ইউজার লগইন

আমার প্রিয় বন্ধুরা।

জীবন চলার পথে অনেক বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। কেহ থাকে কেহ হারিয়ে যায়। জীবন যেখানে যেমন। জীবন শুধু জানে সামনে এগিয়ে যেতে। শেষ কি হয় কে জানে! আজ আমি আমার তেমন ছয় বন্ধুর কথা শুনাবো। এদের কথা আমি ভুলি কি করে।

এ কঃ
Mizan.jpg
(ছবি তোলার কথা বলা হয় নাই, কিছুদিন আগে একশীতের সকালে এভাবে ফিরছিলাম)
মিজানের সাথে আমার পরিচয় প্রায় দুবছর আগে। আমার ছেলে যখন ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হল, তখন আমি ওকে নিয়ে স্কুলে দিয়ে আসতাম আর স্কুল থেকে নিয়ে আসত আমার স্ত্রী। একদিন সকালে মিজানের রিক্সায় ছড়ি আমি, মিজানের রিক্সায় আবার বাসায় ফিরে আসি। মিজান বলে উঠলো, স্যার আমি প্রতিদিন আপনার ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাব। আমি প্রথম ভেবে দেখলাম, এটা কি করে হয়। ও একজন অপরিচিত, তাছাড়া আমরা কোন দিন যাই কোন দিন যাই না। তার পরো দেখি ও বলল, আমি কাল থেকে আসব। ব্যস, সেই থেকে মিজানের আশা যাওয়া।

পরবর্তিতে আমার অফিস টাইম পাল্টে গেল। বারটা থেকে। সাত সকালে মিজান এসে দাঁড়ায়। আমরা বাপছেলে তার রিক্সায় উঠি। এখন আর ওর রিক্সা ছাড়া ভাল লাগে না। ভাল চালায়। তবে অনেকবার এক মাসের টাকা একবার নিবে বলে আবার পরদিন দুইদিনেরটা নিয়ে নেয়। ওকে নিয়ে আমি এখন বাজারেও যাই। আমার কিছু ধরতে হয় না। হিসাবমত সব রিক্সায় উঠিয়ে নিয়ে আসে। আজকাল ও আমার অনেকটা গাড়ীর ড্রাইভারের মত! পাড়ার লোকরা ওকে চিনে ফেলেছে। আমার সাথে তেমন বেশী অব্দার করে না। ইদানিং একটা কোর্যাজ হাতঘড়ি দরকার বলে জানিয়েছিল, গতকাল সেটা কিনে দেয়া হয়েছে। কি মহা খুশি!

দু ইঃ
shobji.jpg
(চাচা চাচী ছবি দিতে নারাজ, তাই তাদের দোকানের ফুলকপির ছবি)
সপ্তাহে দুইতিন দিন ছেলেকে স্কুলে দিয়ে সকালে সবজি কিনে বাসায় ফিরি। যতদুর মনে পড়ে বছর তনেক আগে থেকে সবজি কিনতে কিনতে পরিচয় এক সবজি বিক্রেতা দম্পতির সাথে। স্বামী সবজি বেছেন, আর পিছনে বসে থাকে স্ত্রী। স্ত্রীর কাজ হলো টাকার যোগবিযোগ করা। স্বামী সব কিছু করেন কিন্তু টাকা যোগ করে হিসাব মত গ্রাহক থেকে নিতে পারেন না। এই পরিবারের সাথে আমার জমে বেশ। আমি এদের চাচা চাচী ডাকি (আসল নাম কখনো জিজ্ঞেস করি নাই)। চাচী মাঝে মাঝে চাচার ব্যাপারে আমার কাছে বিচার দেন। আমি চাচাকে ধমকাই। চাচার এক্টাই স্বভাব টাকা জমাতে চান না, চাচীর হাতে টাকা দেন না!

