ইউজার লগইন

সুমন মজুমদার'এর ব্লগ

বেহায়া শৈশব

শৈশবের কাঁটাচামচ চাদরে আটকে আছে শীত
তাই আমি প্রাণপনে জড়িয়েছি বড় হওয়ার এই ওম কাঁথা
রোদ পোহাবো, মন পোহাবো, মুখ ঘষবো সোঁদা সোঁদা আবেগে
দোলনা দুলেছে সেই কতকাল আগে...
ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু মনে নেই, মনে নেই
মনে নেই, ফেলে আসা মাটি, উপড়ে ফেলা শিকড়
মায়ের ঘাম গন্ধ, বাবার আঙুল খেলা
এখন আমার কেবল মনে আছে
ফাঁকফোকড়, ভোঁ ঘুড্ডি মুখ থ্যাঁতলানো হাসি
ও শৈশব, যেদিন ছেড়ে গেছি তোমায়
সেদিনই লেগেছে তারুণ্যের তপ্ত রোদ
তবু আজ এই মরা গধূলীতে দাঁড়িয়ে
আমি কেবল ভুলতে চাইছি ছেলেবেলা
তবু যায় না....বেহায়া শৈশব..
আমার মুখে লেগে থাকা দুধেল গন্ধ যায় না।।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র: আন্তর্জাতিক দায় ও দায়িত্ব

সুন্দরবন যেমন ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ তেমনি এটি একটি রামসার সাইট। তাই বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ এই বনকে রক্ষা করা যেমন দেশের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব তেমনি এর প্রতি দায় রয়েছে বিশ্বের সকল সচেতন মানুষের। তবু এই বন উজাড় ও পরিবেশ দূষণের হুমকি উপেক্ষা করে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে সুন্দরবন এলাকায় প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অথচ ইআইএ () প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রস্তাবিত রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যদিও সরকার নির্ধারিত সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিলোমিটার পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ (ইসিএ) থেকে চার কিলোমিটার বাইরে বলে নিরাপদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু জিআইএস সফটওয়্যার দিয়ে মেপে দেখা যায়, এই দূরত্ব সর্বনিম্ন ৯ কিলোমিটার হতে সর্বোচ্চ ১৩ কিলোমিটার।

ইবলিশ

মাঝে মাঝে ইবলিশের মতো অহঙ্কার হয় আমার
মাঝে মাঝে কাউকে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করে ধ্বংসের দিকে
যখন যে যেভাবে পারে পালায় চারদিক
তখন আমার অসভ্য অহঙ্কার সুরঙ্গ খোঁড়ে
আমি হামাগুঁড়ি দিয়ে এগুই সাপের মতো....
লকলকে নরকের মতো...
হীম অন্ধকার রাতের মতো...
অথবা... আগাগোড়া অলক্ষ্য অক্টোপাশ
যে খুবলে নেবে, খামচে নেবে, কামড়ে নেবে
পঙ্কিল তবু পবিত্র এই প্রাণ........

(২৭.০৭.১৩/কৃতজ্ঞতা: সায়িদ জুবেরী)

নর-নারী (৪র্থ অংশ)

বিখণ্ডকাহন

আমার মা একজন মেয়ে, আমার বাবা একজন ছেলে। আমার বোন হলো মেয়ে, আর আমার ভাই, যে মাঝে মাঝে আমার সামনে এসে চোখ বড় বড় করে নির্বাক তাকিয়ে থাকতো সে একজন ছেলে। কিন্তু আমি তোমার কি হই মা? আমি তোমার কে? নিশুতি রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে মা কাঁদতেন জরিয়ে ধরে আমাকে। বলতেন, তুই আমার সন্তান, কেবলই সন্তান। বাবার মুখে দেখতাম ঘন অন্ধকার। যেন তীব্র কোন আঘাতে ব্যাথায় নীল হয়ে গেছেন।

ভাই বোনদের মত বাইরে খেলতে যেতাম না, এমনকি কোথাও বেড়াতেও না। একটা ঘরই হয়ে গিয়েছিলো আমার পুরো পৃথিবী। এই সব স্মৃতি এখনো মনের কোণে উজ্বল। কিন্তু যেসব স্মৃতি মনে পড়ে না, কেমন ছিলো সেসব! জানি না, জানতে চাইও না। তবু কেন জানতে চাই? আমার জন্ম, প্রথম নাড়ি কাটা, প্রথম চিৎকার, মায়ের চোখের জল, বাবার লজ্জা কেমন ছিলো সেসব?

