ্ধ হল
শিয়রের কাছে রেখে উপন্যাস
দুপুরে ঘুমোয়
এরা সব ঠিকঠাক আছে
এদের সবাই চেনে শয়নে, শরীরে
দু:খ বা সুখের দিনে
অচির সঙ্গিনী
কিন্তু নারী? সে কোথায়?
চল্লিশ শতাব্দী ধরে অবক্ষয়ী কবি-দল
যাকে নিয়ে এমন মেতেছে
সে কোথায়? সে কোথায়?
দীর্ঘ-ঈ-কারের মতো চুল মেলে
সে কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে?
এ ভিড়ে কেমন গোপন থাকো তুমি
যেমন জলের মধ্যে মিশে থাকে
জল-রং-আলো .....
এত ভালো ভালো কবিতা লিখাও ছেলেটা এখনো অবিবাহিত রইয়া গেলো
ভালো কবিতা লেখার জন্য কবির অবিবাহিত থাকাটা জরুরী কাঁকন। নইলে এ কবিতা পাইতাম বলো?
ঃ)
তাও তো কথা
আপনার সাথে একমত। ভালো লেখার জন্য ব্লগার ভাইদের আর কিছুদিন একা থাকা উচিৎ।
হ বিয়ার পর তো সবের একটাই কবিতা; একটাই গান;একটাই প্রবন্ধ -- "ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি"
এই অভিশাপ না দিলেই কি নয়!
@ তানবীরা,
আপা, এই ধরনের অভিশাপ না দিলেই কি নয়!
এই পোলার হা-হুতাশ রোজ কেয়ামত পর্যন্ত চলিবেক!...
কবিতা ভাল হইসে হা-হুতাশ বাদে...
এই কবিতা কিন্তু সাধারণ কবিতা না।
যা ভাবছো তা, তা না। ভেবে কূল পাবে না!
আমি কনমেন্ট টা করতে করতে জেবীন করে দিছে। ঠিক এইটাই বলতে চাইছিলাম কেয়ামত পরযন্ত বিলাপ চলবে পোলাটার। বিলাপটুকুন বাদ দিয়া কবিতা জোশ।
যা ভাবছেন, বিষয়টা ঠিক সেইরকম না! এর মধ্যে একটা কাহিনী আছে। যারা কাহিনীটার মধ্যে ছিলো না, তারা ধরতে না পারারই কথা!
কাহিনীটা কী?
এইবার বুঝলাম। কিন্তু শুনছিলাম পিয়াল ভাই মাথু ওরা নাকি পাইছিল ?
না
"প্রথমত আমি তোমাকে চাই..." গানটা যারে নিয়ে লেখা তার বড়োবোনের কথা বলা হইছে এই কবিতায়...
শিখা কে?
কমু না।
নুশেরা, দেখি আপনে বাইর করতে পারে কিনা শিখা কে
জানলে কী আর জিগাই নাকি!
মুকুলের এই কবিতার মধ্যেই আছে শিখার কথা-
"একপাশে জীবনবৃক্ষের শিখা, অন্য পিঠে চুমু।"
আমি মুক্লারে বালা পাই...
হ মুক্লার মধ্যে য়াযাদ ভাই প্রাক বিবাহ য়াযাদ রে খুঁইজা পায়
মুকুলভাই য়াযাদ ভাইএর শিষ্য হইয়া যান
ভালা পাইয়া আমার তো কুনু লাভ হইলোনা! আপ্নে মিয়া সুন্দরীগো কাজিনগোরে পিকনিকে আনলেন না!
আপনের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, প্রাক বিবাহ এই অধম মাত্র ১২
বছর পেরেম করিয়াছে... সো...
আহারে বিয়ার ও ১২ বছর আগের থিকা শহীদ ; আফসোস
সিরিয়াসলি ভাবিরে স্যালুট বস ১২ বছর প্রেম টিকায় রাখা চাইরটা খানি কথা না;
প্রেম করলে শহীদ! নাহ কাক্না তোমার বুদ্ধি কই যাইতেছে? তোমার বসে শুনলে খবর আছে।
প্রেম কর্লে তো শহীদ ই বিয়া করলে কুরবানিত ; তাই তো জান্তাম ভুল ভাল জানি নাকি
হায় মোর কপাল। মেসবাহর মত বারো ঘাটে পানি খাওয়া পোলা এক প্রেম কইরাই শহীদ হইয়া যাবে? কি যে কয়!!!