চাচী থেকে শুনেছি একদিন এদের অনেক ধানী জমি ছিল, ছিল সুন্দর পরিবার। নদী ভাঙ্গনে এরা সব হারিয়ে ঢাকা এসে পড়েছিল। পরিবারের অন্য সদস্য নানা কাজ করেন, চাচা চাচীকে নিয়ে একাজ করে এখন স্বাবালম্ভী, দুইবেলা পেটপুরে খেতে পারেন। এদের একজনকে না দেখলে আমার মনে কস্ট লাগে। এদের উত্থান নিয়ে একটা পুরা ব্লগ লিখা যায়। আশা করি লিখবো। কেন মানুষ ঢাকা শহরে ভিড় জমাচ্ছে এরা তার একটা উদাহরন।

তি নঃ
bishu.jpg
ওর পুরা নাম জানলাম গত কিছু দিন আগে। আশুতোষ। আমি জানতাম বিশু হিসাবে। হিন্দু ধর্মের কেহ এই রামপুরা বাজারে মাছের ব্যবসা করেন এটা আমার জানা ছিল না। ওর থেকে আমি মাছ কিনি আমি প্রায় ছয় সাত বছর। ওর থেকে মাছ না কিনলে আমার মনে হয় মাছ কিনা হয় নাই। মাছ কিনতে গেলে ও আমাকে যে সন্মান করে, হাজার টাকা দিয়েও এমন পাওয়া যাবে না।

ইদানিং এমন অবস্থা হয়েছে ফোন করলেই মাছ কেটেকুটে প্যাকেট করে বাসায় দিয়ে যায়। টাকা নাই, বাকী - কোন ব্যাপার না, দিয়েন স্যার, যখন মনে চায়! গত সপ্তাহে আলাপে জানলাম, আফতাব নগরে ১২ লাখ টাকা দিয়ে জায়গা কিনে বাড়ী বানাচ্ছে। আমি খুশি হই। আমি তার সাফল্য কামনা করি।

চা রঃ
bellal.jpg
মোঃ বেলাল হোসেন। রামপুরা বাজার থেকে ওয়াপদা রোডের গলিতে এক মাত্র মুরগীর দোকান চালায় (ইদানিং আর একটা দোকান হয়ে গেছে)। ফার্মের মুরগী কিনতে কিনতে ওর সাথে পরিচয়। ওর মুখে এক্টাই কথা, স্যার মুরগী লাগবে, দিবো, কয়টা, কয় কেজি ইত্যাদি। কত রাতে অফিস থেকে ফিরার পথে ও আমার হাতে মুরগী ধরিয়েছে তার হিসাব নেই (আমি সেই মুরগী নিয়ে বাসায় নানান কথা শুনেছি)। ওর ‘স্যার’ বলার ধরন একটু আলাদা। শুনলেই মুরগী কিনতে ইচ্ছা হয়।

আজকাল ওকে দেখলেই পালাতে চাই, দেখেই প্রথম কথা বলে, স্যার কি আজ কাল আর মুরগী খান না! গত বৃহস্প্রতিবার মুদিমাল কিনতে গিয়েও ১০টা মুরগী (১২০টাকা কেজি) কিনতে হয়েছে। তবে ভাল দিক কেটে কুটে দুইটা করে প্যাকেট করে বাসায় পৌঁছে দিয়ে যায়। টাকা পয়সা পরে দিলেও চলে। গতকাল ১০টা মুরগী (সাড়ে পনর কেজি) আমাকে ধরিয়েছে এ বলে যে, স্যার আর মাত্র দশবার দিন পরে মুরগীর কেজি ১৪০টাকার বেশী হবে। দশবারদিন পর আমারো মুরগী লাগবে (আমার আম্মা বিদেশ থেকে ফিরছেন, মেহমান অতিথি থাকবে অনেক) এটা ও জানলো কি করে! আমি নিশ্চিত, বেলালএকদিন বিরাট ব্যবসাহী হবে।

পাঁ চঃ
masum.jpg
(মাসুম ছবি দিতে নারাজ, তাই বাধ্য হয়ে কোরবানীর গরুর ছবি)
শান্তিনগর গরু মাংশ বাজারে কসাই মাসুমকে চিনেন না এমন কেহ নাই। আগে রাতে বাজার করতে হত। রাতে শান্তিনগর বাজার ছাড়া জমে না। রাত ১টায় গেলেও এই বাজারে সব পাবেন। আমার বেইলী রোডের বন্ধু শ্যামলের মাধ্যমে কসাই মাসুমের সাথে পরিচয় ৬/৭ বছর আগে। আগে ওর থেকে অনেক গরু মাংশ কিনতাম। গরুতে এনন্থাক্স হবার পর একটু ভাটা পড়েছে। তবুও মাসে একবার যাই। যোগাযোগ চলে টেলিফোনে। মাসুম, ৫ কেজি ফুল রেডী থাকবে। ব্যস, গেলেই তুলে দেয়। বাজারী দাম থেকে ১০ টাকা কম নেয়। গরুর মাংশের সব চেয়ে সুস্বাদু অংশ গুলো হল, কোরোলীর মাংশ - এটা আমি কসাই মাসুম থেকে জানি।

