চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসি
ইদানীং আমার অবসর সময়ের অনেক খানি খেয়ে নিচ্ছে ESPN Soccernet। বিশ্বকাপ ফুটবলের কারনে ফুটবলের প্রতি হারানো আগ্রহ আবার ফিরে পেয়েছি। বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে, কিন্তু শুরু হয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ। আর দু'দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ এর গ্রুপ পর্ব। এবার চ্যাম্পিয়ন লীগ আমি একটু বিশেষভাবে অনুসরণ করবো। কারন একটাই, এবারই প্রথম আমি ইএসপিএন এর চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসিতে দল নামিয়েছি।
[img=auto]http://championsfantasy.soccernet.espn.go.com/img/teaser-en.jpg?1[/img]
প্রিমিয়ার লীগ ফ্যান্টাসিতেও একটি দল নামিয়েছিলাম। কিন্তু অনভিজ্ঞতার কারনে খেলোয়াড় নির্বাচনে কিছু ত্রুটি রয়ে গিয়েছিলো। স্ট্রাইকার হিসাবে নিয়েছিলাম রবিন ফন পার্সি আর লুইস সাহাকে! ফলাফল হাতে নাতে। একজন ইনজুরড আরেকজন প্রথম একাদশে সুযোগই পায় না
। তাই দু'সপ্তাহ পরে এদের বাদ দিয়ে ড্রগবা আর শামাখকে নিলাম। এখন মোটামুটি ভালই চলছে।
যাই হোক, চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসিতে দল নির্বাচন করতে গিয়ে যে পরিমান স্টাডি করেছি, তা বিশ্ববিদ্যালয়ে করলে মনে হয় ফলাফল খারাপ হতো না। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে এটার পেছনে লেগেছিলাম ভালোমত। আজ দল কনফার্ম করে ব্লগগুলিতে একটু ঢুঁ মারছি। আর তখন মনে হলো, আরে আমার এই সদ্য অর্জিত জ্ঞানগুলি একটু লিখে রাখি না কেন। এক কাজে দুটো লাভ হবে- নিজের জন্য রেফারেন্স থাকলো আর যদি কেউ যোগ দিতে আগ্রহী হয় তার জন্য কিছু উপকার হবে।
যারা ইএসপিএন চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসিতে দল নামাতে চান [url=http://championsfantasy.soccernet.espn.go.com/app/start.jsp]এই লিংক[/url] ধরে গিয়ে নিবন্ধন করুন। নিজের দলকে একটি সুন্দর দেখে নাম দিন। এবার খেলোয়াড় নির্বাচনের পালা।
আপনার জন্য বাজেট ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড। এই বাজেটে আপনাকে ১৫ জনের একটি দল গড়তে হবে। বাজেট অনেক কম মনে হবে যখন দেখবেন একজন ভালো স্ট্রাইকার/মিডফিল্ডার এর দাম ১০-১২ মিলিয়ন পাউন্ড! এখানেই রয়ে গেছে অংকের খেলা। বাজেটের মধ্যে থেকে আপনাকে বেছে নিতে হবে সবচেয়ে ভালো দলটি যা আপনাকে এনে দেবে বেশি পয়েন্ট।
পয়েন্টের কথায় মনে হলো শুরু করার আগে একবার [url=http://championsfantasy.soccernet.espn.go.com/app/hilfe_regeln.jsp]নিয়মগুলো [/url]দেখে নিলে সবচেয়ে ভালো হয়। যাদের অত পড়ার ধৈর্য নেই তাদের জন্য সংক্ষেপে-
১. ১৪ সেপ্টেম্বর ১৮৪৫ জিএমটি এর আগে আপনাকে দল নির্বাচন করতে হবে। এরপর গ্রুপ পর্যায়ে ১২টি ট্রান্সফারের সুযোগ পাবেন। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ফাইনাল পর্যন্ত প্রতি পর্বে ৮টি করে ট্রান্সফারের সুযোগ পাবেন।
২. প্রতি খেলার জন্য একজন ক্যাপ্টেন নির্বাচন করতে পারবেন। ক্যাপ্টেনের অর্জিত পয়েন্ট দ্বিগুন ধরে হিসাব করা হবে। ক্যাপ্টেন না বানালে কেউ দ্বিগুণ পয়েন্ট পাবে না।
৩. প্রতি খেলার জন্য আপনাকে এগারো জনের দল নির্বাচন করতে হবে। খেলায় এদের অর্জিত পয়েন্টই গণ্য হবে। অতিরিক্ত খেলোয়াড়দের পয়েন্ট গণ্য করা হবে না। যদি আপনার মূল দলের কেউ আসল খেলায় (প্রকৃত খেলায় আর কি) অংশ না নেয়, তবে আপনার অতিরিক্ত খেলোয়াড়দের যাকে আপনি প্রথমে রেখেছেন তার পয়েন্ট অটোমেটিক যোগ হবে।
৪. আপনার দলের জন্য ৪-৪-২, ৪-৪-৩, ৩-৫-২ এ ধরনের একটা ফর্মেশন বেছে নিতে হবে।
৫. গ্রুপ পর্যায়ে এক দল (যেমন চেলসি, ম্যান ইউ ইত্যাদি) থেকে সর্বোচ্চ তিন জন খেলোয়াড় নিতে পারবেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে চার, কোয়ার্টার ফাইনালে পাঁচ, সেমিফাইনালে ছয় আর ফাইনালে আট জন এক দল থেকে নিতে পারবেন। গ্রুপ পর্যায়ের পর বাজেট পুর্ননির্ধারণ করা হবে।
৬. স্কোরিং সিস্টেম-
- প্রথম একাদশে থাকলে প্রত্যেক খেলোয়াড় পাবেন ২ পয়েন্ট। সাবস্টিটিউট হিসাবে নামলে ১ পয়েন্ট।
- গোল দিলে স্ট্রাইকার পাবেন ৪ পয়েন্ট, মিডফিল্ডার ৬, ডিফেন্ডার ৮ আর গোলকীপার ১০ পয়েন্ট! (কোন গোলকীপার গোল দিতে পারে খোঁজ লাগাইতে পারি নাই!
