'ভালোবাসা দিবস'
'ভালোবাসা দিবস' যতই ঘনিয়ে আসছে আমার কিছু বন্ধুদের হাহাকার ও দেখছি ততোই বাড়ছে। কেউ কেউ frustration- য়ে ভুগছে, কেউ কেউ আবার ধুমধাম করে প্ল্যান করছে ভালো্বাসার মানুষকে নিয়ে। আমরা বাঙ্গালীরা আর কোনো দিবস উৎযাপন করি আর না করি...এই দিনটা কোনোভাবেই হাতছাড়া করা যাবেনা।
আমার এক বন্ধু দেখলাম একটা অভিমান ভরা ছড়া/কবিতা শেয়ার করেছে যেটা পড়ে আমার খুব মজা লাগল,-
''আমাকে ভালোবাসতে হবে না,
ভালোবাসা পেতে পেতে এখন আমি ক্লান্ত,
আমি চাইনা কেউ আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
আড্ডার তুমুল সময়ে ফোন দিয়ে বলুক, তুমি এখন কোথায়?
আমি চাই না আমার জন্য কেউ না খেয়ে বসে থাকুক,
আমি চাইনা কেউ আমার লোকাল গার্জিয়ান হোক
আমি চাই না, কেউ নিজে চোখ লাল করে বলুক,
তোমার চোখ এতো লাল ক্যানো?
(আমি স্ত্রীজাতিকে মুক্ত করতে চাই স্বামীসেবার দায় থেকে 
আবার দেখি আরেক জায়গায় শেয়ার করেছে-
''আমাকে শেখাও, কিভাবে ভালোবাসতে হয় ,
আমাকে দেখাও, কিভাবে ভালোবাসতে হয় ,
আমাকে জানাও, কিভাবে ভালোবাসতে হয় ,
আমি তোমাতে বন্দী , তোমাতে অন্ধ , তোমাতে বাকরুদ্ধ-
তাই তোমাকে , "ভালোবাসি" বলতে পারিনা ,
''
সর্বশেষ কোনো উপায়ন্তর না দেখে সরল অঙ্ক কষতে বসল-
''এবারের ভ্যালেন্টাইন ডে তারিখ হচ্ছে ১৪-০২-১২ ,
এটাকে সরল অংক হিসেবে দাঁড় করালে ফলাফল হয় শূণ্য,
গাণিতিকভাবে , ১৪-০২-১২ = ১৪-১৪ = 0 ,''
ভালবাসা দিবসে এমনও গল্প শুনেছি...স্বামী ভালবাসা দিবসে বাইরে থেকে গার্লফ্রেন্ডের দেয়া ফুল এনে বাসায় লুকানো্র কোনো জায়গা না পেয়ে স্ত্রীকে দিয়ে বলছে...'তো্মার জন্য অনেক কষ্ট করে আনলাম'...বেচারী আবেগে আপ্লুত হয়ে ফুলদানীতে অনেক যতনে সাজিয়ে রাখল...আলাভো্লা বউয়ের বোকামী কান্ড দেখে চতুর স্বামী মুচকী হাসছে...ঠিক তেমনি আমার নিজের বাবা-মাকে দেখেছি মেরেজ এনিভারসারিতে...আম্মুকে হরেক রকম আব্বুর পছন্দের খাবার তৈরী করতে আর আব্বুকে প্রতিবছর লাল কালারের একটা শাড়ী আর কিছু ফুল নিয়ে আসতে আম্মুর জন্য। (আব্বুর লাল কালার খুবি পছন্দ...আম্মুকে বা আমাদের ভাই-বোন কাউকে মলিন কোনো কালার পড়তে দেখলে খুবি রাগ করেন)...আম্মু লাল শাড়ী দেখে প্রত্যেকবারি রাগ করতেন, বেশীরভাগ সময় শাড়ী বদলিয়ে নিয়ে আসতেন...হিহি! আব্বু-আম্মুকে দেখলে মনে হয় পারফেক্ট কাপল...তারমানে এই নয় যে তাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া-ঝাটি হয়না...অনেক ঝগড়া হয় ...মতেরও অনেক অমিল...তারপরও কেন জানি কোথায় দু'জনেরি মনের অনেক মিলও আছে...আব্বুর চোখে আম্মু হচ্ছেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী আর গুনবতী মহিলা...আব্বু-আম্মুকে জানাই ভালো্বাসা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা!
