ইউজার লগইন

আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে

প্রতিটি দিন প্রতিটি মূহুর্ত কি লম্বা যায়। চব্বিশ ঘন্টা এতো লম্বা হয় কেনো তিতলি ভেবে পায় না। সপ্তাহের ছয়টা দিনকে তিতলির মাঝে মাঝে বছরের চেয়েও লম্বা মনে হতে থাকে। মনে হয় এ নিদারুন সপ্তাহ আর শেষ হবে না সায়ানের সাথে আর তিতলির দেখা হবে না। শুধু সায়ান যখন পাশে থাকে ঘড়িটা তখন উড়ে চলতে থাকে। এতো আনফেয়ার কেনো এই পৃথিবীটা। অপেক্ষার সময়টা এতো লম্বা আর .........। সায়ান পাশে থাকলে সেই ঘন্টাগুলো যেনো মিনিট থেকে সেকেন্ড - মাইক্রো সেকেন্ড হয়ে উড়ে যায়। কতো কি ভেবে রাখে, দেখা হলে সে সায়ানকে এটা বলবে ওটা জিজ্ঞেস করবে কিন্তু ও সামনে এসে দাঁড়ালে এমন ঝড়ের কাঁপন শুরু হয়, সময় কোথা দিয়ে ওড়ে, ভেবে রাখা কিছুই আর মনেও থাকে না, বলাও হয় না। আর তিতলির মাথাটাকে সায়ানতো কাজও করতে দেয় না। হলে ফিরে ব্যাগ গুছাতে গুছাতে তিতলির আবার রাগ হতে লাগলো। একটু দ্বিধায়ও পরে গেলো। রক্ষনশীল পরিবারের মেয়ে সে। বাবা মা তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন, অনেক বিশ্বাস করে তাই তাকে ঢাকা পড়তে পাঠিয়েছেন। এভাবে বন্ধুর হাত ধরে বেড়াতে যাবার কথা তাদের কানে গেলে তারা কি ভাববেন? বিশ্বাস ভংগের অভিযোগ আনবেন না তার বিরুদ্ধে?

তিতলির কি এটা ঠিক হবে? কিন্তু যখনই অপর পিঠটা ভাবছে, সায়ানের এতো কাছাকাছি কদিন থাকতে পারবে, অজানা একটা ভয় আর আনন্দ তাকে ব্যাকুল করে তুলছে। নিজের মনেই অনেকক্ষন নিজের যুক্তিগুলোকে সাজালো সে । সেতো পড়াশোনায় ফাঁকি দিচ্ছে না, বেশ মনোযোগী ভালো ছাত্রী সে, ফার্ষ্ট ক্লাশ পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে তার। আর সায়ানের সাথে তার সম্পর্কটা একান্তই তার নিজের ব্যাপার। বাবা মায়ের মেয়ে হয়েছে বলে কি তার নিজের কোন পছন্দ থাকতে নেই। যুক্তিগুলো সাজাচ্ছে বটে কিন্তু নিজের মনই বলছে এগুলো ঠিক ততোটা জোরালো যুক্তি নয়। অস্থির লাগছে ভিতরটা। তিতলির দেরি দেখে ওদিকে সায়ান বারবার ফোন দিয়ে যাচ্ছে। নিজের ভিতরেই অধৈর্য্য হয়ে ওঠলো সে। চার পাঁচবার কল মিসড হবার পর ফোন ধরে বললো সে, আর আধ ঘন্টা জান, প্লীইইজ। সায়ান একটু ক্ষুন্ন হয়ে বললো, বাস কি তোর আমার জন্যে অপেক্ষা করবে নাকি? দ্রুত বাকি জিনিসগুলো ব্যাগে ভরে ফেললো তিতলি তারপর ঢুকলো বাথরুমে। খুব ভালো করে গোসল সেরে আয়নার সামনে দাঁড়ালো। নিজেকে খুব সাজাতে ইচ্ছে করছে সায়ানের জন্যে কিন্তু সাজগোঁজে অপটু সে আর কি করবে ভেবে পেলো না। সায়ানের কিনে দেয়া জীন্স আর ফতুয়া আর পছন্দের সুগন্ধী মেখে বেরোল।

