অনন্ত-বর্ষা কাহিনী ('গানা' নয়, মোহাম্মদপুর থেকে)!
সিনেমা বানিয়ে যতটা না, তার চেয়ে অনেক বেশি আলোচিত হয়েছেন জলিল অনন্ত 'পম গানা' টাইপ সংলাপ দিয়ে!
তার ছবির নায়িকা বর্ষার সাথে তুমুল প্রেম শেষে বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে, সানাই বাজিয়ে, ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ বিমান উড়িয়ে বিয়ে করেছিলেন।
এখন দেখছি, সিনেমার মতোই কাহিনী ঘটছে- জলিল বর্ষাকে মারধর করেছেন, আর বর্ষা দুঃখ সইতে না পেরে মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে জিডি করলেন!
কোথায় হারালো এতো ভালোবাসা?
কিছুদিন আগেও আমার বাসা মোহাম্মদপুর ছিলো। বর্ষার বাসাও মোহাম্মদপুর। সেই সূত্রে তিনি আমার প্রতিবেশিনী!
মাস কয়েক আগের কোনো এক বৃহস্পতিবার প্রথম আলোর বিনোদন পাতায় 'আনন্দ'তে বর্ষাকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপা হয়েছিলো। রিপোর্টারের সাথে কথা বলার মাঝখানেই উঠে গেলেন বর্ষা, 'অনন্ত ফোন করেছে, একসাথে লাঞ্চ করবো।'
প্রথম আলোর মতো প্রথম শ্রেণির পত্রিকাকেও তিনি তোয়াক্কা করেন না! ভদ্রতাবশত সাংবাদিককে লাঞ্চ করে যাওয়ার কথা বলবেন কী, নিজেই মাঝপথে চলে যাচ্ছেন!
পরদিন শুক্রবার। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আলোকচিত্রী সাইদা, লেখক খানমের সাক্ষাৎকার নিতে বনানী যাবো আমি এবং আমার সহকর্মী মিজান মিজানুর রহমান।
ফোনালাপে সাইদা খানম প্রস্তাব দিয়েছেন, দুপুরে তাঁর বাসায় খেতে হবে। মিজান ভাই সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে সাইদা খানমের বাসার ছেলেটি আবার ফোন করলেন। বললেন, 'না খেলে ম্যাডাম মনে কষ্ট পাবেন।' সুতরাং আমাদের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করতেই হলো!
একজন সাইদা খানমের সাথে একজন আফিয়া নুসরাত বর্ষার কত পার্থক্য!
যথার্থ শিল্পীর থাকতে হয় ভদ্রতাবোধ, সৌজন্য-জ্ঞান। শিল্পীকে হতে হয় সাধারণেরও সাধারণ...।
বর্ষা আপু এবং জলিল ভাইয়ের সুখী সুন্দর দাম্পত্যজীবন কামনা করি।
(যদি কথার মাঝখানে 'আসি' বলার মতো অসৌজন্যমূলক আচরণ পরিত্যাগ করতে পারেন, কোনো একদিন দুজনেরই সাক্ষাৎকার নিতে আসবো আম)! 





ব্রেকাপ হয়ে গেছে নাকি? বৈদেশ থেকে একজন নিশ্চিত করলো
না। হয়নি।
এইবার হইছে
মন্তব্য করুন