এতো গেল এক কাহিনী। গতকাল স্টাফ রুমে বসে আমার কলিগ সবাই মিলে জম্পেস আড্ডা দিচ্ছিলাম লাঞ্চ ব্রেকে...সবাই ব্যস্ত 'ভালেন্টাইন্স ডে' কে কি করবে...বয়ফ্রেন্ড/পার্টনার্/হাসব্যান্ডকে কিভাবে সারপ্রাইজ করবে...wish করবে। আমার শুনতে খুব মজা লাগছিল, এর মধ্যেই নজর পড়ল আমার দু'জন বন্ধু খুব চুপচাপ।দুজনি আমার খুব ভালো কলিগ, একজনের মন কেন খারাপ সেটা আমি জানতাম।ওর নাম কেরোলাইন। ও্রর সমস্যা হচ্ছে ওর এক্স হাসবেন্ড যাকে ও রিসেন্টলি ডিভোর্স করছে ১২ বছর বৈ্বাহিক জীবন অসহনীয় উঠার পর(As he cheated on her 3 times! lol) সে নাকি ফেমিলি প্ল্যান করছে যে মেয়েটার সাথে ওর পরকীয়া চলছিল। আমি বললাম, তাতে তোমার সমস্যা কি? ওর সমস্যা হচ্ছে ওর ৬ বছরের ছেলে নাকি বাপ হারাবে...চিন্তাটা অযৌক্তিক নয়। আরেকজন দেখছি এক মনে নখ নিয়ে খেলা করছে আর চেহারার মধ্যে বিষণ্ণ একটা ছায়া দেখে আমার বেশ খারাপ লাগল। কোনো এক বিশেষ কারণে আমি এই মেয়েটাকে খুব পছন্দ করি।মেয়েটা দেখতে খুব ভাল। বয়স ২৫। আদুরে আদুরে চেহারা। রুমটা একটু ফাঁকা হতেই ওর দিকে প্রশ্ন ভরা দৃষ্টিতে তাকালাম। বলা শুরু করল, প্রত্যেক বছর 'Valentines Day' আসলে নাকি ওর মনের মধ্যে অনেক প্রশ্ন ঘোরপাক খায়...ও বুঝতে পারছেনা বয়ফ্রেন্ডকে ও সত্যি ভালবাসে কি না...এক মুহুর্ত মনে হয় ১০০% কিন্তু মাঝেমধ্যে নাকি ওর মনে হয় ওকি ভুল করছে? আমি জিজ্ঞেস করলাম এরকম মনে হওয়ার বিশেষ কোনো কারণ আছে কি? এরন বলল,ওর বয়ফ্রেন্ডের সাথে যখন ওর বয়স মাত্র ১৫ তখন থেকেই জানাশুনা, ২০ বছর হতেই একসাথে থাকা শুরু করল ওরা। যখন ওর গ্রাডুয়েশন শেষ বর্ষ চলছে ...পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত..'.ভ্যালেন্টাইন্স ডে'ও নিকটে। একদিকে পরীক্ষা নিয়ে চিন্তিত অন্যদিকে ' ভ্যালেন্টাইন্স ডে' নিয়ে খুব এক্সসাইটেড। ঠিক তখুনি ওর এক কাজিন এসে বলল ওর বয়ফ্রেন্ডের সাথে নাকি ঐ মেয়েটার(কাজিন) সম্পর্ক গড়ে উঠেছে...এরনকে হুমকি দিচ্ছে ওর রাস্তা থেকে সড়ে যেতে। প্রথমে নাকি বিশ্বাসই করেনি কিন্তু যখন আবিষ্কার করল কথাটা সত্য...তখন নাকি মনে হচ্ছিল ওর পুরো দুনিয়া অন্ধকার। পড়াশুনা আর কমপ্লিট করতে পারল না ডিপ্রেশনে চলে যাওয়ার কারণে। এক সপ্তাহ পরি 'ভ্যালেন্টাইন্স ডে' ছিল...