ইউজার লগইন

মামুন ম. আজিজ'এর ব্লগ

ব্লগীং মানেই 'মুক্ত কথা'..তবে যে এত বাক রুদ্ধের আভাস !

২০০৬ থেকে ব্লগীংয়ের শুরু করেছিলাম। বাংলাদেশে ব্লগীংয়ের জয়যাত্রাও ঐ সেই সময় থেকেই বা কিঞ্চিৎ পূর্বে ২০০৫ এর ডিসেম্বরই ধরি যদি। ..তারপর অনেক বছর পেরিয়েছে ..আজ বাংলাদেশে ব্লগীংয়ের জয়জয়কার। ...
ব্লগীং তাই মাথা ব্যাথার কারন হয়ে উঠেছে অনেকের , বিশেষ করে নতুনের প্রতি ভয় যাদের । কবিতার একটা লাইন মনে পড়ে যায় ...‌‌'..ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা/আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা'

বিখ্যাত এ কাব্য চরণ দুটি খুব মিলে যাচ্ছে।....ব্লগীং বিকল্প মিডিয়া হয়ে উঠেছে, এটা নবীন প্রবীন সকলের মূলত সেই অর্থে কাঁচাদের। এটা প্রথগত মিডিয়া নয়, এটা সীমায় রুদ্ধ নয় ,তাই তো এটা ব্লগীয়। না হলে তো নিউজ মিডিয়া হয়ে যেত।

একজন চির হাস্যেজ্বল মানুষ , গুরু আযম খান চলে গেলেন...

তখন উত্তর কমলাপুরে থাকতাম আমরা। জসিমউদ্দিন রোড ধরে হেঁটে হেঁটে যেতে হতো মতিঝিল বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনীতে। কলোনীতে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তাম। সে অনেক আগের কথা। ক্লাস ফোরের পর ছেড়েছি ঐ এলাকা , ও স্কুল। কিন্তু এখনও মনে পড়ে স্কুল যেতে আসতে প্রায়ই দেখতাম এক প্রিয মুখ। তিনি প্রিয় গুরু আযম খান। জসিমউদ্দিন রোডটার জসিমউদ্দিনের মেয়ের বাড়ীটার কোনাটা পেরোলেই চিটাগাং হোটলের আগেই ছিল গুরুর বাসা। হয়তো খুবই ছোট তখন আমি। কিন্তু গুরুর গানতো সেকালের একমাত্র টিভি চ্যানেল, বিটিভির বদৌলতে চেপে বসেছিল মাথায়। সেই সে গান...আলাল ও দুলাল ...সে কি ভোলা যায়।

এক্সট্রা ম্যারাইটাল এফেয়ার্স

m
হিন্দী সিনেমার কাহিনীকারদের জন্য এক্সট্রা ম্যরাইটাল অ্যাফেয়ার এখন সবচেয়ে সহজ লভ্য উপজীব্য বিষয়। গত কয়েক বছর ধরে নানা ছবিতে বেশ তড়িৎকর্মা হিরোদের অভিনয়ে সেই বিবাহ বহির্ভুত প্রেম , মিলন , সঙ্গম বারংবার উঠে এসেছে। এই মুহূর্তে কয়কেটি মুভি যেমন মাস্তি , নো এন্ট্রি, হাই বেবী এগুলোর কথা মনে আসছে। প্রায় ক্ষেত্রে দেখা যাবে কযেকজন হিরো থাকবে। তাদের সুন্দরী স্ত্রীও থাকবে অনেকক্ষেত্রে এবং সেই হিরোগুলোর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হচ্ছে সুন্দরী মিস কিংবা মিজ কিংবা বিধবা যাই হোক মোট কথা পরস্ত্রী পটিয়ে তাদের সাথে আনন্দ ফুর্তি এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন।

সাধারণ কমলা বনাম কিনু কমলা

পরপর দুইদুই বার ধরা খেয়ে তবে এখন অভিজ্ঞ হয়েছি কিনু (কিংবা কেনু) বিষয়ে। কি লজ্জা! শাশুড়ি দেখেই চিনে ফেললেন। বললেন , মামুন এটাতো কমলা না এটা কেনু?
এখন আমি দেখলেই চিনি। চেনা আসলেই খুব সহজ, কিন্তু জানতে তো হবে। কয়জনা আমরা জানি!
না , কেনু প্রজাতির ফলটি খেতে কোন দোষ নেই। পুষ্টি গুনও কম না। একটু টক টক এই যা। আমার মত যারা টক পছন্দ করেন তাদের কাছে বরং ভালোই লাগবে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আমাদের চিরপরিচিত কমলার স্বাদ ও গন্ধ কোনটাই কেনুর মধ্যে নেই।
ধরা খাবার পর থেকে ফলের দোকানে গিয়ে যে চকচকে সুন্দর বড় বড় আকারের গোটা গোটা কমলা দৃষ্টি আকর্ষন করে সেটাকে কেনু বলা হয়, এই জ্ঞান আহরণ করায় ফল বিক্রেতাকে বলি , এটাতো কেনু, কত করে?