নর-নারী (৩য় অংশ)

দানব পুরান

নর-নারী (২য় অংশ)

দানব পুরান

নর-নারী

সেই কবে আদীম বিধাতা খেয়ালের বসে লিঙ্গ ভাগ করলেন আমাদের। একটি দানের জন্য। অন্যটি কেবল সেই দান ধারণ করবে তার শরীরে। ক্রমে সেই ধারণকৃত দান জন্ম সাতারের যুদ্ধ শেষে পরিপুষ্ট হয়ে আবার সৃষ্টি হবে নতুন লিঙ্গে। কত সুদীর্ঘকাল এই একই প্রকৃয়া। একঘেয়ে, বিস্ময়হীন আর কান্তিকর। এই নীলাকাশের পৃথিবী, উঁচু ঘন বনস্পতি সৌন্দর্যের আবির বিলায় সে কতকাল! কার জন্য, সবই আমাদের? তাই জন্মই তথাস্তু, জন্মই পূণ্য, জন্মই চীর সত্যের আলোড়ন। তবে মৃত্যু কি মিথ্যা, সে কি কেবলই ক্ষয়? কেবলই জন্মে গড়ে উঠা প্রাণ প্রাচুর্যের কাল ক্ষয়ে ক্ষয়ে লিঙ্গ কি পূর্ণতার অনিবার্য অপচয়! এ সত্যটুকুও প্রাণী এড়ায় কিভাবে? ভুলোমন বসে থাকে আকর্ষর্ণে। জাগতিক আকর্ষণ, প্রেম আর ক্ষুধা। এ ক্ষুধা সর্বগ্রাসী। এক লিঙ্গ বলে যা কিছু ভালো, যা কিছু সুন্দর যা কিছু শক্তি সব আমার চাই। না পেলে ধ্বংশ করবো চারবংশ। গায়ের জোরেই জিতে নিতে চাই সকল দুর্বলতা। অন্য লিঙ্গ কি কেবলই ধারণ করে!

অবরোহন

দেখো আমি গুম হয়ে যাবো একদিন
লাশ হয়ে পড়ে থাকবো কোনো না কোনো অন্ধ কোণে
আবেগেরা যথানিয়ত পৈশাচিক
চোখের রঙ, চাক্ষুস করেছে শ্বাপদেরে
একদিন কবিতায় কবিতায় আমার দরজা ভেঙে
ঠিকই ঢুকে পড়বে কোনও আততায়ী
কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে আমাকে নিয়ে যাবে
গহীন কোনও খাদের ধারে...
মৃত্যুটা যখন হানা দেবে চুরমার আঁধারে
ভাবছি, সেদিন চিনেবো তো তোমায়?
কে তখন দাঁড়িয়ে থেকে নরকে নিয়ে যাবে আমাকে
তুমি নাকি অন্য কেউ
(০৫.০৩.১৩ {c}MNi)

জয় বাংলা

স্লোগানের স্বরলিপি লিখেছে মধ্য আকাশ
স্লোগানের পাঠসূত্র শিখিয়েছে রাতের নিরবতা
এ শহর ঘুমিয়ে গেলে নিয়ম করে
তবু জেগে থাকে স্লোগানের গোখরা
ওরা পাহারা দেয় নদী, সমূদ্র, মাঠ
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গ মাইলের বিপুল নকশিকাঁথা।
ওরা হাঁটে আনাচে কাঁনাচে, ওলিতে গলিতে
ঘাটে, মাঠে ঘাটে, খুপড়ি বস্তিতে
নোংরা আবর্জনায় এমনকি ঠাটবাটের প্রাসাদে
ওরা নিয়ম সেধে রাখে গলা
স্লোগানে সানাতে থাকে ক্ষুরধার
দৃপ্ত চাহনি, সতর্ক দেশপ্রেম
রক্ত, অস্থি, মজ্জা, কালো কালো বৈরি ব্যারিকেড
আর শকুনের জন্য ঘৃণার তীব্র তলোয়ার।
লাখো মানুষ যখন তাদের দিকে তাকিয়ে থাকে নিস্পলক
ধ্বংশের গানের মতো, পদ্মার প্লাবনের মতো
শত্র“র সামনে স্লোগান হীমালয় হয়ে দাঁড়ায় মাথা উঁচু করে
মিলিত কণ্ঠের ঢল আসে-আসে-আসে-ওই আসে----
জয় বাংলা..