:~ ) আর হ্যাঁ আত্মঘাতী গোলদাতার পয়েন্ট -২ (মাইনাস ২)।
- গোল করায় সহযোগিতা (অ্যাসিস্ট) করলে ২ পয়েন্ট। সহযোগিতার নিয়ম হল যার পা থেকে সর্বশেষ পাসটি এসেছে। তবে ফাউলের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফ্রি কিক বা পেনাল্টি থেকে গোল হলে তার জন্য ফাউল হজমকারী কোন অ্যাসিস্ট পয়েন্ট পাবে না। আত্মঘাতী আর রিবাউন্ড এর জন্যও একই নিয়ম।
- পেনাল্টি সেভ করলে ৩ পয়েন্ট আর মিস করলে -৩ পয়েন্ট।
- হলুদ কার্ড এর জন্য -১ আর লাল কার্ডের জন্য -৩ পয়েন্ট। তবে দুই হলুদ কার্ড = লাল কার্ডের জন্য -৩ পয়েন্টই হবে।
- মূল খেলায় দল কোন গোল না খেলে (ক্লিন শীট) গোলকীপার পাবেন ৪ পয়েন্ট, ডিফেন্ডার ৪ আর মিডফিল্ডার ১ পয়েন্ট। স্ট্রাইকারের কোন পয়েন্ট নাই।
- প্রতিটি গোল হজম করার জন্য গোলকীপার আর ডিফেন্ডার এর পাওনা -১ পয়েন্ট। অন্যদের নাই।
- প্রতি তিনটি সেভ এর জন্য গোলকীপার এর পাওনা ১ পয়েন্ট।
চ্যাম্পিয়নস লীগেরর গ্রুপ:
গ্রুপ এ: ইন্টার মিলান, ওয়ের্ডার ব্রেমেন, টটেনহ্যাম, এফসি টোয়েন্টে
গ্রুপ বি: লিওঁ, বেনফিকা, শালকে, হ্যাপোয়েল তেলআবিব
গ্রুপ সি: ম্যান ইউ, ভ্যালেন্সিয়া, রেন্জার্স, বুরসাসপোর
গ্রুপ ডি: বার্সেলোনা, প্যানাথিনাইকোন, কোপেনহেগেন, রুবিন কাজান
গ্রুপ ই: বেয়ার্ন, রোমা, বাজল, সিএফআর ক্লুজ
গ্রুপ এফ: চেলসি, মার্সেই, স্পার্টাক মস্কো, এমএসকে জিলিনা
গ্রুপ জি: এসি মিলান, রিয়াল মাদ্রিদ, আয়াক্স, অজেরে
গ্রুপ এইচ: আর্সেনাল, শাখতার দোনেৎস্ক, ব্রাগা, পার্টিজান বেলগ্রেড
এবার আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস-
১. প্রথমে ঠিক করুন আপনার দল কি ধরনের ফুটবল খেলবে? আক্রমণাত্মক না রক্ষণাত্মক? রক্ষণাত্মক খেললে যদি ক্লিন শীট রাখতে পারে তবে ডিফেন্ডার+গোলকীপার ৪ পয়েন্ট আর মিডফিল্ডার ১ পয়েন্ট করে বেশি পাবে। কিন্তু ফুটবল গোলের খেলা। যেকোন মূহুর্তে গোল হয়ে যেতে পারে। আর গোল হলে পয়েন্ট কিন্তু কম না! তাই আমি আক্রমণাত্মক দল নির্বাচন পছন্দ করবো।
২. যেহেতু আপনার বাজেট মাত্র ১০০ মিলিয়ন তাই খেলোয়াড় নির্বাচনে একটু সতর্ক হতে হবে। আপনাকে অন্তত ১২ জন খেলোয়াড় নির্বাচন করতে হবে যারা তাদের দলে নিয়মিত। এতে অন্তত প্রতি সপ্তাহে ২২ পয়েন্ট এর নিশ্চয়তা আপনি পাচ্ছেন। অনেকে টাকা বাচানোর জন্য সব কম দামী ডিফেন্ডার কেনেন। এতে দুটো সমস্যা হয়- প্রথমত নিয়মিত একাদশে না থাকায় বেশ কিছু পয়েন্ট প্রতি সপ্তাহেই হাতছাড়া হয়। আর দুর্বল দলের ডিফেন্ডাররা বেশি গোল হজম করে, এটাতো জানা কথা!