কিন্তু ওর সব কিছু বিষাক্ত মনে হচ্ছিল...এরি মধ্যে ও আলাদা ঘরে মুভ করেছে কোনো এক বন্ধুর সাথে। মাসের ভেতর ছেলেটা নাকি ভুল বুঝা শুরু করল। ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগল। পার্সেল করে ফুল পাঠানো শুরু করল প্রতিদিন। ওর মনটাও গলতে শুরু করল। বন্ধুরা অনেক বুঝালো কিন্তু কারো কথায় কান না দিয়ে ছেলেটার সাথে আবার এক হয়ে গেল।ইংলিশ একটা মেয়ে হয়ে সহজে একটা ছেলেকে মাফ করে দেয়া তার উপর ১০ বছর ধরে এক জনের সাথে এরকম কমিটমেন্ট আজকাল খুব বিরল। এক সাথে আছে তারপরও নাকি ওর মধ্যে একটা ভয় কাজ করে... আবার যদি এরকম হয় তখন তো নিজেকে দোষ দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। আমাদের সবার পশ্চাত্যের লো্কজনকে নিয়ে একটা বিরুপ মনো্ভাব দেখি। সবাই একরকম নয়। ওদেরও কষ্ট হয়, খারাপ লাগে সম্পর্ক ছিন্ন হলে...তফাত শুধু এইটাই এরা সহজে মানিয়ে নেয় নিজেকে। কেউ কেউ আবার দেখি স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পরও বন্ধুর মতো থাকে...বাচ্ছাদের খাতিরে আসা-যাওয়া করে। আমার আরেক কলিগ জেইন(৬৫ বছর) তিন বার বিয়ে করে ৬টা বাচ্ছা...এখন ওর কোনো নাতির জন্মদিন হলে নাকি সব কটা এক্স হাসবেণ্ড একসাথে পার্টি দেয়। আমিতো প্রথম শুনে হতভম্ব।কোনো রকম বললাম ৩ বিয়ে!!!??? জেইন আমাকে বলল, ও বিবাহে বিশ্বাসী। এই কথা শুনে আর কথা বাড়ালামনা
এদের সমাজ আর মন-মানসিকতা দু'টাই খুব উদার।আমাদের সমাজে এটা খুবি বিরল। সিঙ্গেল পেরেন্টসদের ওরা অনেক রেস্পেক্ট করে। আমাদের সমাজে একটা মেয়ে যদি বিধবা বা ডিভর্সী হয় তাহলে এই মেয়েটার জীবন কিভাবে অতীষ্ট করা যায় সেই কুচিন্তায় কিছু কিছু মুখোশধারী ব্যস্ত থাকে...ফতুয়া জারী করবে...মেয়েদের উপর আঙ্গুল উঠবেই মেয়েটা দোষী হোক অথবা নির্দোষ ...পুরুষের সাত খুনই মাফ... অনেক আধুনিক শিক্ষিত মানুষকে দেখলাম...মুখে বড় বড় ডায়লগ। কিন্তু মন-মানসিকতা একদমি উদার নয়। শিক্ষিত কাউকে কুসংস্কার আর লো্কভয়/লো্কলজ্জ্বা নিয়ে মাথা ঘামাতে দেখলে ধাক্কা লাগে বৈকি ।এর গভীরে না হয় আজ আর নাই গেলাম...