(২৭.০২.১৩ {c}MNI)

হে শাহবাগ--দোখো, সৃষ্টির সুরে হবে গান একদিন

শাহবাগের গণ আন্দোলন নিয়ে আমার অনেক বন্ধু, স্বজন ও পরিচিতরা অনেকে অনেক কথা বলেন। কেউ বলছেন এই আন্দোলন সফল, কেউ বলছেন এই আন্দোলন এখন আওয়ামীকরণ হয়ে গেছে, কেউবা এটিকে তারুণ্যের জন্য এক রাজনৈতিক গোলকধাঁধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

অনেকেই এখন প্রশ্ন করছেন, এই আন্দোলনের আসলে গোলটা কী? শুধুই রাজাকারদের ফাঁসি? কাদের মোল্লার ফাঁসি দিলে কিংবা জামায়াত নিষিদ্ধ করলেই যদি আন্দোলন থেমে যায়, তাহলে এই উত্তাল প্রজন্মের উত্তরাধীকার দেশের আর কোন কাজে লাগবে? এই আন্দোলনের আসলে মূল শিক্ষা কী?

কেউ বলছেন, ‘আরে সব সাজানো, আওয়ামী লীগই বিরোধী দরকে ট্রিট করতে এই তরুণদের আবেগকে এখন কাজে লাগাচ্ছে। সরকার যদি না চাইতো তাহলে এই আন্দোলন কখনও সফলই হতে পারতো না।’

আমার ওইসব বন্ধুকে বলি, শাহবাগের আন্দোলন এমনি এমনি একটি জাতিকে নাড়িয়ে দিয়ে যায়নি। ১৯৯০ সালের পর থেকে রাজনীতির যে দুষ্টচক্র বাংলাদেশটাকে খুবলে খামচে খেয়েছে সেই যন্ত্রণার চাক্ষুস সাক্ষী আমরা তরুণেরা।

ও সুবাতাস

সুবাতাস, এপিঠ ওপিঠ বয়ে নাও বাতাবিলেবুর ঘ্রান
কাদা জলে ভিজেছে উন্মাতাল নক্ষত্র ঘর
আজ কবে কোথায় তার গান গেছে মিশে
বুকের খোলা মাঠ, ব্যালকনি কার্নিশে
জানি না, কখনো তার রাখিনি উত্তর।
ও সুবাতাস, উড়ে যাও এমাথা ওমাথা
ক্লান্তিহীন সাদা রঙ হাঁস
তাহার ঠোঁটেতে বয়ে চলে ফসফরাসের ঢেউ
আজন্ম র্তীথ, তেমাথা তিতাস।
সুবাতাস, এ কেমন নিরক্ষ দাগ
জল মিলে যার জানকির পরিণাম
পারমিতার চোখে পৃথিবীর ভূভাগ
আমার হৃদয়ে হেমলক, কালঘাম।
(১০.০১.১৩ {c}MNI)

আজ্ঞাবহ

এখানে নয়, ওইখানে দাড়াও
মাথা, ঘাড়, মুখ যেন না নড়ে এতটুকু
চোখের পলক ফেলাও চলবেনা যখন তখন
সারাদিন এইভাবেই কাটবে প্রত্যহ।
ঘোর প্লাবনেও যেন মন নেচেনা ওঠে
আঁততায়ীর জিহ্বার ছুরি যদি
কলজে কেটে নিতেও চায় – তবুও
সুবোধ বালকের মত নিস্পৃহ থাকবে।
এভাবে নয় বোকা, ওই ভাবে বাঁচো
অন্যরা যেমন বেঁচে থাকে
চোখ দিয়ে যেন জল না পড়ে
সেটা কাপুরুষোচিত
ওহ, কষ্ট পাওয়া চলবে না
বড্ড বেশী ন্যাকামি এসব
অদৃশ্য মিঠাই মন্ডা খেয়ে পেট ভরাও
যদি চিৎকার আসে, তবে টিপে ধরবে গলা।
আর যখনি মনে হবে কিছু নিজের মত করে
নিজের আগ্রহেই নিজে চেয়ে নিও বিচ্ছেদের চাবুক।

( ১৯.১১.১২ {C} mni)

ঋণগ্রস্থ

ধার করে আর কতদিন চলা যায়?
আজ এরকাছে, কাল ওর কাছে
ধার করতে করতে পৃথিবীশুদ্ধ ডুবে গেছি
গলা সমান ঋণে।
কারো কাছ থেকে কথা ধার করি
কারো কাছ থেকে স্বপ্ন
বুনট শব্দের আদর কিংবা আলস্যের স্বরলিপি।
এখন আমার দুনিয়াশুদ্ধ পাওনাদার
তারা তাড়নাবিহীন দৃষ্টিতে
কেবলই আমার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়
পাক্কা কাবুলিওয়ালা সেঁজে ঝুলিভর্তি এগিয়ে দেয়
আগ্রহের সকল রসদ।
আমি বিনাসুদে ধার নেই জল, জনশূন্য পথ
অদ্ভুত সৌকর্যময় জীবনযাপন, আর
এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা
একা একা রাত।
আর করতে করতে আমি ডুবি-ভাসি ঋণের পাথারে
তবু ধার নেই, তবু হাত পেতে চলা
যেন মন্দ্র সমূদ্রের মন্ত্রমুগ্ধ পাড়ে
ওদের ধারের আমি এক চিরস্থায়ী প্রাপক।

