একটা গল্প.....(ভালবাসা দিবসে পোষ্টনোই যুক্তিযুক্ত)।
কথাসঙ্গীর বিহনে
মামুন ম. আজিজ
এমন যে হবে কখনও কি ভাবতে পেরেছে তরুন।
বালিশের পাশ থেকে মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখল রাত তিনটে। দুই ঘন্টা ধরে তীব্র যন্ত্রনা সহ্য করে শুয়ে আছে। এটা দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে একবার চেষ্টা করে বিফল হয়েছে ঘুমানোর।
সেই একই সমস্যা পুনঃ পুনঃ, ঠিক চোখ দুটো যখন ঘুমের নরম কোলে মুখ লুকাতে শুরু করে তখনই ভেসে ওঠে । একটা ঘর, মাঝারি আকারের। সাধারণত বেড রুম যেমন হয়, তেমন করেই সাজানো। খাটটা অবশ্য বেশ সুন্দর করে ফুলে ফুলে সজ্জিত। সেখানে শুয়ে আছে যে মেয়েটা তার চেহারা দেখার দরকার হয় না, মাথাটা ওপাশে আড়ালে তবুও চিনে ফেলে তরুনের প্রাণ, ওই তো মৃত্তিকা। দৃষ্টি নন্দন সাজ। কিন্তু তারপরই যত বিপত্তি। একটা মোচ ওয়ালা দীর্ঘদেহী লোক ফুলের বিছনাটায় ফুলগুলো মাড়িয়ে শুয়ে পড়ে, তার একটা হাত ধীরে ধীরে উঠতে থাকে লতার মত মৃত্তিকার চারু দেহ বেয়ে। সহ্য করতে পারে না। ঘূম টা ভেঙে যায়। একই কান্ড ঘুরে ফিরে বারবার। হয়তো ভঙ্গি আর দৃশ্যপটের স্ক্রিপ্ট একটু রদবদল হয়। থিম এবং চরিত্র প্রতিবারই একই রকম।
আর পারল না। লাভ নেই। কষ্টটা চাদর হয়ে মনটাকে মুড়ে দিচ্ছে। অসহ্য যন্ত্রনা বুকের ভেতর কোথাও অজানা প্রকোষ্ঠে উড়ে বেরাচ্ছে। হয়তো ওটাই মন কিংবা আত্মার পাওয়ার হাউস।
উঠে এক গ্লাস পানি পান তারপর বারান্দায় গিয়ে আঁধারটাকে আপন করে নিয়ে বসে পড়ল তরুন। গাঢ় আঁধার গ্রীলের ওপাশে। চাঁদ তো নেই , নেই কোন তারাও। এ যেন স্বয়ংসম্পূর্ণ নিঃসঙ্গতা। এই তো মাত্র দুটো রাত আগেও ঐ তো দুই হাত দুরের বারান্দাটায় দাঁড়িয়ে ছিল মেয়েটা। নিত্য রাতের অভ্যেস হয়ে উঠেছিল দু’জনার । কথা না বলে ঘুমাতে যাবে ভাবাই যেত না। সারাদিনের টুকটাক কত কথা । কোথায় কোন রাস্তার মোড়ে কোন মেয়েটা দেখে তরুন মুগ্ধ হয়ে পিছু নিয়েছিল কিংবা কোন ছেলেটা মৃত্তিকার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ল্যাম্প পোষ্টে ঠকাস করে ধাক্কা খেলো এমন টুকরো টুকরো তুচ্ছ কথাও সব বলা হয়ে যেত। কথা শেষে মিষ্টি হাসির রেশ, তারপর একটা বেনসন আগুনে পুড়িয়ে ধোয়ার গলধকরণ, তারপর শান্তির ঘুম। সিগারেটটা কখনও ওর সামনে ধরাতো না, ওর নিষেধ ছিল। তবে এমনও হয়েছে মৃত্তিকা চলে গেছে ঘরের ভেতরে , তরুন তখন শেষ সিগারেটটা ধরিয়েছে আর তখনই দুষ্টুমি মাথায় নিয়ে আবার হাজির মৃত্তিকা। সিগারেটটা ফেলে দিতেই হয়েছে। ওটার মধ্যেও এক ধরনের মজা ছিল।
