মেঘবন্দী (৭) ... হায়রে বৃষ্টি! / রাফি
হায়রে বৃষ্টি!
রাফি
গাছের পাতায় ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টির টুপটাপ টুপটাপ, টিনের চালে ঝুপঝাপ ঝপঝাপ, কিংবা মুষুলধারে বৃষ্টির বাধানো রাস্তার দুধার দিয়ে তীব্র বেগে ছুটে চলা....হায়রে বৃষ্টি।
বৃষ্টি মানে ঘুমঘুম আলসে ভাব, ভার্সিটির হলে কাথা মুড়ি দিয়ে ঘুমানো, কিংবা আলগোছে গায়ের গেন্জিটা খুলে মায়ের অগোচরে ভেজার চেষ্টা, কিংবা ক্লাশ রুম থেকে জানালার গ্রীল পেরিয়ে কিশোরের ভেজা কাক দেখা....
বৃষ্টি মানে স্কুল ছুটি টিফিন পিরিয়ডেই, বৃষ্টি মানে মাঠ কাদা করে ফুটবল খেলা, বৃষ্টি মানে স্কুল শেষে ব্যাগ-জুতো-মোজা পলিথিনে ভরে প্যান্ট গুটিয়ে জমে যাওয়া পানিতে ঢেউ তুলে হাটা...।
বৃষ্টি মানে দুপুরে খিচুড়ী-মাছ-বেগুন ভাজা.... বিকেলে চাল-বুট ভাজা.....আর বাজার থেকে ব্যাগ ভরে বাবার হরেক রকমের মাছ নিয়ে আসা.......
আর বৃষ্টি শেষে মাটির সোঁদা গন্ধ, ভেজা বাতাসে মাখামাখি কিংবা বহ্মপুত্রের ধারে উদ্ধত তরুনের আদুল উর্ধাংগে শীতল বাতাসের স্পর্শ লাগানো......
এ সব কিছুই অতীত এখন। এখন বৃষ্টি মানে ঠান্ডায় কেঁপে কেঁপে বিরক্ত চোখে তাকানো আর হাটা দুরত্বের গন্তব্যেও গাড়ি চালিয়ে যাওয়া....আর বাতাসের তোড়ে ভেংগে যাওয়া ছাতা...। মাটির সোঁদা গন্ধ নেই.... মাটিতো নেই.. আছে বালি, গন্ধ ছাড়া.......
এখন বৃষ্টি আর মন মাতায় না.......





আপনার কবিতার শিরোনামের সাথে দেখি আমার কবিতার শিরোনামের অনেক মিল
এখন বৃষ্টি আর মন মাতায় না.......
এইখানে কবি তার বরতমান দুক্ষের কথা বরনানা করিয়াছেন
বি দ্রঃ বাংলায় লিনাক্সএ জুইত করতে পারতেছিনা
মন্তব্য করুন