আমি চর্বি পশ্চন্দ করি না, এটা সে বুঝে গেছে। মাসুমের আর একটা দিক হল, কোরবানীর গরু কাটা। কোরবানীর ঈদের দিন ও একটা টীম করে। সারাদিনে ২০/২৫ গুরু কাটে। হাজারে একশত টাকা। আপনি গরু কিনলেন ৪০ হাজার (বেইলী রোড় আর গুলশানের গরু ৮০ হাজারের নীচে হয় না), ও সব করে দিবে, দিতে হবে ৪ হাজার। গরু ফেলার টেকনিক অসাধারন। আর একটা বলে রাখি, ঈদের দিন ওর সাথে থাকে একটা ফুল্টাইম ভাড়া করা টেক্সিক্যাব, খুলনা থেকে নিয়ে আসে ২০জনের মত এক্সটা কসাইয়ের দল। এবার নাকি ২ লাখের মত কামাই করেছে। সবাইকে দিয়ে থুয়েও নাকি ৫০ হাজার ছিল!

ছ য়ঃ
card.jpg
স্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ত্রেডিট কার্ডটিকে আমি আমার জান প্রানের বন্ধু মানি। কত বিপদ থেকে আমি এর সাহায্যে পার পেয়েছি। কত লজ্জা থেকে আমি মুক্তি পেয়েছি। এই কার্ডের জন্য আমাকে আজো কারো কাছে হাত পাততে হয়নি বা হয় না। অনেকে এধরনের কার্ড দেখতে পারেন না আর আমি এটা বেশ ভাল পাই। আমি বলি এটা আমাকে বন্ধুর মত উপকার করে। নানা স্থান থেকে প্রযোজনীয় জিনিষ টাকা না থাকলেও কিনতে পারি। চিরায়ত নিয়ম অনুযাযী মাসের শেষ হলে আমার পকেট শুন্য হয়ে যায়। অফিসে দুপুরের খাবারের টাকাও থাকে না। তখন চুপিচুপি আমাদের অফিসের পাশে ওয়েষ্টার্ন গ্রীলে গিয়ে ১২০ টাকা দিয়ে একটা বার্গার কিংবা অন্য কিছু খেয়ে আসি। আর আমি আশ্চর্য হই, এত কম টাকাও ওরা কার্ড পাঞ্জ করে নেয়!

আমার এ বন্ধুর আর একটা উপকারের উদাহরনের কথা আপনাদের বলি। গত মাসের শেষদিকে আমার এক ভাগিনার বিয়ে, আমার হাতে টাকা নেই। কি করব উপায় পাচ্ছিলাম না, উপহার না দিলে মান সন্মান থাকে কি! কাউকে কিছু বলতেও পারছিলাম না, এমন কি স্ত্রীকে না। হঠাত আমার এ বন্ধুর কথা মনে হল। ব্যস, আগোরায় গিয়ে সহজে উপহার কিনে বিল দিয়ে বাড়ী ফিরলাম। আত্বীয় খুশ, স্ত্রী খুশ কিন্তু আমি জানি আমার কোন বন্ধু আমাকে এ উপকার করল। গত ৯ বছর ধরে আমার এ বন্ধুটি আমার মানি ব্যাগে আছে! লিমিট যা আছে তা আমার কখনোই লাগে নাই।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বকলম's picture


A friend in need is a friend indeed

সাহাদাত উদরাজী's picture


বকলম ভাই, বন্ধু ছাড়া চলা মুশকিল। ভাল বন্ধু না থাকে তো জীবন পান্সা।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আপনার বন্ধুরা দুর্দান্ত সব মানুষ...শেষের জন অবশ্য বেশ অদ্ভূত Tongue