ওমন ঘটনায় মাথার মধ্যে মেয়েটাকে বউ ভাবার মত ভাবনা যে আসেনি নিজের অন্তরের কাছে সে কথার অস্বীকার কেনো করবে তরুন। বলেও উঠেছে, মৃত্তিকা , তুই যদি আমার বউ হতি তবে আমার সিগারেট খাওয়া পুরো বন্ধ হযে যেত নারে। মৃত্তিকা বলতো , বেঁচে গেলে ভাইয়া।
এত সখ্যতা। এত চেনা। বিশেষ করে রাতের প্রহর যত বাড়ে মানুষকে চেনার শতকরা হার নাকি বেড়ে যায়। তাহলে বিয়ের ঠিক চারদিন আগে যখনও বিয়ের কথা ৯০ ভাগ ঠিক হয়ে ঝুলে আছে, মেয়ের সম্মতির সামান্য ফরমালিটিস বাকী, ছেলে পক্ষ মেয়ের রূপ গুনে মুগ্ধ হয়ে আর হাতছাড়া করবেই না; শুক্রবারেই বিয়ে, তখনও তরুনের এই নির্ঘুম রাতের সন্ধান মেলে নি কেনো? এ কি অবিমৃষ্য ভাগ্য! মৃত্তিকা যখন এক নিঃশ্বাসে বলল, ভাইয়া আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, ওরা আর দেরী করবে না, দু পক্ষের সবাই একমত, আমি কিছূ বুঝতে পারছিনা। ভাইয়া কিছু বল।
তরুন খুব সংক্ষেপে বলেছিল, কনগ্রেটস।
ভাইয়া আমার বিয়ে আগামী শুক্রবারই হবে হয়তো। বুঝতে পারছ।
মৃত্তিকা কাঁপছিল। কান্না লুকানোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সেটা। তরুন আবারও ফান করছিল, কেমন রে বর? তুই মাটি আর বরটা তাহলে নিশ্চয় খাঁটি। শুনেছি , মা বলছিল অনেক ধনী নাকি তোর হবু বরে রা। খূব সুখে থাকবি, তাই না। আমারে মনে পড়বে না?
মৃত্তিকা আবারও বলল, তুমি কিছু বলবে না, কিছূ বলবে না ভাইয়া, কিছূই কি বলার নেই।
আছে, বিয়েতে দাওয়াত দিস।
ভাইয়া , মা ডাকছে। রাতে কথা হবে।
সে রাতেও দুজন কথা বলেছিল। বিকেলে মৃত্তিকা বাবার কঠিন প্রশ্নে বিয়ের জন্য সম্মতি দিয়ে দিয়েছে, জানালো। কথা হলো পরের রাতেও। তারপরের রাতেও। কত দুষ্টামী। বিয়ে নিয়েও কিছু। মৃত্তিকা শেষ কটা দিন একটুও মিস করতেচায় নি। কেঁদেছে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে, তবে তরুন সিগারেটটা ফেলে ঘরে চলে যাবার পর।
তরুন দেখেও না দেখার ভান করেছে। সামনে আসেনি কান্নার সুখ হতে মৃত্তিকাকে বঞ্চিত করতে। পরে কাঁদার চেয়ে আগে কাঁদাই তো ভাল। ভেবেছে ওমনই তরুন।