আরেকটা জিনিস আমি লক্ষ্য করলাম,আমাদের সমাজে সব সময় একটা ছেলেই কেন মেয়েকে প্রপজ করবে? একটা মেয়ে কেন তার ভাল্ লাগার কথা মুখ ফুটে বলতে পারেনা?এরকম অনেক মেয়ে আছে সারা জীবন ধুকে ধুকে মিথ্যে একটা জীবন কাটিয়েছে...কাউকে হয়ত ভালো লেগেছিল কিন্তু লোকলজ্জ্বার ভয়ে কোনো্দিন 'ভালবাসি' বলতে পারেনি। হয়তো এই ভয়ও কাজ করত পাছে রিজেক্ট হয়ে যায়..... মন ভাঙ্গার সাথে সাথে আবার না অপমানবো্ধও কাজ করে... ছেলে প্রপজ করলে 'বাপকা বেটা' আর একটা মেয়ে প্রপজ করলে সমাজ কোন দৃষ্টিতে দেখে? শব্দটা ইউজ করতে ইচ্ছে করছেনা...সমাজের এত ডিস্ক্রিমিনেশন কি কোনো্দিন দূর হবে না? 
'Valentines day' নিয়ে আমার একটা মজার স্মৃতি মনে পড়ল। কলেজ লাইফে আমার একটা কাজিন আমাকে খুব করে ধরল ওর জন্য একটা ভেলেন্টাইন্স কার্ড কিনতে...ওর ভালো্বাসার মানুষকে দিবে...আমি বুঝতে পারিনি কাজটা এত কঠিন আর বিপদজনক হবে, আমার প্রিয় বান্ধবী তানিয়াকে নিয়ে এই কুকর্মটি করতে গিয়েছিলাম...কুকর্ম বলছি এই কারণে এটা নিয়ে আমাকে অনেক মাশুল দিতে হয়েছিল।কার্ডটা হাতে নিতেই দোকানদার (handsome
আমার দিকে সন্দেহভরা দৃষ্টিতে আড়চোখে দেখছিল। হয়ত কিছুটা আশাহতও হয়েছিল কে জানে
।।শুধু তাইনা বাইরে বের হতেই পরিচিত কিছু বন্ধুদের সাথে দেখা। ব্যাগ না থাকায় লুকাতেও পারছিলামনা...কেন জানি আমার হাত কাঁপছিল। তানিয়াতো আমার উপর রেগে আগুন...বলছিল, 'তোর জন্য আজকে পুরা বেজ্জ্বত হব' ...এর মধ্যে এক বন্ধুর চাহনীর মধ্যে কিছু সন্দেহ, কিছু দুষ্টুভরা হাসি দেখে নিজ থেকে সাফাই দিচ্ছিলাম...'মানে এটা আমার না, আমার কাজিনের জন্য কিনেছি' । জানিনা আমার কথা ঐ বন্ধুর কাছে কতোটুকু বিশ্স্বাসযোগ্য হয়েছিল কিন্তু আজকে আমার ঐ দু'জন কাজিনকে একসাথে দেখলে মনটাই ভাল হয়ে যায়। মাশা'আল্লাহ এখন ওরা বিয়ে-শাদী করে অনেক সুখে আছে।যাকে বলে সফল প্রেমের সমাপ্তি! 
এরকম অনেক টুকরো স্মৃতি আমার নিজেরও আছে যেটা প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক
...ভালো স্মৃতির সাথে অনেক খারাপ স্মৃতি ও আছে...''ভালো স্মৃতি যেভাবে আনন্দ দেয় ঠিক তেমনি খারাপ স্মৃতি অনেক পীড়াও দেয়...''
'ভালবাসা ' 'মন্দভাষা' নিয়ে আজ অনেক বকবক করলাম। আর বেশী বকলে কানে তালা লেগে যাওয়ার আশঙ্কা আছে
সবার জন্য ভালো কিছু উইশ করে আজকের মত চুপ করছি
............