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাঙ্গা পেন্সিল ভাই, শেষের জনকে আমি একটু বেশী সন্মান করি। কারন ও দিয়ে পরে নেয়! এমন বন্ধু আছে ক'জনা।

নাজমুল হুদা's picture


এমন বন্ধু আর কয়জন আছে ? রসালো পোস্ট ।

সাহাদাত উদরাজী's picture


এমন দুই চার জন বান্ধবীও আছে! লিখবো! পরে কিন্তু আবার.।.।

নাজমুল হুদা's picture


ভাগ্যবানের বোঝা ভগবানে বয় - আমার কোন বন্ধু নাই । 'আমরা বন্ধু' আমার একমাত্র বিনোদন এখন ।

শিবলী মেহেদী's picture


ক্রেডিট কার্ড আমার বন্ধু হতে পারলোনা কখনই আর মনে হচ্ছে হবেও না। যখন থেকে SC Bank ক্রেডিট কার্ড শুরু করে তখন থেকে টানা ২-৩ বছর ইউজ করেছি আর সন্মুখিন হয়েছি নানা সমস্যায়। উফ্‌ বিরক্তির মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলো। বন্ধ করে দেই। তারপর প্রায় ৬-৭ বছর কোন প্রকার ক্রেডিট-ফ্রেডিট কার্ড ইউজ করিনি। ইদানিং দেখি আমার অনেক কলিগ করে। তাদের মুখে হাজারো প্রশংসা শুনি। মার্কেটিং এর লোক অফিসে এসেছিলো। প্রথম বছরের বাৎসরিক ফি থেকে ২০০০/= কমিয়ে দেবে বলে। সবার মুখে প্রসংশা শুনে আর ২০০০/= কমে পাওয়ায় SC Bank এর গোল্ড ক্রেডিট কার্ড নিলাম। ৭ বছর আগে যা ছিলাম তাই হলাম। একদম প্রথম ট্রানজেকশন থেকেই গোন্ডোগোল। কাষ্টমার কেয়ারের উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত নাকি নাক গলালো। তাও সমাধান হলোনা। সিদ্ধান্ত নিয়েছি বন্ধ করে দেবো। ৭ বছর পর নিয়েছি আর প্রথম মাস থেকেই সমস্যা। ভাবলাম, বিগত ৭ বছরে যখন ক্রেডিট কার্ড লাগার মতো ঘটনা ঘটেনি এটাও বন্ধ করেই দেই। Sad

সাহাদাত উদরাজী's picture


শিবলী মেহেদী ভাই, আপনার মত এমন কথা অনেকর মুখে শুনি। কিন্তু আমার এত দিনের হিসাবে আমার সাথে কোন প্রকার ভুল হয় নাই। ব্যবহারের পর আমি খাতায় টাকা টুকে রাখি, মাসের শেষে মিলাই, কই আজো ভুল পাই নাই। আমি মাসের টাকা মাসে পরিশোধ করে দেই। আর বছরে ১৮ বার ব্যবহার করলেই বাৎসরিক চার্জ মাওকুফ হয়ে যায়। আমি ১৮ বারের বেশী ব্যবহার করি বলে এই চার্জ লাগে না। আমি এ পর্যন্ত কোন অভিযোগ দেই নাই। এত বছরে ওদের সাথে কথা বলেছি, দুই তিন বার মাত্র।

আমি এই কার্ড কে বন্ধু মানি এ জন্য যে, আমি তার থেকে ধার নিতে পারি! মাসে দুই থেকে পাচ হাজার। এমনটা কে কার জন্য করবে বলুন।

তবে কার্ড না থাকলেও চলা যায়। এটা একান্ত ব্যক্তিগত।

১০

মীর's picture


যাক আপ্নার বহুদিন পর একখান পোস্ট পাইলাম আপ্নার কাছ থেকে। ভাল্লাগলো। বিস্তারিত আলোচনার আশা রাখি।

১১

সাহাদাত উদরাজী's picture


মীর ভায়া, বুঝি না কেন এমন হচ্ছে। লিখার চেয়ে এখন পড়ার/ কমেন্ট করতেই ভাল লাগে। হয়ত বয়সের কারনে! আপনারা তরুনরা এগিয়ে যাবেন সামনে, এটাই কাম্য।

