এলোমেলো ৩
সবাই বলছে এত বৃষ্টি, ঈদ টাই এইবার মাটি, আমার মতামত ভিন্ন। যে ৫ জিনিসে আমার অস্বাভাবিক দুর্বলতা, বৃষ্টি তার একটা। জ্বর নিয়ে প্রায় সময় ভিজি, আবার জ্বর বাধাই, সারাবছর এভাবেই চলে কম বেশী। ওষুধ হলো মাঝখানে নীল পরীর বাড়তি কিছু বকা।
সারাদিন বাইরেই ছিলাম, আজিমপুর গেলাম বিকেলে বাবার কবর জিয়ারত করতে, ১০ বছর বাবাকে ছাড়া ঈদ করলাম, কিভাবে এতগুলো সময় পার হলো বলতে পারি না, কেবল জানি বাবা প্রায়ই ডাকে, বলে তাঁর কাছে যেতে। গিয়েই তাঁর একটা পোর্টেট করে চমকে দিলে কেমন হয়? অনেক অবাক হবে? যে ছেলেকে আঙ্গুল ধরে ছবি তুলাতে নিয়ে যেতেন, এখন সেই তাঁরই ছবি তুলছে?
বৃষ্টির সব থেকে বড় সুবিধা,এটা যেমন সব কিছু মুছে দেয়, অনেক কিছু ঢেকেও দেয়, বৃষ্টির পানিতে চোখের পানি আলাদা করা যায় না, আজকেও যায়নি......
অনেক বদলে গেছে আজিমপুর। কলোনীগুলো, মাঠ, কবরস্থানের রাস্তা, সব কিছু। আমি কেন বদলাই না? সেই একই সন্ধ্যা রাতে গলি গলিতে ছবি তুলে ফেরা, নিয়ন একাকারে নিজের ছায়াকে নিজেই মাড়িয়ে যাওয়া,ছেলেবেলাকে ব্যাস্ত ওই আলো আধারিতে খোঁজা, প্রতি সেকেন্ডে নিজেকে সমাজ আর সম্পর্কের অযোগ্য হিসেবে প্রমাণ করা। আমি কেন বদলাই না?
হেঁটে হেঁটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে ফুলার রোড পার হলাম। সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি কাদায় লেপটা লেপটি অবস্থা, চশমা খুলে ফেললাম, থাকা না থাকা একই ব্যাপার, হেঁটেই চলি আমি,জানা নেই...... হাঁটার শেষ কোথায় আমার।





আপনার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা, আল্লাহ্ তাঁর আত্মাকে শান্তি দান করুন, এই দোয়া করি।
আগের দুইটা এলোমেলোর মতো এটা পড়া শুরু করার আগে চিন্তা ছিলো আপনাকে আপনার নীল পরী নিয়ে কিছুক্ষন পঁচাবো। কিন্তু দ্বিতীয় প্যারা পড়ার পর সেই সব চিন্তা উধাও হয়ে গেলো।
আপনার বাবা ওপারে ভাল থাকুক এই কামনা করছি।
আগের দুইটা এলোমেলোর মতো এটা পড়া শুরু করার আগে চিন্তা ছিলো আপনাকে আপনার নীল পরী নিয়ে কিছুক্ষন পঁচাবো। কিন্তু দ্বিতীয় প্যারা পড়ার পর সেই সব চিন্তা উধাও হয়ে গেলো।
আপনার বাবা ওপারে ভাল থাকুক এই কামনা করছি।
ঈদ মোবারাক আনাম ভাই! বাবা যেখানেই আছেন অবশ্যই ভাল আছেন!
আর হাঁটাহাঁটির শেষ কোথায়? ওইটা নীলপরী কে জিগাইলেই হয়
ঈদ মোবারক।আপনার বাবার জন্য দোয়া।আমিও ভাবি,আমি কেন বদলাই না?
নীল পরী বাবাকে দেখে যেতে পারেনি, ওদের দুজনের পরিচয় হলে দুজনে হয়তো বের করতে পারতো তাদের পাগলার হাঁটার শেষ কোথায়.
আমি অবশ্য ফুলার রোডে গিয়ে মোটর সাইকেলের সমারোহ দেখে খানিকটা ঘাবড়ে গিয়েছিলাম।
কইবেন না গেছিলেন, তাইলে দেখা করতাম
আরে আমি কি আর জানি নাকি, আপনে যাবেন। তাইলে তো বলতামই
মন খারাপ হ'লো...
আপনার আব্বা নিশ্চয়ই আপনার উপর চোখ রাখেন মাঝেই,
তার প্রিয় ছেলের ছেলের চোখে জল - তাকে যেন কখনো দেখতে না হয়।
মন্তব্য করুন