ইউজার লগইন

আসিফ'এর ব্লগ

ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ কইরা যখন ঢাকায় মেস এ উঠি, আবিস্কার করি মেস বাসিন্দা বিসিএস পরীক্ষার্থী বড় ভাইয়েরা মেসে দুই খান পত্রিকা রাখেন। পরবর্তীতে আমার বন্ধুরা যখন একের পর এক সেই মেস এ উঠতে থাকে পত্রিকার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় তিন খানে। Smile দুইখান বাংলা পত্রিকা নিয়াই মেসবাসিন্দারা টানাটানি বেশি করতো, ইংরাজি ডেইলি স্টার খান আমার মত কামছাড়া আঁতেলের বিছানাগত থাকতো। প্রত্যেকদিন বদলা খাইটা আইসা পড়তাম দৈনিক তারা নিয়া। এই পাতা-ঐ পাতা ঘুরাঘুরি কইরা শেষে স্থির হইতাম স্পোর্টস অংশে। ফুটবল/ক্রিকেট/টেনিস ছিলো প্রধান আকর্ষণ। নিয়মিত ইংরাজি পত্রিকা পাঠ করায় ভাষাজ্ঞানের কতখানি উন্নতি হইছে তা আল্লাহ মালুম। কিন্তু ফুটবল তথা ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের প্রতি একটু একটু কইরা টান যে বাড়তেছিলো তা এখন মোটামুটি 'শিউর' কইরা কইয়া ফেলতে পারি। এই নিয়মিত ফুটবল সংবাদ পাঠের একটা বিরাট লাভ ছিলো। ফুটবল নিয়া যে যেখানেই

একলা রাতের গান

ছবিটা দেখেছিলাম না হলেও বছর দশেক আগে, সনি টিভিতে। জুয়েল থিফ না রিটার্ন অফ জুয়েল থিফ এ ধরনের একটা সংশয় ছিল মনে। গানটা ইউটিউব থেকে নামাতে গিয়ে নিশ্চিত হলাম জুয়েল থিফ। ঐ সময়ের প্রচলিত গানগুলোর চেয়ে একেবারে ভিন্নরকমের সুর আর গায়কী। যদিও ক্রেডিট লাইনে সুরকার হিসাবে শচীন দেব বর্মণ এর নাম আছে তবুও ধারণা করা হয় এ গানটার সুর আসলে তাঁর সুযোগ্য সন্তান রাহুল দেব বর্মণ এর, যিনি পঞ্চমদা নামেই সমধিক পরিচিত। গীতিকার ছিলেন মজরুহ সুলতানপুরী আর গেয়েছেন আশা ভোসলে। যখন প্রথম শুনি, প্রথমেই মনে হয়েছিলো কী গান!!! আজ আবার শুনলাম, আবার মনে হল- কী গান!!! গানের মাধ্যমে সেনসুয়ালাইজেশন (বাংলাটা কি হবে?!) তৈরি করা, সহজ নয় নিশ্চয়! কোথায় যেন পড়লাম এ গানটা তার সময়ের চেয়ে বিশ বছর এগিয়ে ছিল - সুরে, অর্কেস্ট্রেশনে।

দায়মুক্তি

আমি আজ দায়মুক্ত হলাম। গত দু'তিন দিন ধরে মনের মধ্যে একটা কাঁটা খচখচ করছিলো। জাহানারার কি হলো, খবর তো নিলাম না। খুব কাছের কয়েকজন বন্ধুদের জানিয়েছিলাম জাহানারার জন্য কিছু করার কথা। সবাই সাড়াও দিয়েছিলো। কিন্তু অফিস সময়ে বের হওয়াটা অনেকের জন্য সমস্যা, আমারও। দু'একজন বলেছে আমাকে দিয়ে দিতে, পরে শোধ দিয়ে দেবে। কিন্তু হায়! আমারই সময় হয়না।

যেহেতু উদ্যোগের সাথে সরাসরি যুক্ত নই তাই জানা হয়নি জাহানারা ইতোমধ্যে পৌছে গেছেন না ফেরার দেশে। এখন আর কোন বন্ধুর দু'হাজার, আরেকজনের এক হাজার, কিংবা জবরদস্তি করে আরেকজনের উপর ধার্য করা পাঁচ হাজারের আর কোন প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই কারো চাকরির বেতনটা একাউন্টে জমা হবার। যার জন্য ভেবেছি অনেক দিন সংযোগ না থাকা বন্ধুদের ফোন করে চাইবো কিছু টাকা ধার, তিনি চলে গেছেন সকল চাওয়া-পাওয়ার উর্ধ্বে।

সকাল আসে না, আয়না হাসে না........

মাঝে মাঝে আপনাদের এমন হয় না - একটা গান শুনলেন কোথাও, আর সে গানের রেশটা রয়ে গেল মনে.......অনেকক্ষণ।
ইউটিউবে একটা গান খুঁজছিলাম। যা খুঁজছিলাম তা পেলাম না। বদলে পেলাম অন্তহীনের এ গানটা। গানের কথা এবং সুর দুটোই কেন যেন মনটাকে উদাস করলো। যদিও এর সঙ্গে অন্য কিছুর যোগসূত্র না খোঁজাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

-------------------------

সকাল আসে না....আয়না হাসে না
জানলা খোলা মেঘ....সে ভালোবাসে না

না কিছু ভাবি না....রোদ এলো কি না
স্নানের জলে গা......আমি না, তুমি না

দিনের পাখিরা ছুঁয়েছে ডানা
রাতের পরী আর ভুল ঠিকানা

সকাল আসে না....আয়না হাসে না
একলা খোলা বই....সে ভালোবাসে না

--------------------------

আমার তাঁতীজীবন

সামু ব্লগে মাসুম ভাইয়ের কোন লেখাটা প্রথম পড়ছি ঠিক মনে পড়তেছে না। তবে ‌আমার ও বউয়ের বিয়া হইছিলো একই দিনে, আইজ সেই দিন -এই লেখাটা পইড়া পাংখা (রাপুখাপাং না কিন্তু!) হইছিলাম মনে আছে। ঐটা পড়ার পর পরই আরও কিছু মাসুমীয় রসগ্রহণ শেষে ঐদিনই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাইলাম ফেসবুক মারফত। অ্যাকসেপ্টও হইল যথাসময়ে। এরপর কয়দিন খেয়াল করলাম সামুতে উনার নতুন লেখা নাই, ঘটনা কি!