ইউজার লগইন

জীবন সাথী।

১।
ঘটনা অনেক আগের, আপনাদের এই ঢাকা শহরের। বিবাহ করে জীবন সাথীকে নিয়ে সুখে দিনাতিপাত করছিল। টাকা পয়সার ব্যাপক প্রযোজনীয়তা তখনো নেই। জীবন একটা সাধারন চাকুরী করে, যা পায় তা দিয়ে কোন রকমে চলে যাচ্ছিলো। দুইজনই যেহেতু নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে ঘর বেধেছিল তাই চাওয়া পাওয়াও কম ছিল। তবে মাসের শেষে বাজার খরচে একটা হালকা টান পড়ে যেত, শেষ দুই চারদিন জীবনের পকেটে টাকা থাকত না। সোজাকথা জীবন ও সাথীর জীবনবোধ তখনো চাঙ্গা হয় নাই। এমনি একদিনে দু’জনে রাতের খাবার খেতে বসে, মাদুর পেতে - ভাত, লাল মরিচভর্তা আর পানিডাল।

আসলে সাথীর সে দিন আর কিছু করার ছিল না, এর ছেয়ে আর বেশী কিছু রান্নার সামগ্রী তার হাতে ছিল না। সকালে জীবনকে তরুতরকারীর কথা বলেছিল। জীবনও বলেছিল, চেষ্টা করবে। জীবন সেটা পারে নাই, অফিসে কারো থেকে ধার করে নিবে ভেবেছিলো কিন্তু কেমন একটা লজ্জায় তা আর করে নাই। খালিহাতেই বাসায় ফিরে গিয়েছিল।

সাথী জীবনের পাতে ভাত তুলে দিয়ে মরিচভর্তা এগিয়ে দেয়। জীবন চামুচ দিয়ে মরিচভর্তা নিতে চেষ্টা করে, ভর্তার বাটি দোল খায়। এমন সময় সাথীর চোখে চোখ পড়ে যায় জীবনের। ফর্সা টুকটুকে সাথী হেসে ফেলে, আজ খেয়ে নাও - রাতে গান শুনাব। জীবনও হেসে ফেলে।

হাসতে হাসতে গড়াগড়ি!

২।
চাকুরী নিয়ে ভালই ছিল জীবন কিন্তু টাকার সংকট আর কাটে না। কয়েকটা চাকুরী পরিবর্তন করেও তেমন কোন লাভ হল না। ড্যাফোডিল, একমি, মোবারক মটরস, বেক্সিমকো। এভাবেই নানা অর্থ কষ্টে জীবন সাথীর সংসারে নুতন অতিথি আসে। ছেলেটা বড় হবার পাশাপাশি, জীবন সাথীর জীবনধারা ও বদলাতে থেকে। এখন আর তাদের মাদুর পেতে বসে রাতের খাবার খেতে হয় না। শেষ চাকুরীতে ভাল বেতন পেলে কিছু টাকা জমে যায়। সে টাকা নিয়ে গত ৪ বছর শেয়ার বাজারে ও বন্ধুদের সরকারী টেন্ডারে আনেষ্টনামি হিসাবে খাটিয়ে দাঁড়ানোর একটা চেষ্টা করে গেছে জীবন। মোটামুটি বলা যায়, বিবাহের ১৩ তম বছরে এখন জীবন সাথী অনেক পাকা সৈনিক। টাকার অভাব যেমন কেটেছে, তেমনি জীবন সাথী দুই জনের শরীরে ও মেদের পরিমানও বেড়েছে।

জীবন সাথীর সংসারটা এখন অনেক ঘুছানো। ঘরে কি নেই। হাতিলের খাট পালঙ্ক, ইন্ডিয়া থেকে আনা বম্বে ড্রাইংযের বিছানা ছাদর, আখতারের শোফা, বড় দুটো ফ্রীজ। কি নেই, সব কিছুই জীবন নিজের টাকায় কিনে ফেলেছে। শুধুমাত্র একটা টেলিভিশন ছাড়া! ড্রইং রুমের রাখা টেলিভিশনের কথা একটু বলা দরকার। গত ৯ বছর আগে এই এলজি গোল্ডেনআই টেলিভিশনটা সাথীর বাবা সাথীকে দিয়েছিলেন এই বলে যে, মেয়েটা সারাদিন একাএকা বাসায় থাকে। একদিন অফিস থেকে জীবন বাসায় ফিরে টেলিভিশনটা দেখে খুব রেগে গিয়েছিল। জীবন শশুরবাড়ী থেকে কোন কিছু নেয়া কখনো পশ্চন্দ করে নাই। সেদিন রাতে জীবন খুব কস্ট পেয়েছিল। সাথী জীবনকে ব্যাপারটা বুঝাতে অনেক চেষ্টা করেছিল।

