ইউজার লগইন

অথৈ সাগর'এর ব্লগ

পাইরেটস অফ দা সোমালিয়া । বিগেনিং

?

সোমালিয়ান পাইরেটস । ৫/৬ বছর ধরে মেরিটাইম বিশ্বে একটি ক্যান্সারের নাম । ইউরোপ হয়ে যে সব জাহাজ এশিয়া / মিডল ইস্ট / ফার ইস্ট ট্রেড(বা ভাইস ভারসা) করে তাদের জন্য ব্যাপারটা দিন দিন আতঙ্ক হয়ে উঠছে । নাবিকদের নিরাপত্তা / জাহাজের নিরাপত্তা / পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে জাহাজ মালিকরা শঙ্কিত ।সুয়েজ খালের ব্যাবহার দিন দিন কমছে ।। গালফ অফ এডেন এখন মেরিনারদের কাছে একটি দুঃস্বপ্ন । সবচেয়ে বড় খারাপ সংবাদ হল পাইরেটদের এরিয়া দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশী জাহাজ এম ভি জাহান মনি আটক এবং মিডিয়াতে এর ব্যাপক প্রচার বাংলাদেশী মেরিনারদের পারিবারিক জীবনকেও বিপর্যস্ত করেছে । আগে ব্যাপারটা তেমন কেউ জানত না বা খোঁজ নিত না । কিন্তু এখন সবাই খোঁজ নেয়া শুরু করেছে । জাহাজের উঠার কথা আসলেই সবাই জিজ্ঞাসা করে রুট কোথায় ।

কোলকাতায় প্রথম ভ্রমণ এবং দাদাবাবুদের কীর্তিকাহিনী ।

আমার অনেক দিনের শখ ছিল কোলকাতায় যাবার।শখটা একটু বেশি পরিমাণেই পূর্ণ হয়েছিল।তবে প্রথম বারের কথা এখন ভুলিনি ।কারন প্রতিটি পদে পদে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল ।তারই কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম । যারা প্রথম বারের মত যাবেন তাদের কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

শেয়ার বাজার ধস ! সরকারের উদাসীনতা !! প্রধানমন্ত্রীর নিরাবতা !!!

বেশ কিছুদিন ধরে মনটা অনেক খারাপ । শেয়ার বাজার ধসের পর ধস হচ্ছে । মূলধন প্রায় নাই হয়ে যাচ্ছে । তবে মনটা খারাপ অন্য কারনে । সেটা হল সরকারের উদাসীনতা । সরকারের কোন মহলই মনে হয় না বেপারটা সিরিয়াসলি নিচ্ছে । একটি তদন্ত করে তার রিপোর্ট নিয়ে লুকচুরি করছে । এ যেন মজার একটা বিষয় । অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে কেলেঙ্কারির মহা নায়কদের সরকার শক্তি অর্জন করার সময় দিচ্ছে ।আওয়ামিলিগের আমলে(১৯৭৪) একবার দুর্ভিক্ষ হয়ে ছিল এবং সেই বদনাম তাদেরকে অনেক দিন বয়ে বেরাতে হয়েছে । সবাই বলত আওমীলিগ মানেই দুর্ভিক্ষ । আওমী বিরোধিদের এই কথা থেকে বের হতে তাদের বেশ কস্ট করতে হয়েছিল । অনেক আগের হলেও আবার কথাটি আবার মনে পরল তাদের সমসাময়িক কিছু কার্যকলাপ থেকে । ৯৬ সালের শেয়ার বাজার কেলেংকারীর কথা আশাকরি সবার মনে আছে । কত মানুষ যে নিস্ব হয়েছিল সব কিছু হারিয়ে !

ব্রেকিং নিউজঃ আক্কাস ভাইয়ের ছাগুল মারা যায় নাই। চোখ বাঁধা অবস্থায় .........

আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধির পাঠান প্রতিবেদনে গোপনীয় ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে এইমাত্র আক্কাস ভাইয়ের ছাগুল একটি মাঠের ভিতর থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে । এইসময় তিনি ঘাশ খাচ্ছিলেন । উল্লেখ্য তার চোখ বাঁধা থাকলেও হাত ও পা খোলাছিল ।গত কিছুদিন ধরে এই ছাগুল্টা নিয়ে সর্ব মহলে বেশ কানাঘুশা চলছিল । আক্কাস ভাই দাবি করছেন সাদা পোশাকধারী কিছু গুন্ডা ছাগুল টাকে ধরে নিয়ে যায় । তিনি দাবি করেন হত্যা করে মাংস খাবার উদ্দেশ্যেই তাকে গুম করা হয় । কিন্তু বিশেষ দোয়া দরূদ পড়ায় তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি । জাতীয় ছাগুল কল্যাণ পরিষদ (জাছাকপ) এ ঘটনার তিব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে । তারা বলেছেন এভাবে তাদেরকে দমন করা যাবে না । অপর পক্ষে ছাগুলিগ দাবি করেছেন , যুদ্ধআপ্রাধিদের বাঁচাতে আক্কাস বাই ষড়যন্ত্র মূলক নিজেই নিজের ছাগুল্কে গুম করিয়েছেন । এব্যাপারে তারা বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান।

একটি সেফ হোমের আত্নকাহীনি (সকল বিবেকবান ব্লগার ভাই বোনের কাছে সেফ হোমের আকুল মিনতি !)

আমি একটি সেফ হোম । মানে নিরাপদ বাসা । আগে অনেকে মজা করে “ লিটনের ফ্লাট” বলেও ডাকত । আমি আধুনিক মনের আধিকারি । মানুষের প্রাইভেসি কঠর ভাবে নিয়ন্ত্রন করি । অনেক লেখক/কবি/রাজনিতিবিদের উত্থান আমার সেফ হোম থেকেই ।ব্ড়লকের উঠতি বয়সের মাইয়া পোলারা আমার বাসায় নিরাপদে আরাম আয়েশে গা ভাসিয়েছে । ডি জে পার্টিও হয় মাঝে মধ্যে । মধ্যরাত পর্যন্ত নাচানাচি/খানাপিনা কত মজা । তার পর কি হয় তা আমার নীতিগত কারনে বলতে পারছিনা । আমি অনেক গোপন রাজনৈতিক মিটিং এর স্বাক্ষি । কত কিছিমের লোকজন যে আছে দুনিয়ায় । এরা দিনের বেলায় একে অপরকে গালাগালি করে আর রাতে একসাথে সুরা পান করে । অনেকেই আমার নাম প্রথম শুনলেন , কিন্তু আমি অনেক আগে থেকেই বিখ্যাত । সন্ধ্যার সময় উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এখানে মিটিং করেন । ডেভলপাররা তাদের বাড়ির ডিজাইন এখান থেকেই পাশ করিয়ে নেয় । অনেক কাস্টম ক্লিয়ারেস্ন এখান থেকেই ইস্যু হয় । অনেক ছুড ছুড মাইয়া

"আমার আমি"

খুব ছোট বেলায় বাবার উপর বেজায় রাগ ছিল । অভিযোগ অনেক । খেলতে দেয় না , সব কার্টুন দেখতে দেয় না আরো কত কি ? কিন্তু এখন ভাবি কি বোকাই না ছিলাম । প্রথম যখন কম্পিউটার দেখি আবাক হয়ে দেকতাম মনিটর টাকে ।ভাবতাম কি জিনিস বানাইছে আল্লাহ্ ।কিছুদিন পরে বুজলাম আসলে কীবোর্ড টাই হলো কম্পিউটার ।অনেক দিন পর এক বড় ভাই বললেন নিচের বক্সটা হলো CPU এবং আসল কম্পিউটার ।এই ধারোনাটা বহন করেছি অনেক বছর। এখনো মনে পড়ে ১৯৯৮ সালে বাসে করে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা আসছি এসি বাসে । আমার বাম পাসে এক ছাত্র যাচ্ছে । তার কোলে তাওল পেচানো একটি বস্তু ।তার এক সঙ্গি ড্রাইভারকে বলছে ভাই আমরা একটা হার্ডডিস্ক নিয়ে যাচ্ছি গাড়ি যেন বেশি লাফালাফি না করে । ঐ সময়েতো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম ছারা কম্পিউটার চিন্তাই করা যেত না । আর সেই রুমে যেতে হবে খালি পায় ।আর কম্পিউটার কেনার আগে বাসায় এসি অবশ্যই লাগাতে হবে।