১২

তানবীরা's picture


যাক, খাওয়া দাওয়া ভালো হইলেই ভালো Big smile

১৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


সিষ্টার তানবীরা, কি আছে দুনিয়ার!
দুলাভাইয়ে খবর কি! দুলাভাইকে একটু হালকা চাপের উপর রাখবেন।

১৪

হাসান রায়হান's picture


মেসবাহ য়াযাদের নাম বাদ পড়েছে।

১৫

জ্যোতি's picture


Big smile

১৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


Sad

১৭

রাসেল আশরাফ's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor

১৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


ভাতিজা, ফ্লাইট কবে! কোরিয়ার মাটিকে সালাম কইরা আইসো। আর যেন যাইতে না হয়!

আর একটা কথা শাহজালাল (রা) বিমান বন্দরে নেমে মাটি চুম্বন করবে। এ মাটিই আগামীতে পথ চলার সাহস দিবে।

টুটুল ভাইয়ের উপদেশ গুলো মনে রাখবে। 'কোরিয়ান হাজ্বী'র দাগ মোছার আগেই বিবাহ করিতে হইবেক।

১৯

রাসেল আশরাফ's picture


কাকা আপনাদের দোয়ায় আমি এখন রাজশাহীতে।কোরিয়ান মাটিরে সালাম করে আসতে পারি নাই কারন যে কাজে গেছি সেটা শেষ হতে আরো ৩-৪বছর লাগবে।

২০

সাহাদাত উদরাজী's picture


আলহামদুল্লাহে।
ভাতিজার রাজশাহী গমনে অন্তরে শান্তি পাইলাম। ভাতিজা মজা লুটে নাও।
কম্পিউটার এ বেশী টাইম দিয়া মায়ের হাতে বকুনি খেয় না!

২১

সাহাদাত উদরাজী's picture


আলহামদুল্লাহে।
ভাতিজার রাজশাহী গমনে অন্তরে শান্তি পাইলাম। ভাতিজা মজা লুটে নাও।
কম্পিউটার এ বেশী টাইম দিয়া মায়ের হাতে বকুনি খেয় না!

২২

সাহাদাত উদরাজী's picture


গুরু! আপনার খবর কি! কেমন আছেন? গত সপ্তাহে আপনাকে নিয়া কি যেন একটা গজব উঠছিল। কিছুই তো কইলেন না। তার পর আবার পোষ্ট মুছে দিয়েছেন (ভয় পান নাকি!)। মাসুম ভাইয়ের আগের যোয়ানী আর নাই! কিছু কইলে আমরা আছি না!

আজকাল আপনার কি হল! ভীমরতি পাইছে নাকি! খালি.।.।.।। (না কমু না)। খিচুড়ী না খাওয়াতে পারি, চা কফি তো পারব! পালান ক্যান?

মেসবাহ য়াযাদের লেটেষ্ট নিউজ জানেন কি! জানলে জানান।

২৩

হাসান রায়হান's picture


মাসুম ভাইরে ডরের কী আছে? পোস্ট আছে তো । Laughing out loud

২৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


গুরু, প্রান খুলে অনেক দিন পর হাসলাম। হা হা হা.।।

২৫

শওকত মাসুম's picture


যোয়ানি নাই মানে? প্রমান চান? খালি মনে রাইখেন স্ট্রেইট কথা বললাম, কারণ আমি স্ট্রেইট

২৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


মাসুমদা, এখানে আপনার ভাতিজার বয়সি অনেকে আছে। ধুত্তরি, আমি যে যোযানীর কথা বলেছি, সেটা সেই যোযানী নয়! আপনি ভুল বুঝছেন। কুল.।.।।।

গুরু, উপায় বলেন।

২৭

হাসান রায়হান's picture


ডরাইলেন Cool

২৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


গুরু, না ডরাইয়া উপায় কি! হটাত যদি আবার কাপড় চোপড় খুলে ফেলেন!
আমার একটা মান ইজ্জত আছে না!

(না ভয় পাইয়া উপায় কি, নাম করা লোক, পরে আবার এটিএন'এ নিউজ হয়ে যায়!)

