আই ফট্ এগেইন্সড্ ফ্রিডম ফাইটারস্
বউ এর অনেক বলাবলিতে শেষে রাজী হলো লী। বউকে নিয়ে হালকা শপিংএ গেলো। হাজার হলেও লী নতুন চাকরি পেয়েছে! সেল্ফে সেল্ফে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ ফোন আসে লীর ফোনে। প্রায় দেড় মাস আগে এক অফিসে ইন্টারভিউ দিয়েছিলো লী। সেখান থেকেই ফোন আসে। ওরা ফোনেই লীকে জব অফার দিলো। আর এও বলে দিলো যে, লী যতো বেতন চেয়েছিলো তাতেই রাজী। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। লীতো মাত্র দুদিন হলো সাইন করেছে আরেক অফিসে। লী কেন জানি ফোনে বলতে পারলো না যে সে জয়েন করতে পারবে না। ফোনেই জানতে পারলো যে পারের দিন সরাসরি এম.ডি-র সাথে সাক্ষাত হবে। লী ভাবলো, এম.ডির সাথে সাক্ষাতেই জানিয়ে দেবে জয়েন না করতে পারার অপারগতার কথা।
পরের দিন:
- এই যে লী আসো, বসো।
- আস্সালামু আলাইকুম স্যার।
- ওয়ালাইকুম সালাম, বসো।
- স্যার কেমন আছেন?
- ভালো, বেশ ভালো আছি। লী, তোমার সাথে আমার দেখা হয়নি। সেদিন তুমি আমার ছেলের কাছে ইন্টারভিউ দিয়েছো। আর এ হলো আমার ছোট ভাই আর ও ওর বউ। আমরা সবাই মিলেই কম্পানীটা চালাচ্ছি। আমি গত সপ্তাহেই ইউ.এস. থেকে এসেছি আর ওরা এসেছে গতকাল।
- (পরিচয় পর্ব শেষ হতেই লী কিছুটা কাচুমাচু করে বলে), কিছু মনে করবেন না স্যার। আমি গতকাল ফোনেই বলতে পারতাম কিন্তু ভাবলাম আপনাকে একটু দেখাও করি আর কথাটাও জানিয়ে দেই।
- কি কথা লী?
- (লী খুব বিনয়ের সাথে) স্যার, আমি জয়েন করতে পারছিনা কারন মাত্র তিন দিন হলো আমি জয়েন করে ফেলেছি আরেক জায়গায়। স্যার, আপনারা একটু বেশীই দেরি করে ফেলেছেন আমাকে জব অফার দিতে। আর আমি ধরেই নিয়েছি আমাকে আপনারা পছন্দ করেননি।
- কি বলছো লী! এটা হতেই পারেনা। মাছের বাজারে যখন একজন মাছের দাম বলে, তখন আরেকজন তার দাম বলতে পারেনা।
- (লী কয়েক সেকেন্ডের জন্য বুঝতে পারেনা কথাটার মানে। কিন্তু যেই বুঝে আসলো, অমিন লীর মেজাজটা গরম হয়ে যায়! একজন এম.ডি. কেমন করে আমাকে মাছের সাথে তুলনা করে, লী ভাবে মনে মনে! তারপরও বিনয়ী হয়ে হালকা হাসি মুখে লী বলে), সরি স্যার, আমি সত্যিই আরেক জায়গায় সাইন করে ফেলেছি আর আমি নন্ প্রোফেশনাল হতে চাইনা।
- এটা হয়না লী, এটা হতে পারেনা। লী, ওরা তোমাকে কতো বেতন অফার করেছে? আমি ওদের চাইতে ৫ হাজার বেশী দিলাম। বলো লী, কতো বেতন দেবে ওরা তোমাকে?
- (লী তখনও বিনয়ী হয়ে) স্যার, ওসব আলোচনা করে আর কি লাভ?
