ইউজার লগইন

বই মেলা কড়চা- ৬

আজকের কড়চার প্রথম প্যারা- একজন মায়াবতীকে উৎসর্গ করা হল

ঘুম আমার অসম্ভব প্রিয় একটি জিনিস। তবে আমার ঘুম অনেক পাতলা। মাইরি বলছি, আমি ইচ্ছে করলে ৫ মিনিট ও ঘুমাতে পারি। যেমন ধরুন: প্রায় দিনই রোদ্দুরকে নিয়ে সকালে স্কুলে যেতে হয়। ওর ক্লাস সকাল ৮ টায়। কিন্তু স্কুলে যেয়ে রিপোর্ট করতে হয় ৩০ মিনিট আগে। সুতরাং বেচারাকে ঘুম থেকে উঠতে হয় সকাল ৭ টার আগে। আমার মোবাইলে অ্যালার্ম দেয়া থাকে ৭ টা ১০ মিনিটে। অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথে আমি চোখ খুলি। ঘড়ি দেখি। তারপর আরো ৫ মিনিট ঘুমিয়ে উঠি ঠিক ৭ টা ১৫ মিনিটে। তারপরও ৭ টা ৩০ এর মধ্যে যথারীতি ওর স্কুলে হাজির হই। রোদ্দুর পড়ে গবর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। ফার্মগেট মানে বাসা থেকে ওর স্কুলে যেতে সকাল বেলায় বাইকে বাপ-বেটার সময় লাগে ৮ থেকে ৯ মিনিট...। তো, আমার জীবনে সেরা ঘুমকাতুরে মানুষ দেখেছি আমার বড় ভাইয়াকে। যাকে আমরা ভাইজান ডাকি। তিনি যখন তখন, যেখানে সেখানে যতক্ষণ খুশি ঘুমিয়ে নিতে পারেন। সে অনেক কাল আগের কথা। ৮৩ বা ৮৪ সাল হবে। আমরা তখন ফেণীতে থাকি। একবার হল কী, কোনো এক রোজার ঈদের এক দিন আগে তিনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের বাসে ফেণীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। সেকালে এখনকার মত চেয়ার কোচ বা এসি বাস ছিল না। বাস সায়েদাবাদ ছাড়ার পরেই ভাইয়া ঘুমিয়ে পড়লেন। যে সে ঘুম না। তো, মধ্যরাতে সেহেরী খাবারের জন্য বাস থামানো হলো ফেণী থেকে ৩০/৪০ মাইল দুরের বারইয়ার হাটে। বাসের লোকজন সবাই নামলো সেহেরি খেতে। কন্ডাকটার এসে ভাইয়াকে জাগালো সেহেরি খেতে। ভাইয়া উঠলেন। জানলেন যে, তিনি ফেণী থেকে ঘন্টাখানেকের রাস্তা পার হয়ে এসেছেন। কী আর করা। নামলেন, সেহেরি খেলেন এবং ভোরের অপেক্ষা করলেন। সকালে ফিরতি বাসে বারইয়ার হাট থেকে ফেণীতে এলেন। আরেক রোজার ঘটনা। সেহেরি খেয়ে নামাজ পড়ে ঘুমাতে গেলেন। পরদিন ইফতারের সময় অনেক ঠেলে-ঠুলে ভাইয়াকে উঠানো হলো...