A Valentines wish for you all..
''Find someone who isn't afraid to admit that they are in love with you ...they miss you when you are not around. Someone who knows that you're not perfect, but treats you as if you are. Someone whose biggest fear is losing you. One who gives their heart completely অ্যান্ড loves you dearly.. Someone who loves you, who admires you..who trusts you..who take cares of you..who gives you shelter and comfort ..who stands side by you in your difficult times.. ~ Last but not the least, find someone who wouldn't mind waking up with you in the morning, seeing your wrinkles and you grey hair but still falls in love with you all over again!'' 





শেষের প্যারাটা খুবই সুন্দর কিন্তু তখন সুগার/হার্ট প্রভৃতির সমস্যা শুরু হয়ে যায় বলে লাভে পড়ার মন কি আর থাকেরে ভাই।
আমার কাছে ঈদ, মাদার্স ডে, ভ্যালেন্টাইন্স ডে, এ্যানিভার্সারী, বার্থ ডে, ক্রীসমাস সব হলো গিফট পাওয়ার অকেশন। মাঝে মাঝে আবার দিতেও হয় তখন আবার বুকটা জ্বলে
হিহি।। কথায় আছে, ''কিছু পেতে গেলে কিছু দিতে হয়। এটা দুনিয়ার চিরাচরিত নিয়ম''
'Give and take' formula
আশা করি ভালবাসা দিবসে আপনি অনেক অনেক কার্ড, গিফটস আর শুভেচ্ছা পা্ন! 
লেখাটা খুব ভাল লাগল পড়তে।
আপনার জন্যেও
অননেক অননেক ভালবাসা।
আপনার জন্যও ''ভালোবাসা দিবসে''র অনেক অনেক ভালোবাসা এবং শুভেচ্ছা
শাড়ি নিয়ে একই রকম ঘটনা আমাদের বাসাতেও ঘটে।আব্বার কমলা রঙ খুব পছন্দ।আব্বার শাড়ি কেনা মানেই কমলা রঙ!! আমরা তিন ভাই বোন আম্মাকে রাগানোর একটা খুব ভালো একটা উপলক্ষ্য পাই।
আম্মুকে অবশ্য খ্যাঁপানো যায়না। বরঞ্ছ উনি এটা নিয়ে কথা হলে একটু খুশীই হন
মুচকী হেসে হেসে বলেন, ''তোদের বাপের পছন্দ অনেক ভালো, শুধু কালারটা একটু কটকটে'' 
আপনাকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা :\
আপনাকেও ভালোবাসা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা
তাহার সনেই রহো গো বন্ধু যে তোমারে ঠিকঠিক জানে, করে না তোমার তোলমোল!
নহে তাহার সাথে, যে কিনা বুঝে তোমার মূল্য, হারায় যখন দেখিয়ে নানান ভোল!
আঙ্কেল-আন্টির কাহিনি সবচেয়ে সুইট পার্ট!
সেই তাহারে আজো খুঁজিয়া বেড়াইগো সখি,
যে আমারে ঠিকঠিক জানে
হাসি ফুটায় এই প্রাণে ,
করে না আমার তোলমোল!
তোমার কাছে আছে কি তাহার ঠিকানা যে আমারে করিবে মনভোল !
''আঙ্কেল-আন্টির কাহিনি সবচেয়ে সুইট পার্ট''- কেননা এই পার্টে ভালোবাসার অনেক সুবাস পাওয়া যায়গো সখি
পোষ্টে ব্যাপক লাইক।
ফাল্গুনের শুভেচ্ছা। ভালুবাসা খ্রাপ।ভালু না।
ভালোই বলেছেন
ভালোবাসা আসলেই খারাপ
আঙ্গুর ফল টক আরকি
আপনাকেও ফাল্গুনের শুভেচ্ছা 
মন্তব্য করুন