ভেতর-বাহির (চতুর্দশ পর্ব)
ভেতর বাহির উভয়ের আলোড়ন চিরতরের। আবহানমান কালের সে আলোড়ন আমার। পঁচে ও না ভেতরবাহির এত এত পঁচার এই জাগতিক মহামূল্যবান টানেলে জীবনটাকে এগিয়ে নেয়ার পরও। তাই জমে যাওয়া ক্ষোভ আর স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা বারবার নিষপেশিত করে। দুলাইন লেখার এ ব্লগ যাত্রা তখন স্বার্থকতা দেয়।
জাতীয় সংগীত - ছি! ছি! ব্যবসা পণ্য।
রিংটোন হিসাবে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার অবৈধ ঘোষণা
রিংটোনে জাতীয় সংগীতের ব্যবহার অবৈধ ঘোষণা
আসলেই তো এমন ভাবনা হয় ই নি। ইস। হবে কেমোনে আইন এত ই জটিলতার এক মারপ্যাচে আবদ্ধ থাকে এ দেশে যে আইন বিষয় থেকে দূরত্বের অবস্থান করে আমাদের অনেক কিছুই বোধদোয় না হওয়াটাই অস্বাভাবিক এক স্বাভাবিক। যাক ঐ কোন এক অ্যাডভোকেটের সে বোধদয় হয়েছে। সে জয় লাভ করেছে।
আর মোবাইল কোম্পানী গুলোর উপর সে কোপ গিয়ে পড়ল। জাতীয় সংগীত নিয়ে রিং টোন, ওয়েরকাম টিউন বানিয়ে ব্যবসা! এবার হযেছে বেশ শাস্তি।
আমাদের আইন বুঝিনা। যে যা দেখায় সে তাই দেখে। তবে ভালো তিন মোবাইল কোম্পানী কে করা জরিমানার টাকাটা কিডনি রিসার্চ আর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনকে দেয়া হবে। এটা খুবই ভালো। ঐ ভিনদেশী অর্থলগ্নী মাল্টি ন্যাশনাল কোমপপাীগুলোর বাতাস এর তরঙ্গ বেঁচে লুণ্ঠন করা কিছু টাকা দেশের মানুষের সেবায় যাক।
কিন্তু কথা আছে আরও, যে কোন সিডির দোকানে জাতীয় সংগীত নিয়ে ব্যবসা হচ্ছে । বিক্রি হচ্ছে। জাীয় পতাকাও টাকায় বিক্রি হয়। আইন কি এগুলোর উপর বরতাবে না।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে। জাতীয় সংগীতের রিং টোন বাজলে তো ভালই হবার কথা। মানুষের মাঝে দেশপ্রেম এর বারতা ক্ষণে ক্ষণে পৌঁছাবে। দূর ! খারাপটা কি ছিল।
ঐ যে ব্যবসা বলে খারাপ। জাতীয় সংগীত নিয়ে ব্যবসা।
কাল থেকে কোন সিডি ভিসিডির দোকানে জাতীয় সংগীত বেচা কেনা হলে খবর আছে তার। আছেন কেউ , কেউ কি আছেন , আরছন আর কোন কালীপদ অ্যাডভোকেট , কেস করবেন আবার।
কোর্টের নিকটে শুনি হাজার হাজার গুরুত্বপূর্ণ কেস ফাইল বন্দী মিমাংসার অপেক্ষায় পড়ে আছে এ দেশে। তারপরও এত সময় এই সব কেসের জন্য সময় ক্ষেপন।
এই তো সেদিন কোন বিধর্মী মুসলীম ধর্মের এক বিশ্বাস ( কুরবানী ও ইব্রাহীম আঃ সংক্রান্ত) পরিবর্তন করার জন্য কেস করেছে। । কি আজিব !
আমারা ধীরে ধীরে ডিজিটাল আজিবে পরিণত হতে যা”িচ্ছ কি?
৬/০৮/২০১০





খুবই অযত্নপ্রসূত একটি লেখা
মন্তব্য করুন