আত্মকথাঃ আমাদের প্রথম ভ্রমন।
১৯৮৫ সালে প্রথম আমরা তিন বন্ধু (মাহাবুব, বিশু ও আমি) নানা জেলা শহরে ঘুরে বেড়াতে বের হই। প্রথমে আমাদের টার্গেট হয়, সিলেটের প্রতি। সিলেটে চা বাগান আছে, মাজার আছে এবং জাফলং। শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আমার জন্ম এবং শ্রীমঙ্গলে আমার খালা (আপন নয়, আমার মাকে বোন ডেকে ছিলেন কিন্তু কেহ এটা বুঝতে পারত না) আছেন তাই সাহসটা আমিই দেই, চল কি আছে জীবনে! মাত্র ৯০০ টাকা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
কমলাপুর রেল স্টেশনে যেয়ে দেখি মাহাবুব তার বাসা থেকে ক্যামেরাটা নিয়েছে। টাকার অভাবে আমরা সিলেট শহর ও জাফলং যেতে পারি নাই, তবে শ্রীমংগলে আমরা প্রান খুলে বেড়িয়ে ছিলাম। প্রায় প্রতিদিন চা বাগানে গিয়েছিলাম। আমার খালাম্মা (যিনি পরবর্তিতে জরাযু ক্যান্সারে মারা যান, তার প্রসঙ্গেও আমার লিখার ইচ্ছা আছে ) এত খুশি হয়েছিলেন, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

যাত্রা শুরু, কমলাপুর।

-

-

-

-

কত সুন্দর সেইদিন গুলি!
আমাদের বন্ধুত্ব আজও অটল। বিশুর সাথে প্রায় প্রতিদিনই দেখা হয়। কিন্তু মাহাবুবের (নীচের ছবি) সাথে আজ অনেক দিন দেখা নেই। প্রায় মাস দুয়েক হল ও ইন্ডিয়াতে গিয়েছে! ওর ক্যান্সার হয়েছে, এখন কলকাতাতে চিকিৎসায় আছে 'বন্ধু আমার'। খুব একটা সময় নেই আর এ জগতে। সব মায়া ছেড়ে চলে যেতে হবে, দুটি ফুটফুটে মেয়ে ফেলেও।

বন্ধু, তুমি যেও না, আমাদের একলা ফেলে। চল না আবার আমরা ঘুরে আসি শ্রীমঙ্গলের চা বাগান থেকে। রাজহাঁসের রোস্ট, মিহি চালের পোলাউ খেয়ে বলবে না - উদরাজী বল, আর কোন কোন জেলায় তোর খালাম্মারা আছেন!





বাহ্। আপনার পুরোনো দিনের স্মৃতিকথা পড়ে ভালো লাগলো। আপনার বন্ধুর আরোগ্য ও প্রত্যেকেরই সুস্থজীবন কামনা করছি।
পোস্টের লিগা সাহাদাত ভাইরে ধইন্যা।
মীর ভাই, আপনাকেও ধন্যবাদ।
কাকা ছবি গুলও মনে হচছে সাদাকালো কিন্তু দিনগুলো কতটা রংগীন ছিলো তা দেখেই বুঝা যাচ্ছে।
বন্ধুর জন্য শুভকামনা রইলো।
বন্ধুদের শুভকামনা বিফলে যায় না যেতে পারে না।
কাকা, ওটা রঙ্গীন ফ্লিম ছিলো। ওয়াস করতে গিয়ে এক রঙ করে ফেলেছিলো। তখন এ রংটা নিয়ে আমরা খুশি ছিলাম।
আশা করি, ও ভাল হয়ে আসবে।
দ্বিতীয় ছবিটা দেখে আগের দিনের বাংলা সিনেমার হিরোর মতো দেখাচ্ছে
বন্ধুকে নিয়ে কিছু বলার নেই। যেকোন মূহুর্তে আমাদের যে কারো এধরনের পরিনতি হতে পারে।
আটল, শীমঙ্গলের, পলাউ বানানগুলো ঠিক করে দিয়েন।
সিষ্টার তানবীরা, আপনার জন্য শুভ কামনা। হা, আজ কাল রোগ বালাই সবার লেগেই আছে। আমার এ বন্ধুটি কখনো সিগারেট খেত না, খেলাধুলায় ছিল নাম্বার ওয়ান। গত কয়েক বছর আগে হজ্জও করে এসেছিল।
ঠিক কথা, আগের কালের হিরোদের মত!
.................................
বাতিঘর, শুভ কামনা।
আপনার বন্ধুর জন্য শুভকামনা রইলো।
সিষ্টার জয়িতা, আপনার শুভ কামনার কথা গুলো ও ফিরে আসলে জানিয়ে দিব।
এতো আনন্দ নিয়ে শুরু করা কথাগুলো বিষাদে ছেয়ে গেলো...
স্মৃতিতর্পণ হোক আনন্দের
বন্ধুরা ভালো থাকুক সর্বত্র
সিষ্টার নুশেরা, বন্ধুরা ভালো থাকুক সর্বত্র।
সরস আরম্ভের পরে করুণ অন্তিম ! হরিষে বিষাদ । মন খারাপ হওয়া ভ্রমণ কাহিনী । শেষ দিনগুলো আনন্দময় হোক সবার ।
হুদা ভাই, আমাদের জীবন কেন এমন হয়।
এই তো জীবন ! এরই নাম জীবন ! কিন্তু কেন এমন হয় তার উত্তর আমার জানা নেই । কে দেবে এ প্রশ্নের জবাব ?
মাহবুব, আমার কাছে নিউ বর্নালীর মাহবুব। উদরাজীর সুত্রেই তার সাথে আমার পরিচয়্ । অনেক দিন যোগাযোগ নেই। দারুন প্রানবন্ত এই মানুষটির কঠিন অসুখ। আল্লাহ তাকে রহম করুন।
হরিষে বিষাদ...
আমি চারশোটাকার কমে সিলেট ঘুরছিলাম
ভালো।
বিশাদ
মাহবুব মানে তালতলা মার্কেটের মাহবুবতো ! আল্লাহ ওকে সারিয়ে তুলুক...
আপনার বন্ধু এবং তার পরিবারের জন্য আন্তরিক শুভকামনা রইলো। কোনও মানুষকেই যেন অকালে চলে যেতে না হয়।
বন্ধুর জন্য মন খারাপ হল।
মাহাবুব ভাইকে আমি চিনি ।, হাসিখুশী একজন , মাহাবুব ভাইকে দেখতে ইচ্ছে করছে ।।।।।।
আহাদ, ওকে নিয়ে একদিন আসব।
উদরাজী,তোমার এই পোস্টটা আমার দৃষ্টি এড়াইলো ক্যামনে-বুজতে পারতেছিনা, মাহাবুবকে আমিও চিনি, ওর খবরটা শুইনা মনটা খারাপ হইয়া গেল...।
মন্তব্য করুন