ইউজার লগইন

অহনার অজানা যাত্রা (আট)

ভিন দেশে অচেনা পরিবেশে স্বল্প পরিচিত একটা ছেলের সাথে জীবন কাটানো অহনার জন্য সব সময় সোজা ছিলো না। একবার এখানের অনেক কিছু চিনেছি বুঝেছি ভেবে মানসিক যে শক্তি সে অর্জন করতো পর মুর্হূতেই অন্য একটা ঘটনায় সেটা উবে যেতো। আশা নিরাশার দোলায় সে দুলতো সারাবেলা। ছোটখাটো অনেক ঘটনা, যেগুলো বিশ্লেষন করলে কোন যুক্তিতেই হয়তো গুরুতর নয় কিন্তু সেগুলোও সে সময় মনে প্রচন্ড প্রভাব ফেলতে লাগলো। যার কারনে অনেক সময় আপাতঃ সামান্য ব্যাপারেও অহনা অনেক অস্বাভাবিক আর তার স্বভাবের চেয়ে অনেক বেশি রুক্ষ আচরন করে বসতো। একবার অহনা বাসে করে স্কুলে যাচ্ছিলো। বাসে খুব আনমনা ছিলো সে। বাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে নিজের মনে আকাশ পাতাল সব ভেবে যাচ্ছিলো। যখন লক্ষ্য করলো তখন দেখলো বাস এক অজানা জায়গা দিয়ে যাচ্ছে। ভয় পেয়ে অহনা পরের স্টপেজে নেমে, রাস্তার পাশের ফোন বুথ থেকে প্রায় কাঁদতে কাঁদতে অর্নকে ফোন করে বললো, “আমি হারিয়ে গিয়েছি, আমায় নিয়ে যাও।“ অফিসে হঠাৎ অহনার এধরনের ফোন পেয়ে হতবিহ্ববল অর্ন ওকে বার বার জিজ্ঞেস করছিলো, কোথায় তুমি এখন, কোথায়? কোথায় তা কী সে জানে? জানলে আর হারাবে কেনো? অহনা কাঁদতে কাঁদতে বললো, আমি জানি না আমি কোথায় এখন, তুমি এসে আমাকে নিয়ে যাও। এর মধ্যে পয়সা শেষ ফোন কেটে গেলো।

ঠান্ডা বাতাসের মধ্যে শীতের সেই প্রায় অন্ধকার দিনে নির্জন সেই রাস্তায় অহনা দাঁড়িয়ে অনেকক্ষন একা একা কাঁদলো। কেউ নেই তার পাশে। স্ক্যান্ডেনেভিয়ার এই দেশগুলোতে কাজ ছাড়া সাধারণতঃ কেউ বাড়ির বাইরে বের হয় না। বাংলাদেশে যদি বাসস্ট্যান্ডে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদতো নিশ্চয় তাহলে অন্ততঃ দেখার জন্য হলেও দশটা লোক দাঁড়িয়ে পরতো। এখন বিধি বাম আর এখানে বিধিই নেইতো আর তার ডান বাম। একটু পর যখন আর একটা বাস উলটো দিক থেকে ফিরছিল তখন অহনা বাস কাউন্টারে গিয়ে সেই বাসে উঠে পরলো। কার আশায় আর কতোক্ষন দাঁড়িয়ে থাকবে। আধ ঘন্টা পর পর একখানা বাস যায়। এবার বেশ বড় বড় চোখ করে বাইরে তাকিয়ে অহনা হারিয়ে যাওয়ার রহস্যটা আবিস্কার করার চেষ্টা করতে লাগলো। দেখলো তার অসাবধানতায় বাসটা স্কুল ছাড়িয়ে বেশ অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলো এবং জায়গাটা অপরিচিত বলে সে হারাবে কেনো এই লজিক্যাল চিন্তার বদলে অনেক বেশি ভয় পেয়েছিলো। ততোটা ভয় পাওয়ার আসলে কিছু হয়তো ছিলো না। অচেনা দেশ আর নতুন পরিবেশ অকারনেই ভয় খাইয়ে দেয়। এখন আর কি করবে, দেরীতেই স্কুলে ঢুকে, বাকি ক্লাশ করে বাড়িতে এলো সে। এসে দেখলো এন্সারিং মেশিনে বেশ কটি ম্যসেজ জমে আছে। বাটন টিপতেই শুনলো, অর্নের গলা। সে বাড়ি ফিরেছে কীনা তা নিয়ে অর্নের বেশ উদ্বিগ্ন গলা। বাড়ি ফিরেই যেনো ফোন করে জানায় বেশ কবার অর্ন তাকে সে তাগাদা দিয়ে রেখেছে।