মৃত্তিকা যেখানে হেলান দিযে কথা বলত, সেই পিলার টার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তরুন। ভীষন এক শূণ্যতা জড়িয়ে ধরে । ভীষণ চাপ সে আলিঙ্গনে। মনে হয় পাঁজরের ভেতরে কিছূ ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে প্রতিটি আলিঙ্গনে তার। উঠে টেবিলের দিকে এগিয়ে সিগারেটের প্যাকেট টা পেল। দুটো আছে। চলবে। কিন্তু ম্যাচ নেই। ইস। প্রায়ই হয়। মৃত্তিকা বারন্দা থেকে কত ম্যাচের কাঠি ধার দিয়েছে। ছূড়ে মাড়ত। খালি কাঠি। ওটা মেঝেতে ঠুকিয়ে তরুন খূব ভাল ভাবেই আগুন জ্বালাতে পারে। হয়তো খুঁজলে বারান্দায় এখনও দু একটা কাঠি মিলবে।
মিলল সত্যি সত্যি। মেঝেতে একবারের ঘষাতেই আগুন জ্বলে উঠল। ধরালো সিগারেট। তারপরই মনে হলো এই বারুদের কাঠিতে মৃত্তিকার পরশ। খুব উপলব্ধি হচ্ছে এই দুদিন ভালবাসার সাথে স্পর্শের নিবীড় সম্পর্ক। শেষ যে দিন দু’জন কথা বলেছিল সেই নিশীথে গ্রীলের দুরত্বে সেদিন একটা অনুরোধ করেছিল মৃত্তিকা। ‘ভাইয়া সিগারেট টা কম খেও আর পারলে এই আমার জন্য বাদ দিয়েই দিও।”
সিগারেট টা টানতে টানতেই ঢুলু ঢূলু চোখ বুজে আসছিল। ঠিক তখনই আবার সেই ফুলশয্যার খাট। লোকটার হাত মৃত্তিকার দেহের নানান ভাঁজে স্বপ্ন খুঁজে বেড়াচ্ছে। অসহ্য! পোড়া একটা গন্ধ এল নাকে । সিগারেটটা হাত থেকে পড়ে গেছে নিচে স্যান্ডেলের উপর। পুড়ছে। পানির গ্লাসটা টেবিল থেকে এনে ঢেলে দিল সাথে সাথে।
ঐ তো মনে পড়ে মৃত্তিকার বারান্দায় অসাবধানতা বশেই ছুঁড়ে মেরেছিল সিগারেটের অবশেষটুকু। পড়ল রশিতে ঝুলতে থাকা সেলোয়ারটার উপর। তারপর হঠাৎ ভয় পেয়ে গেলো তরুন। কিংকর্তব্যবিমূঢ় , বুঝছিল না কি করবে। এক গ্লাস পানি এনে ছুড়ে দিল। লাভ হলো না, আগুন ধরে গেছে, সেলোয়ারটা পুড়ছে, মৃত্তিকা বোধহয় শুয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে মোবইলে কল দিয়ে জাগাল। চোখে আগুন ধরা পড়তেই সে কি চিৎকার মৃত্তিকার। ওর মা ছুটে এসেছিল। ভীষণ লজ্জাকর কান্ড। তরুন সেদিন বাবার কাছে খুব বকা খেয়েছিল। মৃত্তিকা পরে বলেছিল, তুমি মোবাইলে বলতে পারলে না , আমি পুড়িয়েছি, তাহলে তো আর চিৎকার করি না। তুমি পোড়াবে তাও একটা সেলোয়ার! সে তো আমার সৌভাাগ্য।
খোঁচা দিলি।
জি না। তুমি বুঝবে না।
সত্যি কি মেয়েটার মনটা পুড়িয়ে দিলাম। ও কি ঠিক এই আমার মত কষ্ট পাচেছ , নির্ঘূম কাটছে তার রাত? একটা কল দিলে কেমন হয়। সত্যি সত্যি নম্বরটা ডায়াল করল তরুন। বন্ধ। উহ্! নো। তারপর টিভিটা ছেড়ে সারা রাত কাটিয়ে দিল তরুন সিনেমা দেখে অথবা টিভির পর্দায় মৃত্তিকার চেহরা ভেবে ভেবে।