- লী, ওরা কি তোমাকে একটা ঈদ বোনাস দেবে? আমি দেবো দুইটা ঈদ বোনাস।
- স্যার, থাকনা এই সব।
- না লী, এটা হতেই পারেনা। আচ্ছা বলো, ওরা কি তোমার লাইফ্ ইন্স্যুরেন্স দেবে? আমি তোমার লাইফ ইন্স্যুরেন্স করে দেবো। আমার অফিসে তোমার কোন ক্ষতি হলে কয়েক লাখ টাকা পাবে তোমার ফ্যামেলি।
- (লীর জীবনে এই ধরনের পরিস্থিতি আগে ঘটেনি। বিনয়ী হয়ে বলে,) স্যার প্লীজ্ আমাকে ক্ষমা করেন। স্যার আপনারা কি একটু বেশীই দেরি করে ফেলেছেন না আমার সাথে যোগাযোগ করতে? যেদিন মাইকেলের সাথে ফোন ইন্টারভিউ দিলাম সেদিন আপনার ছেলে বললো ম্যাক্সিমাম্ দুই সপ্তাহের মধ্যেই রেজাল্ট জানাবে। কিন্তু দেখেন আপনারা এক মাসেরো বেশি সময় নিয়েছেন।
- দেখো লী, আসলে আমরা একটু সমস্যায় ছিলাম। আরে তোমার চাকরিতো সেদিনি কনফার্ম, যেদিন ইন্টারভিউ দিয়েছিলে। ফোনে তুমি আর মাইকেল প্রায় ১ ঘন্টা কথা বলেছিলে, তাই না? আমি ইউ.এস. থেকে সব শুনেছি। তুমি জানো লী, আমি শুধু তোমার জয়েন করার জন্য ইউ.এস. থেকে এসেছি এবার। আসলে মাইকেল আমাকে আগেই বলে দিয়েছিলো কিন্তু আমার ছেলেটা এতো ব্যাস্ত ছিলো...
- (কিছুক্ষণ নিরবতা, তারপর লী আবার বলে,) স্যার থাক সেসব কথা। আজ আমি তবে উঠি স্যার।
- লী, আমি ওদের চাইতে ১০ হাজার বেশী দেবো তোমাকে। তোমার মতো একজন আমার কম্পানীতে অনেক প্রোডাক্টিভ্ হতে পারবে। আর তুমিতো সরাসরি সিনিয়র পদে যাচ্ছো। (অবচেতন মনে লী বর্তমান স্যালারির সাথে ১০ হাজার যোগ দেয়, যোগ দেয় দুটি ঈদ বোনাস আর জীবন বীমা। যোগ দিতে দিতেই এম.ডি. বলে,) যাও ১৫ হাজার বেশি দেবো। ওরা তোমাকে কতো দেবে?
- (লী ভাবে, বাহ্, আমি কতোতে সাইন করেছি সেটা না জেনেই ৫ থেকে ১০, ১০ থেকে ১৫ বাড়িয়ে দিলো! কিন্তু ভাবতে ভাবতেই লী বলে,) সরি স্যার আমি যদি কমিটমেন্ট না দিতাম তবে এই ধরনের আলোচনা হতোনা। কিন্তু স্যার আজকে আমাকে উঠতেই হয়।
এভাবেই লী আর এম.ডি.-র কথা চলছিলো। ঐ ঘরে যে আরো দুজন ছিলো সেটা এতোক্ষনে বিন্দুমাত্র টের পাওয়া যায়নি। মানে উনারা কথাই বলেনি। তো, লী যখন উঠে যাবে যাবে, হঠাৎ:
- লী, তুমি কি জানো আমি তোমাকে আরেকটা কারনে খুব পছন্দ করেছি।
- (লী উৎসুক হয়ে,) কি কারন স্যার?
- তুমি রাজশাহীর ছেলে না?
- জ্বী স্যার।
- আমি রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে লেখা পড়া করেছি।
- তাই স্যার!? আমার আব্বুও ওখান থেকেই মাষ্টার্স করেছেন।
- তাই নাকি লী? তাহলে তো আর কোন কথাই থাকেনা। লী, তুমি জয়েন করছো আজি। তোমার আব্বু কোন সাবজেক্টে ছিলেন?
- স্যার, উনি সোসাল ওয়ার্কের একদম প্রথম ব্যাচ্।
- তাই? আমি মনে হয় তোমার আব্বুকে চিনতে পারবো। কি নাম উনার?
- স্যার আমার আব্বুর নাম শাফিউদ্দিন।
- একদম ঠিক, আমি চিনেছি! শাফিউদ্দিনকে আমি চিনেছি। তোমার আব্বুকে আমি চিনেছি লী। সো, লী, তুমি অবশ্যই আজ জয়েন করছো।
- (লী একবার ভাবে আসলেই কি এম.ডি. তার আব্বুকে চিনতে পেরেছে?) স্যার, আরোতো শাফিউদ্দন থাকতে পারে। আমার আব্বু কিন্তু নিয়মিত খেলা ধুলা করতেন।
- (এম.ডি আরো তিনগুন উল্লাসে) ও হ্যা, এখন আমি নিশ্চিত তোমার আব্বুকে চিনেছি! উনি উঁচা লম্বা, সুঠাম দেহ, তাই না? তো, লী, আর কোন কথা নয়। তুমি জয়েন করার জন্য রাজী হয়ে যাও আর তোমার আব্বুকে সুখবরটা দাও যে তারই এক বন্ধুর কম্পানীতে কাজ করতে যাচ্ছো তুমি।
- (লী আবারো ভাবে, আসলেই কি ওর আব্বুকে এম.ডি. চিনতে পেরেছে? একটু বেশী শিওর হবার জন্য লী বলে,) স্যার আমার আব্বু ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা।
- (সম্ভবত এম.ডি. একটু অন্যমনষ্ক ছিলো,) উম্ কি বললে লী, What was he?