সায়ান অপেক্ষা করছিলো হলের কাছাকাছি, তিতলি বেরোতেই ওকে টেনে নিয়ে সি।এন।জি ধরে বাস ডিপোর দিকে প্রায় উড়ে চললো। সি।এন।জিতে ওঠেই সায়ানের ধৈর্যহীন কন্ঠ বলে ওঠলো, মেয়েদের কেনো যে এতো দেরী হয়, বাস মিস করিয়ে দিচ্ছিলি প্রায়ই। তিতলির মধ্যে অচেনা একটা অনুভূতি কাজ করছে । চোখে পানি এসে যাচ্ছে, কেনো সে নিজেই জানে না। মুখ ঘুরিয়ে রাখলো, সায়ানকে তার চোখের পানি দেখতে দিতে চাইছে না। উত্তর না দিয়ে রাতের ঢাকা দেখতে থাকলো। সোডিয়াম আলোর নীচে রাতের ঢাকাকে অচেনা লাগে। বাসের টেনশনে তিতলির এই পরিবর্তন সায়ান লক্ষ্যই করলো না। বাস কাউন্টারে যেয়ে নিজেদের ব্যাগ তাদের হাতে তুলে দিয়ে ভাবলো সামান্য কিছু স্ন্যাকস খেয়ে নেয়া যাক। দুপুরে এতো দেরিতে খাওয়া হয়েছে দুজনেরই যে ভাত খাওয়ার ইচ্ছে কারোই নেই এখন। সায়ানের কাপোচিনোর প্রতি খুব দুর্বলতা আছে তিতলি জানে সেটা। সামনেই সুইস বেকারী তাই তিতলি সেখানে যেতে চাইলো। এই জন্যেই মেয়েটাকে এতো ভালো লাগে সায়ানের। ওর সামান্য থেকে সামান্য জিনিসের প্রতি তিতলির ভালোবাসা মাখা যত্ন অনুভব করা যায়। মুখে কখনো বলবে না, স্বীকারও করবে না যে, ওকে ভালোবাসে। বরং ঠোঁট উলটে বলে দিবে, আমার ঠেকা পড়েছে তোকে ভালোবাসতে। তিতলির এই ঠোঁট উল্টানো ভঙ্গীটা দেখতে এতো ভালো লাগে। সায়ান কাপোচিনো আর বীফরোল নিলো, তিতলি মাফিন আর কফি। খাওয়ার মাঝেই বাসের হর্ণ, দৌড় লাগালো দুজনে।

বাসটা বেশ নতুন, সীটগুলো বেশ ভালো। ডান পাশের রোতে মাঝের দিকে সীট পড়েছে দুজনের। রাতের বাসে বেশির ভাগ যাত্রীই ঘুমিয়ে আছেন। ঘুম নেই এই যুগলের। জানালা দিয়ে দুজন বাইরের দিকে তাকিয়ে তারা ভরা আকাশ দেখছে। প্রতিদিনের চেনা এই আকাশটা আজ খানিকটা যেনো অচেনা। রোজ যেনো আকাশটাকে ধূসর আর কালো লাগতো। আজ লাগছে খাপছাড়া গাঢ়ো নীল। মনে হচ্ছে পুরো আকাশ আজ চাঁদের প্রেমে মজে আছে। কাত হয়ে বেহায়া আকাশটা চাঁদের গায়ে ঢলে ঢলে পড়ছে। জ্যোস্নার আলো বাসের জানালা গলে তিতলির মুখে এসে পড়েছে। আলো মাখা তিতলিকে অচেনা লাগছে সায়ানের। এই তিতলি তার পুরোই অদেখা। সায়ানের হাতের মুঠোয় তিতলির হাত। এতো মায়া এই চোখে আগে কোনদিন কি খেয়াল করেছিল সে? মাঝে মাঝে হারিয়ে ফেলার একটা তীব্র ভয় তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। যদি কখনো এ সময় হারিয়ে যায় ভাবতেই সায়ান নিজের অজান্তে জোরে চেপে দিলো তিতলির হাত, তিতলি শব্দ করতে পারলো না শুধু নড়ে ওঠলো। তিতলি খানিকটা সহজ হয়ে ওঠেছে এখন। তিতলির কানের কাছে মুখ এনে সায়ান বললো, একটা গান গাইবি, প্লীইইজ? চোখ নেড়ে না করে সাবধানে সায়ানের কাঁধে মাথা রেখে চোখ বন্ধ করে রইলো সে। সায়ানের গায়ের গন্ধে একটা অচেনা মাদকতা সব সময়, যেটা তিতলিকে সারাবেলা মাতাল করে রাখে। এখন সে নিঃশব্দে চাঁদের আলোয় মাখামাখি হয়ে সায়ানের গায়ের গন্ধে ডুবে থাকতে চাইছে। ফিসফিস করে কথা বলে কিংবা গুন গুন করে গান করে এই নিঃশব্দতার সৌন্দর্য নষ্ট করতে চাইছে না।

