বন্ধুত্ব বা বন্ধুতা...
আ
আমার এক বন্ধু মুজিব। একদিন আফসুস করে বললো-
মেসবাহ বলতো, আমার চেহারায় কি লোচ্চা ভাব আছে ?
আমি বললাম, কেনোরে ? তোর এমন মনে হলো কেনো ?
ও বললো, তোর বউ আর মিলনের বউ আমারে কেনো ভাই ডাকে ?
বললাম, ভাই ডাকাতো ভালো... এর সাথে লোচ্চার সম্পর্ক কী ?
ভাই ডাকা মানে তোদের দুই বউ নিরাপদ বোধ করে...তারমানে তোরা যাই বলিস না কেনো- - আমার চেহারায় লোচ্চা একটা ভাব আছে- আক্ষেপ করে মুজিব বললো
আমি কিছু না বলে ওর কথার সত্যতা নিয়ে ভাবতে থাকি...।
বন্ধুপত্মীরা মুজিবকে ভাই ডেকে যে আস্থা বা ভরসা পায়, তেমনি ভরসা পায় আমার বন্ধুরা আমার প্রতি। তারা তাদের অনেক কিছু আমার সাথে শেয়ার করে। আমি তাদের সুখের কথা, দুখের কথা, ক্ষোভের কথা, অভিমান আর অনুযোগের কথা শুনি। প্রয়োজনে আমার পরামর্শ চায়। ওরা যদি জানতো, আমি এসব ক্ষেত্রে একটা গন্ড মূর্খ। পরামর্শ দেবার মত বুদ্ধি বা মেধা আমার অন্তত নেই।
বা
বাংলাদেশের কয়েক কোটি লোক মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। বেশিরভাগ লোকই মোবাইল ফোনের ব্যবহার জানে না। অনেকে এমন উচ্চস্বরে ফোনে কথা বলে- আশেপাশের লোকজন বিরক্ত হয়। শব্দ দুষণ হয়। ব্যক্তিগত কথা অন্যে কেনো শুনবে। বোকা মানুষগুলো বুঝে না, আস্তে বললেও অপর প্রান্তের লোক তার কথা শুনবে। অনেকের ফোনে এমন এমন রিং টোন সেট করা আছে- শুনলে গা জ্বলে যায়। বেশিরভাগ লোকজন হিন্দি গান সেট করে। কেউ কেউ আজান দিয়ে রাখে রিংটোনের জায়গায়। কদিন আগে মধ্যরাতে এক লোকরে ধরার জন্য মানিক নগরে যাই। তার কাছে অনেকগুলো টাকা দিয়ে ধরা খেয়েছে গ্রামের এক ছেলে। বিদেশ যাবে বলে। লোকটা কয়েক মাস ধরে ঘুরাচ্ছে। গ্রামের ছেলেটা সেদিন এসে বললো- লোকটার ঠিকানা যোগাড় করেছে। আমি যদি একটু সাহায্য করি! আমি আবার কাউরে না বলতে পারিনা। এ গলি সে গলি খুঁজে আদমকে যখন পেলাম- তখন মধ্যরাত। বাড়িওয়ালার সহযোগিতা নিয়ে ৬ তলায় উঠে আদমকে বাসায় পেলাম। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বেটা আর দরজা খোলে না। তার ফোনে ফোন করলাম। ফোন ধরেনা। ফোনের ওয়েলকাম টিউন শুনে মেজাম চরম খারাপ হলো। হারামজাদা কোরআন তেলওয়াত দিয়ে রেখেছে। আবশেষে তার বাসার বাইরে থেকে তালা মেরে রেখে এলাম। পরদিন ভোরে গিয়ে সে তালা খুলে তাকে ধরলাম। তারপরের কাহিনী... থাক।
আ
আমার ফোনে আমি কল ওয়েটিং রেখেছি। যাতে করে কারো সাথে কথা বলার সময় অন্য কেউ ফোন করলে সেটা টের পাই। প্রয়োজন হলে আগের ফোন কল কেটে তার সাথে কথা বলি। আবার অনেক সময় পরে কল ব্যাক করি। সাধারনত আমরা কাউকে কল করেই ফোনটা কানে ধরি। দেখা যায়- রিং হচ্ছে, অথচ ধরছে না। আসলে হয়তো অন্য প্রান্তের মানুষটি অন্য কারো সাথে কথা বলছে। আমার কলটি ওয়েটিং এ। অথচ কল করে ফোনটি কানে না দিয়ে চোখের সামনে রাখলেই দেখা যেত ওয়েটিং শো করছে। এমন বেশিরভাগ মূর্খ সেলফোন ব্যবহারকারী আমরা...
কা
