ইউজার লগইন

ভেতর-বাহির (১৬) /// যেন বোকা আমি এক চালাক স্বর্গে

অর্থনীতি ও সমাজ বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারীং এবং চাকুরী সুবাদে যতবারই পড়তে হয়েছে , আর কিছু মাথায় ঢুকুক আর না ঢুকুক একটা ডায়লগ খুব ভালো করে ঢুকেছিল। আমি প্রায়ই চাপাবাজীতে এই ডায়লগ ব্যবহার করি। ডায়লগটি হলো
“ আমাদের দেশের ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ জনগনের কাছে কুক্ষিগত আর ২০ ভাগ সম্পদ বাকী ৮০ ভাগ জনগণের কাছে”
এটা পুরনো থিউরী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই হিসাবের পরিবর্তন ঘটেছে , ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগের নিজের জনগণের কাছে কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে...একটা দেশ দরিদ্র হবার পেছনে এই টা অন্যতম কার্যকর একটা থিউরী।
এই থিউরীর কারনে পরিসংখ্যানের প্রোভারটি লেভেল থিউরী হাস্যকর হয়ে ওঠে। আর তাই অমর্ত্য সেন এর মত বিজ্ঞজনরা সেই সব ঘেঠে টেটে নতুন একটা কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েও জান। কিন্তু দরিদ্র অবস্থার কোন বাস্তবিক দৃষ্টিগত পরিবর্তন ঘটেই না এই পোড়া দেশে।

ভুমিকার গতিপথরোধ করলাম। আমি অর্থনীতি মোটেও বুঝিনা বললেই চলে। তাত্ত্বিক লেখাপড়া ভুলেছি কবেই। আমার উদ্দেশ্য আজকের শেয়ার মার্কেট। আমি হাসব না কাঁদব বুঝতে পারিনি সারাদিন। আমার বিও ও খোঁজ আমি গত এক মাস ধরে নিইনা। অর্থ হারানোর জন্য হাসি আর কান্না না। আমার কান্না হাসি মিশ্র অনুভূতি আমাদের অসহায়তার জন্য।
এখানে আমি আমরা মানে ক্ষুদ্র এবং অতি ক্ষুদ্র বিনিয়োগ কারীরা।

ঐ সেই ৮০ /২০ থিউরীর মতই শেয়ার মার্কেটের অবস্থা হয়েছে। ৮০ ভাগ না হলেও ৬০/৭০ ভাগ টাকা দেখা যাবে ১০/১৫ ভাগ বিনিয়োগ কারিরই হাতে। দেশের আপামর জনগণের বড় অংশ দরিদ্র হলে শেয়ার মার্কেটেও কমপারেটিভলি আপামর বিনিয়োগকারীর বড়অংশ ক্ষুদ্র হবে সেটাই স্বাভাবিক।
এখন ঐ ৬০/৭০ ভাগ টাকা যাদের তারা যখন কোন এক দিন কোন এক গুজবে বা আত্মগুজবে শেয়ার বেঁচে দিতে শুরু করে এই ভেবে যে মার্কেট ফল করবে। তাহলে আসলে কি হলো তাদের বড় অংশ শেয়ার বেঁচে দিলেই তো মার্কেট ফল করবেই। করেছে।

ব্যাংকগুলোকে ব্রোকারেজ হাউস অবাধে খুলতেদেয়ায় বেশী লাভের আশায় ব্যাংকের অন্য খাতে টাকা নাকি শুনেছি সব শেয়ারে ইনভেস্ট করেছে। ফলত দ্রুত শেয়ারের ইনডেক্স হাই হয়েছে। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু নির্দেশনায় টাকার প্রয়োজনে সেই সব শেয়ার বেঁচে টাকা উঠিয়ে নিয়েছে ব্যাংকগুলো। কেনো ব্যাংকগুলোর কি আর কাজ নেই, তাদের কেন শেয়ার মার্কেটে ব্যবসায় আসার অবাধ সুযোগ দিতে হলো?