কারো চুলের গন্ধ এমন পাগল পারা কি করে হয়, কোন ধারনাই ছিলো না সায়ানের। সব সময় তিতলির পাশে বসলে, তার গায়ের গন্ধের চেয়েও চুলের গন্ধ তাকে টানে বেশি। তিতলির চুলে নাক ডুবিয়ে রেখেছে সে, মাঝে মাঝেই নাক তিতলির চুলে ঘষছে। এতো কাছে এভাবে আর কোনদিন তিতলিকে পায়নি সে। সবার চোখ এড়িয়ে আস্তে করে তিতলির কপালে আর মাথায় তার ঠোঁট ছোঁয়ালো। সারা শরীরে এক অজানা কাঁপুনি টের পেলো তিতলি। সায়ানের হাতে রাম চিমটি বসালো তার লম্বা নখ বসিয়ে। তারপর মুখ তুলে মিষ্টি করে হাসলো সায়ানের চোখে চোখ রেখে। সায়ানের সারা পৃথিবী সেই হাসিতে দুলতে লাগলো। তিতলি আর পুরো পৃথিবী এক মোহনায় মিশে গেলো তার। তিতলির বুকে আবার ধ্রিম ধ্রিম মাদলের বাজনা শুরু হলো। মনে হতে লাগলো সময় যেনো এখানেই থেমে যায়, এ বাস যাত্রা যেনো কোনদিনই শেষ না হয়। ভোরের দিকে দুজনের কখন চোখ লেগে এসেছিলো টের পায়নি। স্বপ্ন আর বাস্তবে, বাস্তব আর স্বপ্নের ঘোরে রাস্তা কখন ফুরিয়ে গেলো টের পেলো না দুজনই। বাস যখন থামলো চারপাশে তখন নরম আলো পৃথিবীকে ছুঁয়ে দিয়েছে। চারপাশটাকে অন্যরকম স্নিগ্ধ লাগছে। ভোরের আলোয় এক ধরনের পবিত্রতা থাকে। এ আলো গায়ে মেখে নিজেকে কেমন যেনো শুদ্ধ শুদ্ধ মনে হতে থাকে।

বাস ডিপো থেকে বেরোতেই রিকশাওয়ালারা জেকে ধরলো, কোথায় যাবেন কোন হোটেল। ভীড়ে পড়তে ইচ্ছে করলো না এসময়। খুব সাবধানে তিতলির হাত ধরে ভীড় বাঁচিয়ে সায়ান ডিপো থেকে বের হয়ে আসলো। ঐতো দূরে ক্যাব দেখা যাচ্ছে। হাত নেড়ে ক্যাবকে ওদের দিকে আসতে বললো। তিতলি রাগ দেখিয়ে বললো, কেনো অযথা এতোটা খরচা করবি শুনি? রিকশায় আরামে চলে যেতাম। সায়ানের চোখে দুষ্টমির হাসি খেলা করে ওঠলো, হেসে বললো, ঠিকাছে চল না। রোজতো আর করছি না। তিতলি রাগতে গিয়েও হেসে ফেললো। খুব ইচ্ছে করছিলো সায়ানের কোঁকড়ানো চুল গুলো হাত দিয়ে এলোমেলো করে দিতে। আজ প্রথমবারের মতো ওরা দুজন দুজনার এতো কাছে, ব্যস্ত নগরীর পরিচিত মুখ আর ভীড়কে ফাঁকি দিয়ে। জীবনটা এতো সুন্দর কেনো? নিজেকে চিমটি দিয়ে দিয়ে দেখছে, সব কি স্বপ্ন নাকি সত্যিই সে সায়ানের এতো কাছে আজ? যদি স্বপ্নই হয় তাহলে সে হাত জোড় করে প্রার্থনা করছে, এ ঘুম যেনো ভেঙ্গে না যায়, তার স্বপ্ন যেনো হারিয়ে না যায়। পাতালপুরীর রাজকন্যা হয়ে সে ঘুমিয়েই থাকুক, যাক হারিয়ে তার সোনার কাঠি, রুপোর কাঠি। সে অন্ততকাল সায়ানের হাত ধরে হাটবে, দূর থেকে দূরান্তে।