(১৯.০৩.১১{c}MNI)

অপেক্ষার ভবিতব্য

অচিরেই পৃথিবীর সকল খবরের কাগজ ভরিয়া যাইবে এই শিরোনামে যে, গতকাল এক স্বপ্নময় প্রত্যুশে আমাদিগের প্রত্যাশা নামক গাছখানা ভরে উঠিয়াছিলো ফুলে ফুলে। ঝাঁকে ঝাঁকে মধুলোভীরা ভিড় করিয়া পান করিয়াছিলো মধুকণিকা। তাই আজিকে এখনো তাহারা মগ্ন প্রত্যাশায়।
অচিরেই পৃথিবীর সকল দেওয়াল ভরিয়া যাইবে এই শিরোনামে যে, কাব্যকথার দৃশ্যরূপ চাই। কবিতার মতো রমনীগণ তাহাদের আলতো হাতে তুলিবে ছন্দের শস্য। তাহার পর চাঁদনি রাতে মগ্ন হইয়া শুনিবে প্রেমের গান। চুল উড়িবে বাতাসে, এলামেলো এলোমেলো।
অচিরেই পৃথিবীর সকল মানুষের হাতে থাকিবে চরকা। বিভিন্ন দলছুট বাতাস তাহাতে ছড়াইবে রঙের ঢেউ। কোনো এক ছোট্ট বালক সে চরকা লইয়া দৌড়াইয়া যাইবে তুলার মতন ভাসিয়া ভাসিয়া। পথ হারাইয়া আঁকাবাঁকা, এইগলি, ওইগলি, ভুলগলি।
অচিরেই পৃথিবীর সকল কবির চোখে নামিবে ঘুম। স্বপ্নের নীল আঁচলে তাহারা দেখিবে তারাদের ক্ষেত। প্রাণ ভরিয়া টানিবে কচুরি পানার ঘ্রাণ। কচি লেবুর মতন গন্ধ দিয়া তাহারা লিখিবে ইতিহাস। গড়িবে শতাব্দীর সবচাইতে সুন্দর ভাস্কর্য।

(১০.০৪.২০০৮)

আহ্বান ও কেমনতর

চোখের সামনে আবার খুলে ধর অমৃত বোতাম
আবার লেখা হোক তোমার আমার মাখামাখি কথা
গন্ধের ফোয়ারা ছুটুক বাতাসে
ততণে আমরা নাহয় হারিয়েই যাবো-
কান্ত অপো ছুঁইছুঁই করছে ঘুম
আমার রক্তে আবার পুরোন উষ্ণতা
সময়েরা ফিরেছে কখন
এখনো প্রয়োজন মনে করিনা একবারও খবর নেয়ার।
চোখের সামনে জাল ফেলেছে ঘুন
ছিনিয়ে নিয়েছে বুকের রক্ত তিলক
তবু আশার ঝাঁপি খুলে, আমি এক
আশাবাদী বেদের মত বাজিয়ে চলেছি বীন
তুমি আসবে, হয়তো আবার খুলে দেবে অমৃত বোতাম
আর আমি নাক-মুখ গুঁজে ঝাঁপ দেব
নন্দন নদীর জলে|

(আহ্বান/১৪।০৮/১৪)

কেমনতর মান অভিমান
বাতাসে পড়েছে ছড়িয়ে অচেনা অসুখ
কেমনতর চলছে ছদ্দবেশ
ঘোমটায় ঢাকা আড়ালে আড়ালে।
নেকাব কেমন কালো আঁধারে ঢাকা
পথেও নেই পাথেয় জনান্তিক
তুমি কি বসে আছ তবে সর্বাধিকে?
লোকালয়, মিছিলে, কুয়াশায়, কুয়াশায়
নাকি অপরিণত যন্ত্রণায়
কোলাহলে, শহুরে কালো ধোঁয়ায়।
কেমনতর আত্মাহুতি
কে চলেছে কোন কোন রাস্তায়
নামতে নামতে, ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে...

({c}mni, ১৪/৮/১২)