ভিন্ন একটা পরিস্থিতি থেকে একা ফিরে এসে ফোনের ম্যাসেজ শুনে অহনার মাথায় রাগ চড়ে গেলো। সে অর্নকে কিছুতেই ফোন করে জানাবে না ঠিক করলো। একটু পরেই আবার ফোন বাজলো। মনে হলো সে বাড়ি ফিরেছে কিনা এটা চেক করার জন্য হয়তো অর্ন ফোন করেছে। তাই সে সারাদিন ফোন ধরবে না এটাও ঠিক করে ফেললো। অহনা এতো কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে পারলে অর্নও যাক কিছু টেনশানের মধ্যে দিয়ে। আর টেনশান না ছাই, সে এতো কাঁদলো কাটলো, অর্ন কি তাকে সাহায্য করতে কিংবা নিতে এলো। এতোক্ষন অহনার মধ্যে যতো ধরনের যুক্তি আর চিন্তা কাজ করছিলো না কেনো, মেশিনে অর্নের গলা পেয়ে সে যুক্তি চিন্তা সব অন্য স্রোতে বইতে শুরু করে দিলো। এতোবড়ো একটা বিপদে পরল সে কিন্তু অর্ন একটু এগিয়েও এলো না? এই ছেলের সাথে তাকে থাকতে হবে? কিছুই না করে তার জন্য, অফিসে বসে আরাম করে টেলিফোনের ফুটানী ঝাড়ছে। বিকেল পর্যন্ত অর্ন ফোন করে করে ক্লান্ত হলো, ম্যসেজের পর ম্যসেজ রাখলো কিন্তু অহনা গোঁজ হয়েই রইলো। সন্ধ্যাবেলা বাড়ি ফিরে অর্ন রেগে গেলো অহনার এই গোয়ার্তুমীর কারনে। তারপরো সে যতোই ব্যাখা করতে লাগলো, হারিয়ে গিয়েছি বলে ফোন রেখে দিলে, সে তাকে কোথায় খুঁজতে যাবে, কিভাবে? অর্ন জানে স্কুল কোথায় কিন্তু বাস রুট সে জানে না। সে জানে ড্রাইভ রুট, দুটো আলাদা।এতো বড়ো শহরের কোন পাশে খুঁজতে বের হবে তার একটা সামান্য ধারনাতো লাগবে নাকি? সারাদিন এতো টেনশান ক্রিয়েট না করে, অর্নকে তার জানানো উচিত ছি্লো সে ঠিকঠাক বাড়ি পৌঁছেছে। অফিসেতো অর্ন খেলতে যায় না, তাকে কুল মাইন্ডে কাজ করতে হয়। একেতো অর্ন কোন সাহায্য করেনি তার ওপর এসে আবার শুরু করেছে রাগারাগি!!!