তানবীরা
০৯.০১.২০১১

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


এই মগা(তাতাপুর ভাষায়) সেদিন একটা দাবী করেছিলাম।আজ তাতাপু সেই কথা রাখলো।এবার মীরের পালা। আচ্ছা তিতলী আর সায়ানকে নুশেরাপুর সাথে দেখা করায় দিলে হয় না? Laughing out loud Laughing out loud

আরেকটা কথা এই প্রেম কাহিনী যেন কোন ভাবে বিচ্ছেদ দিয়ে শেষ না হয়।তাইলে কিন্তু তাতাপু আর মীরের খবর আছে। Crazy Crazy

তানবীরা's picture


এবার এই গল্পটা অন্যকেউ লিখবে। তাতা'পুর কাজ শেষ। নুশেরা আপু, নীড়দা সবার সাথে তারা চা বিস্কিট খাক Laughing out loud

আমিও চাই এই গল্পটা মিলনে শেষ হোক, বিচ্ছেদে নয়, গল্পটা গল্পই থাকুক। সবাই মিলে লিখলে অন্যরকম ফান হবে।

তিতলি মেয়েদেরই লিখতে হবে আর সায়ান ছেলেদেরই লিখতে হবে, এমন কোন কথাতো নেই।

নুশেরা, জয়িতা, জেবীন, রাসেল, মীর, সাঈদ, ভাঙ্গা অনেকেই লিখতে পারে কিন্তু বাকিটা

রাসেল আশরাফ's picture


আমারে নিয়া টানাটানি ক্যান?? Crazy Crazy Crazy

তানবীরা's picture


টানতে হয় ক্যান, নিজ থেকে ইনিশিয়েটিভ নিতে পারো না Angry Angry Angry

নুশেরা's picture


আচ্ছা তিতলী আর সায়ানকে নুশেরাপুর সাথে দেখা করায় দিলে হয় না?

খপরদার, রাসেলের কথায় কান দিছো তো মরছো

তানবীরা's picture


খারাপ কি? তুমি তিতলি আর সায়ানকে একটু গাইড করো, আফটার তুমি বড়ো হিসেবে দায়িত্ব এড়াতে পারো না Big smile

কাঁকন's picture


হুমম নুশেরাপুর সাথে দেখা হলে ভালোই হবে তাহলে এদের চাঁদে গিয়ে চাঁদ দেখা তরাণ্বিত হবে Tongue

তানবীরা's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor

নীড় সন্ধানী's picture


ইশশশ... বয়সকালে আমার ইচ্ছে করতো কারো হাত ধরে পালিয়ে যেতে। রাজ্জাক ববিতার 'অনন্ত প্রেম' দেখার পর থেকে ইচ্ছেটা জাগে। নায়ক পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নিয়েছে, নায়িকার বাবা পেছনে তাড়া করছে বন্দুক হাতে। নায়িকা অলৌকিক উপায়ে ভাত রান্না করে নায়কের মুখে তুলে দিচ্ছে এমন সময় গুহামুখে নায়িকার বাবা বন্দুক হাতে হুংকার দিল, খামোশ!!!!!!!!!!!!!!!

..........কল্পনা এখানেই থেমে যেতো। কারণ প্রশ্নটা নায়িকার মুখে- বাবা বড় না প্রেম বড়???? Cool Cool

১০

নুশেরা's picture


নায়িকা অলৌকিক উপায়ে ভাত রান্না করে

Rolling On The Floor :loll: Rolling On The Floor

গুলিগোলা শেষ, আলতারাঙা বুক চেপে ধরে সবাই নিথর, কোন পূর্বলক্ষণ ছাড়াই দুর্গম এলাকায় পুলিশের আগমন, তিনদিক থেকে শুটিং স্পট ঘিরে ধরে থ্রি নট থ্রি বাগিয়ে সেই মহান উক্তি- হ্যান্ডস আপ! আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।

১১

তানবীরা's picture


বয়সে অবশ্যই বাবা বড়ো, এই উত্তরটা আপনি তখন জানতেন।

নীড়দার গল্প জানতে চাইইইইইই

১২

নাজমুল হুদা's picture


গল্প পড়ছি বলে মনে হচ্ছেনা, মনে হচ্ছে গল্প দেখছি । এত কম কথায় এত বিস্তারিত বর্ণনা দিতে পারা সহজ নয় মোটেও । অভিনন্দন তানবীরা ।

১৩

তানবীরা's picture


আপনাকেও ধন্যবাদ।

অঃটঃ আমার মেইল আইডি পেয়েছেন?

