জোৎস্না ধরার গল্প
মানুষ দিন বদলের সাথে বদলে যায়। কথাটা সত্যি জেনেও কেন যেন বিশ্বাস হতো না। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে আজ আমিও বদলে গেছি। সেই বদলে যাওয়া আমার কথাই বলব এখন...
আকাশের জোছনা শুধু দেখেই সন্তুষ্ট ছিলাম আমি। কখনো ধরার সখ হয়নি মাঝ আকাশের ঐ পূর্ণিমাটাকে। ভয় পেতাম শীতল স্নিগ্ধ জোছনার আলো আমার হাতের স্পর্শে যদি মলিন হয়ে যায়। হোক না সেটা সূর্যের ধার করার আলো, সূর্যের থেকে তো চাঁদের গায়েই ঐ আলো বেশি মানায়। হোক না সে আলোতে অনেকের ভাগ কিন্তু সে আলোতে যে আমিও উদ্ভাসিত হই। তার অল্প একটু আলোতে যদি আমি পুরোপুরি আলোকিত হই, হয়ে যাই অনেকের মাঝে একজন তাহলে ঐ আলো নিতে কি সমস্যা! তাইতো আজ আমারও হাত ঐ চাঁদের দিকে। আজ আমি জানি আমি বামুন নই, তাহলে আমি কেন হাত বাড়াবো না ঐ স্নিগ্ধ চাঁদের দিকে। এখন বুক উঁচিয়ে বলতে কোন দ্বিধা নেই ঐ চাঁদের আলোতে আমারো ভাগ আছে। মাঝরাতে ঐ চাঁদের দিকে তাকিয়ে থেকে তার অপার সৌন্দর্য্য ভোগ করতে কেউ আমায় বাঁধা দেবে না। যে চাঁদের আলোতে হাতে আবার কলম তুলে নিয়েছি সে চাঁদের আলোকে কেন আমি দূরে সরিয়ে রাখব। অসম্ভব... ঐ চাঁদের আলো থেকে দূরে থাকতে পারব না আমি, ঐ চাঁদের মাঝেই যে আমার বসবাস। চাঁদের মতই উদার হতে চাই আমি...জীবনকে আবারো সাজাতে চাই তার মত সুন্দর করে। চাঁদ চায় পৃথিবী জানুক আমার অস্তিত্ব, আমি জানাবো পৃথিবীকে আমি কারো পরছায়া নই , আমি আমার আমি। জানুক পৃথিবী ,আজো কেউ চায় তাকে সুন্দর করে সাজাতে, তাকে তার মত বাঁচতে দিতে। তুমি চিন্তা করো না পৃথিবী, আমি আর আমার জোছনা সাজাবো তোমাকে ঠিক তোমার মত করে , যেমনটা আমি সাজাচ্ছি আমাকে ঠিক আমার মত করে...





চাঁদের মতই জোছনা ছড়ান এই কামনা করছি
ভালো ভাবনা।
কঠিন ভালো।
আরো সহজবোধ্য লেখা চাই
অপূর্ব
মন্তব্য করুন