প্রথমে অহনার হারিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে নীল হওয়ার ধকল, তারপর কোথাও কেউ নেই তাকে সাহায্য করার সেই মানসিক কষ্ট, আর এখন এই রাগারাগি তাকে বিধ্বস্ত করে ফেললো। কার দোষ আর কার না সেটা চিন্তা করার ক্ষমতাও উধাও হলো। সে আশপাশ ভুলে চিৎকার করে মা মা বলে কাঁদতে শুরু করে দিলো। অর্নও যেহেতু অনেক রেগে ছিলো সেও অহনাকে কিছু বলতে এলো না। কাঁদলে কাঁদো টাইপ ভাব। চিৎকার করে কান্নাকাটি করে কিছুক্ষন পর সে নিজে নিজে কিছুটা শান্ত হলো বটে কিন্তু এখানে আমার কেউ নেই। আমি একা, একান্তই একা এই ভাবনার একটা নিষ্ঠুর ছাপ তার মনের মধ্যে পার্মানেন্ট হয়ে গেলো। যা মানসিকভাবে অহনাকে অনেক দুর্বল করে ফেললো। একেইতো বাংলাদেশি সমাজে তার তেমন ঠাঁই নেই তারওপরে হারিয়ে গেলে খুঁজে নিয়ে আসারও কেউ নেই। রান্নাবান্না পুড়ে গেলে নষ্ট হয়ে গেলে অর্নের সোজা হিসেব ফেলে দাও। নতুন করে রাঁধো কিংবা কিনে খেয়ে নিবো এই হলো অর্নের সাহায্য। রান্নাটা ঠিক করে কি করে করতে হবে সেটা বলে দেয়ার মতো কেউ নেই। সংসারের টুকিটাকি ছোটখাটো কোন সমস্যায় আটকে গেলে নির্ভেজাল উপদেশ দিয়ে সাহায্য করবেন তেমন কেউ নেই তার পাশে। নতুন জীবনে তথা এই পুরো পৃথিবীতে সে নিজেকে প্রচন্ড একা মনে করতে লাগলো। আস্তে আস্তে বিষন্নতা গ্রাস করলো। বিষন্নতা মন থেকে শরীরেও প্রবেশ করতে লাগলো।

অহনার প্রায়ই জ্বর হতে লাগলো। ঠিক জ্বর নয় কিন্তু জ্বর জ্বর অনুভূতি, দুর্বল লাগা, ক্ষিধে না থাকা ইত্যাদি। তার গলা থেকে উচ্ছাস, প্রান ঝরে গেলো। টেলিফোনে তার গলার নিষ্প্রান স্বর তার বাবা মাকে দিন দিন উদ্বিগ্ন করতে লাগলো। ডাক্তার বিভিন্ন রকম পরীক্ষা আর ঔষধ দিয়ে নিশ্চিন্ত করলেন এই রোগ আসলে অহনার দেহের নয় মনের। সে প্রচন্ড হোম সিকনেসে ভুগছে। সে সুস্থ না হলে তাকে বিষন্নতার ঔষধ দেয়া হবে। এভাবে বেশ কয়েক মাস চললো। আবেগী অহনার মনে আবেগ আসতে সময় নেয় না কিন্তু যেতে অনেক সময় নেয়। কিন্তু তারপরো এক সময় সংসারের নানান কাজে, চাপে, উৎসবে অহনা মনের গ্লানি ভুলে আবার সামনের দিকে তাকাতে শুরু করলো। সময় হলো মহাষৌধ যা তার নিয়মে অনেক কিছুকে ম্লান করে দেয়। আপাতত ভাবি ভুলিয়ে দেয় কিংবা কষ্ট কমিয়ে দেয়। আসলে হয়তো তা নয়। কষ্ট আগেরটাই থাকে শুধু সহ্য শক্তি বেড়ে যায়। কিছু কিছু ধাক্কা মানুষকে অনেক সময় কিছুটা শক্ত করে তুলে। আরো অনেকেই এই পৃথিবীতে একা বেঁচে আছেন, বেশ লড়াই করে, শক্তভাবে সুন্দর ভাবে বেঁচে আছেন, আমাকেও থাকতে হবে এ কথাটা মনে মনে অনেকভাবে আওরে নিজেকে শক্তি দিতে চাইতো সে। কখনো কখনো তাতে কিছুটা শক্তি মনে সঞ্চয় হতোও বটে। কিন্তু ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে সরাসরি তারাহীন সেই নিকষ কালো আকাশের দিকে তাকালে বুক ফেঁটে একটা আর্তনাদ বেড়িয়ে আসতো, সব শক্তি উবে যেতো শুধু মনে হতো “একা আমি এতো দূরে, আমার নিজের পৃথিবী ছেড়ে।“

তানবীরা
০৩.১২.২০১০।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে সরাসরি তারাহীন সেই নিকষ কালো আকাশের দিকে তাকালে বুক ফেঁটে একটা আর্তনাদ বেড়িয়ে আসতো, সব শক্তি উবে যেতো শুধু মনে হতো “একা আমি এতো দূরে, আমার নিজের পৃথিবী ছেড়ে।“