আজ সকালে ঘুম থেকে আমি উঠলাম ৯ টার পরে। বাসা থেকে বেরুলাম ১০ টার সময়। গন্তব্য পল্টন। পল্টন কেনো, আরে মশাই ভুলে গেলেন ? পল্টনের আউটপুট সেন্টারে আমাদের সংকলন ম্যুরাল আছে না ! তো, সকাল এগারোটার পরে মহামান্য রিপন সাহেব (এই মহামান্যকে মনে আছেতো ? যিনি ম্যুরালের পেজ মেকাপের কাজ শেষ না করে গত ৩ দিন তার ৩ টি মোবাইল বন্ধ রেখে দিব্যি ছুটি কাটাচ্ছেন...) এলেন। চেহারা কালো করে নিচু স্বরে বললেন, ভাই আমি খুব অসুস্থ। আমি তারচেয়েও নিচু স্বরে বললাম, ভাই ওষুধ-পথ্য ঠিকমত খেয়েছেনতো ? আপনার চেহারা খুব খারাপ হয়ে গেছে... ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে মনে বললাম, হারামজাদা... আমার কাজটা আগে হোক... ফাইনাল বানান কারেকশান করতে করতে বেলা দ্বিপ্রহর। পেটে ক্ষিধা, তবু খেতে যাচ্ছিনা। পকেটের অবস্থা ভালো না। একটা একশ টাকার নোট এবং ২/৩ টা ১০ টাকার নোট আছে। নিজে খেতে গেলে রিপনকেও নিয়ে যেতে হবে। অথচ যে টাকা আছে তাতে দুজনের খাবার হবেনা। কী করবো ভাবছি... রিপনই আমাকে উদ্ধার করলো। বললো, বস বানান দেখাতো শেষ। এবার পেজ সেট আপ করবো। তার আগে খেয়ে নেন। আমি আস্তে করে বললাম, চলেন খেয়ে আসি... রিপন বললো, না বস আমি বাসা থেকে খাবার নিয়ে এসেছি। আপনি খেয়ে আসেন। জানে পানি আসলো আমার। খেতে গেলাম নিচে...

খেয়ে ফিরলাম দ্রুতই। ইতিমধ্যে আমাদের রিপন মিয়ারও খাবার শেষ হয়েছে। তারপর পেজ সেটাপ শুরু করলো সে। আমি বসে বসে দেখছি। প্রেসের সেলিম সাহেবেকে ডেকে আনলাম ফোনে। বললাম, ভাই আপনার জিনিস আপনি বুঝে নেন। আমার কাজ শেষ। তিনি অতীব বিনয়ের সাথে জানতে চাইলেন - কাগজ কেনার জন্য তাকে কিছু টাকা দিতে পারবো কিনা ? আমি টুটুলের সাথে কথা বললাম। টুটুল আর বিমা'র কাছে টাকা আছে (সম্ভবত টাকা-পয়সার ক্ষেত্রে এ দুজন বেশ বিশ্বস্ত...)। কালকে দিতে পারবে। সেলিম সাহেবের আজকেই দরকার... । কী করা যায় ! সেলিম সাহেবকে বল্লাম, চলেন। পল্টন টু মতিঝিল। আল্লার নামে এটিএম বুথে ঢুকলাম। কার্ড পাঞ্চ করলাম। ১০ হাজার সাতশ টাকা আছে। ইজ্জতের মালিক আল্লাহ ! সাতশ টাকা রেখে ১০ হাজার টাকা তুললাম এবং তাকে দিলাম...। তারপর আবার বাইকে। মতিঝিল টু ফার্মগেট...। বাসায় এসে সিপিও ঠিক করলাম এবং কড়চা- ৫ লিখতে বসলাম। সমুদ্দুর ঘুমাচ্ছে। রোদ্দুর বাইরে খেলতে গেছে...। ভাবলাম এক টানে লিখে ফেলবো... সে গুড়ে বালি! জয়িতা আপা ফেসবুকে এসে - কী করছেন, কেমন আছেন, মেলায় যাবেন্না... এই সব বলা শুরু করলেন। জেবীন আপা বৈদেশ থেকে জানতে চাইলেন, কড়চা- ৫ লেখি নাই কেনো, কালকে কি মেলায় যাই নাই... । এমন রাগ হলো, ভানুর মত একবার ভাবলাম- তাইলে হালায় লেখুমই না... শেষে কী মনে করে আবার লেখা শুরু করলাম...। সন্ধ্যা ৬ টা বেজে গেলো। স্ত্রী বললেন, কী ব্যাপার এই অসময়ে বাসায় যে ! বই মেলায় যাবে না ? ততক্ষণে কড়চা- ৫ লেখা শেষ। ফুরফুরা মেজাজে বললাম- এই তো বেরুবো। ইয়ে, তোমার কাছে শ পাঁচেক টাক হবে। কিছু না বলে টাকাটা দিলেন তিনি। সাথে চা-বিস্কুট এনে দিলেন। আমি আয়েশ করে চায়ে চুমুক দিলাম...। তারপর বেরুলাম। গন্তব্য বই মেলা...।

