আমাদের 'উত্তরদা'। সাপ্তাহিক চিত্রালী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সিনেমা বিষয়ক যে কয়টা প্রত্রিকা বেশী জনপ্রিয় হয়েছিল তার মাঝে সাপ্তাহিক 'চিত্রালী' ছিল অন্যতম। বর্তমান বাংলাদেশে যাদের বয়স ৪০ বা তার বেশী এবং পত্রিকা পাঠে যাদের অভ্যাস ছিল, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে এ সত্য জানা যাবে। ওই সময় চিত্রালী পড়তেন না এমন লোকের সংখ্যা বিরল ছিলো। সিনেমার নায়ক/নায়িকাদের বড় ছবি, তাদের সাপ্তাহিক কর্মকান্ড তুলে ধরতো চিত্রালী। সাপ্তাহিক চিত্রালী বের হত শুত্রবার আর সে দিন মুক্তি পেত নুতন ছবি! বাংলাদেশের চলচিত্রের শুভ দিন ছিল সে সময়! চিত্রালী নিয়ে আর একদিন লিখার চেস্টা করব।
সাপ্তাহিক চিত্রালীর পাঠকদের জন্য দুইটি পৃষ্টা বরাদ্দ ছিলো, যাতে পাঠকরা ইচ্ছে করলে লিখতে পারতেন। অনেকটা আজকের পত্রিকা গুলোর পাঠকদের পাতা/ সমাবেশ/ সংঘঠনের মত। অবশ্য পরর্বতীতে চিত্রালীর পাঠক সংঘঠন গড়ে উঠেছিল, নাম ছিল "চিপাচস"। চিত্রালীর এ পাতা গুলোর একটির নাম ছিলো - আপনাদের চিঠি পেলাম। পাঠকরা যে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে পারতেন, আর উত্তর দিতেন একজন, নাম ছিলো "উত্তরদা"। অনেকটা আজকের দিনের ব্লগের মত লিখতাম আমরা, মন যা চাইতো!
দিনের পর আমরা চিঠি লিখেও এই 'উত্তরদা' কে, কে আমাদের উত্তর দিচ্ছেন তা জানতে পারি নাই। নিজকে এত নিরবে লুকিয়ে রাখতেন তিনি। অনেক অনেক বছর পর আমরা তাকে খুজে বের করে ছিলাম, তিনি আর কেহ নন - বংগবন্ধু শেখ মুজিব মার্কা চেহারার এক লোক! কি সুন্দর ছিল তার বচন ভংগি। কি দরদ ছিল তার মনে। পাঠকের ভুল বানানে লিখা চিঠি গুলো কত সুন্দর করে সাজিয়ে তুলে দিতেন পাতায় পাতায়! কত অলেখাকে বানিয়েছেন সুলেখা। আজকের লিখা লিখিতে নাম করা অনেকেই তার কাছে লিখে হাত পাকা করেছেন।

তিনি গত হয়েছে আজ ৯ বছর হল। আজ ছিল তার নবম মৃত্যু বাষিকী (৯ই সেপ্টম্বর)। আমাদের লিখার এ গুরুকে সালাম জানাই। গুরু, আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, আপনি আছেন আমাদের মাঝে, আমাদের অন্তরে, অন্তরে।
সালাম জনাব এ, টি, এম হাই।
(বন্ধু মেজবাহ যায়াদকে ধন্যবাদ, আজকের দিনটা স্বরন করিয়ে দেবার জন্য।
বন্ধুরা, আমাদের উত্তরদা জেমস'র একটা জনপ্রিয় গান 'বাবা'য় পিতার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। দেখুন, কি সুন্দর ছিলেন মানুষটা, সাদা মনের এক পিতা।
http://www.facebook.com/profile.php?id=1398312390&v=photos#!/video/video.php?v=1059650297004
গানটা ইউটিউবে পাওয়া যায়, তবে আমি তার ছেলে তাসনিম হাই'য়ের ফেইসবুকের লিঙ্কটা দিলাম)





খুব ভালো লাগলো! কিন্তু অতৃপ্ত রয়ে গেলাম। লেখকের কাছে এ বিষয়ে আরও বড় লেখা চাই।
বুলবুল ভাই, আমি ভাল লিখতে পারি না। নিশ্চয়ই একদিন কোন ভাল লেখক তাকে নিয়ে লিখবেন। তবে তিনি নিজকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করতেন। অনেক লেখক তাকে লিখে গেছেন বছরের পর বছর কিন্তু তার নামটাও জানতে পারেন নাই। আমরা অনেক পর তাকে দেখেছিলাম তাও বিশেষ জোরাজুরি করে।
তিনি চিত্রালীতে চাকুরীজীবি ছিলেন না। পার্ট টাইমার হিসাবে কাজ করতেন। সাপ্তাহে একদিন গিয়ে চিঠিগুলো আনতেন, অন্যদিন গিয়ে উত্তর দিয়ে আসতেন। রাত জেগে আমাদের উত্তর লিখতেন। তার উত্তরগুলো পড়ে আমরা অবাক হয়ে যেতাম। কি করে এত সুন্দর উত্তর বের হত!