এটা শুধু অহনার না সব প্রবাসীর প্রথম যখন বিদেশ আসে তখনকার অনুভুতি।তারপর হয়তো সব ঠিক হয়ে যায় বা ঠিক করে নিতে হয়।

যাক এতদিন পর আমার অহনা থুক্কু আমাদের অহনার খোঁজ পেলাম এইজন্য আপনারে একবাটি কিমচি শুভেচ্ছা।ইস ঐ সময় যদি আলুল্যান্ডে থাকতাম তাইলে অহনার সাথে পরকীয়া করতাম। Tongue Tongue

তানবীরা's picture


তোমার মন্তব্যের শেষাংশ বুঝতে পারিনি। সুস্থ আছোতো? Tongue

জ্যোতি's picture


খুক খুক। লক্ষণ ভালু না।

তানবীরা's picture


লক্ষন দেইখা আমিও চিন্তিত জয়ি Sad(

মমিনুল ইসলাম লিটন's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম। ধার করা মন্তব্য(কপিরাইট: গুরু উদরাজী )।

সাহাদাত উদরাজী's picture


আমি পাবলিকরে গুরু ডেকে কুল পাচ্ছি না, তুমি আবার আমারে!

শওকত মাসুম's picture


গুরু কইলে তো মগবাজারে যাওয়ার নিয়ম আছে, সেইটা কবে? Laughing out loud

তানবীরা's picture


চুপচাপ মন্তব্য দেখে নিলাম (নিজস্ব কপিরাইট)

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


সুন্দর একটা লেখা দিয়ে ব্লগ পড়া শুরু করলাম আজ !

চমৎকার । এই ধারাবাহিকের প্রথম থেকে পরে নিতে হবে ।

আচ্ছা, অহনারা এতোটা অবিবেচক হয় ক্যান ? হা হা হা ! খোঁচা মারলাম, মাইন্ডায়েন না Smile

১০

তানবীরা's picture


বিচার বিবেচনার জন্য ভগমানতো অর্নদের পাঠিয়েছেনই Laughing out loud

১১

লীনা দিলরুবা's picture


আট পড়ার জন্য পুরনোগুলো পড়ে আসতে হলো। অহনার একা লাগার অভ্যেস আর হারিয়ে যাবার ভয় মনে হয় সবসময়ই ছিল। দিল্লী এয়ারপোর্ট এও এমন হয়েছিল।

১২

তানবীরা's picture


কিছু কিছু জিনিস বোধহয় প্রায় সব মানুষের মধ্যেই আছে। পরিবেশের আলো হাওয়া পেলে সেগুলো অনেক সময় লকলকিয়ে ওঠে।

১৩

নাজমুল হুদা's picture


"সময় হলো মহৌষধ, যা তার নিয়মে অনেক কিছুকে ম্লান করে দেয়। আপাতত ভাবি, ভুলিয়ে দেয় কিংবা কষ্ট কমিয়ে দেয়। আসলে হয়তো তা নয়। কষ্ট আগেরটাই থাকে, শুধু সহ্য শক্তি বেড়ে যায়। কিছু কিছু ধাক্কা মানুষকে অনেক সময় কিছুটা শক্ত করে তুলে। আরো অনেকেই এই পৃথিবীতে একা বেঁচে আছেন, বেশ লড়াই করে, শক্তভাবে সুন্দর ভাবে বেঁচে আছেন, আমাকেও থাকতে হবে ।" দারুন বলেছেন । অহনা নিশ্চয়ই এখন শক্তভাবে, সুন্দরভাবে বেঁচে আছেন ! তার সে কাহিনী জানতে চাই ।

১৪

তানবীরা's picture


তথাস্তু, সে কাহিনীও জানানো হবে

১৫

ঈশান মাহমুদ's picture


'অহনার অজানা যাত্রা' আটপর্বে এসেও মনে হচ্ছে চলেতেই থাকবে।চলতে থাকুক...দেখি আহনা কোথায় গিয়ে থামে ! তবে তৃতীয় পুরুষে না লিখে লেখাটা আত্মকথন টাইপে লিখলেই বোধহয় আরো বেশী যুৎসই হতো। ধন্যবাদ তানবীরা।