- Sir, my father was a freedom fighter.
- (লীর কথা শেষ হবার সাথে সাথে এম.ডি. বলে,) Oh! he was a freedom fighter? I FOUGHT AGAINST FREEDOM FIGHTERS.
পিনড্রপ সাইলেন্স সম্ভবত একেই বলে। চারজন রুমে বসা, একটু আগেও কথার পিঠে কথা চলছিলো, মাছের বাজারের দরদাম চলছিলো, নিলামে উঠেছিলো লী বেতন। সেই রুমে এখন প্রায় ১০-১৫ সেকেন্ড একদম পিনড্রপ সাইলেন্স। কারো মুখে বিন্দুমাত্র কথা নেই। লীর গায়ের রোম খাড়া হয়ে যায়। শরীরটা বন্ধ হয়ে যায়। শুধু চোখের মনিদুটো নড়াতে পারছিলো। আস্তে করে এম.ডি-র ভাই ও ভাই বউ এর দিকে তাকায়, মাথা না ঘুরিয়েই। ওদের ফেসিয়্যাল এক্সপ্রেশনে লী ষ্পষ্ট বুঝে যায় যে কথাটা একদম ১০০ ভাগ সত্য, he fought against freedom fighters. ওদের দুজনের ফেসিয়াল এক্সপ্রেশনে এটা বোঝাই যাচ্ছিলো যে ওরা দুজন ভাবছিলো, "ভাইজান এই কথাটা এভাবে বলে দিলো!"
লীর বয়স তখনও কম। জীবনে কোন রাজাকরকে ৩-৪ ফুট কাছে থেকে দেখেনি লী। কি করা উচিত আর কি উচিত নয় বুঝে আসছিলো না লীর। লী যেই বলতে গিয়েছে 'আমি উঠি' অমনি রাজাকারটা বলে, "তো লী, চিন্তা ভাবনার কিছু নাই, তুমি জয়েন করো। আর তোমার আব্বুকে আমার কথা বলবা, উনি নিশ্চই চিনবেন আমাকে।" এতোক্ষন খুব সাবলীল গতিতেই কথা বলছিলো রাজাকারটা কিন্তু এই শেষ কথাগুলির পুরোটাই আমতা আমতা করে বললো। লী আর কোন কথা না বাড়িয়ে সোজা বের হয়ে আসে লিফ্টের কাছে। লিফ্ট অনেক দুরে আছে দেখে, ৯ তলা থেকে সোজা হেঁটে নেমে যায় দ্রুত গতিতে।
লীর বাবার কাছে পুরো ঘটনাটি বলে কিন্তু ওর বাবা রাজাকারটাকে চিন্তে পারেনি। শেষে মাইকেলের কাছে একটা মেইল করে লী। মেইলে লী তুলে ধরে পুরো ঘটনাটি আর শেষে তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধ আর রাজাকারের ভুমিকা। মাইকেল খুবই অনুতপ্ত হয়েছিলো।





part-1 এ অনেক দূর্বলতা ছিলো, আপনাদের পরামর্শে সেটাকে গুছিয়ে একসাথে দিলাম।
আমার জানামতে রাজশাহী ইউনি তে এই সাবজেক্ট নাই। আর গল্পের চরিত্রগুলোর নাম লী,মাইকেল কেন? মুক্তিযুদ্ধ ট্যাগ দিয়ে যখন কিছু লিখছেন তখন আমার মনে হয় আরেকটু সতর্ক আরেকটু যত্নবান হওয়া উচিত ছিলো।
সত্যিই সরি। 'সোসাল ওয়ার্ক' না লিখে 'ওয়েলফেয়ার' ভুল করেই লিখেছি। আর মাইকেল আসলেই মাইকেল। যার সাথে 'লী'র ইন্টারভিউ হয় ফোনে। 'লী' আমারি একটা সংক্ষিপ্ত নাম। 'শিবলী' থেকে 'লী'। আপনাদের সকলের মন্তব্য আমাকে যত্নবান হতে সাহায্য করলো।
part-1 এ অনেক দূর্বলতা থাকলেও সেখানে ছিল অনেক বেশি রহস্যের হাতছানী, পাঠকদের পরামর্শে সেটাকে গুছিয়ে একসাথে করে দিতে যেয়ে গল্পের মৌলিকত্ব বিঘ্নিত হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে।
আসলে আমিতো আর নিয়মিত লেখক নই, তাই এমন হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। আর 'আমরা বন্ধু' -র মতো ব্লগ এই প্রথম পেলাম যেখানে সুন্দর সমালোচনা পাই। আশা করি ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
শিবলী মেহেদী, আপনার ব্যাটে বলে ঠিক কুলিয়ে উঠছে না বলে মনে হচ্ছে। আপনি আগে এমএস ওয়ার্ড এ লিখে বেশ ক'বার রিভিউ করুন। তাড়াহুড়োয় আধাখেচড়া হয়ে যায়।
বকলম হয়ে বড় কথা বলে ফেললাম। ভাল থাকবেন।
পরামর্শ অনুযায়ী পরের লেখাগুলিতে যত্নবান হবো।
শিবলী দা, পুরাটা দুইবার পড়লাম। কি বলব বুঝতে পারছি না। ইংরেজী শিরোনাম কেন?