আজকের মেলা ছিলো বেশ ফাঁকা। গত তিন দিন ছুটির কারনে যেহারে লোকজন এসেছে- তারা আজ মনে হয় টায়ার্ড হয়ে রেস্ট নিচ্ছে। মেলায় ঢুকলাম। প্রথমে লিটল ম্যাগ চত্বর...। ওমা কেউ নেই ! কী আশ্চর্য ! পুরো মেলা দুই চক্কর দিলাম। কারো সাথে দেখা হলোনা। সুবর্ণ স্টলের সামনে দিয়ে যাবার সময় মনটা কেমন করে উঠলো। এর সামনেই পর্যটনের সেই খাবারের দোকান। যেখানে অনবরত কাউকে না কাউকে মুরগা বানানো হয়েছে বিগত দিনে। খাবারের দোকান পেরিয়েই দেখা ব্লগার মামুন ম. আজিজের সাথে। তার একটা বই বেরিয়েছে- বললো। ভাগ্যিস কিনতে বলেনি...। তো কুশলাদি জানার পরে আমি মানে মানে কেটে পড়লাম।

আজ ছোট বোন সুলতানা শিপলুর বিয়ের দিন। সারাদিন ইচ্ছে করে ওকে ফোন দেইনি। ভাবলাম- রাতে একটা গিফট নিয়ে যেয়ে সরাসরি উইশ করব। কী কেনা যায়, ভাবতে ভাবতে মেলায় পেয়ে গেলাম আমার প্রিয় লেখক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামের সদ্য প্রকাশিত একটা গল্প সংকলন। এই ভদ্রলোকের লেখা আমার ভীষন ভাল লাগে। বইয়ের নাম- সুখ দুঃখের গল্প। কিনলাম এবং ভেতরে ছোট একটু নোট লিখে বইটি নিয়ে চতুর্থবারের মত লিটল ম্যাগ চত্বরে... । হায়, আজকে কোথাও কেউ নেই...। মাত্র সাড়ে সাতটা বাজে ! নাহ, মেলায় থাকার আর কোনো কারন নেই। ছবির হাটের দিকে যাই...। ভাবতে ভাবতে তথ্য কেন্দ্রে পার হচ্ছি। হঠাৎ... মেসবাহ ভাই ডাক শুনে তাকালাম। চ্যানেল আইয়ের রোখসানা আমিন। বললো, ভাইয়া খবরের মাঝে আমাদের লাইভ যাবে। প্লিজ আপনি যদি একটু কিছু বলেন ? অনেক দিনের পরিচিত মুখ। না করতে পারলাম না। ওকে বলতে পারলাম না, আজকাল টিভিতে আমি টাকা ছাড়া কথা বলিনা...। লাইভে বললাম সামান্য একটু...। তারপর মেলা থেকে বেরুলাম। ফোন বেজে উঠলো। তাহসীনা ফোন করেছে। এই মেয়ে চ্যানেল আইতে নিয়মিত খবর পড়ে। বললো, আমি নাকী আগের চেয়ে ইয়াং হয়ে গেছি। আমার শার্টটা খুব সুন্দর... ইত্যাদি। মজার তথ্য জানালো যে, আজকের ৭ টার চ্যানেল আই সংবাদ পাঠিকা ছিলো ও নিজে...। ফোনের এপাশে আমি 'মাসুমীয়' একটা হাসি দিলাম...

বই মেলা পেরিয়ে টিএসসিতে এসে বাইকে। ছবির হাট যাব। বাইক স্টার্ট দেবার পর ফোন বাজছে... একবার... দুইবার... তিনবার। মেজাজ খারাপ হল। থামলাম না। ছবির হাটে এসে বাইক থেকে নামলাম। পকেট থেকে ফোন বের করে দেখলাম বাসা থেকে ...। বাসা থেকে তিন বার ফোন মানে কোনো খারাপ খবর... রোদ্দুর বা সমুদ্দুর কারো কিছু হয়নিতো। অমঙ্গল আশংকায় ভয় পেয়ে কল করলাম বাসায়। রোদ্দুর ধরলো। ধরেই বললো- বাবা তোমাকে চ্যানেল আইতে দেখালো। আগে বলোনি কেনো ? ওর গলায় একটু অভিমানের সুর। আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম...। ছবির হাটের সামনে চার ব্লগারের সাথে দেখা হল। ভাস্কর, বিমা, শুভ আর রায়হান ভাই। তেনারা ভুট্টা পোড়া খাচ্ছেন। আজকে কেউ আর মেলার দিকে যাননি। মুরগা হবার ভয়ে কিনা কে জানে...!