বলা বাহুল্য, এখন চাইলেই জীবন একটা সনি ব্রাভিয়া টেলিভিশন কিনতে পারে, স্ট্যার্ডড চ্যার্টাড ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে ইন্টারেস্ট শূন্যে। একটা নুতন এলসিডি ওয়ালফিট। কয়েকবার জীবন কথাটা সাথীকে বলেছিল। সাথী কিছুতেই রাজী নয়, বাবার দেয়া টেলিভিশনটার প্রতি সাথীর একটা অন্য দুর্বলতা। টেলিভিশনটা দেখতে গেলেই নাকি বাবার কথা মনে পড়ে। জীবন সারা ঘরের নানা আসবাব পত্রে মাঝে মাঝে ধুলোবালি দেখলেও এই টেলিভিশনের উপর কখনো এমনটা দেখেনি। গত ৯ বছরে একই সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে এই যন্ত্রটা।

আজও প্রতিদিনের মত জীবন বাসায় ফিরে, ছেলেটার খোঁজ খরব নিয়ে একটা টানা গোসল দিয়ে ডাইনিং টেবিলে খেতে বসে। জীবন সাথী টেবিলের এপার ওপার, প্রতিদিনের মত আজো অনেক রান্না - ভাত, টাকি মাছের ভর্তা, পাতাকপি ভাঝি, শীম ফুলকপি নুতন আলু মিশিয়ে ঝরঝরে তরকারী, রুইমাছের ঝালকারী, দেশী মুরগীর সাধারন রান্না, মুশরীডাল।

হটাত ড্রইং রুম থেকে একটা বিকট শব্দে জীবন সাথী খাবার টেবিল থেকে ছুটে যায়। ছেলেটা শোফায় বসে আছে। টেলিভিশনের পিকচার টিঊব ভেঙ্গে পড়ছে, আগুনের ফুলকি। জীবন দ্রুত এগিয়ে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দেয়। দেখেই বুঝা গেল, টেলিভিশনের মৃত্যু ঘটেছে! পরিবেশ শান্ত, জীবন সাথী খাবারের টেবিলের গিয়ে বসে। বিরাট গম্ভীর অবস্থা। জীবন সাথী দুইজনেই কি করবে বুঝতে পারছে না।

জীবন সাথীর পাতে ভাত তুলে দিয়ে টাকি মাছের ভর্তা এগিয়ে দেয়। সাথী চামুচ দিয়ে টাকি মাছের ভর্তা নিতে চেষ্টা করে, ভর্তার বাটি দোল খায়। এমন সময় জীবনের চোখে চোখ পড়ে যায় সাথীর। টাক মাথার জীবন হেসে ফেলে, খেয়ে নাও - রাতে গান শুনাব। সাথীও হেসে ফেলে।

হাসতে হাসতে গড়াগড়ি!

পোস্টটি ২২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

হাসান রায়হান's picture


আত্মকথা চুপ্চাপ পড়ে গেলাম।

সাহাদাত উদরাজী's picture


গুরু, কঠিন জীবন। গল্পের মতই। একটু চেষ্টা করছি মাত্র। হাসিতেই সব পার।

রাসেল আশরাফ's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম।

অনেক কিছু জেনে গেলাম।

সাহাদাত উদরাজী's picture


কাকা, বিবাহিত জীবন আনন্দের। আপনার পাত্রী কি ঠিক হয়েছে। সাথী নির্বাচনে ভুল হলে দুইকুল যাবে! যা কিছু করেন, বুঝে শুনে।

রাসেল আশরাফ's picture


কাকা কি হাড়িঁ পাতিলের ব্যাবসাতে নামবেন নাকি?খালি সবাইরে এককথা জিজ্ঞাসা করেন??

