ইউজার লগইন

স্টোরিয়া পোলস্কা (শেষ পর্ব)

পরদিন সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ব ভাবলেও গড়িমসি করে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে বেড়োতে বেড়োতে বারোটা বেজে গেলো। নাস্তার টাইম চলে গেলো তাই ব্রাঞ্চ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। ব্রাঞ্চ করার জন্যে ট্রাম ধরে সিটি সেন্টারে গেলাম। বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবারের ছবি দেখে কোন রেষ্টুরেন্টে ঢুকবো তাই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। খাবার দাবার তুলনামূলকভাবে নেদারল্যান্ডসের থেকে বেশ সস্তা। একটি টার্কিস রেষ্টুরেন্টে শেষমেষ ঢোকা হলো। খেয়ে দেয়ে বের হয়ে আগে থেকেই ঠিক ছিল পুরনো ওয়ার্শাও দেখতে যাবো, কিন্তু ট্রাম খুঁজতে যেয়ে দেখলাম, ফাটাফাটি সামার সেল চলছে সেখানে। আর কি, ঢোকো দোকানে।
P1050135
পূর্ব ইউরোপের কাপড়ের ডিজাইন এবং ফ্রেবিক্স খুবই আলাদা পশ্চিম ইউরোপের চেয়ে। অনেক বেশি কালারফুল আর ডিজাইনগুলোর সাথে এশিয়ান ডিজাইনের অনেকটা মিল পাওয়া যায়। ভালো করে পরিপূর্ন শক্তি ব্যয় করে কাপড় জামা খুঁজে বের করার আপ্রাণ চেষ্টায় লেগে গেলাম। পুরো মল ছিন্নভিন্ন করে যখন বের হলাম তখন বিকেল প্রায় পাঁচটা। কফির পিপাসায় অর্ধমৃত। বাইরে বেড়িয়ে আইস কাপোচিনো খেয়ে গেলাম পুরনো শহর দেখতে। ভিসটুলা (Vistula) কিংবা ভিসলা (Wisla) নদীর পাড়ে রাজার বাড়ি দেখতে যাবো। নদীর পাড় এতো সুন্দর করে বাঁধানো, আর নদীর ওপরে আছে নয়নাভিরাম সব সেতু, নদীর পাড় ছেড়েই যেতে ইচ্ছে করছিলো না। P1050187
নদীর পাড় থেকে একটু উঁচুতে উঠে গেলেই বিশাল বিরাট রাজার বাড়ি যা এখন খাঁ খাঁ করছে। শুধু নিরাপত্তারক্ষী আর দর্শনার্থীদের ভীড়। একদিন এখানে নিশ্চয় কতো আলো ঝলমল করেছে। কতো নহবত বেজেছে। আজ সব ইতিহাস। P1050174
P1050205
রাজার বাড়ির সামনে বিরাট চত্বর। সেখানে এখন বিভিন্ন দোকান, রেষ্টুরেন্ট, কনসার্ট এর আয়োজন। পর্যটকদের ভীড়ে গম গম করছে এলাকা। বিকেলের নরম রোদে চারপাশের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ, মন এমনিতেই তরল হয়ে যায়। পুরো এলাকা জুড়েই আছে সুন্দর সুন্দর ইমারাত। গীর্জা, সেনাবাহিনীর অফিস, বিভিন্ন রাজকীয় কাজের জন্য পূর্বে ব্যবহৃত হতো সে ধরনের বাড়িঘরগুলো। আস্তে সুস্থে হেটে বেড়ালাম ডাউন টাউনের কাসেল স্কোয়ারে। P1050230

