ভেতর-বাহির ( একাদশ পর্ব)
এ তো অনেকদিন পর। আজ রাতে প্রচন্ড ধোঁয়াতৃষ্ণা পেয়েছে। নিষ্কৃতির লক্ষ্যে একাকী প্রিয় রাত গুলোতে প্রাইমারি পর্যায়ে ধূমপান হতে ক্ষান্ত দিয়েছিলাম। তারপর ধীরে ধীরে দিনে। এখন পান করি খুব গুনে গুনে, কোন দিন একেবারেই না। না বোধক দিনই মাঝে মাঝে বেশী হয়ে যায়, আর আনন্দ চিত্তে অনুধাবন করি। কিন্তু আজ পাচ্ছে। ঘুম যতটা বেয়াড়া পনা দেখাচ্ছে ধোঁয়া পানের নেশা ততটাই তীব্রতর হচ্চে। ইচেছ হচ্ছে একসাথে ৩ টে বেনসন এন্ড হেজেজ যদি এই মূহূর্তে ধরানো যেতে, যাচ্ছে না বলে একদিকে যেমন বিজয় অন্যদিকে তেমন ইচেছর গুরু পরাজয়।
এই হলো আমার আমি...যা যে যেভাবে বোঝেন...আমিই জয়ী আমার আমিই পরাজিত ভীষণ ভাবে।
প্রচন্ড উচাটন , আমি তীব্র অবিমৃষ্যকারী।
আমি অবুঝ আমি বিতারিত গ্রহচারী ...
ও আমার বাল্যকালের তীব্র শখের একাংশ- মানে ঐ গ্রহচারী হবার, কিন্তু কপাল পোড়া .. সে তো নানা কারনে, সে সামাজিক হতে শুরু করে রাজনৈতিক এবং জ্ঞানের স্বল্পতা কিংবাবুদ্ধির বাজারে ফকির।
...
ভিন্ন জগত ঘুরে ঘুম কিংবা কষ্টের গুষ্টি মারা যায় কিনা দেখি......
বেশ সার্চ দিই ...সকালে , সেই সাত সকালে নাস্তার টেবিলে বসার আগে পেপারটা উল্টাতেই চোখে পড়েছিল যে হিংসুটে নিউজটা। দেশের সর্ব বৃহৎ কণ্ঠস্বর নাকি ঐ দুটো পত্রিকা এখন। একটা প্রথম আলো আরেকটা কালের কণ্ঠ।
উফ ! কি যে ছেলেমানুষি হিংসুটি পণা।
কোথায় হারামজাদা ভন্ড ফকীর আমজাদ এর দোষ কপচাবে তা না কালের কণ্ঠ হেডিং দিছে “ সাংবাদিকই ভন্ড পীরকে শিশুর গায়ে পা রাখতে প্রলুব্ধ করেন। ”
ঐ যে পাখীর পায়ে সূতা বেঁধে কালজয়ী পাখী ফটোগ্রাফি করার মত ব্যাপার।
কিন্তু তাতে কি ভন্ড পীরের ভন্ডামীর কেচ্চা ভন্ড প্রতীয়মান হয়ে যায়। ঠিক আছে পাবলিক কে জানানোর জন্য সাংবাদিক ইতিহাসকে অভিনয় দৃশ্য বানিয়ে ফুটিয়ে তুলেছে। একটা অণ্যায় দেখোতে সেটা আবারও করা।
ঐ যেমন একদিন শুনি , এক পোলা আরকটারে মসজিদে বইসা কইতাছে, “ঐ চোদানীর পোলা মসজিদে বসে গালি দেওয়ান চোদাও কেনো?”
কিন্তু ্ওমন হেডিং এ তো ভন্ড পীরের কৃতকর্ম হালকা হয়ে যায়, মহা কণ্ঠস্বর কালের কণ্ঠ। এত বড় জ্ঞানী জ্ঞুনি সাংবাদিকরা এইটা কেনো বোঝেনা।?
ওদিকে পেপার খুললেই মরছে, মরছে সন্ত্রাসী, মরছে পুলিশ, নির্যাতিত হচ্ছে নারী দেদারছে। আর পলিটিশিয়্যানরা বলেই চলেছে যার যার অবস্থানে সব আপ্ত বুলি। আমরা দিনে দিনে দিনতায় আর দৈনদশায় কুঁকড়ে মড়ি।
তার চেয়ে ভাল যদি ভলকানোর ছাই হয়ে আকাশে ঝুলে থাকতাম।
কি হতো তাতে। তাও মানুষ ভুলে যেত।
ভাল জিনিস কেউ মনে রাখে না< কেউ না।
সামান্য ভুল ত্র“টি কিংবা বিচ্যুতি মনে রেখে দেয় অনন্তকাল
এই যা দেখি আর যা দেখিনা সবই কি তবে অশ্রব্য বাল ...
ছি ছি মামুন, এসব কি এসব কি,
বলতেই পারেন কেউ কেউ, আমার এখণ ধোঁয়া লাগবে, মন মানছে না।
আমার এখন ঘুম লাগবে না, ঘুম আসছে না। ঘুম আসছে না , ঘুম।
ও হ! একটা ভবিষ্যত বাণী করি, আইপিলে আমি মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের একটু আধটু ভক্ত
কিন্তু মন বলছে এই দল চ্যাম্পিয়ান হবে না।
আমার তো মনই নাই , তার আবার বলা আর না বলা।
২১/৪/২০১০
রাত ৩:০৮





উমম
আমজাদ কাহিনী নিয়া পত্রিকার এই খাবলাখাবলিটা ভালো লাগতেছে না। ফটোগ্রাফার কবির আমার খুব পরিচিত, ছোটভাইয়ের মতো। ভালো ছেলে। বদ উদ্দেশ্য নাই। সারাদিন রাত লালনের গান নিয়ে পড়ে থাকে। নিজের টাকায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় লালন উৎসবটার আয়োজন করে।
ফটোগ্রাফারকে ছবি তুলতে গেলে কিছু ভণিতার আশ্রয় নিতে হয়। সেটা টেকনিক। তাই বলে আমজাদ এখানে মডেল না
আমি ব্যাপার টা বুঝি
কিন্তু কালের কণ্ঠের ছেলেমি পণা আচরণ টাই আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে
ও হ! একটা ভবিষ্যত বাণী করি, আইপিলে আমি মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের একটু আধটু ভক্ত
কিন্তু মন বলছে এই দল চ্যাম্পিয়ান হবে না।
আমার তো মনই নাই , তার আবার বলা আর না বলা।
আমার ভবিষ্যতবাণী না ঘটলেই খুশী হতাম।
পোষ্ট ভালো লেগেছে
মন্তব্য করুন