১৪

নাজমুল হুদা's picture


না, পাইনি ।

১৫

তানবীরা's picture


আশাকরছি দু/একদিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন

১৬

নাজমুল হুদা's picture


আমারটা nazmulhuda1347@gmail.com

১৭

টুটুল's picture


মেইল চেক কইরেন Smile

আর না পাইলে জানাইয়েন

১৮

নাজমুল হুদা's picture


মেইল চেক করেছি, পেয়েছি, জানিয়েছি, আবারও জানাচ্ছি যে পেয়েছি । ধন্যবাদ ।

১৯

মীর's picture


SurprisedSurprised
টুটুল ভাই এই কমেন্ট করে কেমনে?

২০

জ্যোতি's picture


কাল রাতেও বাবছিলাম এই পর্বটা যদি লিখতে পারতাম! কেনো যেনো খুব লোভ হচ্ছিলো!কিন্তুসবাই কি আর সব পারে! আজ সকালে দেখলাম তাতাপুর পোষ্ট।দারুণ আগাচ্ছে। মন দিয়ে পড়ছি।

২১

তানবীরা's picture


জয়ি আমার কলম থুক্কু কীবোর্ড তোমার হাতে তুলে দিলাম। আশাকরি তুমি এর অমর্যাদা করবে না Steve

এরপরেরটা তুমি লিখো Big smile

২২

জ্যোতি's picture


তাতাপু, লজ্জা দিলেন।মীরের পর্বটা পড়ে সত্যি লোভ লেগেছিলো মনে হয়েছে এই তিতলি আমার খুব চেনা কিন্তু আমি চিটাগাং ভালো চিনি না তাই সাহস করিনি।ভয় দেখাইয়েন না। এসব আমার কর্ম না।

২৩

তানবীরা's picture


তুমি না কয়দিন আগে বান্দরবন গেলা? চিটাগাংতো আমিও চিনি না। তুমি সেখান থেকে বান্দরবন নিয়ে যাও। না করছে কে?

গল্পের গরুতো গাছেও ওঠে না শুধু আকাশেও ভাসে Crazy

২৪

রুমিয়া's picture


তাতাপু খুব্বী ভাল্লাগসে।বলে বুঝাইতে পারতেসি না Laughing out loud সায়ান আর তিতলীরে আমার সাথে দেখা করতে কইলেননা যে Sad

২৫

তানবীরা's picture


এরপরের পর্ব যে লিখবে, আমাদের রুমিয়ার রিকুষ্ট যেনো মনে রাখে। ছোট মানুষ একটা আবদার করছে Love Party

২৬

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


জয়িতাপুর মতো আমারও খায়েশ ছিল লেখার...তবে এই পর্ব না। আমি প্যাথেটিক একটা এন্ডিং দিয়া সবার খুশির বারোটা বাজাতাম। টাইটেলও ঠিক করছিলাম মীর ভাইয়ের টাইটেলের সিক্যুয়েল "মুখ লুকিয়ে কার বুকে, তোমার গল্প বলো কাকে"।

ভালই হইছে পরীক্ষার পড়া ফাঁকি দিয়া লেখি নাই Big smile

দুর্দান্ত হইছে। আগেরটার চাইতে অনেক বেশি ভাল লাগছে।

২৭

জ্যোতি's picture


"মুখ লুকিয়ে কার বুকে, তোমার গল্প বলো কাকে"।

ওয়াও। শিরোনামে ব্যাপক লাইক। অনেক কথা মনে আসলো। Smile

২৮

শওকত মাসুম's picture


মুখ লুকিয়ে কার বুকে, তোমার গল্প বলো কাকে"।

বাহ, দারুণ পছন্দ হইছে।
জয়ির কি কি মনে আসলো বলো শুনি

২৯

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


হ, গান শুনতে শুনতে কইয়া ফেলেন

৩০

তানবীরা's picture


তোমার এন্ডিং পড়তে চাইইইইই। এক দফা এক দাবি।

এই গানটা কি শুনেছো? http://www.youtube.com/watch?v=glnzzV8nHO8&feature=related

৩১

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


হুমম, শুনছি আগে।

৩২

তানবীরা's picture


যারা যারা শুনেন নাই, তাদের জন্যে লিরিক্স, এটাও খুব সুন্দর একটা গান, অন্তহীনের

Jao pakhi bolo hawa cholo cholo" lyrics:

ao pakhi bolo haowa chholo chholo
Abchhaya janlar kaanch
Ami ki amake hariyechhi baanke
Roopkotha anach-kanach