আমার মনে হয় আপনাকে আরো সতর্ক হয়ে পোষ্ট করতে হবে। পাবলিক একবার সীল মেরে দিলে উঠাতে অনেক সময় লাগবে।
হালকা চিন্তা করে লিখুন। কুল.।।
প্রথম পাতা থেকে আগের লিখাটা সরিয়ে দিন। ভাল দেখাচ্ছে না।
সরিয়ে ফেলেছি ভাইয়া।
সাহাদাত ভাইয়া, আমারো মনে হচ্ছে একই অনুভুতি হয়েছে। আরো সময়, আরো যত্নবান, আরো ধীরেই এগোবো। আপনাদের সকলের ধৈর্য্যশীর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
শিবলী ভাই, আপনার পোষ্টে কিন্তু এখনো বাঘা বাঘা ব্গ্লারা মন্তব্য করছে না। আপনাকে তারা দেখছে। আমি আপনার সব পোষ্ট পড়ে আসছি। এমন কিছু কেহ লিখে দিতে পারে যাতে আপনার মন খারাপ হতে পারে, তাই সব্ধানে চলতে হবে (হা হা হা)।
আপনাকে নিয়ে আমি একটা গর্ব করতে চাই।
সাহাদাত ভাইয়া, আসলে আমরা বন্ধুতে আমার শুরুটাই একটু নড়বড়ে অবস্থায় শুরু হয়ে যায় বলেই হয়তো আমার এই অবস্থা। আশা করি আপনার আশা পূরন হবে।
চিন্তার কিছু নাই। ফাইট করেই টিকে যেতে হবে। হা হা হা .। শুভেচ্ছা।
আপনার আন্তরিকতায় নবাগতরা উৎসাহিত হয় । আপনার হৃদ্যতায় তারা মুগ্ধ হয় । 'আমরা বন্ধু'র সফলতায় আপনার অবদান অসামান্য । অভিনন্দন সাহাদাত উদরাজী ।
হুদা ভাই, বেহুদা কথা বলবেন না। আমরা বন্ধুর আমি কে?
অনেকদিন আপনাকে দেখি না, আসুন না একদিন - কফি চলবে।
আপনি কে মানে? আপনি সাহাদত উদরাজী।আমার এবং আরো অনেকের কাকা।
কাকার কি আজ মাথা গরম নাকি?মতিঝিলে কত গেছে??

রাসেল আশরাফ জবাব দিয়েছে, আমি তাই চুপ ।
আজ সন্ধ্যায় আছেন ?
@হুদা ভাই, আছি চলে আসেন।
@কাকা, অনেক টাকা লস করলাম, মুল ধনে ফিরে আসা আর কোন দিন সম্ভব কিনা কে জানে। মনে অনেক দুঃখ।
রাত হয়ে গেল, আজ আর নয় ।
লেখাটা আমার ভাল লাগে নাই।
তবে কারো ভাল লাগায় গুরুত্ব দিবেন না। এমন কিছু লিখবেন যেটা নিজের পড়তে ভাল লাগে। আজকে ভাল লাগে, এবং দুদিন পরেও লাগবে।
সুন্দর গল্প। ঝরঝরে লেখা। শুরুতে একটু বিভ্রান্ত ছিলাম, বিদেশী পটভূমির কোন গল্প ভেবে। পাঠক মনে এই বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যে চরিত্রের নামগুলোই দায়ী। তবুও হৃদয় ছুঁয়ে গেলো।
পড়লাম।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাকে গড়ে নেবার জন্য। আমি আশা করছি অনেকটা শুধরে নিতে পারছি।
লেখা নিয়ে একটা ছোট্ট কথা। রাজাকারদের বিচার হয়না বলেই হয়তো আজো ওরা বুক ফুলিয়ে দেশের মাটিতে পা রেখেও বলতে পারে, "আই ফট্ এগেইন্সড্ ফ্রিডম ফাইটারস্"
মন্তব্য করুন