পরে জেনেছিলাম, তিনি সেভিয়েত ইউনিয়ন পরিচালিত একটা কালর্সাস সেন্টারে কাজ করতেন। এরপর জীবনের শেষদিন গুলিতে প্রথম আলো'র উপসম্পাদক হিসাবে কাজ করে গেছেন। উপ সম্পাদকীয় লিখতেন, তার লিখার মান ছিল অসাধারন।
আজকে তার অনেক স্নেহভাজনই নাম করা সাংবাদিক, লেখক - নানা দেশে, নানা জায়গায়। আমি যতদুর জানি তাসলিমা নাসরিনও চিত্রালীতে তার কাছে লিখে হাতে খড়ি নিয়েছিল। তবে তিনি এতটা ভাল মানুষ ছিলেন যে, নিজের নাম হউক এমন কিছু কখনোই করেন নাই।
সে অনেক কথা।
আমার সৌভাগ্য হাই ভাইয়ের সহকর্মী ছিলাম। বয়সী আমি তাঁর অনেক ছোট হলেও তার আন্তরিক সাহচার্য পেয়েছি। অপার স্নেহ পেয়েছি। হাই ভাই ছিলেন আমাদের আদর্শপুরুষ। অসাধারণ ছিল তাঁর অন্তঃকরণ, অসাধারণ ব্যক্তিত্ব।
আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে হাই ভাইয়ের সহধর্মিনী হেনা ভাবীকে ফোন করেছিলাম। তিনি দুঃখ করে বললেন, হাই ভাইয়ের শেষ কর্মস্থল, যেখানে কর্মরত অবস্থায় তিনি এই পৃথিবী ত্যাগ করেছিলেন, সেই প্রথম আলো আজ একটি শব্দও লেখেনি তাঁকে নিয়ে। হায়রে, নিয়তি!