Anguler kole jole jonaki
Jole hariyechhi kaan-shona ki?
Jaanleye golpera kotha megh
Jao megh chokhe rekho e aabeg...

Jao pakhi bolo haowa chholo chholo
Abchhaya janlar kaanch
Ami ki amake hariyechhi baanke
Roopkotha anach-kanach

Jao pakhi bolo haowa chholo chholo
Abchhaya janlar kaanch
Ami ki amake hariyechhi baanke
Roopkotha anach-kanach

Anguler kole jole jonaki
Jole hariyechhi kaan-shona ki?
Jaanleye golpera kotha megh
Jao megh chokhe rekho e aabeg...

৩৩

লীনা দিলরুবা's picture


বাহ, বাহ। চলুক।

৩৪

তানবীরা's picture


এর থেকে বেশি প্রেম আমার জানা নেই Wink । আমার তরফ থেকে এখানেই খুদাপেজ। Tongue

৩৫

লিজা's picture


আপু দারূণ হচ্ছে পর্ব গুলো। গল্পটা যৌথ প্রয়াসের উপন্যাসে রূপ নিচ্ছে। এরপর থেকে ট্যাগে উপন্যাস উল্লেখ করতে পারেন ।

জয়িতাপুর মতো আমারও খায়েশ ছিল লেখার...তবে এই পর্ব না। আমি প্যাথেটিক একটা এন্ডিং দিয়া সবার খুশির বারোটা বাজাতাম। টাইটেলও ঠিক করছিলাম মীর ভাইয়ের টাইটেলের সিক্যুয়েল "মুখ লুকিয়ে কার বুকে, তোমার গল্প বলো কাকে"।

এইটা পড়ে জেরীর কথা মনে হইল । টমের প্রেমের বারোটা বাজায় খালি।

৩৬

তানবীরা's picture


টম এন্ড জেরীতে প্রেম আছে নাকি? আগেতো খেয়াল করি নাই। আমার মেয়ে সারাদিন তাইলে টিভিতে এই দেখে ?

৩৭

লিজা's picture


প্রেম আছেতো! বিকিনি পরা মেয়ে বিড়াল আছে Tongue । বীচের দৃশ্য আছে । মাঝে মাঝে টম একটা মেয়ে বিলাইর পিছনে টাংকি মারতে চায় ।
nick এ একটা কার্টুন হয় oggy and the cockroaches । সেইখানে একদিন ১৮+ ব্যাপার স্যাপারও দেখাইলো । দুনিয়া বদলে গেছে, বাচ্চাদের কার্টুনও অশ্লীল লাগে Tongue

৩৮

তানবীরা's picture


Day Dreaming Day Dreaming Day Dreaming

৩৯

জেবীন's picture


কি সুন্দর করে সাজাইছেন এই পর্বটা! মেয়েটার দোনোমনো মনের কথাগু্লা.।
তবে যার যার কথা এক প্যারায় না দিয়ে আলাদা করে দিয়েন পড়তে আরাম লাগবো,

বাকীগুলা পড়ে আবার এটা পড়লাম, আমারও শখ জাগছিল লেখার ভাঙ্গার মতো ছ্যাকাঁ টাইপ হইতো ওটা খালি নাম ঠিক করি নাই আরকি!. ওর দেয়া নামটা মারাত্নক!!! Laughing out loud ,
লেখার চান্স পাই নাই ভালোই হইছে আরো সুন্দর পর্ব আসুক

৪০

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আমি তো গান থেকে নাম দিছি...মীর ভাইয়ের পরের লাইন Puzzled