১৬

তানবীরা's picture


আত্মকথন লিখবো কি করে? এটাকি আমার কথা নাকি? এটা দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা অনেক অনেক অহনার কথা।

১৭

রশীদা আফরোজ's picture


আমিও প্রায়দিন পথ হারাই। চেনা রাস্তা, রোজ যাচ্ছি, তবু একেকদিন হারিয়ে যাই।
ঢাকায় আসার পর আমার আপু ছিল ভরসা, ওর একটা ভালো গুণ ফোন করলে যেকোনো পরিস্থিতিতে ফোন রিসিভ করে জেনে নেয় ব্যাপার কি। প্রথম প্রথম আমার সঙ্গী মানতে বা বুঝতে পারতো না আমার মতো একটা মেয়ে পথ হারিয়ে ফেলতে পারে, তাই তাকে ফোন করতাম না, আপু বলতো, বামে যা, ডানে যা, সোজা তাকা...। কিছুদিন আগে বাসে কী একটা সমস্যা হওয়ায় রাস্তার উপর নেমে যেতে হলো, চেনা রাস্তা, এই পথ দিয়ে রিকশায় যাই কতদিন, কিন্তু কোনদিকে যাবো কিছুতেই বুঝতে পারলাম না, ওটা ছিল দৈনিক বাংলার মোড়, কাউকে ফোন না করে নিজের উপর রাগ করে কিছুক্ষণ কান্না করলাম, তারপর সঙ্গীকে ফোন করে রিকশা নিয়ে বাসায় গেলাম।
অহনাকে পছন্দ হয়ে গেল। আগের পর্বগুলি পড়া হয়নি, পড়তে হবে।

১৮

তানবীরা's picture


তুমি লাকি বড় আপু আছে। আমিও খুব রাস্তা হারাই তবে এখন এখানে জিপিএস আছে, তাই হারানোর আনন্দ কষ্ট দুটোই আস্তে আস্তে ব্ল্যাঙ্ক কলের মতো হারিয়ে যাচ্ছে

১৯

হাসান রায়হান's picture


অনেক দিন পর আসল লেখাটা।

২০

তানবীরা's picture


Smile

২১

শাওন৩৫০৪'s picture


লজিকাল অর্ণের পাশে, চাপা স্বভাবের অহনার অপ্রকাশিত কনফ্লিক্ট টা এই পর্বে প্রকাশিত হৈতেছে!
একটা পালাবদলের মত, অহনার অন্তর্বদল, পরিস্থিতির চাপে। মাইনা নিতেও ভালো লাগতাছে না।
ঠিক এই পর্বের, প্রথমবারের মত মনে হৈতাছে, অহনার যাত্রাটা এখন পাঠকের কাছে অজানা হৈয়া উঠতাছে।
সেরাম হৈছে কাকী, এডা আপনের মাস্টার পিস সিরিজ।

২২

হাসান রায়হান's picture


হ, এইটা কাকীর মাস্টারপিচ।

২৩

তানবীরা's picture


Innocent :Cool

২৪

আরাফাত শান্ত's picture


পড়লাম অহনার কথা!

২৫

তানবীরা's picture


আমার কৃতজ্ঞতা জানবেন পড়ার জন্যে

২৬

টুটুল's picture


দেরী হলেও তো পেলাম অহনার কথা...
এত সময় নিয়েন্না পিলিজ লাগে Sad ...

জীবনের সমীরকনগুলো কখনো মেলে না... তাই না?

২৭

তানবীরা's picture


টুটুল ভাই, আমি যখন অহনা লেখা শুরু করেছিলাম তখন আমার মাথায় যে ড্রাফট ছিলো লেখাটার সেটা আমি আর কিছুতেই এখন মনে করতে পারছি না। কি লিখতে চাচ্ছিলাম সেই "গোল"টাই আর মনে নেই। কিন্তু নুশেরা, মীর, শাওন, রাসেল আরো কেউ কেউ ওরা পুনঃ পুনঃ বলেই যাচ্ছিলো। দু/চারটা মেইলও পেয়েছি যারা এবির ব্লগার নন কিন্তু মনে হয় পড়েন। তাদের আগ্রহেই আবার শুরু করলাম, যা মনে হলো তাই দিয়ে। ভাবলাম আবার শুরু করি দেখি কোথায় যাই। এখনো মাথা ফাঁকা। লেখার গন্তব্য নেই।