ওদিকে ইউনিপেটু ইউ, ডেসটিনি এসব দ্রুত টাকা বৃদ্ধিকরন কোম্পানীর নিয়ন্ত্রনহীন প্রলোভনে অনেকে টাকা শেয়ার মার্কেচ হতে ওদিকে চলে গেছে দ্রুত।

এত কিছু একের পর এক হচ্ছে, কারো ও সে সব নিয়ে কোন মাথা নেই। কেবল ধৈর্য ধরুন, এই নীতি চেনচ, ওই নীতি প্রর্বতন, স্পট মার্কেটে নেয়া, লক করা, খালি আই ওয়াশ ...

এত কিছু হচ্ছে, আর মাথায় বাজ পড়া লসে ডুবে যাওয়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরও কি প্রতিবাদ করতে পারে না?

একটা দেশের শেয়ার মার্কেটে একদিনে সব শেয়ারের দাম কমে যায়, কি আজব অর্থনীতি, এটা নিয়ে তো রীতিমত গবেষনা হওয়ার উচিৎ. দুএকজন নোবেল ও পেয়ে যেতে পারেন নতুন কোন কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করে।
dse 1012011
শেষ ত্রিশ দিনে আমদের ডিএসইর জেনারেল ইনডেক্সের গ্রাফটা এখানে এটাচ্ করে রাখলাম। এটা ইতিহাস। কি ঢাল রে বাবা গ্রাফটার। পিছলে না পড়ে উপায় আছে অন্তত তাদের যাদের টাকার লাঠির জোড় কম এবং এই দলের লোকই তো বেশী।

আসলে ইত্যাদির হানিফ সংকেত বলে না, কি বিচিত্র, সেলুকাস!
সত্যিই এ দেশে কালে কালে কত কি যে দেখলাম আর দেখছি...আরও দেখবো।
আর হাসবো কিংবা কাঁদবো...অথবা দুটোই একসাথে ..মিশ্র। যেন বোকা আমি এক চালাক স্বর্গে।

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নাজমুল হুদা's picture


অল্প পরিশ্রমে বেশী লাভ যেমন, তেমনই দেখি বিনা পরিশ্রমে পকেট গড়ের মাঠ ।

মামুন ম. আজিজ's picture


কিন্তু সেটা ন্যাচারালী হলে ঠিক ছিল। মানা যেত। কিন্তু গুষ্টিকতক মানুষের সৃষ্ট হলেই তো আর মানা যায় না।

উলটচন্ডাল's picture


আজিজ ভাই,

আপনাকে ধন্যবাদ এমন একটি পোস্ট দেওয়ার জন্য যা ভাবনার খোরাক জোগায়।

আমার বক্তব্য নিম্নরূপ:

“ আমাদের দেশের ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ জনগনের কাছে কুক্ষিগত আর ২০ ভাগ সম্পদ বাকী ৮০ ভাগ জনগণের কাছে”
এটা পুরনো থিউরী,

এটা কি আদতে কোন থিওরি? না। এটা স্রেফ figure of speech. আপনিও হয়ত তাই বলতে চেয়েছেন। কিন্তু এই ধরনের হাইপোথিসিস ধরে উপম দিলে তো মুশকিল! যদিও মূল বক্তব্য ঠিক আছে - তা হল সম্পদের বন্টনে অসম বাংলাদেশে বিদ্যমান।

কিন্তু প্রশ্ন হল -

সম্পদের অসম বন্টন হলেই কি কোন দেশ গরীব হয়ে যায়?
উত্তর: না, হয় না। economic growth আর equity এক কথা নয়।অসম বন্টন মানেই দারিদ্রতা নয়। দুটোর মাঝে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে। কিন্তু তা এধরনের উপসংহারের জন্য প্রযোজ্য নয়। variable ও আলাদা।

রেফারেন্স: গিনি/জিনি ইন্ডেক্স

এই থিউরীর কারনে পরিসংখ্যানের প্রোভারটি লেভেল থিউরী হাস্যকর হয়ে ওঠে। আর তাই অমর্ত্য সেন এর মত বিজ্ঞজনরা সেই সব ঘেঠে টেটে নতুন একটা কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েও জান। কিন্তু দরিদ্র অবস্থার কোন বাস্তবিক দৃষ্টিগত পরিবর্তন ঘটেই না এই পোড়া দেশে।