২৯

সাহাদাত উদরাজী's picture


গুরু, না ডরাইয়া উপায় কি! হটাত যদি আবার কাপড় চোপড় খুলে ফেলেন!
আমার একটা মান ইজ্জত আছে না!

(না ভয় পাইয়া উপায় কি, নাম করা লোক, পরে আবার এটিএন'এ নিউজ হয়ে যায়!)

৩০

শওকত মাসুম's picture


সালাম কিংবা ডর-ভয়, আপনার সব ব্যাপারেই কাপড় খোলার একটা ব্যাপার থাকে? কাহিনী কী?

৩১

শওকত মাসুম's picture


আপনার কাছে যোয়ানী কী তাইলে?

৩২

সাহাদাত উদরাজী's picture


মাসুমদা, আপনি তো প্রায় বলেন আপনি মাসুম (আমি মানি, আপনি মাসুম বটে)। আপনি যদি মাসুম হন, তবে বলেন বাপে যদি পোলারে কয়, এত যোয়ানী দেখাস ক্যান! এত অর্থ কি দাঁড়ায়। বাপ কি ছেলেরে 'ওইটা' মিন করে! বাংলা ভাষায় আমি দুর্বল, আপনি ভাল বলতে পারবেন।

চা'র দাওয়াত রইল। আমার গুরুরে নিয়া আসবেন!

৩৩

শওকত মাসুম's picture


গুরুরে নিয়া কৈ আসবো? মগবাজার? ক্যামেরাসহ?

৩৪

সাহাদাত উদরাজী's picture


মগবাজার ওভারব্রীজে! আমি রাজী, কবে আসব বলেন। আপনাদের সালাম করে দিক্ষা নিতে চাই। আপনারা আমার গুরু, আপনারাই আমার ওস্তাদ।

তবে ফিরার পথে থ্রী ষ্টার হোটেল থেকে চিকেন তন্দুরী খাওয়াতে হবে। কতদিন চিকেন (!) খাই না!

৩৫

শওকত মাসুম's picture


আপনে এক গুরুতেই সন্তুষ্ট থাকেন। আমরা দর্শক, সালাম করা দেখতে চাই। চিকেন খান না কেন? পারেন না?

৩৬

মুক্ত আকাশ's picture


সাহাদাত ভাই সালাম নিবেন। এখানে মন্তব্য করতে অনেক ভয় লাগে তবুও মাথার ঘাম পায়ে পেলে এক টা মন্তব্য লিখলাম। সাহাদাত ভাই সবার কথা বলেছেন ব্লগ কে আর বাদ দিলেন কেন । আমার মনে হয় ব্লগ আমাদের সব চেয়ে বড় বন্ধু।এখানে মনের সব কথা প্রাণ খুলে বলা এবং লিখা যায়।এদিক সে দিক তাকাতে হয় না।

৩৭

সাহাদাত উদরাজী's picture


মুক্ত আকাশ (আনোয়ার ভাই) ভাই, হা আপনি ঠিক বলেছেন। ব্লগ আমাদের অনেক ভাল বন্ধু। এটার কথাও লিখা উচিত ছিল।

আমরা বন্ধুতে মন্তব্য করতে ভয় লাগে! হা আমারো লাগে! যে বাঘা বাঘা লেখক/লেখিকা/ ব্লগার আছে! যাদের কমেন্টে হার্ট ফুটা হয়ে যেতে পারে! (সামু থেকে প্লাস মাইনাস উঠিয়ে দেয়া হয়েছে! আপনার ছবি ব্লগ সুন্দর হয়েছে। আমি কমেন্ট ব্যান আছি বলে কাউকে কমেন্ট করতে পারি না।)

কিন্তু ভয় পেলে কি চলবে। যুদ্ব করেই আমাদের বাচতে হয় আর এটাই দুনিয়ার খেলা! বকলম ভাইকে সালাম দিবেন।

৩৮

তানবীরা's picture


যে বাঘা বাঘা লেখক/লেখিকা/ ব্লগার আছে! যাদের কমেন্টে হার্ট ফুটা হয়ে যেতে পারে!