যদি নামতে চান তাইলে দুই-চারটা স্যাম্পল দেখান।তারপর আমরা ঠিক করুম নে।

সাহাদাত উদরাজী's picture


দেখাবো। আগে অনেক গার্মেন্টস কন্যা হাতে ছিল, এখন অনেক সেবিকা আছে। লাগলে আওয়াজ দিয়েন। কাউকে বিবাহ করাতে, দিতে আমার ভাল লাগে! ইত্যিমধ্যে আমি উকিলবাপ হয়ে গেছি! উকিলনানাও হতে চলছি!

রাসেল আশরাফ's picture


আগে অনেক গার্মেন্টস কন্যা হাতে ছিল, এখন অনেক সেবিকা আছে। লাগলে আওয়াজ দিয়েন।

এটা কি ধরনের কথা কাকা??ব্যাবসা করবেন আপনি আর আওয়াজ দিমু আমরা??

আমার মনে হয় শেয়ারে পাশাপাশি এই ব্যাবসা শুরু করেন কিছুদিন পর আরো উন্নতি করতে পারবেন।

বকলম's picture


এই হাসিটাই খুব দরকার। ট্যকা পয়সাতো তেজপাতা।

সাহাদাত উদরাজী's picture


বকলম ভাই, আপনার কমেন্ট না পেলে আমার ভাল লাগে না। আপনি ভাল বলেছেন। হাসিটাই জরুরী। গত সাপ্তাহে মধুটিলা ইকো পার্কে বেড়াতে গিয়েছিলাম কয়েক বন্ধু। সেখানে এক স্থানীয় বন্ধু থেকে শুনেছিলাম, কি করে হাসি দিয়ে এক র‍্যাব মেজর সাহেবের বুলেটের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিল।

১০

লিজা's picture


সবকিছু বাদ দিয়ে যে একটা সাধারণ গল্প রয়েছে সেটা সত্যিই ভাল লাগল।

১১

সাহাদাত উদরাজী's picture


বোন লিজা, আপনার জন্য শুভেচ্ছা। সংসারটা আসলে এমনি করে গড়ে উঠে। দুই জনের প্রচেষ্টায়। রেগে না গিয়ে হেসে ফেলাই উত্তম।

১২

মীর's picture


আপ্নের উন্নতির গ্রাফ তো প্রায় সরকারী কর্মকর্তাদের কাছাকাছি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসলে কিন্তু টাস্কফোর্স নিয়ে টেনশন কর্তে কর্তে মেদ কমে যাবে।
খুব খিয়াল কৈরা। Wink

১৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


মীরদা, ১৩ বছর ঘর করলে আপনারো সব হয়ে যাবে। এটা আসলে গল্প। বাস্তব এমন নয়। হাসিতে পার পাওয়া যায় খুব কম ক্ষেত্রেই! দূর, এত কিছুর ভয় করলে বাচবেন কি করে। জীবন এত সহজ নয়।

১৪

তানবীরা's picture


ব্রাদার উদরাজী, জীবন আর সাথীকে বলবেন তাদের গান রেকর্ড করে ইস্নিপসে আপলোড করতে। যাদের বাসার পরিস্থিতি ভিন্ন নয় এধরনের মূহুর্তে তারা উপকারিত হতে পারবেন। Laughing out loud

১৫

সাহাদাত উদরাজী's picture


বোন তানবীরা, আপনার কমেন্ট নাই, তা হবে না। আপনার কমেন্টের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। হ্যাঁ, আমার জানামতে জীবন সাথীর চেয়ে ভাল গাইতে পারে। কত চাদনী রাতে বেলকনীতে বসে গান গাইতো তারা। হা হা হা.।

১৬

তানবীরা's picture


জ্বী সব জায়গায় বা হাত ঢুকানো আমার আবার অভ্যাস, তাই কমেন্ট না কইরা থাকতে পারি না Glasses

১৭

সাহাদাত উদরাজী's picture


বোন তানবীরা, আপনার কমেন্ট আমরা উপভোগ করি। আশাকরি আরো বেশী বেশী কমেন্ট করবেন। আমার মনে হয় এবিতে আপনিই সেরা কমেন্টার!