এই জায়গায় বক্তব্য পরিষ্কার নয়। অমর্ত্য সেনের নোবেল পাওয়া কোন কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার এর জন্য না। বরং কল্যাণ অর্থনীতি (Welfare economics) এবং নির্বাচন তত্ত্ব (Social Choice Theory) তে সামগ্রিক অবদানের জন্য। অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কোন বিশেষ কফিসিয়েন্ট আবিষ্কারের জন্য দেওয়া হয় না, দেওয়া হয় কোন শাখায় সামগ্রিক অব্দান বিবেচনা করে।

কিন্তু দরিদ্র অবস্থার কোন বাস্তবিক দৃষ্টিগত পরিবর্তন ঘটেই না এই পোড়া দেশে।

১। আপনি কেন ধরে নিচ্ছেন অমর্ত্য সেনের নোবেল পাওয়া পোড় দেশের দারিদ্র দূর করার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা পালন করবে? তাঁর অনেক কাজই তো পজিটিভ

২। পোড়া দেশে দৃষ্টিগত পরিবর্তন না ঘটলেও পরিসংখ্যন অনুযায়ী বাংলদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ধনাত্মক এবং ছয়ের কাছাকাছি। এক দশকে রপ্তানি বেড়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে।

মাথপিছু GDP (বর্তমান মূল্যে)

2004-05 - 3,707,070 million taka
2005-06 - 4,157,279 million taka
2006-07 - 4,724,769 million taka
2007-08 - 5,458,224 million taka
2008-09 - 6,149,432 million taka

সূত্র: Statistical Yearbook, Bangladesh Bureau of Statistics

এখন বৈষম্যের কথা যদি বলেন তাহলে আমি বলব-

Gini coefficient এর মান দেখেন -

১৯৯৫ এ মান ছিল ৩৩ .
২০০৫ এ মান ছিল ৩৩ .

সূত্র: https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/fields/2172.html

কোএফিসিয়েন্ট এর মান কমেছে অর্থাৎ বৈষম্য কমেছে। যতটা আশা করি আমরা ততটা কমেনি, কিন্তু মোটের উপর কমেছে তো।

তারপরও আমি মোটা দাগে আপনার সাথে একমত। বৈষম্য আছে এবং top 5% এর আয় ও সম্পদের উপর দখল বাড়ছে।

কিন্তু bottom 20% এর অবস্থাও আগের থেকে ভাল (দশক বিচারে)।

income share of lowest 20%

1995 - 9.26%
2005 - 9.36%

ভাই এত নিরাশ হয়েন না। দারিদ্র/বৈষম্য একদিনে দূর হওয়ার বিষয় না। Smile

------------------------------------------------------------------------------

শেয়ার মার্কেট নিয়ে আপনার বক্তব্যের সাথে আমি মোটামুটি একমত। বাংলাদেশে রেগুলেশন কম।এর ফায়দা তোলে অনেকেই। ডেস্টিনির মত কম্পানিরে তো জুতা মারা উচিত।

তবে বিনিয়োগকারীরাও হুজুগে নাচে। যেটা আপনার রুটি-রুজি তা নিয়ে পড়াশোনা না করে ঝাঁপ দেওয়াটা বেকুবির লক্ষণ।

বাঁচতে হলে জানতে হবে - এর বিকল্প নাই।

মামুন ম. আজিজ's picture


আপনি অনেক তথ্য সমৃদ্ধ আর জ্ঞান গর্ভ আলোচনা করেছেন, সে জন্য ধন্যবাদ।
আসলে আমি অর্মত্য সেনকে আঘাত দেয়ার জন্য কোন কথা বলিনি। তার নোবেল আর যোগ্যতা নিয়ে আমারকোন সংশয় ছিল না , নেই। আমার প্রকাশ ভঙ্গি হয়তো ভুল হয়ে গেছে।