P1050244

ঘুরতে ঘুরতে পড়বিতো পর মালির ঘাড়ের মতো যেয়ে পড়লাম এক ভারতীয় রেষ্টুরেন্টের সামনে। খাবার সময়তো হয়েই গেছিলো। আর কি পেট পূজা সেরে নিয়ে আবার ট্রাম ধরে ফিরলাম হোটেলে। হোটেলে ফিরে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে মেয়ের আবদার রাখতে বসলাম। প্রথমে লুডু তারপর তাস খেলতে। সাপলুডু খেলতে মেয়ের বিমলানন্দ। বারবার মই বেয়ে তিনি ফার্ষ্ট হয়ে যাচ্ছেন আর বাবা ঘর থেকে বেড়োতেই পারছেন না এক তুলে। পরে মায়ের সাথে রফা হলো বাবাকে বের হতে দেয়া হোক, এক উঠুক আর নাই উঠুক। মেয়ের আনন্দোজ্জ্বল চেহারা দেখে মনে মনে ভীষন কষ্ট পেতে লাগলাম। বাড়িতে কেনো সময় করে মেয়েকে নিয়ে খেলতে বসি না। এতো আনন্দ অবহেলায় ফেলে রেখে ফালতু কাজ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি।
এরপর তাস খেলা। মেয়ের জন্যে আমি একটা খেলা আবিস্কার করেছি। স্পেডট্রামের কিডস সংস্করন। যেই বিভাগের তাস সেই বিভাগের বড়টা যে দিতে পারবে সেই পাবে সেই দান। যে বেশি দান পাবে সেই উইনার। আমি একটু উঠে অন্যদিকে গেছি, সেই সুযোগে ওনি তাসের ভাগ থেকে বড় বড় সব তাস ওনার কাছে নিয়ে রেখেছেন। আর আমাকে দিয়েছেন সব দুই তিন চার। আমি ষড়যন্ত্র টের পেয়ে জিজ্ঞেস করতেই ওনি হেসে গড়িয়ে পড়ছেন। টোমাকে হারতে হলো, মা আজকে। আমি বল্লাম হারতে হলে হারবো কিন্তু এটা কি কিছু জেতা হলো? খেলে জিতো। না তা হবে না। খেলা নেই ইমোশোন্যাল ব্ল্যাকমেইল করে আমাকে হারাতে হবে। ঠিকাছে আমিই হেরে বাবা – মেয়ে তথা জগতের সব প্রাণীকে সুখী করে যাই।
পরদিনও একই অবস্থা। গড়িয়ে গড়িয়ে বারোটায় যেয়ে সিটি সেন্টারে পৌঁছলাম। আজকে মেয়ের পছন্দের ম্যাক হলো ব্রাঞ্চ। গাইড আর ম্যাপ দেখে ট্রাম বাস করে যেখানে পৌঁছলাম পরে আবিস্কার হলো সেটা ডাউন টাউন কাসেল স্কোয়ারের অন্যদিক। এপাশটাও দারুন। পুরনো দিনের রাজকীয় বিশাল সেসব আর্কিটেকচারের চার্মই আলাদা।
P1050282