পোস্ট করেছেন: (৩৩)
কমেন্ট করেছেন: (২৬৬৯)

এখন পর্যন্ত আপনি ২৬৬৯ টা কমেন্ট করেছেন। এত কমেন্ট করা সহজ কাজ নয়! আপনাকে সালাম জানাই।

১৮

তানবীরা's picture


ব্রাদার উদরাজী যদি এবি কর্তৃপক্ষের কাছে আমার জন্যে একটা এ্যওয়ার্ডের সুপারিশ করতেন, এতো কমেন্ট করলাম একটা পুরস্কারতো পাওনা হইই

আপনি আমার কমেন্ট লাইক করেন আর নাই করেন আমি কিন্তু আপনার লেখার বিরাট পাঙ্খা ব্রাদার Glasses

১৯

সাহাদাত উদরাজী's picture


বোন তানবীরা, আমি নিশ্চিত। আপনি একদিন এই কাজের পুরুস্কার পাবেনই। আপনার কমেন্ট আমি লাইক করি। হা হা হা.। সবার সামনে লজ্জা দিচ্ছেন কেন!

২০

ঈশান মাহমুদ's picture


গল্পটা সুন্দর হইছে, তাই চুপ-চাপ পড়ে যেতে পারলাম না ।এটা কি তোমার বাস্তব জীবনের ছায়া, নাকি সবটাই কল্পনা ?

২১

সাহাদাত উদরাজী's picture


ঈশান বন্ধু আমার, তুমিতো জান - উদরাজী ইস অলওয়েজ পজেটিভ মাইন্ডেড পারসোনাল। এটাও তার একটা নমুনা! হা হা হা.।। রিমিক্স!!

২২

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


রাত তো হইছে, এখন গান শুনান

২৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


তানিম ভায়া, এই গান সেই গান নয়! এই গান শুধু বিবাহিতরাই গাইতে জানে!!

২৪

নাজমুল হুদা's picture


'হাস্য দিয়ে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস' । কবির এ বাণী সবাই মেনে চললে জীবন আর সাথীর মত সবার জীবন হাসিতে ভরে উঠতে পারতো । ভাল ভাবে বাঁচতে হলে হাসতে হবে, হাসির কোন খরচ নাই, বিকল্প নাই । 'হাসির আড়ালে অশ্রু লুকায়ে রাখি ....."। ভাল লিখেছেন - পড়ে খুশি খুশি লাগছে ।

২৫

সাহাদাত উদরাজী's picture


হুদা ভাই, আন্তরিক ধন্যবাদ নিন। আপনার কমেন্ট চলার পথ আরো সুন্দর করবে। আপনিও লিখুন না। এবি'র অনেকই কিন্তু বেশ রোমান্টিক! গায়ে নাই গোস্ত, মুখে হিটলারী মোচ! আমিও অনেক বিরাট বৈরাগী!

২৬

নাজমুল হুদা's picture


গায়ে নাই গোস্ত, মুখে হিটলারী মোচ! মাথায় টাক, বগলে বাবরী । লেখার ক্ষ্যামতা নাই, তাইতো মন্তব্যে ঢাক-ঢোল ফাটাইতে চাই ।

২৭

টুটুল's picture


চুপ্চাপ পড়ে গেলাম।

২৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


মোজাম্বী খুশ হুয়া!

২৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ঘটনা তাইলে এই ? ভাল। চুপচাপ জেনে গেলাম...

৩০

সাহাদাত উদরাজী's picture


নুতন আর কি! শান্তি!!

৩১

জ্যোতি's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম।

৩২

সাহাদাত উদরাজী's picture


বিবাহ করুন, সাথীর মত হেসে খেলে চলুন।

৩৩

জ্যোতি's picture


বিবাহ না করলে কি হাসতে মানা?

৩৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


আরে মাদার, আমি তা মিন করি নাই! বিবাহ হলো ফরজ কাম। ফরজ কামে আরো বেশী হাসাহাসি করা যায়, এটাই বলতে চাইছিলাম!