জাতি বারো ঘাটের পানি খাওয়ার সচিত্র বিবরন চায়; এই সব দেইখাও যদি মুকুল (ভাই/দাদা ডাইকা তার পরতি বাজার আরো পরাইতে চাই না) কিছু শিখে
পরতি বাজার মানে? হোয়াট ডু য়্যু মিন বাই "পরতি বাজার!"
আমি মাত্র একুশে পা দিলাম।
বয়স আলাল বায়ো কি তেয় মায় বলে আয়োকম; তা ভদ্রলোক মুকুল কয়বছর যাবৎ আপনি মাত্র ২১ বৎসর বয়সে আটকে আছেন?
গত ৩ মাস ধরে আমি ২১ এ আছি।
ধুর মরন; পিচকা পিচকা পুলাপান কি সব ভাবের পোস্ট লিখে আর এগোরে বুইরা ভাবি; আপ্নারে নাবালক মুক্লা না কইয়া অবিবাহিত মুক্লা যারা কয় তাগোর ধিক্কার জানাই; সবে ৩ মাস হইলো থিওরিটিক্যালি বিয়ার বয়স হইছে প্র্যাকটিক্যালি আরো দেরি আছে
ছবিটা জটিল হইছে। আরেকটু বড় সাইজের পাওয়া যাবে?
জলশূন্য পুকুর

শিকারী শূন্য মাচা
চালহীন ছাউনি
ছন্নছাড়া হৃদয়
জীবন কি ষোল আনাই বৃথা?
[এখানে ফরমেট ভেঙ্গে যায় কেন? কোবতে লিখলাম একটা, উৎসর্গ- মুকুল]
জলশূন্য পুকুর
শিকারী শূন্য মাচা
চালহীন ছাউনি
ছন্নছাড়া হৃদয়
জীবন কি ষোল আনাই বৃথা?
আহা মরি মরি ! নীড়দা তো ফাটায়া ফেলছেন! কবিরে পিলাস।
ছবি রায়হান সাঈদ ভাইয়ের তোলা। তার ফেসবুকের অ্যালবামে আছে।
ঠিকাছে, সাঈদ ভাইয়ের এলবামে হানা দিতে হবে
নীড়দা, আপনে তো ঢাকা আসছিলেন। আমাদের সাথে গেলান কান হালায়?
আপনাদের সাথে পিকনিকে যাবার তো বিরাট ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ঢাকায় যাবার সুযোগ পাইছি শনিবার তাও ৩/৪ ঘন্টার বাজেট সময়ে গেছি। সেই দুঃখে পিকনিকের কোন লেখা পড়তেছি না
এইখানে দেখি অতিব গুরুত্বপূর্ণ আলাপ চলতেছে !
ভালু !
সেইদিন শুকনা ভাগে পাইলে এরুম কবিতা প্রসব কৈরা দিতাম... আল্লার কসম
শরাবান তহুরা তো পাইছো। পাশে ফার্জানার উষ্ণ সান্নিধ্যও ছিলো। তাইলে আর দেরি ক্যান?
আফসোস।পোলাডা পুরা রোমান্টিক কবতে লেকতে পারলো না
লিখুম ক্যামতে ? আমি তো কারো উষ্ণ সান্নিধ্যে ছিলাম না!
আহারে।আফসোস।সব দোষ ইয়াযাদ ভাইয়ের।তোমার কোন গতি করলো না।
খেতাপুড়ি বনভোজনের
হ। আঙুর ফল টক!
আমরা বনভোজন উপলক্ষে একটি সংকলনে আপনার লেখাটি ছাপাতে চাই। আশা করি অনুমতি দিয়ে বাধিত করবেন। ডাঃ মঈন উদদীন আহমদসিনিয়র কনসাল্টেন্ট (চক্ষু)বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিক,ঢাকা০১৭২০১৬৯০৩৭
জ্বী, ব্যবহার করতে পারেন।
মন্তব্য করুন