কালকে হরতালের কারনে সকালে অফিসে যাইনি। তবে সকালে ঠিকই বেরিয়েছি। মোটর সাইকেলে তেল ভরে তেজগাঁও হয়ে রামপুরা বনশ্রীতে গেলাম দশটা নাগাদ। সেখানে কাজ সেরে রামপুরা টেলিভিশন, খিলগাঁও চৌধুরী পাড়া, আবুল হোটেল, মৌচাক রেলগেট, মালিবাগ হয়ে অফিসে এলাম দুপুরে। ১০ মিনিটের জন্য নেটে বসলাম। তারপর বাসায় চলে গেলাম। বউ খুশি, ছেলেরাও খুশি। আমাকে সপ্তাহে ৬ দিনই ওরা দুপুরে পায়না। এক সাথে খেলাম। টিভি দেখলাম। চ্যানেল আইতে লাইভ একটা গানের অনুষ্ঠান হচ্ছে। শিল্পী ছিলেন- আগুন, কনা আর তপু। অনুষ্ঠানটি পপ সম্রাট গুরু আজম খানকে উৎসর্গ করা। দেখতে দেখতে কখন জানি ঘুমিয়ে পড়লাম। ৫ টায় ঘুম ভাঙ্গলো। এক বন্ধু ফোন করলো। দীর্ঘ সময় ধরে কথা হলো। তার ক্ষোভ, অভিমান আর অনুযোগের কথা শুনলাম। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম। হয়তো বুঝলো বা বুঝলো না ! কাকতালীয়ভাবে আরেক বন্ধু ফোন করলো একটু পরে। সেও মোটামুটি একই বিষয় নিয়ে আলোচনা করলো। তাকেও বোঝানোর চেষ্টা করলাম। মানুষগুলোও এমন অবুঝ কেনো ?
ব
বন্ধুত্ব নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু দর্শণ আছে। মেয়েদের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি- তাদের বন্ধুত্বের মাঝে দেখেছি, খুব অল্পতেই তাদের বন্ধুত্ব হয়। এক্কেবারে জানে দোস্ত যাকে বলে। কদিন বেশ চলে। তারপর হুট করে তেমন কোনো কারন ছাড়া (আমার মনে হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাই হয়) মান অভিমান শুরু হয়। মান-অভিমান হবে ভাল কথা। কিন্তু সেটা বেশি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়--- তারপর বন্ধুত্বে ফাটল ধরে। মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে যায় অনেক সময়। এই যে, খুব অল্পতে গাঢ় বন্ধুত্ব হওয়া আবার অল্পতেই তা শেষ হওয়া, এইটা কি আসলেই বন্ধুত্ব ? আমার মনে সংশয় জাগে। আমার ধারনা, বোঝাপড়ার ঘাটতির কারনেই এটা ঘটে। বন্ধুত্বের প্রথম এবং প্রধান শর্ত বিশ্বাস, আস্থা আর নির্ভরশীলতা। অন্যকে বুঝতে হবে, তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে হবে, নির্ভর করতে হবে, ছাড় দিতে হবে। তবেই না বন্ধুত্ব হবে দীর্ঘস্থায়ী।
আ
আমার সাথে মিলন, মুজিব, বাসু, মনু এদের সম্পর্ক সেই কুট্টিকাল থেকে। আমাদের কারো আনন্দে বা বিষাদে আমাদের সবাই একে অন্যের পাশে দাঁড়াই। কাউকে কিছু বলে দিতে হয়না। যে যার অবস্থান থেকে তার দায়িত্ব পালন করে যায়। এখানে কোনো প্রত্যাশা বা স্বার্থ থাকেনা। মনের টানেই করি আমরা। এটাই আমাদের বন্ধুত্ব বা বন্ধুতা। আমাদের এ ক'বন্ধুর কারো সাথে অতীত জীবনে মানে গত ২০/২৫ বছরে বড় কোনো গোলমাল হয়েছে বলে মনে পড়ছেনা। মতের অমিল হয় অনেক ক্ষেত্রে, যুক্তি তর্কের মাধ্যমে সেটার মিমাংশা করি আমরা।
বি
বিবাহিত জীবনের ১৪ বছর কেটে গেছে। এর মাঝে আমাদের মধ্যে ঝগড়া বা মতানৈক্য যে হয়নি তা নয়। সেটা হাতে গোনা। আমার বাউন্ডুলে জীবনচারিতা নিয়ে আমার বউয়ের আক্ষেপের শেষ নেই। হুটহাট চাকরী ছাড়া, যখন তখন বেড়াতে বেরুনো- এসব তার পছন্দ নয়। চেষ্টা করেও আমাকে শোধরাতে না পেরে বেচারী হাল ছেড়ে দিয়েছে। তারমানে এই নয় যে, সংসার জীবনে আমি তার কথাকে মূল্য দেইনা। তার প্রাপ্য সম্মানটুকু সে সব সময়ই পেয়ে আসছে। সংসারের বড়-সড় সিদ্ধান্তগুলো আমরা একসাথেই নেই। আজ বড় অহংকার নিয়ে বলি, আমাদের জীবনে গত ১৪ বছরে কোনো বড় ধরনের ঝগড়া ফ্যাসাদ হয়েছে- এমন নজির নাই। এর মূলেই রয়েছে- পারস্পরিক সমঝোতা আর বিশ্বাস। যা সম্পর্কের আসল কথা। স্বামী-স্ত্রী কে হতে হবে বন্ধু। তাদের সম্পর্ক হবে- বন্ধুত্বের, ভালোবাসার, শ্রদ্ধার আর নির্ভরতার...
ব
বন্ধুত্ব বা বন্ধুতা নিয়ে এলামেলো এ লেখার জন্য আমি স্যরি এবং লজ্জিত...