৩৫

জ্যোতি's picture


আচ্ছা, মাদার বলার মাজেজা কি? আপনার কি মনে হয় না, কাউকে ভেবেচিন্তে সম্বোধন করা উচিত?

৩৬

রাসেল আশরাফ's picture


মাদার তেরেসা টাইপ একটা ভাব আসে যখন জয়িতা ফুপিরে কাকা মাদার জয়িতা বলে ডাকে। Big smile

৩৭

জ্যোতি's picture


আমার তো ভাব আসে না।অবাক হই যে কেউ এমন সম্বোধন করে কিভাবে?

৩৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


কাকা, আপনার ফুপি কেন রেগে যান! উনি কি চিরকাল 'আফা' হয়ে থাকতে পারবেন! এই যে আপনি আমাকে 'কাকা' ডাকেন- বিশ্বাস করেন খুশিতে আমার মনটা ভরে উঠে।

৩৯

সাহাদাত উদরাজী's picture


আপনি রেগে যাবেন না প্লিজ! আসলে আপনার নাম আর আমার বড় ভাইয়ের মেয়ের নাম একই - জয়িতা। আমি আদর করে ওকে 'মাদার' ডাকি। আপনার নামটা দেখলেই আমার সেই মায়ের কথা মনে পড়ে, যে আমার থেকে অনেক দূরে থাকে - সুদুর চট্রগ্রামে, অনেক দিন পর পর দেখা হয়। এবার ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকা এসেছিল। ছবি দেখুন -

P191210_21.47.jpg

আশা করি এরপর আর আপনার কোন কথা চলবে না। আপনি আবশ্যই একদিন মা হবেন। কেঊ না কেউ আপনাকে একদিন মা ডাকবেই। আপনার এবার গর্ব হওয়া উচিত। শুভেচ্ছা নিন।

৪০

শওকত মাসুম's picture


Chachchu.jpg
ফটোশপের কারবার জানলে ছবিতে একটু হাত দিতাম। আফসুস লোকালটক হইতে পারলাম না। Sad

৪১

সাহাদাত উদরাজী's picture


মাসুম ভাই (আপনি মাসুম জানি), বলেনতো দেখি! আমাদের জয়িতা কেন রাগ করে! এটা কি রাগের কোন কথা!

৪২

শওকত মাসুম's picture


চাচা ভাতিজির ব্যাপার। আমি কেমনে কই?

৪৩

রাফি's picture


আটপৌরে কথন ভালো লাগছে। লাইফটা এমনই আসলে।

৪৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


রাফি ভাই, জীবন আসলেই সহজ নয় তবে সহজ হলে ভাল হত।

৪৫

মাথামোটা's picture


বাই কি একন ব্রা ভিয়া টিবি কিনবেন নাকি?

৪৬

মুক্ত আকাশ's picture


নিরবে এসে চুপ চাপ পড়ে গেলাম।
খুব ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ শুভকামনা রহিল আপনাদের জন্য।

৪৭

নাজমুল হুদা's picture


মুক্ত আকাশ, শুধু মন্তব্য করলে তো চলবে না । দু'একটা পোস্ট দিন, আমরা মন্তব্য করি । শুভ হোক আপনার আগমন ।

৪৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


আপনার জন্য শুভ কামনা থাকল।

৪৯

শওকত মাসুম's picture


বাহ। এই লেখাটা খুব ভাল লাগছে। আপনে একটা জিনিষ।

৫০

সাহাদাত উদরাজী's picture


আপনাকে নিয়ে একটা বিরাট গল্প লিখবো ভাবছি! রাগ করবেন না তো। অনেক দূর লিখে ফেলেছি বটে! কিন্তু এ ব্লগে না অন্য কোথায় ছাপাবো!

আপনাদের মত জিনিয়াস হতে পারলাম কই!

৫১

শওকত মাসুম's picture


এই ব্লগেই দিয়েন। অপেক্ষায় থাকলাম।

৫২

সাহাদাত উদরাজী's picture


আপনার ভয়ে হাত পা কাঁপে!