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


৫-১০ মিনিটের কুইকিগুলো আসলেই খুব কাজের। আমি তো মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করি, সময় পেলেই ৫-১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে রাখতে। এতে শরীর পুরা ফুরফুরা হয়ে যায়।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


তাইলে জগতে আমি একা না... এরাম লোকজন আরো আছে !

জ্যোতি's picture


রিপনের নাম প্রমোশন পেতে পেতে আবার ডিমোশন পেলো। Big smile
আমি এফবি তে আপনাকে জিজ্ঞেস করলাম কালকের কড়চা লিখেননি কেন? যে ঝাড়ি দিলেন আর কিছু না বলেই অফ গেলাম তাও আবার ঝাড়ি দিলেন!
চ্যানেল আই এর সংবাদ পাঠিকা শার্ট সুন্দর বললো সেটা পুস্টে সবাইরে জানালেন , আর আমি যে কাল কতবার বললাম আপনের শার্টটা খুব সুন্দর সেটা তো একবারও বললেন না! কপাল! ফেসভেলু ইহাকেই বলে।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


হ, হ ঠিক কৈছো। কাইলকাও রঙয়ের সেই শার্টটা পরা ছিল (যেই টায় শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মশাই অটোগ্রাফ দিছিলো...)। ক্যান তোমারে না কৈছিলাম ওইরকম একটা কাপড় গিফট করুম... Wink

জেবীন's picture


সর্বনাশ, শার্টের সৌন্দর্য্যের কথাতো আমিও বলছিলাম কালকে! যদিও ভিন্ন কালারেরটার। কিন্তু একদিনে এত্তোজনে বলছে! কালো টিপ-টুপ লাগান, নজর লাগবো তো! Tongue

আর এট্টু খোজঁখবর নিতাছিলাম, এমুন জ্বালানি তো আমরা দেইই! Big smile খালি বিরক্ত করার কথাই কইলেন, একটা লিঙ্ক না দিলাম যেইটা নিজেও দেখেন নাই! Stare

সুমি হোসেন's picture


মানির মান আললায় রাখে, কালকে একবার বলতে চেয়েছিলাম কড়চার কথা, ভাগ্য ভালো বলি নাই Smile !
নৃত্য মায়াবতীর ঘুমানোর পুরষকার!!! তাইলে মায়াবতী তোমার ছুটুবেলার আরও কাহিনি বলো, কি ভাবে বানান করতে Cool

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আপনেও মায়াবতীর মত জীবনের কোনো কাহিনী সবাইরে শুনান... তাইলে ১ প্যারা না, আপনেরে ২ প্যারা উৎসর্গ করুম... ওয়াদা Tongue

হাসান রায়হান's picture


লোকজন দেখি বসার উপ্রে ঘুমায় যায়। সাইদ, ইকবাল ওদের সাথে যতবার খোথাও যাই দেখি গাড়িতে ঘোড়ার মত ঘুমাইতেছে। কিন্তু আমি পারিনা। ওহ ঘোড়া তো নাকি দাড়ায় ঘুমায়। অফিসে আসা যাওয়া নিয়া আমার ডেলি ৩/৪ ঘন্টা বাসে ঝিমাইতে হয়। মাঝে মাঝে ঘুমানোর চেষ্টা করি । জুইত হয় না। তাই এখন মোবাইলে ফেইসবুক, ব্লগ পড়ে বাসে সময় কাটাই।

বাসাবো থিকা বাসে ঝুইলা লটকাইয়া প্রত্যেক সকালে আমার যাত্রা শুরু। মতিঝিল থিকা সিট খালি হইতে শুরু করে। দাড়াইনা লোকজন বসার সুযোগ পায়। কিন্তু আমার কপাল! দেখা যায় যেই বেটার ঘাড়ের উপরে দাড়াইছি সে শাহ বাগ সাইন্সল্যাবের আগে নামে না। মিজাজ বিলা হয় কিন্তু আমি ভাব লই নির্লিপ্ত। ঘন্টা ধইরা দাড়াইয়া যেন খুব আরাম লাগতেছে এরম। জোর কইরা ভালো থাকা। কারণ উপায় নাই।