৩. খেলোয়াড় নির্বাচনের সময় ইনজুরি প্রবণ খেলোয়াড়দের এড়িয়ে চলুন। অনেক দামী খেলোয়াড় আছেন যারা ঘন ঘন ইনজুরিতে পড়েন। আর হ্যাঁ প্রতিবার খেলার আগে যেহেতু আপনি ট্রান্সফার করাতে পারবেন তাই চেষ্টা করবেন আপনার কোন খেলোয়াড় ইনজুরড হলো কি না তা খেয়াল রাখতে। এত করে আপনি সহজেই তাদের পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।
৪. দলে ২ জন গোলকীপার, ৫/৬ জন ডিফেন্ডার (২/৩ জন সবচেয়ে কমদামী), ৪/৫ জন মিডফিল্ডার আর ২/৩ জন স্ট্রাইকার নেয়া উচিত হবে।
তাহলে শুরু করি খেলোয়াড় বেছে নেয়া।
- প্রথমে গোলকীপার। গ্রুপ অনুসারে বার্সেলোনা, আর্সেনাল, চেলসি, বেনফিকা, বেয়ার্ন মিউনিখ এদের একাধিক ম্যাচ ক্লিন শীট হবার সম্ভাবনা আছে। তাই এদের থেকে গোলকীপার নেয়া ভালো হবে, বিশেষত ভালদেজ। ২য় কীপার হিসাবে ৩.৫ মিলিয়ন পাউন্ড দামের একজন নেয়া যেতে পারে। বেনফিকার হুলিও সিজার আমার প্রথম পছন্দ। এ বছর দুটো খেলায় প্রথম একাদশে ছিলো। এছাড়া বড় দলগুলোর ২য় কীপাররাও খারাপ হবেন না মনে হয়।

- ডিফেন্ডার হিসাবে গোল স্কোরিং বা অ্যাসিস্ট করতে পারে এমন অন্তত একজনকে নেয়া যেতে পারে। যেমন- ইন্টারের মাইকন, বার্সেলোনার দানি আলভেজ, চেলসির অ্যাশলি কোল বা মার্সেই এর হেইন্জ। মাঝারি দলগুলো যেমন বেনফিকা, মার্সেই, রোমা, লিওঁ এসব দল থেকে ডিফেন্ডার নিলে বেশি ভালো হবে মনে হয়। কারন এরা দুর্বল দলগুলোর সঙ্গে ক্লিন শীট পাবে আশা করা যায়। আর শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে মাঝে মধ্যেই ভালো লড়াই দেবে। একেবারে কম দামী (৩.৫ মিলিয়ন পাউন্ড) অন্তত তিনজন ডিফেন্ডার নেয়া উচিত টাকা বাঁচানোর জন্য যারা সবসময় বেঞ্চ গরম রাখবে।
- মিডফিল্ডার নেয়ার ক্ষেত্রে আমার প্রথম পরামর্শ কোন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নেয়া যাবে না। এরা একাদশে নিয়মিত হলেও গোল করতে পারে না উল্টা হলুদ/লাল কার্ড খাওয়ায় ওস্তাদ
:P। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসাবে দামী ১-২ জন (রোনালদো, ইনিয়েস্তা, স্নাইডার, ল্যাম্পার্ড) নেয়া উচিত। তবে একটু কম দামী কিছু মিডফিল্ডার আছেন যারা দলে নিয়মিত এবং গোল করা ও করানো দুটোতেই দক্ষ। আমার প্রাধান্য হচ্ছে- মালুদা, আরশাভিন, ওজিল, মুলার, ন্যানি, স্কোলস, শোয়েনস্টাইগার, ডি রসি, এসিয়েন, বার্সেলোনার পেড্রো,মড্রিক ইত্যাদি। আর কম দামী (৫-৬ মিলিয়ন পাউন্ড) কিন্তু দলে নিয়মিত এমন ১-২ জন মিডফিল্ডার বেছে নেয়া যেতে পারে মাঝারি মানের দলগুলো থেকে।
- স্ট্রাইকার হিসাবে একজন নেয়া উচিত সেরা মানের। গ্রুপ বিচারে আমি মেসির পক্ষে। এছাড়া দ্রগবা বা রুনির কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। দ্বিতীয় স্ট্রাইকার হিসাবে আর্সেনালের শামাখ, আয়াক্সের সুযারেজ, রিয়ালের বেনজেমা, বেয়ার্নের ওলিচ, রোমার ভুসিনিক, চেলসির আনেলকাকে বিবেচনায় রাখতে পারেন। কেউ যদি তিনজন নিতে চান তবে মার্সেই এর রেমি, রেন্জার্সের বেটি, বার্সেলোনার ক্রিকিচ, রোমার বোরিয়েল্লো, চেলসির কালু বা টটেনহ্যামের ক্রাউচের কথা ভাবতে পারেন।