ভেতর-বাহির ( সপ্তদশ পর্ব)

ভেতর-বাহির (১৬) /// যেন বোকা আমি এক চালাক স্বর্গে

অর্থনীতি ও সমাজ বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারীং এবং চাকুরী সুবাদে যতবারই পড়তে হয়েছে , আর কিছু মাথায় ঢুকুক আর না ঢুকুক একটা ডায়লগ খুব ভালো করে ঢুকেছিল। আমি প্রায়ই চাপাবাজীতে এই ডায়লগ ব্যবহার করি। ডায়লগটি হলো
“ আমাদের দেশের ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ জনগনের কাছে কুক্ষিগত আর ২০ ভাগ সম্পদ বাকী ৮০ ভাগ জনগণের কাছে”
এটা পুরনো থিউরী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই হিসাবের পরিবর্তন ঘটেছে , ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগের নিজের জনগণের কাছে কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে...একটা দেশ দরিদ্র হবার পেছনে এই টা অন্যতম কার্যকর একটা থিউরী।
এই থিউরীর কারনে পরিসংখ্যানের প্রোভারটি লেভেল থিউরী হাস্যকর হয়ে ওঠে। আর তাই অমর্ত্য সেন এর মত বিজ্ঞজনরা সেই সব ঘেঠে টেটে নতুন একটা কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েও জান। কিন্তু দরিদ্র অবস্থার কোন বাস্তবিক দৃষ্টিগত পরিবর্তন ঘটেই না এই পোড়া দেশে।

সাকিব বিক্রি হলো ৪২৫ হাজার ডলারে....

আইপিল অকশনে সাকিব সোল্ড হবার ভিডিও চিত্র

সকাল থেকে দেখছি আর মজা পাচ্ছি। মজা না পাবার কিছু নেই। সেরা সেরা কেউ বিক্রি হচ্ছে , কেউ আনসোল্ড থেকে যাচ্ছে। বেশ মজা!।
সর্বশেষ মজা এবঙ দুঃখ পেলাম ৪টার দিকে আমাদের স্বর্ণ টুকরো সাকিব ও যখন আইপিএল এর ৪র্থ আসরেরর জন্য নিলামে উঠে বিক্রি হতে পারল। বিক্রি হয়েছে মানে আসলে আইপিএল এ চান্স পেযেছে এ জন্য আনন্দ হলো , কিন্তু সাথে যখন দেখলাম মাত্র ৪২৫ হাজার ডলারে সাকিব কে নিয়ে নিল খুব সহজেই কলকাতা নাইট্রাইডার্স তখন একটু খারাপ লাগলো। সে কথা টিভিতে বিশেষজ্ঞরা আলোচনাও করল দেখলাম। ভূয়সী প্রশংসা শুনলাম সাকিবের। গর্বে বুক গেলো ভরে।

ভেতর-বাহির ( পঞ্চদশ পর্ব) /// ধূমপান বাতিল হলো মদের ভাগাড়ে...

অনেকদিন পরে ভেতর আর বাহির আবার কথা বলতে শুরু করেছে আমার। ভেতর আর বাহিরে ঘটনার ঘনঘটা প্রতুল।
উৎসাহ পেলে চলতে থাকবে ভেতর -বাহির রেল গাড়ী পুনরায়।

স্পেনে কঠোর ধূমপান আইন কার্যকর

সীমায় রুদ্ধ

সীমায় রুদ্ধ, সীমায় রুদ্ধ - ভুবন আকাশ তল
সীমায় রুদ্ধ মানুষগুলোর নয়ন জাত শীতল জল
সীমায় রুদ্ধ সময় জুড়ে অন্তরীক্ষের নিকোষ আঁধারটাও
সীমায় রুদ্ধ সময় ঘিরে ঘটনার সব বিশদ ঘনঘটাও।

সীমায় রুদ্ধ জীবন বলেই জীবন ভীষণ কষ্ট দেয়
সীমায় রুদ্ধ মন বলেই সে মন কষ্টও চুষে নেয়...
সীমায় রুদ্ধ কর্মকান্ড , সীমায় হায় হুতাশ
সীমায় রুদ্ধ স্বল্প এ ঘরে সীমায় রুদ্ধ বাতাস

সীমায় রুদ্ধ স্বপ্ন সকল , সীমার পর আর নেই
সীমায় রুদ্ধ সুখ খুঁজে তাই দু:খও হারা্য় খেই
সীমায় বদ্ধ মানব প্রাণী সুখ দু:খে মিলেমিশে
সীমায় রুদ্ধ জীবন কাটায় কেঁদে এবং হেসে.........