আপনেরে গুল্লি।
বন্ধু ছেলে বা মেয়ে আলাদা করা যায় না। যে সম্পর্কটা টোকা লাগলেই ভেঙ্গে যায় সে সম্পর্কটা আসলেই গড়েই উঠেনি। আর গড়ে উঠা সম্পর্কগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বই সেরা। শ্রদ্ধা করি এই সম্পর্ককে। কাল প্রায় ৩ বছর পরে দেখা হলো বন্ধু সুমনার সাথে। কতগুলো বছর ধরে আমরা বন্ধু। আমি, সাবির আর সুমনা কত গল্প করলাম! কত যে ঝগড়া-মারামারি হয়েছে আমাদের কিন্তু কখনোই কথা বলা বন্ধ হয়নি, সরি ফিল করার মতো অবস্থা তৈরী হয়নি। আজকাল ফেসবুক, ব্লগ থেকে সহজেই যে বন্ধুত্ব হয় সেগুলোতে সম্পর্কের গভীরতাই তৈরী হয়না। তাই ফরমাল থাকতে হয়, হারিয়েও যায় সহজেই।
সুমনারে দেখতে মঞ্চায়...
কত কথা বলে............। একটা ফান পোস্ট দেন। সিরিয়াস কথা দেখলে কান্না আসে
ও......আমি বুঝি ফান লেখক
লীনার সাথে সহমত।
সহমততো প্রকাশ করবেনই...
সইত্য কিছু কথা কৈছি, তা আপনের আর লীনার কাছে সিরিয়াস মনে হৈছে !
কোপাল আমার...
ওই লোকরে তালা ভেংগে কি করলেন জানতে মন চায়, খালি তো শয়তান দের ধরতে পারে না এমন কথাই শুনি, ধরা গেছে এমন কথাও শুনতে ইচ্ছা করে
ধইরা নিয়া আইছি। তারপরে একটা চেক নিছি। ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত নিছি। তারপর দুপুরবেলা বেটারে ভাত খাওয়াইয়া বিদায় করছি
লাখ কথার এককথা।সেটা বাস্তবেই হোক আর ফেসবুক বা ব্লগেই হোক।
আচ্ছা মেসবাহ ভাই আপনার আর রায়হান ভাইয়ের সেই পোস্ট দেয়ার পাল্লাপাল্লি কি শেষ হয়ে গেছে??
রায়হান ভাই আজকাল আর পারেনা