৪১

তানবীরা's picture


লেখার চান্স পাই নাই

চান্স দেয়া হলো হলো হলো

৪২

উলটচন্ডাল's picture


এই তিতলিকে চিনি আমি। সায়ানও মুখচেনা।

সুন্দর গল্প।

৪৩

তানবীরা's picture


আপনার চেনা তিতলির গল্পটা আমাদের সাথে শেয়ার করুন, প্লীইইজ

৪৪

উলটচন্ডাল's picture


হায় হায় ! ধরা খেয়ে গেলাম। Wink

৪৫

তানবীরা's picture


ধরাধরির কিছু নেই, বিসমিল্লাহ বলে ঝাপ দেন Cool

৪৬

মীর's picture


পোস্ট প্রিয়তে নিতে নিতে কাহিল হয়ে গেলাম।
এ ধরনের ফিকশন চর্চা খুব ভালো পাই, পারফেকশনের অনেক কাছাকাছি যাওয়া যায়। এই পর্বটা অসাম হয়েছে তানবীরা'প্পু। একাধিকবার পড়েছি। বারবারই মাথা আউলেছে। আপনাকে কি ধন্যবাদ দেবো?

৪৭

তানবীরা's picture


মীর, আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় ছিলাম। আপনি আমার পোষ্ট প্রিয়তে নেন, এটা আমার জন্য সম্মানের।

আপনি হলে স্টার লেখক, সব্যসাচী। যাকে বলে সোনা দিয়া বাঁধাইয়াছি হাত। আপনি আমাদের লেখা ভালো বললে, মনে সাহস ও বল পাই।

আপনার কারণেই এই পর্বের অবতারনা নইলে আমার মাথায় আর কিছু ছিলো না।

ভালো থাকবেন।

৪৮

মীর's picture


কমেন্টে বিভিন্ন জায়গায় আমারে পচানো হৈসে। Not Talking

আপ্নে ওদেরকে সেন্ট মার্টিন ঘুরায় আনলেন না কেন? খুব খ্রাপ হৈসে। কয়েকদিন ধরে সেন্টমার্টিনের যে লেখাগুলো আপনি দিচ্ছেন, সেগুলো পড়ে মাথা ঘুরতে ঘুরতেই তো আমার লেখাটা তৈরী হয়েছিলো। অসাধারণ কল্পনা শক্তি আপনার।

৪৯

টুটুল's picture


ব্যাপার্না ... আমাগো ডাক্তার ফারজানা আছেনা? তারে দিয়া প্লাস্টিক সার্জারি কৈরা দিমুনে Wink
ডরাইয়েন্না Wink

৫০

রাসেল আশরাফ's picture


টুটুল ভাই কি আমাদের ফারজানা আপার কম্পাউন্ডার হিসাবে নিয়োগ পাইছেন নাকি?সবাইরে উনার ঠিকানা দিতেছেন।অবশ্য সেদিন দাদাভাই আর ফারজানা কিসের জানি ব্যবসা খুলবো কইছিলো।একজন হাড্ডি ভাংবো আরেকজন জোড়া লাগাবো।আপনে যে ঐ বিজনেসের পার্টনার হয়ছেন জানতাম না। Tongue Tongue Tongue

৫১

তানবীরা's picture


কেউ কি কোন পঁচা গন্ধ পেয়েছেন? পঁচলে গন্ধ বের হবে না আশ্চর্যতো Big smile

আরে আর্শ্চয, আমি চিটাগাং নিয়ে ছেড়ে দিলাম, এখন আপনারা কেউ নিয়ে সেন্ট মার্টিন ঘুরিয়ে আনুন। Big smile

৫২

মীর's picture


টেকনিক্যল কারণে সেন্টমার্টিনের ডিটেইলে যাওয়া যাচ্ছে না। অন্য কোনো আইডিয়া দেন। @ তা'প্পু

৫৩

তানবীরা's picture


যেদিকে আপনি অনায়াস সেদিকে চলে যান, এটাতো গল্প। হু ক্যায়ার্স। সবাই কিন্তু আপনার পার্টের অপেক্ষায় আছে Laughing out loud

৫৪

মীর's picture


রিয়েল থ্যংক্স। নেন, এই গানটা আরেকবার শুনেন। Smile

৫৫

তানবীরা's picture


আপনার জন্যে, সকল তিতলি - সায়ানের জন্যে এই গানটি

http://www.youtube.com/watch?v=_xcEJrVPF0s

গানের দৃশ্যের হাবা - হাবিকে ইগনোর করে গানটা শুনেন, মানে দেখার দরকার নেই শুধু শুনবেন।