- দল হিসাবে যাদেরই নির্বাচন করুন না কেন, ৮-১০ জনের একটি কোর গ্রুপ রাখবেন যাদের আপনি কখনোই পরিবর্তন করবেন না। বাকীদের আপনি প্রয়োজন অনুসারে ট্রান্সফার করবেন।
৫. আপনার দলের ফর্মেশন হিসাবে বেছে নিতে পারেন ৪-৩-৩, ৩-৪-৩, ৩-৫-২। এতে করে গোল করতে সক্ষম এমন খেলোয়াড়দের মাঠে উপস্থিতি আপনি বাড়াতে পারছেন। তবে প্রয়োজনমাফিক চির চেনা ৪-৪-২ এ ফেরত যেতে পারবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে ৩-৫-২ পছন্দ করেছি। ফর্মেশন বেছে নিতে পারেন My team>Line up এ গিয়ে।
৬. প্রতি পনের দিন অন্তর অন্তর চ্যাম্পিয়নস লীগের খেলা হবে। শেষ খেলা হবার পর আপনার দলের অর্জিত পয়েন্ট আর র্যাংকিং দেখতে পারবেন My team এ গেলে। দলের কে কিভাবে পয়েন্ট পেয়েছে তা দেখতে পারবেন My team>Squad stats থেকে।
৭. যদি খেলোয়াড় ট্রান্সফার করাতে চান তবে যেতে হবে My team>Transfer market এ। তবে দল গঠনের পর ভুলেও Clear Squad বা Random pick বাটনে ক্লিক করবেন না। তবে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।
৮. আপনি ইচ্ছা করলে নিজে একটি নতুন লীগ শুরু করতে পারেন অথবা কোন লীগে যোগ দিতে পারেন। এজন্য যেতে হবে My leagues এ। আমি সবাইকে Bangladesh UCL Fantasy League এ অংশ নিতে অনুরোধ করবো। (আমি আছি তো এ জন্য)।
৯. কেউ কেউ প্রিমিয়ার লীগ ফ্যান্টাসির মত নির্ধারিত ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেটের কিছু অংশ (৫-১০ মিলিয়ন) পরে ব্যবহারের জন্য রেখে দেবার পক্ষে থাকতে পারেন। তবে আমি এটি সমর্থন করি না কারন, চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসিতে গ্রুপ পর্বের পর বাজেট আবার নির্ধারিত হবে। আর কম বাজেটের দুর্বল দল তো বেশি পয়েন্ট আনতে পারবে না। যদি টাকা সেভ রাখতে হয় তবে পরামর্শ দেবো শুরুতে পূর্ণ বাজেট ব্যবহার করে শেষ খেলার আগে বেশ কিছু দামী খেলোয়াড় বিক্রি করে হাতে ক্যাশ টাকা রাখতে। এতে নতুন বাজেট যাই হোক না কেন আপনি তাল মেলাতে পারবেন। আর প্রিমিয়ার ফ্যান্টাসির মত খেলোয়াড়দের মূল্য এখানে পরিবর্তিত হবে না।
তো এই হল চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসির কেচ্ছা। আশা করি সচলায়তন থেকে আগ্রহী কয়েকজনকে পাবো। আসলে একা একা এত দীর্ঘ একটা লীগ কন্টিনিউ করা মুশকিল। আপনারা যোগ দিয়ে বাংলাদেশিদের দল ভারী করবেন এই আকাঙ্খা করে শেষ করছি।
আসিফ
ashif3228@yahoo.com (মডারেটরদের কাছে ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ না করার অনুরোধ রাখছি)
*ছবি ইএসপিএন সকারনেট থেকে গৃহীত





মন্তব্য করুন