তবে আপনার যে জিডিপি বৃদ্ধির ক্রমধারা দেখিয়েছেন সেটা কিন্তু এভারেজ মান।
এভারেজ মান ঐ ২০% ( বা কম বেশী) এর জন্যও হতে পারে।

প্রোভার্টি লাইন এর যে তত্ত্ব আছে পরিসংখ্যানে। সেখানে একদল একেবাের লাইনের কাছে আর কেউ অনেক উপরে, তাইএভারেজ মান পরিসংখ্যানে ধরা হলেও প্রকৃত ধনী আর গরীবের তফাৎ স্পষ্ট হয় না। সম্ভবত সে কারনেই গিনি কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করেন অর্মত্য। এর মাধ্যমে ঐ তফাতের পরিমাণ একটা গ্রহণ যোগ্য মান এ আসে।

আসলে উন্নত বিশ্বে যেখানে অধিকাংশ মানুষের ইনকাম লেভেল একটা সার্টেন গ্রহণযোগ্য লেভেল থাকার পর কেউ অনেক বেশী ধনী হয়। তাতে সর্ব সাধারণের খুব একটাহেরফের হয় না।

আসলে সম্পদ সম বন্ট এর কথা আমি বলতে চাচ্ছি।

অর্মত্য সেনর বিষয়ের জন্য আমি দুঃখিত।তার নোবেল , তার গবেষণা, কর্মকান্ড সবই ঠিক। দোষ আমাদের আমরা সম্পদের সুষ্ঠ বন্টন করতে জানিনা , আমাদের সমস্যা এখানেই।

কেউ ইনকাম করে ২ হাজার টাকা মাসে আর কেউ ২ কোটি । এবং ১০০০০এর নিচেমাসিক ইনকাম করা লোকের সংখ্যা এ দেশে বেশী মনে হয়।

তাই কেউ ২কোটি বা লাখের ঘরে ইনকাম আর কেই ১০০০০ এর নিচে ...এই অসম বন্টন দারিদ্য তো বাড়িয়েই তুলছে।

২ কোটি, লাখ আর হাজার এর গড় যতই ইনকাম এর গড় বা জিডিপি বাড়াক না কেনো, অসমতা তো কমছেই না।

আগের চেয়ে অবশ্যই ভালো। মানুষ এখন না খেয়ে থাকে বলে শোনা যায়না।
কিন্তু একদল গরীব হচ্ছেই আর একদল অর্থশালী। এই অসাম্যতা দূর করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
তাই বলে কমিউনিজম এর মত সবার সমান অর্থ থাকার কথা বলছি না। কিন্তু সবার ইনকাম জীবন ধারনের সব কিছূ পাবার মত একটা স্তরে থাকা বাঞ্চনীয় ।
তাহলেই আশা বাড়বে। আশাহত হবার তখন আর কারন থাকবে না।

কিন্তুআর কতকাল পরে সেটা হবে?

উলটচন্ডাল's picture


আসলে আমি অর্মত্য সেনকে আঘাত দেয়ার জন্য কোন কথা বলিনি। তার নোবেল আর যোগ্যতা নিয়ে আমারকোন সংশয় ছিল না , নেই। আমার প্রকাশ ভঙ্গি হয়তো ভুল হয়ে গেছে।

জানি রে ভাই, আমি শুধু আপনার ভুল্টা শুধ্রে দিলাম। মনে কিছু নিয়েন না।

সম্ভবত সে কারনেই গিনি কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করেন অর্মত্য।

অর্মত্য গিনি কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করেন নাই রে ভাই। করেছেন করাডো গিনি।

http://en.wikipedia.org/wiki/Corrado_Gini

যাই হোক, আপনার পোস্টের মূল কথার সাথে আমি একমত।

অর্থনৈতিক বৈষম্য আছে। তা মোটা দাগে বাড়ছেও। এটা সামজিক সমস্যা বাড়ায়। কিন্তু এজন্য আমি বন্টনে রাতারাতি সাম্য আনার পলিসিং নেওয়ার কথা বলব না। বরং বলব সামাজিক সুবিধা বাড়াতে। নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুবিধা, অবকাঠামোর উপর জোর দিতে।