জীবনের সমীকরন না মেলার ভালো মন্দ দুটো দিকই আছে। এটা জীবনকে জানতে বুঝতে সাহায্য করে। সব মিলে গেলে হয়তো জীবনটা ম্যান্দামারাও হয়ে যেতে পারতো।

ধন্যবাদ আপনাকে সহৃদয় মন্তব্যের জন্যে।

২৮

টুটুল's picture


সেটাই...
সব কিছু যদি মিলেই যায় তাহলে বোরিং লাইফ হবে Smile

তবে অহনার সিরিজটা চলুক... যাপিত জীবনে অনেক টানাপোরন অহনায় ফুটে ওঠে...

২৯

শাপলা's picture


বস আমিও একবার বাড়ির খুব কাছে েসে হারিয়ে গিয়েছিলাম। বর কে ফোন করে বললাম, হারিয়ে গিয়েছি, " সে বলল, তুমি এখন কোথায়? " আরে জানলে তো নোজেই ফিরতে পারতাম! দু একটা কথার পরে রাগ করে ফোন রেখে দিলাম। এদিকে ভীষন ব্রিষ্টি(কেন যেন ফোনেটিকে রি কার লিখতে পারছি না।)
ব্রিষ্টিতে ভীষন কাঁদলাম, দুই পানি েক হয়ে কেউ দেখতে পেল না। ১ ঘন্টা পর রাস্তার পথচারীকে দেখে হাত ছুঁড়ে আমার অবস্থার কথা জানাতে.. তারা একটা পোষ্ট অফিস দেখিয়ে দিল। সেখানে থেকে এক অফিসার ামার ঠিকানা শুনে, ম্যাপ ডেখে বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেলেন।
ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজীতে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কি তোমার বাড়ি?
বললাম, না বন্ধুর বাড়ি, প্রথাম বেড়াতে এসেছি Tongue Tongue Tongue

ঘরে ঢুকে দেখি, বর ভদ্রলোক, বর্বরের মত- নিশ্চিন্তে বসে আছে। তার নাকি অগাধ বিশ্বাস আমার উপরে..। এই লোকের সাথে আছি। বিরাট আফসোস!!!! Stare Stare Stare Stare Stare

৩০

তানবীরা's picture


যাক অহনা লেখা অনেকটাই সার্থক। অহনাযে আসলে অনেকের প্রতিচ্ছবি সেটা আবারো অনুভূত হলো।

শাপলা ভালো থেকো। আর তিন নম্বর পর্ব কোথায় গেলো?

৩১

মীর's picture


অনেক দিন পর আসল লেখাটা।

৩২

তানবীরা's picture


মীর সাহেবের কাছে লেখা সম্বন্ধেও মন্তব্য আশা করেছিলাম Sad

৩৩

নীড় সন্ধানী's picture


এত দেরীতে এই পর্বটা এসেছে যে মনে হচ্ছিল অহনা হারিয়েই গেল বুঝি Stare

৩৪

তানবীরা's picture


যুগ যুগ ধরে কালের গর্ভে অহনারা হারিয়ে গেছে - যাচ্ছে

৩৫

শওকত মাসুম's picture


আমি তো ভাবলাম অহনার সব সমস্যার সমাধান হইয়া গেছে। দারুণ সিরিজটা আবার শুরু করায় থ্যাংকস।

৩৬

তানবীরা's picture


শখত মামা অনেক সিনেমা দেখেন, খালি জানেন হ্যাপি এন্ডিং Wink

৩৭

জুলিয়ান সিদ্দিকী's picture


আট-এর পরে নয় কি আসার সম্ভাবনা আছে?
শেষে তো চলনের কথা নাই!

৩৮

তানবীরা's picture


আমি নিজেও জানি না, তাই নাই Cool

৩৯

কামরুল হাসান রাজন's picture


ক্ল্যাইম্যাক্সের শুরু মনে হচ্ছে Puzzled

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/