বয়স হৈছেনা ?
এডি কি কন।

তুমি এত হাসো ক্যান ?
রায়হান ভাই দেখলে কৈলাম তোমার খবর কৈরা ফালাইবো
রায়হান ভাই নিজে পারে না আর আমার খবর করতে আইবো!! কইলেই হইলো।।

মেসবাহ ভাই জানলেন কেমনে?
খুব সহজ সমীকরণ

পারলেতো তাঁর সংসারের লোক সংখ্যা আরো বাড়তো
নাকী মিছা কৈলাম, মাসুম ভাই
আপনার কি কোনো বন্ধুর সাথে মান-অভিমান হইসে নাকি?
নারে বইন। ঘটনা হৈলো-
মাইনাস দেন ভাল কথা

কিন্তু অপবাদ দেন ক্যান ? মহিলাগো নিয়া হাবিজাবি কথা কখন কৈলাম ?
"তাদের বন্ধুত্বের মাঝে দেখেছি, খুব অল্পতেই তাদের বন্ধুত্ব হয়। এক্কেবারে জানে দোস্ত যাকে বলে। কদিন বেশ চলে। তারপর হুট করে তেমন কোনো কারন ছাড়া (আমার মনে হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাই হয়) মান অভিমান শুরু হয়। মান-অভিমান হবে ভাল কথা। কিন্তু সেটা বেশি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়--- তারপর বন্ধুত্বে ফাটল ধরে। মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে যায় অনেক সময়। এই যে, খুব অল্পতে গাঢ় বন্ধুত্ব হওয়া আবার অল্পতেই তা শেষ হওয়া, এইটা কি আসলেই বন্ধুত্ব ?"
এই গুলি কি হাবিজাবি কথা না!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
পুরা পোস্টটাই একটা হাবিজাবি পোস্ট

আপনে এইটারে এত সিরিয়াসলি নিতাছেন ক্যান, বুঝতাছিনা
পুরা কুমেন্টটাই একটা হাবিজাবি কুমেন্ট

আপনে এইটারে এত সিরিয়াসলি নিতাছেন ক্যান, বুঝতাছিনা
বন্ধুত্ব বা বন্ধুতা নিয়ে এলামেলো অসাধারণ এ লেখাটিতে কমেন্ট করার সাহস দেখানোর জন্য আমি স্যরি এবং লজ্জিত। কিন্তু না করে পারছিলাম না।
নিকট অতীতে আপনের লেখা নিয়া কখনো অপমান করছি বৈলাতো মনে পড়েনা...
আপনেরে বালা পাই
আর আপনে আমার লেখারে অসাধারন কৈয়া ইরাম অপমান করতে পারলেন ? আপনের দিলে কি কোনো দয়া মায়া নাই ?
লেখা লৈয়া কৈ কমেন্টস করলেন ? খুঁইজা পাইলাম না...
হ! কথা সত্য। কিন্তু এত্তো নিখুঁত অভিনয়ের মাঝে আজকাল মানুষ বুঝতে পারা দুষ্কর!
আ বা আ কা ব আ বি ব ভালো হইছে!
আরে এইটাতো তুমি সক্রেটিস টাইপের কথা কৈলা
। তয় এই লাইনটারে লাইক দিলাম 
প্রথম অংশ তো আমি কবিতা মনে করছিলাম।
যাই হোক বক্তব্য পরিস্কার। সবাইকে আল্লাহ হেদায়েত করুক।
আমিন !!

লোচ্চা কি লুচ্চা জাতীয় কিছু নাকি
কেমতে কৈ

আমিতো আর লোচ্চা বা লুচ্চা নই
এত বানাম্ভুল কেন?
দুষন
কারন
মেজাম
কোরন
সাধারনত
....
আইছে নতুন রবীন্দ্রনাথ
ভুল করেন আবার ঐটা নিয়া চোপা লন এইজন্যই আপনার ......
রায়হান ভাই এর কি বানাম্ভুল হয় না?
আল্লা বেলি, তুমি জানোনা ? রায়হান ভাই হৈলেন সবজান্তা শমসের। উনি নির্ভুল, উনি এই যুগের রবীন্দ্রনাথ।

টিটকারি মারেন! ভালোই।
এত সুন্দর করে লিখেন কিভাবে আপনি? আমিতো জীবনেও মনে হয় এত্ত সুন্দর করে কোন কিছু লিখতে পারবোনা। অনেক সুন্দর হইসে লিখাটা।
থ্যাংকু, থ্যাংকু...

কেউ এরকম আদর করে বলেনি...
কী খাবেন বলেন ?
হাহাহাহাহা, কি খাওয়াবেন বলেন?
য়াম খাবেন ? তাইলে এই মাসের শেষের দিকে খাওয়াবো...
বন্ধুত্ব আর আড্ডা হৈলো লাইফের ফুয়েল।
হরতালে কি অফিস করবেন না আড্ডাবেন?
বিলাই চলো আড্ডাই।
হ, লও- সবতে মিল্যা আড্ডাই...
একটা আড্ডা পোস্ট দেন। দেখি সময় সুযোগ হইলে আইসা পরতে পারি।
ফাইজলামী করো না !

ফাইজলামো কই করলাম!!! আমি আসতে পারি না।


তাতো পারোই।
ভুইলা গেছিলাম, এইটা ডিজিটাল যুগ
আড্ডাইতে মন্চায় দাদাভাই।
হ এইতো লাইনে আসছেন।
আড্ডাইতে মন চায় দাদাভাই

চল আড্ডাই
মুক্লার বিয়াতে কেডা কেডা যাইবা ? আমি যাওনের ইচ্ছা রাখি...
আপনে কেডা? আড্ডা হপে লাইভ।
আধুনিক প্রযুক্তিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে।

হ
মন্তব্য করুন