এখানে একটি কথা বিনীতভাবে বলতে চাই। আমি যখন প্রথম আলোতে ছিলাম, হাই ভাইয়ের মৃত্যুদিনে অন্তত তাঁকে স্মরণ করার ব্যবস্থা করতাম। আমি যখন বন্ধুসভার সম্পাদক ছিলাম, বন্ধুসভার পুরো একটি পাতা হাই ভাইকে উৎসর্গ করেছিলাম। সেই বিশেষ আয়োজনের পুরোটাই ছিল হাই ভাইকে নিয়ে লেখা, স্মৃতিচারণ, শ্রদ্ধা নিবেদন।
এখন প্রথম আলো সব ভুলেছে। তবে আমরা ভুলিনি। হাই ভাই আছেন আমাদের হৃদয়ে, শ্রদ্ধার আসনে।
উদরাজীকে ধন্যবাদ ক্ষুদ্র এই লেখাটির জন্য।
গিয়াস ভাই,
সালাম নিবেন। আপনার তুলনা আপনিই। আপনাকেও এ প্রজন্ম আদর্শপুরুষ হিসাবে মেনে নেবে। আপনার জন্য শুভ কামনা। হাইদা না থাকলে হয়ত আমি আপনাদের পুরা পরিবারের বন্ধু হতে পারতাম না।
প্রথম আলো তাকে মনে না রাখুক, তাতে কি আসে যায়। প্রিয় বন্ধুর জন্য আমরা থাকবো চিরদিন।

উত্তরদা ,
এ.টি.এম. হাই কে নিয়ে আমার অনেক স্মৃতি । কোন একটা নতুন আইডিয়া মনে হলেই
লেখা লিখে লিখে ফেলেছি , চিত্রালী অফিসে সে লেখা পৌছে দেবার কিছু দিনের
ছাপা হলে বন্ধুদের সাথে গোলমাল-মিটিং (!) । খিলগাঁও কে চিত্রালী পাড়া নামকরন
.....অনেক অনেক মজার স্মৃতি । টাইপ ভালো পারছি না বলে অল্পতেই শেষ করতে
হলো । ধন্যবাদ সাহাদাত ।
বন্ধু আহাদ,
উত্তরদার কল্যানে পাওয়া আমাদের বন্ধুত্বের ৩০ বছর হয়ে যাবে আর কিছু দিন পর। ৩০ বছর, কত দিন - আমার মনে হয় আমরা আছি এখনো আগের মতই।
শুভ কামনা।
(বাংলা টাইপ কঠিন কিছু নয়, অভ্র ফনেটিক দিয়ে চেস্টা চালান)
আমাদের প্রিয় উত্তরদার সাথে পরিচয় চিত্রালীর আপনাদের চিঠি পেলাম বিভাগে লিখতে লিখতেই। অসাধারন একজন মানুষ। সবার কাছে এটি এম হাই দা নামে পরিচিত হলেও আমার কাছে তিনি ছিলেন প্রিয় উত্তরদা। একজন আদর্শ বড়ভাই / বাবার মতো স্নেহ পরায়ন। চিত্রালীর এ পাতায় তার কাছে লেখার হাতে খড়ি পেয়েছিলেন আজকের অনেক স্বনামধন্য লেখক সাংবাদিক। তাদের মধ্যে যাদের নাম মনে পড়ছে- ফজলুল বারী (বদরুল), শামীম আলম দীপেন, যশোর মহিলা কলেজের বাঙলা বিভাগের অধ্যাপিকা সুরাইয়া মজুমদার (চাবুক), বেবী মওদুদ, আল মনসুর (অভিনেতা),অভিনেত্রী আফরোজা বানু, তাসলিমা নাসরিন, সুমন্ত আসলাম... অনেক নামই এই মুহুর্তে মনে পড়ছেনা । আমাদের একটা বন্ধু গ্রুপ গড়ে উঠেছিল এই চিত্রালী এবং উত্তরদাকে কেন্দ্র করে। সেখানে ছিল ফামগেটের তিন ভাই- একবোন- মেজবাহ আজাদ, রেজা আরিফ, মাহবুব, সুলতানা শিপলু (বাঙালী মেয়ে), মারুফ,সাইফুল করিম ডাডলী, নিজামরানা, বাচ্চু, মুজিব, খিলগায়ের ঈশান, আনোয়ারুল কবীর শামীম, নূর -ই- আহাদ, লিটন, জামান, জাকির, মালিবাগের ফেরদৌসী ইয়াসমীন তনু, রায়ের বাজারের কল্যানী (শান্তা কাদের শেলী), লিলি, ডলি, সোনিয়া,আশা রহমান,সিলেটের মোমুর,মিহীন, নারায়নগঞ্জ এর গ্রেনেড, দুর্বার, ইলোরা মুন্না, রতন রনি , আজাদ জনি, মোল্লার টেকের চেংগিস খান । আরো ছিল পারুল (আলুবাজার), জেসমীন বকুল, রানা রহমান, সোলায়মান বাবু,ডলার, জিয়া, মাধবী, জাহান, সাদেকা আজমী, পশ্চিম রামপুরার সৈয়দা তাজমীরা,সজীব বিবর্ন নীলা, সূদুরিকা স্বপ্না, মগবাজারের মতিউর রহমান দুলাল (প্রয়াত), আলো, অনামিকা, নাজমুল, চিটাগং এর সোহেল কাদের। যাদের নাম মনে পড়লো না, ক্ষমা করবেন।