৫৩

শওকত মাসুম's picture


ও, জিনিষ এর মধ্যে একটা য়া যোগ করেন, জিনিয়াস হইয়া যাইবেন।
আমি মিডিওকর।

৫৪

সাঈদ's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম

৫৫

সকাল's picture


উদরাজী ভাই, আত্মকথা পড়লাম।
আমরা আশাবাদী বলেই তো জীবনটা এতো সুন্দর।

৫৬

জুলিয়ান সিদ্দিকী's picture


আরে মিয়া এ তো কিছুই না। ১৯৯৭র দিকে ২২০০টাকা বেতন পাইতাম। ১১০০টাকা খুপরি ভাড়ায় যাইতো। বাকি ১১০০টাকায় চলার দুঃসাহস করছিলাম। ৫টাকার কেচকি মাছ দুইদিন খাইলে কারো মুখে হাসি থাকার সম্ভাবনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। পরে সবসময় টলমল ও কাজল চোখ দেইখ্যা আর পরাণ মানে না। ৩মাস পর দিলাম চাকরি ছাইড়া। ধরলাম আরেকটা।

জীবন চলতে থাকে। সময়গুলো চলন্ত যানের জানলা দিয়ে দেখা দৃশ্যগুলোর মতই পেছনে ছুটতে থাকে। আমাদের অনুভূতি ঋদ্ধ হয়। দিনেদিনে পূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে স্মৃতির ভাণ্ডার। সেইসঙ্গে আমাদের দীর্ঘশ্বাসগুলো ক্রমশ ছোট হয়ে আসতে থাকে। জীবন তো এমনই।

৫৭

উলটচন্ডাল's picture


সাহসী সৈনিকদ্বয়কে সেলাম!

জীবনকে যারা এত খেলোয়াড়ি মানসিকতার সাথে নেয় তাদের প্রশংশা না করে পারি না!

৫৮

মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন's picture


Cool সাহাদাত ভাই, দারুন পরে খুব ভাল লাগল। কেমন আছেন ? ভাবি বাচ্চারা কেমন আছে?

৫৯

সাহাদাত উদরাজী's picture


আশ্রাফ ভাই, কেমন আছেন? ঢাকা এসে ফাকা হয়ে গেলেন। ভাবীকে নিয়ে নূতন বাসা পেয়েছেন!

আপনার জন্য শুভ কামনা, সবসময়।

৬০

নাজমুল হুদা's picture


শওকত মাসুমকে নিয়ে লেখা গল্প এই ব্লগেই দিতে হবে । সাহাদাত উদরাজীর কাছে আমাদের জোর দাবী । আমাদের দাবী মানতে হবে, নইলে.................।

৬১

সাহাদাত উদরাজী's picture


হুদা ভাই, সময় পাচ্ছি না। কিছু লিখে ফেলে রেখেছি, আর ভাবতে পারছি না।

৬২

নাজমুল হুদা's picture


ঠিক আছে, মুড না আসলে তো আর জোর করে লেখা যায়না । অপেক্ষায় রইলাম, ভালো কিছুর প্রত্যাশা ।

৬৩

রাসেল আশরাফ's picture


কাকা @ আপনার নতু লেখা পাচ্ছি না কেন?

৬৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


মেজবাহ চলে যাবার পর আমি আর লিখতে পারছি না। কোথায় যেন আটকে আছি।

৬৫

নাজমুল হুদা's picture


"নয়ন সমুখে তুমি নাই, নয়নের মাঝখানে নিয়েছ যে ঠাঁই" এমনটি ভেবে লেখায় মন দিন ।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সাহাদাত উদরাজী's picture

নিজের সম্পর্কে

নিজের সম্পর্কে নিজে কি লিখব! কি বলবো! গুনধর পত্নীই শুধু বলতে পারে তার স্বামী কি জিনিষ! তবে পত্নীরা যা বলে আমি মনে করি - স্বামীরা তার উল্টাই হয়! কনফিউশান! ----- আমি নিজেই!! ০১৯১১৩৮০৭২৮ udraji@gmail.com

বি দ্রঃ আমি এখন রেসিপি লেখা নিয়েই বেশী ব্যস্ত! হা হা হা। আমার রেসিপি গুলো দেখে যাবার আমন্ত্রন জানিয়ে গেলাম। https://udrajirannaghor.wordpress.com/

******************************************
ব্লগ হিট কাউন্টার


Relaxant pills