দিনে ভালই ঘুম হলো। মৃত্তিকা খুব একটা ঝামেলা করল না। দোকানে যাওয়া হলো না। জানে বাবা খূব বকবেন। তাদের বসুন্ধরার দোকানটাতে একজন কর্মচারী এমনেতেই ছুটিতে। গতকালও যায় নি তরুন। ক্যাশে কে বসবে। বাবা কটা দোকান সামলাবেন একা? অথচ সে নিয়ে তার কোন মাথা ব্যাথা হচ্ছে না। বাবা সকালে একবার ডেকে জিজ্ঞেস করাতে বলল, গায়ে জ্বর। সত্যিই গায়ে না হোক মনে তো জ্বর হয়েছেই।
সন্ধ্যায় মৃত্তিকার বউ ভাতের অনুষ্ঠান। গেলো না। বাবা, ছোট ভাই আর ছোট বোনটা গেলো । তরুনের মা বেঁচে নইে। বাসায় তাই একা তখন তরুন। সেই তীব্র একাকীত্বে মৃত্তিকার প্রতি প্রেম আরও ঝড়ো হয়ে উঠল। শেভ করার রেজার টা নিয়ে একবার মনে হলো হাতে একটা কৃত্রিম কষ্ট রচে দেখা যাক কষ্টটা কমে কিনা। কিন্তু উচিৎ হবে না ভেবেও এক সময় একটা লম্বা টান দিয়ে দিল। রক্তের প্রবাহ মনে যেন কষ্ট আরও বাড়িযে দিল। রক্ত পড়ছে হাত বেয়ে, বসে আছে বারান্দায়। মন খুঁজছে মৃত্তিকার সঙ্গ। মৃত্তিকা হঠাৎ কানের কাছে এসে বলল, এসব কি? হুস হলো।
উঠে ওষুধ লাগিয়ে রক্ত বন্ধ করে তুলা দিয়ে ঢেকে রাখল। অনেকখানিই কেটেছে। নিজেই অবাক হলো। সেই শক্ত হৃদয়ের তরুন...এ কি হলো , কেনো হলো, কিযে হলো, জানি না তো ...গান টা আওড়ালো দুবার।
তারপর এলো সেই গভীর রাত। বারান্দাতেই বসে ছিল। অপেক্ষায় ছিল , কখন আসে মৃত্তিকা।
রাত তখন সাড়ে দশ ঘটিকা হবে , ও এলো।
কেমন আছ, ভাইয়া। শুনলাম জ্বর। কিন্তু জ্বর নিয়েও আসা উচিৎ ছিল। আমি কিন্তু আশা করেছিলাম।
তরুন অবাক তাকিয়ে। কি অসাধারণ লাগছে মেয়েটাকে। কে বলবে দুদিন আগেও ও একটা ছোট্ট মেয়ে ছিল। সে ছোট্ট মেয়োটার সাথে সে গত ৭ বছর ধরে কথা বলে আসছে। তার সামনে এ যে এক পূর্ণবতী আফ্রোদিতি। ও মায়া বাঁচতে দেবে না তরুন কে। সে তাকিয়েই থাকল।
কিন্তু তোমার হাতে ... কি হয়েছে? দেখি দেখি
কিছু না, কেটে গেছে।
কিভাবে, কিভাবে, বলো, বলো না।
রেজার লেগে, রেজার , কিন্তু তুমি তো দেখি দেবদাসের মত উদাস হয়ে দাড়ি টারি শেভ ই করনি। কিন্তু হাতে।
ওই তো করতে যাচ্ছিলাম , হাতে হঠাৎ টান লেগে...আর শেভ করলাম না। তা তুই ভাল আছিস।
তুমি কিছু লুকাচ্ছ। মাত্র দুদিনে একি চেহারা বানিয়েছে। বলো তো কি হয়েছে?
কিছু না। তুই যা, তোর বর আবার খুঁজতে খূঁজতে চলে না আসে।
আসুক। ওকে আমি তোমার কথা বলেছি তো। একটু বয়স বেশী লোকটার , তাছাড়া খুবই ভাল । আমাকে প্রচন্ড ভালবাসে। জানো আমার এক কথায় বাসর রাতেই তার আজীবনের সাধনার মোচটা কেটেই ফেলল। আমি বললাম মোচ না কাটলে নো কিস এটঅল, বাস...
তুই চুপ কর। চুপ করবি। যা চলে যা।
আচ্ছা কি বলোতো, কি হয়েছে, হিংসা হচ্ছে...কিন্তু কেনো হবে ...তুমি তো আর...