আপাতত এটাই আমার মত।

মামুন ম. আজিজ's picture


সম্পদের অসম বন্ট হলে সরাসরি কোনদেশ গরীব হয়ে যায় না , তবে নানান সমস্যার সূত্রপাত হয়, অরাজকতা , অন্যায়, অবিচার, দূর্নীতি বাড়ে...তাতে গরীব হওয়ার পথ সুগম হয়ে যায়, সে গরীব আর্থিক মানসিক এবং সামাজিক পরিস্থিতির।

জমিদার's picture


বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট কেন বাড়ে , কেন কমে , কে বাড়ায়, কে কমায় , ৫০০ পয়েন্ট পরে আবার সাথে সাথে উঠে যায় , আসলেই এই বিষয় নিয়ে গবেষনা করে বাংলাদেশের কয়েক জন নোবেল পুরুস্কার পেত ।
সাথে ইদানিং শুরু হইছে বুকবিডিং এর কোম্পানী গুলোর শেয়ার মার্কেটে আসার নতুন প্রবনতা ,
১০ টাকা শেয়ার ১০০-২০০ টাকা বেশি করে দাম নিয়ে জনগণের টাকা নিজেদের পকেট ভারী করছে
যেমন লংকা বাংলা সিকিউরিটিজ এর ১০ টাকার শেয়ার নাকি ২৫০ টাকা মানে ২৪০ টাকা প্রিমিয়াম হিসাবে ৭৫০ কোটি টাকা নিবে অথচ ৭৫০ কোটি টাকা দিয়ে এই রকম লংকা বাংলা ২৫-৩০ টা কেনা যাবে ,
কিছু বলার নাই সবাই টাকা খেয়ে ম্যানেজ হয়ে যাচ্ছে
কয়েক দিন আগে পত্রিকাতে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম
সুন্দরীদের পিছনে শেয়ার বাজার

তানবীরা's picture


শেয়ার এখন এক্সচেঞ্জ না করে, যখন আবার দাম বাড়বে তখন এক্সচেঞ্জ করলে কেমন হয়?

মামুন ম. আজিজ's picture


সেটাই করা বাঞ্চনীয়। আমি তাই করব।

১০

তানবীরা's picture


বরং এখন সস্তায় বেশি করে শেয়ার কিনে রাখলে ভালো

১১

লীনা দিলরুবা's picture


ওভার স্পেকুলেশন আর ওভার প্রাইসিং এই দুটো জিনিস ২০১০ এ আমাদের এখানে এত বাজে ভাবে কাজ করেছে যে এটির উর্ধ্বগতির যৌক্তিকতা বিচারে বিনিয়োগকারীরা ব্যর্থ হয়েছিল। এসইসির রুলস এন্ড রেগুলেশনের কোন লাগাম ছিল না, তারা তাদের নিয়ন্ত্রণ আরোপের কাজগুলো দ্রুত পরিবর্তন করেছে। কোন কোন কোম্পানীর শেয়ারের রাইট আর বোনাস ঘোষণা হয়েছে বেস লেস ভাবে-কেন এত এত প্রিমিয়ামের রাইট ডিক্লেয়ার করা হলো তার কোন ট্রান্সপারেন্সি ছিল না। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও লন্চিং এর কাজটাও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। জানুয়ারী মাসে তিনটা আইপিও ছিল (একটা আজ পেছালো)। মবিল আর এমআই সিমেন্ট এর টাকা যোগাতে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা এই সেকেন্ডারী মার্কেট থেকেইতো গেল। আচ্ছা, প্রিমিয়াম কেন এদের এত বেশি নিল? এইইসি এগুলো দেখেছে?