৯ সেপ্টেবর ছিল প্রিয় উত্তরদার মৃত্যুবার্ষিকী- পিতৃতুল্য এই মানুষটা আরেকবার সালাম।
ধন্যবাদ উদরাজী, আপনার উদরাজী নামটা খ্যাতি পেয়েছিল উত্তরদার সুবাদেই।
বন্ধু লিটন,
আপনার লিখা পড়ে চোখে পানি এসে গেল। আপনার মত স্বরন শক্তি আর আমার নেই। যে সকল বন্ধুদের নাম লিখেছেন তাদের অনেকের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল।
উত্তরদার কল্যানে পাওয়া বন্ধুদের কাছ থেকে আমিও অনেক পেয়েছি। অনেক মজার স্মতি জমে আছে।
- বন্ধু মেজবাহ'র সাহায্যে জীবনে প্রথম বাসা থেকে পালিয়ে গিয়ে বেচে থাকা!
- চাবুক আপার জন্য জীবনে প্রথম প্লেনে যশোর ভ্রমন করা! (আহাদের তোলা সাদাকালো ছবিগুলো দেখি পোস্ট দেয়া যায় কিনা)
আরো কত কি ঘটনা!
উত্তরদা'র ভালবাসা পাওয়া আমার জীবনে পরম পাওয়া।

(ব্লগে লিখুন, আপনার তোলা ছবি গুলো আজও কথা বলে)
একজন সাদা মনের মানুষের কথা জেনে ভালো লাগলো উদরাজী ভাই। মানুষটির প্রতি থাকলো
আন্তরিক শ্রদ্ধা! ধন্যবাদ ভাইডি
বাতিঘর ভাই, আপনাকে শুভেচ্ছা। উত্তরদার মত মানুষেরা সমাজে বিরল হয়ে যাচ্ছে। প্রচার কিংবা নাম কামানোর কোন উদ্দেশ্য এ মানুষটার মনে আমি দেখিনি। দুই হাতে গড়ে গেছেন অনেক লেখক/লেখিকা। বাংলাভাষার উপর তার দক্ষতা ছিল অপরিসীম।
ঈদ মোবারক
উত্তরদার প্রতি শ্রদ্ধা
জ্বিনের বাদশা ভাই, আপনার জন্য রইল ঈদের শুভেচ্ছা - ঈদ মোবারক। আজ বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে।
যদিও আমি কোনোদিন সেখানে চিঠি লিখি নাই কিন্তু মাঝে মাঝে পড়তাম। অনেকের নামই মনে আছে। অনেক বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর দিনতে পাঠকের চিঠির।
হাসান রায়হান ভাই, আপনি সত্য বলেছেন। উত্তর এত সুন্দর লিখতেন যে, পড়ে আমরা চমকে উঠতাম। বিশাল মনের মানুষ ছিলেন তিনি।
সেপ্টেম্বর আসলে ৫ টা জন্মদিন আর একটা মৃত্যুদিন পালন করি আমি। ৩ তারিখ ছোট ভাই রেজা য়ারিফ, ১৪ তারিখ বন্ধু মুজিবের, ১৬ তারিখ নিজের আর বন্ধু রাশেদের, আর ২২ তারিখ বন্ধু গিয়াসের। মৃত্যুদিনটা দাদার। ৯ সেপ্টেম্বর।
উত্তরদা মানে হাইদার সাথে আমার অনেক স্মৃতি আছে। অসম্ভব শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল তাঁর সাথে আমার আর আমাদের পরিবারের সবার।অন্যদিন তাঁকে নিয়ে লিখবো। অনেক ধন্যবাদ উদরাজী লেখাটার জন্য। দাদার আত্মার শান্তি হোক।
য়াযাদ ভাই, উত্তরদা জন্য আপনাকে পাওয়া। জানেন কত দিন পার হয়ে গেল! ৩০ বছরের কাছাকাছি আমাদের বন্ধুত্ব!