আজকা সীট পাইলাম সাইন্সল্যাবে আইসা। বইসাই মোবাইলে ব্লগ খুললাম। এই পোস্ট পড়তে পড়তে শেষ করছি ততক্ষণে শ্যামলী পৌছায় গেছি। সময় কাইটা গেছে কখন টের পাই নাই। বিরক্তির সময়টা ভুইলা থাকতে ব্লগার, ফেসবুকার্রা ভুমিকা রাখতেছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জাইগা উঠল মনে।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


যাক, কষ্ট কৈরা বাসে দাঁড়াইয়া যাওনের সময় এই লেখাটা পৈড়া যে সময় পার করন গেছে- তাতেই এই অভাগা লেখকের সার্থকতা... Big smile

১০

জোনাকি's picture


আগেই কইছিলাম এতো মুরগা মুরগা করলে কেই বই মেলাতা যাইবো না ..... Big smile

১১

মেসবাহ য়াযাদ's picture


হ জোনাক, এখনতো তাই মনে হৈতাছে... Sad
এখনওতো ২৩ দিন আছে মেলার... Puzzled

১২

জোনাকি's picture


মুরগা ধরতাছেন না বইলা একটা পোষ্ট লিখেন তাইলে সব যাওয়া শুরু করব বই মেলাতে Big smile

১৩

লাবণী's picture


মহা টেনশনে পড়লাম মেজবাহ ভাই Sad
================
আপনার প্রতিদিন একটা করে করচা এবিতে দেন। আর এই বইমেলার শেষ সপ্তাহেই করচাগুলারে প্যাক করে একটা বই বের করে ফেলেন!
অভিনব পন্থা! এখন পর্যন্ত কেউ করেনি!

১৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বুদ্ধি খারাপ না...
ইয়ে, মানে আপনার কাছে হাজার দশেক টাকা হবে ? না, না লোন হিসাবে দেন। বইমেলার শেষ দিকে আমার বই বেরুবেতো ! তখন না হয় বিক্রি করে শোধ করে দেব... Wink

১৫

লাবণী's picture


ইয়ে মানে বলছিলাম কি-----আপনি আপাতত ম্যানেজ করে নিন! আমি না হয় একটা বই কেনার গ্যারান্টি দেই? ভাগন্তিস

১৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


সবাই এরাম পিছলাইলে কেবা কৈরা বই বাইর করমু... Sad

১৭

লাবণী's picture


যার নাই তার কাছে চায়লে তো এরাম হবেই!!
আমি বড়-ই অভাবী!! Sad

১৮

জোনাকি's picture


হ আমিও কিনুমনে বই....মেসবু ভাই বাইর করেন একটা বই..কি আছে জীবনে....টাকা পায়সা যা লাগে আমি দিমু .....না । Tongue

১৯

লাবণী's picture


মেজবাহ ভাই, দেখেন আপনার দুইটা বই প্রকাশের আগেই বিক্রি হয়ে গেছে!
সো---ডু চিন্তা, নো ফুর্তি!!

২০

সাঈদ's picture


বই মেলায় গেলে কাউরে জানামু না ।

জানের মায়া অনেক, মুর্গা হবার সাধ নাই ।

২১

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মুরগা হওনের লগে জানের মায়ার কী সম্পর্ক ভাই, বুঝলাম না...
আমরাতো মুরগাগো জানে মারিনা, মারি ধনে Wink

২২

রাসেল আশরাফ's picture


তাহসীনারে আমি ভালা পাই। বিশেষ কইরা গোল্লাগুল্লি চেহারা আর চশমা অনেক ভালো লাগে।আম্মারে কইছিলাম ও একবার।আগে জানলে আপনেরে কইতাম।এক্টা ব্যবস্থা কইরা দিতে পারতেন। Sad

২৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


তাহসীনারে আমি ভালা পাই। বিশেষ কইরা গোল্লাগুল্লি চেহারা আর চশমা অনেক ভালো লাগে।আম্মারে কইছিলাম ও একবার।আগে জানলে আপনেরে কইতাম।এক্টা ব্যবস্থা কইরা দিতে পারতেন।

ঘটনা কী খুইলা কও। কী ব্যবস্থা করতে পারতাম ? তুমি কি তাহসীনার দ্বিতীয় স্বামী হৈবার চাও ? তাইলে ওর এক নম্বর স্বামী রাজের কী হৈবো ?? ঝেড়ে কাশো ভাতিজা... Wink Big smile

২৪

রাসেল আশরাফ's picture


তাইলে ওর এক নম্বর স্বামী রাজের কী হৈবো ?? ঝেড়ে কাশো ভাতিজা...