৩৯

তানবীরা's picture


এদের লিষ্টটা যদি দিতেন, তাইলে আমরাও সাবধানে থাকতে পারতাম

৪০

সাহাদাত উদরাজী's picture


বোন তানবীরা, আমি এখনো পাগল হই নাই! হলে লিস্ট বানামু!
তবে আপনি সেরা ভাল কমেন্টার এতে সন্দেহ নাই। আপনার কমেন্ট ছাড়া ব্লগ পুর্নতা পায় না। শুভেচ্ছা নিন।

৪১

তানবীরা's picture


আমিওতো তাই ভাবছি। উদরাজী কি পাগল হলেন, এমন উস্কানীমূলক বক্তব্য কেনো দিচ্ছেন? Sad

৪২

মাহবুব সুমন's picture


কোরোলীর মাংস গরূর কোন অংশের ?

ক্রেডিট কার্ড হইলো এমন বন্ধু যেইটা দূর্দিনে কাজ লাগে আবার সুসময়েও আকামে কাজে লাগে। গলায় কাঁটা হয়ে বিঁধে থাকে যদি পে ব্যাক করার ক্ষমতা কম থাকে বা অহেতুক কেনাকাটা করার বদঅভ্যাস থাকে।

৪৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


Untitled-1 copy.jpg
সুমন ভাই, আপনার জন্য গরু খুজতে গেয়েছিলাম। ছবিতে দেখুন (দাগ দেয়া আংশ)। সামনের পায়ের এই অংশের মাংশ গুলোকে কেরোলী (নানা জায়গায় নানা ভাষা হতে পারে, সে আমাকে এভাবে চিনিয়ে দিয়েছে)। একটু আগেও ফোনে কথা হল, ৫ কেজির অর্ডার নিয়েছে (কথা বলেই ধরা)। মোড়ানো থাকে, খেতে সুস্বাদু। চর্বি থাকে না, টানা টানা।

ক্রেডিট কার্ড এর ব্যাপারে আপনি ভাল বলেছেন। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সচেতনা থাকা দরকার। আমিও নানা কিছু কিনে ফেলে পরে রাস্তায় বসে কান্দি!

৪৪

মাহবুব সুমন's picture


ওহ ! বুঝেছি , আমি আংরেজীতে এটার নাম জানতাম। "শ্যাংক" Tongue

৪৫

উলটচন্ডাল's picture


আপনে মানুষ ভাল। বন্ধুভাগ্য ঈর্ষনীয়। আমারো এইরকম একজন বন্ধু ছিল। পাহাড়ী পোলা। ওর সাথে জঙ্গলে ঘুরতাম। সস্তা কেরু খায়া গান গাইতাম। রান্না করতাম গামছা দিয়ে ধরা ছোট মাছ আর মরিচ ভর্তা। একদিন সে দুম করে মরে গেল।

আপনার বন্ধুদের আমার শুভচ্ছা।

৪৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


উলটচন্ডাল ভাই, আপনার কমেন্ট সত্যি সুন্দর।
আপনি কম লিখেন কেন। লিখুন।
আপনার বন্ধুর জন্য সমবেদনা রইল। আমার বন্ধুদের আপনি শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেক বড় মনের পরিচয় দিলেন।

৪৭

জুলিয়ান সিদ্দিকী's picture


এমন বন্ধু না থাকলে তো সমস্যা বেশি।

৪৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


জুলিয়ান সিদ্দিকী ভাই, জীবন ও জীবিকার পরবর্তী পর্ব গুলো কই!
কেমন আছেন?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সাহাদাত উদরাজী's picture

নিজের সম্পর্কে

নিজের সম্পর্কে নিজে কি লিখব! কি বলবো! গুনধর পত্নীই শুধু বলতে পারে তার স্বামী কি জিনিষ! তবে পত্নীরা যা বলে আমি মনে করি - স্বামীরা তার উল্টাই হয়! কনফিউশান! ----- আমি নিজেই!! ০১৯১১৩৮০৭২৮ udraji@gmail.com

বি দ্রঃ আমি এখন রেসিপি লেখা নিয়েই বেশী ব্যস্ত! হা হা হা। আমার রেসিপি গুলো দেখে যাবার আমন্ত্রন জানিয়ে গেলাম। https://udrajirannaghor.wordpress.com/

******************************************
ব্লগ হিট কাউন্টার


Relaxant pills