আমার মতে এই পতনের জন্য লিকুইডিটি ক্রাইসিসটাই ছিল প্রধাণ কারণ । ডিসেম্বর মাসে সিএসআর বাড়ানো হলো আবার ব্যাংক প্রফিট রিয়েলাইজেশনের জন্য তাদের শেয়ার পোর্টফোলিও খালি করলো এদিকে পেইড আপ ক্যাপিটেলের ব্যাংক এর জন্য ১০% আর নন-ব্যাংক এর জন্য ২৫% এর নামিয়ে আনার সময় দেয়া হলো ৩০ জানুয়ারী (শুনলাম আজকে এটা শিথিল করা হয়েছে), তাই সেল প্রেসার ছিল মারাত্মক। দেশে ব্যাংক আর নন-ব্যাংক মিলিয়ে ইন্সটিটিউশন ই ৫৪+২৮ (আরো বেশিও হতে পারে) এরা সবাই ৩০ ডিসেম্বর এর মধ্যে মার্কেট আউট হলো, ইন্সটিটিউশন যখন বেরিয়ে যায় তখন দাম পতন তো ঘটবেই।

ঢাকা শহরে দ্যাখেন না ওয়াসা রাস্তা কাটে, ডেসা কাটে, সিটি কর্পোরেশন কাটে, কোন সমন্বয় নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক আর এসইসির নিয়ন্ত্রণ আরোপের মধ্যে যদি সমন্বয় থাকতো তবে এমন ধ্বস আমাদের দেখতে হতো না।

১২

উলটচন্ডাল's picture


মন্তব্যে সাধু সাধু (হাততালি)

১৩

লীনা দিলরুবা's picture


*সিআরআর হবে।

১৪

লীনা দিলরুবা's picture


আমার বান্ধবীকে মেইল করে তার অনুভূতি জানাতে বললাম, সে জানালো--মেইলটাই তুলে দিলাম।

**Reasons behind the current market crash in Bangladesh stock market.

1. Scarcity of Shares: Considering the market growth the variation in share and the type of share were not at all sufficient for the market. So buyer choices were limited and they bought repetitive share day after day even though all those shares were over evaluated since back. So it was assumed a certain crash at any period of the year.

2. Lack of information: Because of unawareness, limited choice, market rumor etc people jumped on all non fundamental and fundamental share simultaneously at an abnormal price which was not justified considering the company’s actual strength like EPS, yearly growth, P Ratio, Authorized and paid up capital etc. So today or tomorrow a certain crash could happen and the New Year started with that crash.

3. Expectation of early return: Being inspired by watching an unrealistic price hike of all shares in the last couple of years an ample No of premature buyer entered in the market in last six months who acted like traders rather than investors. They feel comfortable to do trade by T+3 rather than mid time or long time investment. At a state it does not work.

4. Extreme Syndication: Across the world capital market is highly sensitive in any country. It could react for any small rumor. As Bangladesh Capital market is yet not fully matured and not big in size percentage of syndication is also high. So majority of the small investors and to some extend some corporate and big investors are also running behind some rumor, which are dominated by a certain syndicate and most rawly they are known to us as gambler. It is obvious

5. Liquidity crisis: As December is the end of year all big investors, corporate, merchant Bank were closing their year. So brokerage houses and merchant banks stopped to distribute any new loan rather widrawn all old loan and .

6. Lake of coordination: Internal correlation among all decision makers like Security exchange commission, Central bank, Merchant Bank etc were not react on time when the market was increasing at an abnormal rate. Specially SEC was changing their decision daily basis which made investors ambiguous in decision making.

7. Rapid and continuous decision change

8. Lack of patience

9. Lack of experience

10. Lack of Training

১৫

শওকত মাসুম's picture


এই বিপর্যয় মানবসৃষ্ট। এটা হতোই। তবে ধারণার আগে ঘটলো

১৬

টুটুল's picture


যাক বের হওয়ার একটা সুযোগ তৈরী হইতাছে Smile

১৭

মুকুল's picture


শেয়ার বাজার বুঝি না। হুজুগে জাতি হিসেবে আমাদের অবস্থান আরো পাকাপোক্ত হচ্ছে দিন দিন। কোন সূত্রই এখানে খাটে না মনে হয়! a

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.