ওই মিয়া কন কী ? আপনের লগে আমার দেখা হইছিলো ৯০ সালে। তাইলে কি ৩০ বছর হইলো ?
দেখা হইছিলো ৯০ সালে (আমার মনে হয় আরো আগে, ৯০তে আমি চট্রগাম পালিয়েছিলাম)! সত্য, কিন্তু চিত্রালীতে লেখালেখির বছরগুলো বাদ দিবেন, জানাসোনার! অবশ্য আমি আজকাল ভূলো রোগে ভুগছি। অনেক কথা, অনেক নাম আর মনে করতে পারি না। চিত্রালীর পাঠকদের পিকনিক কি ১৯৯০ সালে নাকি তার আগে হয়েছিল?
যাই হোক ক্ষমা চাই, ভুল হলে।
চিত্রালী আর পূর্বানী দুইটা পত্রিকা ছিল বোধহয় সেই সময়। সিনেমা জাতীয় ব্যাপার বড়দের বিষয় বলে কখনো কেনা হয়নি। লুকিয়ে চুরিয়ে উকি দিয়েই খালাস।

চিত্রালীর দেখা দেখি পূর্বানীতেও এমন একটা পাতা ছিল। সিনেমাও এমন একটা পাতা দেখেছিলাম। কিন্তু চিত্রালী'র দাদা ছিলেন অসাধারন।
আমার আম্মার পত্রিকা পড়ার বাতিক ছিল। বেগম/ চিত্রালীও পড়তেন। তার কারনে আমাদেরও পত্রিকা পড়া হত। অনেক ছোট থেকেই আমরা নিউজ পেপার পড়ি, নিউজ পেপার পড়া নিয়ে ভাই বোনেরা মারামারিও করেছি! তার পর আম্মার গণহারে পিটা! সে দিনগুলি যদি আবার ফিরে পেতাম।
আমি চিত্রালী পড়ি নাই তাই কুনু আইডিয়াও নাই। জীবনে কাওরে চিঠি লিখছি কি না তাও জানি না। আমি ভেজিটেবল গার্ল ছিলাম এবং আছি
ভেজিটেবল গার্ল!
ওয়াও! ওয়াও!!
একজন সাদা মনের মানুষের কথা জেনে ভালো লাগলো উদরাজী ভাই। ধন্যবাদ।
সাঈদ ভাই, চিত্রালী পড়েছেন!
চিত্রালী পড়েছেন কিন্তু এখনো বিবাহ করেন নাই, আমাদের সমাজে এমন ছেলেমেয়ে এসময় পাওয়া বিরল!
হা হা হা .।।।
উদরাজী, নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে। এ ব্লগে আমার পদার্পন প্রায় একমাস।অথচ...তোমার এ অসাধারণ পোস্টটা চোখে পড়েনি কেন! হাই সাহেব... আমাদের প্রিয় উত্তরদা... তার কথা ভাবলেই বুকের ভেতরটা চিন চিন করে ওঠে,হৃদয়ে কষ্টের নদী বয়ে যায়....।কত স্মৃতি,কত সুখ-দু:খ, আনন্দ-বেদনা আর ভালোবাসার উপখ্যান রচনা করে গেছেন তিনি।তিনি ছিলেন আমাদের সোনালী অতীত।তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে আমাদের যৌবনের শ্রেষ্ট দিনগুলো।সত্যি...তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র...।তাঁকে নিয়ে আমার আরো আনেক কিছু বলার ছিল, আজ আর বলবো না।ভবিষ্যতে হাই সাহেব এবং চিত্রালী, -এই বিষয়ে আমারো একটি পোস্ট লেখার ইচ্ছা রইলো।
মন্তব্য করুন