P1050281

সেখানে বিস্তর ঘুরাঘুরি করে, কফি খেয়ে গেলাম শহরের একদম অন্যদিকে, ওয়ার্শাও এর দ্বিতীয় প্রাসাদ দেখতে। প্রাসাদ দেখে এবার খুবই হতাশ হলাম। এর থেকে আমাদের ধানমন্ডি লেকে সিড়ি নামিয়ে দেয়া সেই লাল গম্বুজের বাড়িটা অনেক পশ। তারপরও প্রাসাদের আশেপাশের বাগান, মাঠ, সেখানের কনসার্ট আর পরিবেশ মন খারাপ ভাবটা অনেকটাই পুষিয়ে দিলো। P1050314
P1050319
এবার সান্ধ্যভোজনের পালা। প্রত্যেক দেশেরই একটা ব্যাপার লক্ষ্যনীয়। সব রেস্টুরেন্টের লোকেরা যে দেশে থাকবে সে দেশের অরিজিন্যাল স্বাদের সাথে মিলিয়ে খাবার তৈরি করে। কোন দেশের চায়নীজ যে সত্যিকারের চায়নীজ স্বাদের আজো ধরতে পারলাম না। আজকের ডিনার ঠিক হলো ইটালীয়ান। পোল্যান্ডের ইটালিয়ান খাবারের স্বাদ তবুও পরিচিতই মনে হলো। তারমধ্যে স্প্যাগাটি ইন কন ক্রীম সস উইথ চিকেন আর মাশরুমটা ছিল অসাধারণ। P1050353
পরদিন ঘুম থেকে ওঠে দেখলাম আজ মেঘের কোলে ওয়ার্শাও। তাই তাড়াহুড়ার চেষ্টাও করলাম না। সকালে নাস্তা না খেয়ে একবারে দুপুরের খাওয়াতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আগের দিন আসার সময় ভালো একটা গ্রীক গ্রীল রেস্টুরেন্ট সিলেক্ট করে এসেছি। কচ্ছপ গতিতে রেডি হয়ে গেলাম পেটপূজা দিতে। তারপর বিখ্যাত পোলিশ পোটারীর দোকানে। এতো সুন্দরের মাঝে গেলে হয় মন খারাপ। আর ভাবি কতো কিছু আজো দেখা আর জানার বাকি। আমাদের নকশী কাঁথার মতো ওদেরও নিজস্ব একটা প্যার্টান আছে পোটারী ডিজাইন করার। আগে শুধুই নীলে করতো। আজকাল
P1050390
P1050304
পোলিশরাও ফিউশন করছে তাই নীলের সাথে অন্য রঙ ব্যবহার করছে। যদিও প্রধান রঙ হিসেবে নীল থাকছে, বাকিগুলো সহকারী রঙ। আর ট্র্যাডিশন্যাল ডিজাইনের বাইরে অন্য ডিজাইনও নিচ্ছে। পোলিশ পোটারী সারা ইউরোপ জুড়েই খুব বিখ্যাত। ইউরোপের যেকোন ক্রীসমাস মার্কেটের অন্যতম প্রধান আকর্ষন থাকে পোলিশ পোটারী এবং অবশ্যই অন্য যেকোন হাতে বানানো জিনিসের মতো এটিরও বেশ দাম হয়। পোটারী দেখা শেষ হল পর কোনদিকে যাবো ভাবছি। বৃষ্টিতে কোন আরাম হচ্ছে না। তখন ঠিক করলাম, শহরের চারপাশ দেখবো। রুট দেখে চারটা বাসে কিংবা ট্রামে চড়ে শহরের চারপাশ দেখা যাক। এটি মেয়ের বাবার খুবই পছন্দের কাজ সবসময়। তো তাই হলো। P1050421
P1050131
উত্তর দক্ষিন পূর্ব পশ্চিম দেখা শেষ করে এসে আইসক্রীম পার্লার। আইসক্রীম খেয়ে গেলাম পোলিশ এম্বার দেখতে। পোল্যান্ডের বিখ্যাত পাথর, সমস্ত জুয়েলারী শপ ছেয়ে আছে এম্বারের গয়নায়। কি অদ্ভূদ তাদের কাটিং করেছে। কতো শত শেপে কেঁটে ডিজাইন করেছে। এবং অবশ্যই অনেক দামিতো বটেই। P1050388
সবশেষে আজ আমাদের পোল্যান্ডের লাষ্ট সাপার। আবার পোলিশ রেষ্টুরেন্ট। আবার কিছু ট্র্যাডিশনাল ডিস ট্রাই। তবে খাবার খুব ভালো। খেতে হলে যেতে হবে পোল্যান্ড। P1050402
কাল সকালে তাড়াতাড়ি উঠতেই হবে আজ বৃষ্টির জন্যে ক্যাথিড্র্যাল দেখতে যেতে পারিনি। আলসেমি আর গড়িমসিতে কাটলো দিনটি। সকালে ওঠে দেখলাম আবহাওয়া মোটামুটি চলে টাইপ। কিন্তু রাস্তায় বেড়িয়ে আক্কেল গুড়ুম। ইউরোপের প্রত্যেক দেশেই একটি “নো কার” ডে থাকে, কিংবা ম্যারাথন টাইপ কিছু থাকে যেদিন গাড়ি, বাস চলবে না। কোন পলিউশন হবে না। ওয়ার্শাও সেদিন সাইকেল রেসিং এর আয়োজন করেছে আর আমরা হাবার মতো রাস্তায় দাঁড়িয়ে। P1050412
পরে একে তাকে জিজ্ঞেস করে সিটি সেন্টার পর্যন্ত পৌঁছলাম। সেখানে যেয়ে দেখি কিছু দূর পাল্লার বাস যাচ্ছে। এদিকে সেদিক করে ভিলানোও ক্যাথিড্র্যাল পর্যন্ত পৌঁছেছি, কিন্তু আবার ফেরার তাড়া। নইলে নো কারের দিনে আমাদের নো ফ্লাইট হয়ে যাবে ফ্লাইট মিস করে। ক্যাথিড্র্যালটা বেশ সুন্দর ছিল যদিও মন ভরে দেখা হলো না। একে পৌঁছতে দেরী তার ওপর আবার সানডে প্রেয়ার এর ভীড়। যেকোন গরীব দেশের মতো ওয়ার্শাও এর লোকেরাও খুব ধর্ম ভীরু। কুসংস্কার দেখা গেলো এখানেও দানা বেঁধে আছে। কেউ মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে চার্চের বেদি পর্যন্ত যাচ্ছেনতো কেউ পয়সা দিয়ে হাই-টেক মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন। হাই-টেক মোমবাতিতে কয়েন দিলে এটি বাল্বের মতো জ্বলে। একটা নির্দিষ্ট সময় জ্বলে থাকে তারপর নিভে যায় তখন আবার অন্যজন কয়েন দিলে আবার জ্বলে। এগুলোকে ফিক্সড করে রাখা আছে সারি বেঁধে। ধর্মস্থান থেকে পয়সা কামাবার ফন্দীও ঠিক একই আমাদের মতো। P1050425
P1050428
বহু ঝুট ঝামেলা করে প্রায় নাকে মুখে দৌড়ে হোটেলে পৌঁছে স্যুটকেস নিয়ে ভোকাট্টা দৌড় নীচে। গাড়ি বন্ধ থাকলেও এয়ারপোর্টের ট্যাক্সি সার্ভিস চলছিল তাই রক্ষা। শেষ হলো সামার ভ্যাকেশন ২০১১। আবার সামনে রোদ ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা ..................
P1050227
তানবীরা
০৭/১২/২০১১