৫৬

মীর's picture


পরিচিত গান; কিন্তু অবাক করা ব্যপার হচ্ছে, আগে কখনোই মনোযোগ দিয়ে পুরাটা শুনি নাই। ধইন্যাপাতা লন বস্। প্রচুর পরিমাণে।

৫৭

তানবীরা's picture


দেন বস, ধইন্যাপাতায় অসুবিধা নাই Big smile

৫৮

রাসেল আশরাফ's picture


চিটাগাং যেতে এতক্ষন লাগে?? Crazy Crazy Crazy

মীর তাড়াতাড়ি পরের পর্ব ছাড়ো।তা না হলে কিন্তু কাওরানবাজার ঘেরাও করে তোমার হাত-পা ভেঙ্গে দেয়া হবে। Crazy Crazy Crazy Crazy

৫৯

নুশেরা's picture


বাপ্রে, জুটিটারে ইট্টু প্রাইভেসিও দিতে চায় না পুলাপান, কী অধৈর্য!

৬০

মুকুল's picture


পুরা ১৮+ গল্প। a

৬১

তানবীরা's picture


তুমি কি আঠারো হইছো? Wink বড়দের গল্পে পুলাপাইনের কি? Tongue

৬২

নুশেরা's picture


পরবর্তী পর্বের লেখক হিসেবে অরিত্রকে চাই

প্রোপিক দেখেই বোঝা যায় এই কাহিনীর উনি সুযোগ্য লেখক। তাছাড়া এই পোস্টের পর উনার বকেয়া রয়ে গেছে

অরিত্রকে হার্ট-ইন-ফর্ক মার্কায় ভোট দিন

৬৩

তানবীরা's picture


সই, একটা আসল ভোট দিলাম আর নিরানব্বইটা জাল ভোট।

৬৪

কাঁকন's picture


দারুণ আপু, খুবি মিষ্টি লাগলো

৬৫

তানবীরা's picture


আমি যে মরি নাই, এটাযে কাঁকন নিশ্চিত করলো, সেজন্য কাঁকনে ধনেপাতা। Big smile

৬৬

মুক্ত বয়ান's picture


শ্যাষ? Shock

৬৭

তানবীরা's picture


না, বাকীটা মীর লেখেছে

এইখানে

৬৮

নরাধম's picture


খুবই চিজী!! পুরা চিকফ্লিক.......হাহাহাহা..... এটা কি কোন উপন্যাসের পার্ট নাকি যাস্ট একপর্বের গল্প? বর্ণনা ভাল লেগেছে।

তানবীরাপু, আপনি কি আমস্টারডামে থাকেন? আমি নেক্সট মাসের মাঝখানে বা শেষেরদিকে সপ্তাহখানেকের জন্য আমস্টারডাম যাব ইনশাআল্লাহ, কিছু প্রশ্ন ছিল।

৬৯

তানবীরা's picture


আমি আমষ্টারডামে না Eindhoven এ থাকি। আমষ্টারডাম থেকে ১৩০ কিমি সাউথ ইষ্টে, বেলজিয়াম - জার্মান বর্ডার। ফিলিপ্স সিটি বলে, গুগল ম্যাপে দেখে নিয়েন। টুটুল ভাইয়ের থেকে আমার মেইল আইডিটা নিয়ে নিয়েন।

আপাততঃ বেকার বাসায় আছি। নিঃসঙ্কোচে আপনার যখন সময় সুবিধা হয় আমাদের এখানে ঘুরে যান। কোন ব্যাপারর্স না।

দেখা হবে আশাকরি, দাওয়াত রইল Big smile

৭০

নরাধম's picture


চিজী আমি ভাল অর্থে বুঝিয়েছি কিন্তু!

৭১

তানবীরা's picture


এইটা এমনিতেই আমি আর মীর দুটো করে পর্ব লিখেছিলাম, জাষ্ট আউট অফ ফান। কোন পরিকল্পনা ছিলো না। আপাতত এখানেই শেষ Party

৭২

রাসেল আশরাফ's picture


ম্যাডাম তিতলীর জন্য আর কতক্ষন উত্তরা বসে থাকবো?

আমার তো অন্য কাম আছে।

তারাতারি পরের পোস্ট দেন।

৭৩

তানবীরা's picture


ঐটারে মাফ করে দাও, বেশি কচলাইলে তিতা হয়ে যাবে Shock

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/