১/১০/২০১০

আর কতদিন আর কতকাল ...

আর কতদিন আর কতকাল ... ...
অবুঝ রইবো মোরা, বুঝবো না হাল!
যতকাল রইবে ঐ বুড়ির জল কালো
যতকাল মুখে রব- ঐ আগুন জ্বালো,
ততকাল কালো জলে মুখ কালো করে
অথবা দৌড়ে পলায়ন আগুনের ডরে-
অবুঝ রইবো মোরা, হব চীর ভীত
মাথা উঁচু খানিকটা তবুও মেরুদন্ড আনিত।
ও উঁচু মাথার বল কিইবা কর্মকাজ?
মেরুর ঐ দন্ড নিচু- সে যে বড় লাজ।
মাথা উঁচু ভাবি তবুও মন যে ভ্রান্তি ময়
পা চাটাচাটি কত, মাথা কি উঁচু রয়!
এমন অপমান আর বল কতদিন-কাল
আস্টে পিষ্টে বন্দী - এ কেমন হাল?
জাল যেন ছেঁয়ে আছে প্রতি পদে পদে
নিচের ছায়ায় নিজে ভীত কালো নদে।
তাবেদারী ভাব ধরি, বুঝিনা গো দূর...
চির সত্যি ভুলে বাজাই শুধু মিছে সুর,
সাময়িক বাতাসটা যদি গো গায়ে লাগে
সে বাতাসের পূজোটাই সব চেয়ে আগে,
ওদিকে যে বহুদূর পথ পড়ে আছে...
ভুল ভাবি - এখনও সময় রয়ে গেছে!

২৪/০৯/২০১০

শিক্ষার্থীরা আর মার খাবেনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের নির্দেশে এমনই বলা হয় যে দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোনরূপ শারীরিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।

ভেতর-বাহির (চতুর্দশ পর্ব)

ভেতর বাহির উভয়ের আলোড়ন চিরতরের। আবহানমান কালের সে আলোড়ন আমার। পঁচে ও না ভেতরবাহির এত এত পঁচার এই জাগতিক মহামূল্যবান টানেলে জীবনটাকে এগিয়ে নেয়ার পরও। তাই জমে যাওয়া ক্ষোভ আর স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা বারবার নিষপেশিত করে। দুলাইন লেখার এ ব্লগ যাত্রা তখন স্বার্থকতা দেয়।

জাতীয় সংগীত - ছি! ছি! ব্যবসা পণ্য।

দু:খ তোমার , দুঃখ আমার ( কারও ২-১ এ কারও ৪-০ তে, তবুও দুঃখ তো দুঃখই )

তাদের কাজ তারা করেছে
কাল করেছে নিন্দা
আর্জেন্টিনার সাপোর্টাররা
আজও কি হবে না ঠান্ডা ?

দুই ঢিলের পাটকেল ভাই
চার ঢিলেরও হয়....
দুই এক আর চার শূন্য
কখনো কি এক রয়?

হুদাই এত লাফালাফি
মিছিল মারামারি
বন্ধ এবার হলো বুঝি
এসব বাড়াবাড়ি

ব্রাজিল এর সাপোর্ট করি
কষ্ট পাইছি কাল
আর্জেন্টিনার সাপোর্টারদের
বুঝি আজ কি হাল।

আসুন মোরা চোখের কান্না
এবার সবাই মুছি

‍"সংগা"--একটি অনুবাদ

DEFINITIONS
by C Hottran
Sunday, August 27, 2006
Love
A pleasant illusion of unity
Joy
Dreams in war with reality.
Hope
A fading light inside of thee.
Faith
A thing that’s lost in misery.
Life
Existence on the road of insanity

সংগা
অনুবাদঃ মামুন ম. আজিজ

বাবা- কে নিয়ে লিখতে বসে মন ভরে কি কভূ .....তিনি যে জীবেন অসীম প্রভাবক...

বাবা'র কথা অনেক কিছু মন চায় বলতে। তারে আটকে রাখি। টুকটাক লেখার জগতে টুকটুক পদার্পন হেতু বাবারে নিয়ে অনেকবার ভেবেছি অনেক কিছু ই লিখব। আমার কাছে আমার বাবাকে নিয়ে লেখার মত অনেক অতীত উদ্ভাসিত রিয়েলিটি সদা ঘুরে ফিরে বেড়ায়।
কিন্তু বাবা মারা যাবার পর আমি বাবাকে নিয়ে সত্যি কথা কোন কিছু লিখতে বসেত পারিনা। খুব স্বার্থপরেরর মত বাবাকে নিরবে ভুলে থাকার অভিনয় করে করে আজও অভিনেতা হতেই পারলামনা।