হিংসা! কার সাথে করব। ঐ মোচুর সাথে। তুই ওরে ছেড়ে দে। এখনও সময় আছে। তুই না আমার কাছ থাকে শূনতে চেয়েছিলি , আমি বলব। আমি আমি তোকে অনেক ভালবাসি। অনেক। তোকে ছাড়া আমার চলবে না।এখনও সময় আছে। চলে আয়, প্লিজ আমাকে বাঁচা।
মৃত্তিকা চুপ করে তাকিয়ে থাকল অনেক ক্ষণ। তারপর বলে উঠল, আমি এখনও তোমাকে অনেক ভালবাসি। বাসব হয়তো সারাজীবন। কিন্তু এখন আর কিছূ করা নেই। সেই আমি আর নেই । আমি অন্য কারও। সবই সপে দিয়েছি অন্য একজনের ভালবাসার কাছে। তোমাকে দেয়ার মত কিছূ নেই আমার আর।
সমস্যা নেই। আমি সব মেনে নেব। মাত্র তো দুই রাত।
ওটাই তো যথেষ্ট। আমি আহাদকে মেনে নিয়েছি। ওই এখন দেহ মনের অধিকারী। আমি ওকে ভালবাসার চেষ্টা করছি। হয়তো পারবও । মেয়েরা সব পারে। পারতে হয়। এখন আর আমাকে কেনো দুর্বল করে দিচ্ছি।
আমি কিচ্ছু জানি না। আমি ভুল করেছি। আমি বুঝতে চায়নি। তোকে এত কাছে পেয়ে বুঝি নি হারানো বলে কিছু যে আছে। আমি সত্যি সত্যি তোকে ভালবাসি।
ভালবাসা! নাকি কথা বলার সঙ্গীর অভাব। কথাসঙ্গী !
ও অভাবটাকি ভালবাসার অভাব নয়?
চুপ করো। প্লিজ , চুপ করো। ও ডাকছে। এ দিকেই আসছে। তুমি চলে যাও ভেতরে। যাও। আমি এখন আর চাচ্ছিনা তোমার সাথে ওর কথা হক। পরিচয় হোক। আমি ওকে বলে দেবো তুমি বাসায় নেই কিংবা অুসস্থ , কিছূ একটা। আমি তো ওকে দেহ মনে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি। তুমিই তো বাধ্য করেছ।
আচ্ছা করেছি। এখন বাধ্য করছি চলে আসতে। আস। ঐ লোকটা তোমার দেহ নিয়ে খেলবে তুমি একটু ও কষ্ট পাবে না আমার জন্য ।
তোমার জন্য। তুমি নিজের হাতে নিজের স্বর্গ নষ্ট করেছো। সব ভুলে যাও। কাজ কর মন দিয়ে। দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে।
ঠিক হবে না। আমি সহ্য করতে পারিনা। ঘুমাতে পারি না। মচুটা তোমার দেহ স্পর্শ করছে আমি ভাবতে পারি না, ও দেহ আমার, আমার।
শোন তোমার রুমটা পাল্টে নিও। আমি আর কখনও এই বারান্দায় আসব না, অন্তত তুমি থাকলে। আমি দুঃখিত। চললাম।





বেশ কিছু বানান ভুল আছে। কয়েক জায়গায় একটু অতি নাটকীয় বলেও মনে হলো। তবে ঘষামাজা করলে চলনসই একটা গল্প হয়তো দাঁড়িয়েও যেতে পারে।
আমি তো ভেবেছিলাম ভেতর-বাহির সিরিজে আজকের ঢাকা আর বইমেলার বর্ণনা থাকবে। আচ্ছা গল্পটাও পড়বো।
বিশাল বড়, বাসায় গিয়ে পড়বো।
এই নামটার প্রতি আমার একটা উইকনেস আছে। পারলে নামটা বদলায়ে দেন।
গল্পটা সুন্দর। থিমটা পুরানো হইলেও উপস্থাপনাটা ভাল্লাগ্ছে।
নাম পাল্টাতে হবে কেনো বুঝতে পারছি না।
ভাইয়া, ব্যাক্তিগত কারণ।
ভালো লাগলো ...
পছন্দ হইছে...
পড়লাম। ভালোবাসার মধ্যে মানসিক কষটের চেয়ে শরীরটার কথাই কেনো প্রধান হয়ে উঠলো, সেটউকু বাদ দিয়ে বাকীটা ভালো লেগেছে।
মন্তব্য করুন