ভেতর-বাহির ( নবম পর্ব)
লেখা আমার উর্বরা আবাদী জমিন নয়, তবুও আমি লিখি , এ যেন চাষ মনের মত , জমিন খান তো আর পইড়া থাকে না...উৎপাদন ঐতিহ্যবাহী নাই বা হলো। লেখা তাই প্রাণ ...লেখা ছাড়া বাঁচিনা ... অনেকদিন হয়ে গেলো লিখিও না তেমন কিছুই ...তাইলে কি মইরা গেছি গা, আরে জব্বর উপমা শুনেন.............বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই, গ্যাস নাই...বৃষ্টির সম্ভাবনা নাই...হাপিত্তেশ অঙ্গ জ্বলুনী তাপ আছে অফুরন্ত...তাও কিন্তু আমরা ৯৯.৯৯% মানুষ ও মরি না।
জোর গলায় বলে বেরাতুম...আমার গরম টরম কম লাগে...আমি হার স্বীকার করে নিলাম, ভুল কথার জন্য গায়ে ঢেলে দিলাম বরফ গলা এক বোতল পানি...চর্ম জ্বলে যায় প্রতি দিন প্রভাতের পরে ...বিকেলে নকশা খুঁজে পাই জ্বলন্ত গাত্রের ক্যানভাসে। উফফফফফফফফফফফফফফফফ...
বিয়া কইরা পরিবর্তনের ভিন্নতায় ভিন্ন না হবার অভ্যাসে পার করে দিলুম একমাসের বেশী। পরিবর্তনকে বড় ভাল বাসী। কিন্তু বউ পরিবর্তন না কিন্তু আবার কারন বুইঝা ফেলাইছি বউরে আমি ঐ ভালবাসার চেরেয় বেশী অনেক ভালবাসী। তয় এই লেখা আর নেট বিরতি কেবল ঐ কারনে নয় হে বন্ধু আমরা.কম। এক লগে সেউ ঢাকার বাইরে মুন্সীগঞ্জ আর নারায়নগঞ্জ অফিস করছি সাথে লম্বা এক ট্রেনিং করতে হচ্ছে ঢাকায় হেড অফিসে বিকেলে...আমাদের উদভ্রান্ত সময় পার করানী কোম্পানী বিটিসিএল এর ম্যানেজমেন্ট এখন এমনই । ভাবখানা এমন আমি সকালে মুন্সীগঞ্জে উড়ে উড়ে যাব আবার ঠিক সব কাজ শেষে দুপুর ৩:৩০ এ ট্রেনিং এ চলে আসব উড়ে উড়ে মুহুর্তে...এই দীর্ঘ ৫০+৫০ কিমি পারি দিতে কতক্ষণ লাগে এইসব কে হিসেব করবে। রিলিজ চাইলাম ট্রেনিং এর জণ্য...আমার চৌহদ্দির মধ্যে আমি ব্যতিত আর কোন অফিসার নাই , শো ম্যানেজ করে চলতে হবে।
এই অসামাঞ্জ্য আর যাচ্ছেতাই ম্যানেজমেন্ট করতে করতে বিটিসিএল এর যে কি হতে যাচেছ কেই বা জানে। তত্তাবধায়ক সরকারের কোম্পানী তে বিটিটিবি রূপান্তরের অধ্যাদাশে বলা ছিল ২০১০ সালের জুন এর ৩০ পর্যন্ত সকল কর্মকর্তা (মানে আমরা) আর কর্মচারী এস ইট ইস বিটিসিএল এ কর্মরত থাকবে। দেন ...সেই অপেক্ষায় আছি। আর মাত্র ২ মাস ১৮ দিন। তারপর আমাদের বিসিএস টেলিযোগযোগ ক্যাডারের ৪০০ + অফিসার গণ জানি না আমরা কোথায় যাব। এই সব জটিলতা সম্পর্কিত নানান হাস্যকর আড্ডায়ও বেশ সময় পার হয় অফিসে।
কবি নামধারন যখন করেই ছিলাম, তারই স্বার্থকতা ফুটাতে বউকে একটু সময় দিতে মন চায়, মন চায় ভাবুক হইতে ভালবাসায়...টাইম ম্যানেজমেন্ট কোর্স করেছিলাম পিএটিসিতে ...বড় কাজে দিচ্ছে।
আমারে কেউ স্যাবলা ট্যাবলা ভাইবেন না। বড় কষ্ট পাইছি আমরা বন্ধুর সাম্প্রতিক আড্ডা গুলো মিস করে। উহ নো।
আমারে কেউ ডাকেও না। এইটার অনুযোগ আমি কিন্তু করতেও পারি। কি কন। পারি না।
আমি কিন্তু ফিরা আইছি।
ভেতর-বাহির এবার তুলা ধুনা করে ছাইরা দিমু। যদিও লেখা চাষ বীজের অভাবে ভাল ফসল দিচ্ছে না। জমিতে মই দিতে হইবো ...একটা মই কিনা নিয়া আসি ...ওয়েট ফর দ্যাট মুমেন্ট।
১২/৪/২০১০
সকাল





আড্ডায় তো কেউ কাউরে ডাকে না... ব্লগেই ঘোষনা যায়... ব্লগেই আয়োজন হয় ... ব্লগেই সব কিছু...
সো আড্ডাইতে চাইলে নিয়মিত ব্লগে চোখ রাখতে হবে
ঠিকাছে মানিলাম
বিবাহ হয়ে গেছে- গুড; বিবাহিতদের দল দিনকেদিন ভারী হইতেসে; ভাবীরে বলেন ব্লগে একটা নিক খুলে ফেলতে;
আপনাদের ভাবী আমাকে ঠিক তাই বলছিল...যদিও সে বাংলায় টাইপ করতে পারে না ,
খুলে দেব আজকালই..
বাংলা টাইপ আসলে সেরকম বড় বাঁধা না কারণ আমি আমার জীবনের প্রথমপোস্ট ভার্চুয়াল কী-বোর্ড দিয়া মাউসটিপা টাইপ করছিলান
ভেতর-বাহির এবার তুলা ধুনা করে ছাইরা দিমু।
মন্তব্য করুন