এখনতো কেশে হুপিং কাশি বাধাঁলেও কিছু হবে না। Sad বাদ দেন। Sad Sad

২৫

অতিথি's picture


এবারের বই মেলায় এই খাবারের স্টলটাই খুব বেখাপ্পা লাগছে আর ওই দোকানীরা বানিজ্য মেলার মতো জিনিসের দাম দিন দিন বাড়িয়ে যাচ্চে। রবিবারে খাবার খেয়ে বিল দিতে গিয়ে দেখি শুকবারের চেয়ে ২০টাকা প্রতি প্লেটে বেশী। চিল্লা চিল্লি শুরু করার পরে দোকানী বলে বাংলা একাডেমি দাম বাড়িয়েছে বললাম চলেন বাংলা একাডেমি যাই কে দাম বাড়ালো দেখে আসি। দোকানী বুঝেছে ত্যান্দর পরিবারের পাল্লায় পড়েছে পরে সেই আগের দামই রাখলো। শুক্রবারে এক প্লেট তেহাড়ি ছিল ৮০টাকা রবিবারে তার বেড়ে হয়েছে ১০০টাকা দামে বেড়েছে কিন্তু পরিমানে কমেছে। বাংলা একাডেমির নিজস্ব ক্যান্টিন থাকতে এই ধরনের ষ্টল না দিলে কি হতো এই প্রশ্নটা একাডেমির পরিচালকদের করতে ইচ্ছে করে।

২৬

অতিথি জালাল's picture


অসাধারণ.।.।।
চলুক.।।

২৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কী চলবে ? আমাদের এই মুরগা ধরা প্রকল্প !!

২৮

অতিথি জালাল's picture


অসাধারণ.।.।।
চলুক.।।

২৯

আরাফাত শান্ত's picture


ভিডিও লিঙ্ক দিয়েন টিভি কার্ড নষ্ট।মোরগা বঞ্চিত একটা দিন!

৩০

লীনা দিলরুবা's picture


সুবর্ণ স্টলের সামনে দিয়ে যাবার সময় মনটা কেমন করে উঠলো। এর সামনেই পর্যটনের সেই খাবারের দোকান। যেখানে অনবরত কাউকে না কাউকে মুরগা বানানো হয়েছে বিগত দিনে।

হাহাহা...

৩১

তানবীরা's picture


ইয়ং বয়সে সবাই অনেক ঘুমায় আপনার মতো।

আমার মতো বয়স হয়ে গেলে আর ঘুমাবেন না Smile

৩২

একজন মায়াবতী's picture


যা বললাম নিজের পোস্টে বাসায় নেট নাই। খুব মিস করি সবার পোস্ট। তাও আবার আমাকেই উৎসর্গ করা!! খুব তাড়াতাড়ি পরের কোনো ঘটনা লিখবো। আর একটা উৎসর্গ দিয়েন Laughing out loud Big Grin

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মেসবাহ য়াযাদ's picture

নিজের সম্পর্কে

মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকার সম্ভাবনা আছে জেনেও
আমি মানুষকে বিশ্বাস করি এবং ঠকি। গড় অনুপাতে
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি।
কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
কন্যা রাশির জাতক। আমার ভুমিষ্ঠ দিন হচ্ছে
১৬ সেপ্টেম্বর। নারীদের সাথে আমার সখ্যতা
বেশি। এতে অনেকেই হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরে।
মরুকগে। আমার কিসস্যু যায় আসে না।
দেশটাকে ভালবাসি আমি। ভালবাসি, স্ত্রী
আর দুই রাজপুত্রকে। আর সবচেয়ে বেশি
ভালবাসি নিজেকে।