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আশরাফুল আলম's picture


আহা ! আহা ! এবং আহা !

তানবীরা's picture


ক্যান? Shock

লিজা's picture


এত গোছালো শহর!! সবকিছুই সাজানো । দেখে খালি আফসুস লাগে টিসু

ভাবি কতো কিছু আজো দেখা আর জানার বাকি।

Fishing

তানবীরা's picture


পোল্যান্ড এতো গোছানো লাগলো? তাহলে জার্মানতো শোকেস লাগবে। আমার এতো গোছালো আর ভালো লাগে না Sad

তসলিমা নাসরিনের আমি ভালো নেই, তুমি ভালো থেকো প্রিয় দেশ পড়েছো

লীনা দিলরুবা's picture


আহা! কত সুখ তোমার! কি সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুইরা বেড়াও Sad

তানবীরা's picture


তাই বুঝি? তুমি বেড়াও না? Tongue

লীনা দিলরুবা's picture


আমিতো বিদেশে বেড়াইতে যাই না Sad

তানবীরা's picture


আমিও কি বিদেশ গেছি নাকি? এইটাতো প্রতিবেশি দেশ Puzzled

রাসেল আশরাফ's picture


Puzzled Puzzled Puzzled

১০

তানবীরা's picture


Thinking Thinking Thinking

১১

নাহীদ Hossain's picture


বেশ মুখরোচক খাবারের আয়োজন Shock ফিসিং করেন নাই Fishing
বর্ননা ভাল লাগছে।

১২

তানবীরা's picture


না ফিশিং করি নাই। নানুর বাড়ির পুকুর ছাড়া কোথাও মাছ আমার বড়শিতে ঠোকর দেয় না Puzzled

যাক কেউ একজন লেখাটা পড়ল। এতো খেটে ছবি দিলাম, কোন রেসপন্স নাই, দেখলেন? Sad(

১৩

নাহীদ Hossain's picture


ব্যাপার্না। ফিশেরা মানুষ চিনতে ভুল করতেছে Laughing out loud

১৪

তানবীরা's picture


ঠিক বস, মাইনষে মানুষ চিনতে ভুল করে আর ফিশতো ফিশ Puzzled

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


ছবি দেইখা যাইতে মন চায়!

১৬

তানবীরা's picture


তো যাও Laughing out loud

১৭

টুটুল's picture


আর ২/৩ বছর আগে গেলে বিমারে পাইতেন...

ফটুকেতো খালি খাবারের Sad ... সৌন্দয্য হইছে...

ধইন্যা...

১৮

তানবীরা's picture


বিমা দাওয়াত দিলে আগেই যাইতাম

রাজবাড়ির ছবি থেকে সাইকেল রেসিং সবই দিলাম, আপনার চোখে শুধু খাবারের গুলোই পড়ল! Puzzled

১৯

মাহবুব সুমন's picture


টাকিশ খাবার ভালো লাগে

২০

তানবীরা's picture


ওয়ার্শাও এরগুলো এতো স্বাদ ছিল না। আমাদের এখানে আর একটু স্পাইসি করে

২১

শামান সাত্ত্বিক's picture


আপনি সবসময় এতো খাই-দাই (খাবার-দাবার) ছবি দ্যান কেন? জিভ টসটস করে।

২২

তানবীরা's picture


দুইদিনের এই জীবনে খাওয়া ছাড়া আর আছে কি ভাইজান?

২৩

শাপলা's picture


আহা আহা এবং আহা!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/